ঢাকা ০৬:১৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
এক বছরে বিচারাধীন মামলা ২০ লাখে নামানো সম্ভব: আইনমন্ত্রী জামিন পেলেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী দিল্লিতে বিক্ষোভে সংঘর্ষ, ১১৮ পুলিশ সদস্য আহত; ৭০ ককরোচ গ্রেপ্তার সাইবার বুলিং দমনে আইনজীবী ও বিশেষজ্ঞ প্যানেল গঠন করবে সরকার ‎সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সবুজ সংকেত ট্রাম্প প্রশাসনের ‎ মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানালেন তারেক রহমান মেসিকে ছাড়াই দেশে টিম আর্জেন্টিনা, লাল গালিচায় উষ্ণ অভ্যর্থনা সাতক্ষীরায় শিশুর মরদেহ আলমারি থেকে উদ্ধার, গণপিটুনিতে নিহত অভিযুক্ত নারী

পূর্বাচলের সংরক্ষিত বনাঞ্চলের সীমানা দ্রুত চিহ্নিত করা হবে: পরিবেশ উপদেষ্টা

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৭:১৩:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ জুন ২০২৫
  • / 639

ছবি সংগৃহীত

 

পূর্বাচলের সংরক্ষিত বনাঞ্চলের সীমানা অতি দ্রুত চিহ্নিত করা হবে বলে জানিয়েছেন পানি সম্পদ এবং পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান।

মঙ্গলবার (১০ জুন) রাজধানীর পূর্বাচলে বন বিভাগের সংরক্ষিত বনাঞ্চল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি এ কথা জানান।

আরও পড়ুন  তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠকে সন্তুষ্ট উপদেষ্টা পরিষদ: পরিবেশ উপদেষ্টা রিজওয়ানা

তিনি বলেন, “এখানে এখনো মোটামুটি সতেজ একটি বন রয়েছে। সীমানা চিহ্নিত করা এখন সময়ের দাবি এবং এটা দ্রুতই করা হবে। আমরা চাই, ঢাকার মানুষের জন্য এটি একটি নিকটবর্তী বন হিসেবে গড়ে উঠুক যেখানে তারা ঘুরতে আসতে পারবে।”

উপদেষ্টা আরও বলেন, “ভুল বনায়ন নীতি, অপরিকল্পিত নগরায়ন ও শিল্পায়নের কারণে পূর্বাচলের শালবন ধ্বংসের মুখে পড়ে। পূর্বাচল প্রকল্পের দ্বিতীয় ফেজে রাজউক বনাঞ্চলের একটি অংশকে তাদের আওতায় আনতে চেয়েছিল। কিন্তু আমরা আইনি লড়াইয়ের মাধ্যমে প্রায় ১৪৪ একর বন রক্ষা করতে সক্ষম হয়েছি।”

তিনি জানান, “আমরা শালগাছের চারা রোপণের মাধ্যমে এই বন পুনরুদ্ধারে কাজ করবো। এখানকার ভূতাত্ত্বিক গঠনের দিক থেকে জায়গাটি তুলনামূলক উঁচু, তাই এখানে প্রাকৃতিক উপায়ে শালবন ফিরিয়ে আনার যথেষ্ট সম্ভাবনা রয়েছে। যেসব জায়গা এখনও খালি, সেখানে শালগাছ রোপণ করে ভূমি দখলের আশঙ্কা রোধ করা হবে।”

রিজওয়ানা হাসান বলেন, “এই বনাঞ্চল আগে থেকেই সরকারিভাবে সংরক্ষিত বন হিসেবে চিহ্নিত ছিল। বর্তমানে এটিকে বিশেষ জীববৈচিত্র্য এলাকা ঘোষণা করা হয়েছে।”

তিনি আরও জানান, “বনের জমির ভেতরে যদি কেউ প্রথাগত বনবাসী না হন, তাহলে তার বসবাসের বৈধতা নেই। যারা অবৈধভাবে দখল করে রয়েছেন, তাদের দ্রুত ওই জমি ছাড়তে হবে।”

পরিদর্শনকালে বন্যপ্রাণী ও প্রকৃতি সংরক্ষণ অঞ্চলের বন সংরক্ষক মো. ছানাউল্ল্যা পাটওয়ারী, বন্যপ্রাণী বিশেষজ্ঞ ড. মোহাম্মদ আলী রেজা খান, সামাজিক বন বিভাগ ঢাকা অঞ্চলের বন সংরক্ষক হোসাইন মুহম্মদ নিশাদ, এবং বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের ঢাকা বিভাগীয় কর্মকর্তা শারমিন আক্তারসহ বন বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

পূর্বাচলের সংরক্ষিত বনাঞ্চলের সীমানা দ্রুত চিহ্নিত করা হবে: পরিবেশ উপদেষ্টা

আপডেট সময় ০৭:১৩:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ জুন ২০২৫

 

পূর্বাচলের সংরক্ষিত বনাঞ্চলের সীমানা অতি দ্রুত চিহ্নিত করা হবে বলে জানিয়েছেন পানি সম্পদ এবং পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান।

মঙ্গলবার (১০ জুন) রাজধানীর পূর্বাচলে বন বিভাগের সংরক্ষিত বনাঞ্চল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি এ কথা জানান।

আরও পড়ুন  পরিবেশ এবং জীববৈচিত্র্য রক্ষায় সুইডেনের সহায়তায় বিশেষ প্রকল্প গ্রহণ করছে সরকার: পরিবেশ উপদেষ্টা

তিনি বলেন, “এখানে এখনো মোটামুটি সতেজ একটি বন রয়েছে। সীমানা চিহ্নিত করা এখন সময়ের দাবি এবং এটা দ্রুতই করা হবে। আমরা চাই, ঢাকার মানুষের জন্য এটি একটি নিকটবর্তী বন হিসেবে গড়ে উঠুক যেখানে তারা ঘুরতে আসতে পারবে।”

উপদেষ্টা আরও বলেন, “ভুল বনায়ন নীতি, অপরিকল্পিত নগরায়ন ও শিল্পায়নের কারণে পূর্বাচলের শালবন ধ্বংসের মুখে পড়ে। পূর্বাচল প্রকল্পের দ্বিতীয় ফেজে রাজউক বনাঞ্চলের একটি অংশকে তাদের আওতায় আনতে চেয়েছিল। কিন্তু আমরা আইনি লড়াইয়ের মাধ্যমে প্রায় ১৪৪ একর বন রক্ষা করতে সক্ষম হয়েছি।”

তিনি জানান, “আমরা শালগাছের চারা রোপণের মাধ্যমে এই বন পুনরুদ্ধারে কাজ করবো। এখানকার ভূতাত্ত্বিক গঠনের দিক থেকে জায়গাটি তুলনামূলক উঁচু, তাই এখানে প্রাকৃতিক উপায়ে শালবন ফিরিয়ে আনার যথেষ্ট সম্ভাবনা রয়েছে। যেসব জায়গা এখনও খালি, সেখানে শালগাছ রোপণ করে ভূমি দখলের আশঙ্কা রোধ করা হবে।”

রিজওয়ানা হাসান বলেন, “এই বনাঞ্চল আগে থেকেই সরকারিভাবে সংরক্ষিত বন হিসেবে চিহ্নিত ছিল। বর্তমানে এটিকে বিশেষ জীববৈচিত্র্য এলাকা ঘোষণা করা হয়েছে।”

তিনি আরও জানান, “বনের জমির ভেতরে যদি কেউ প্রথাগত বনবাসী না হন, তাহলে তার বসবাসের বৈধতা নেই। যারা অবৈধভাবে দখল করে রয়েছেন, তাদের দ্রুত ওই জমি ছাড়তে হবে।”

পরিদর্শনকালে বন্যপ্রাণী ও প্রকৃতি সংরক্ষণ অঞ্চলের বন সংরক্ষক মো. ছানাউল্ল্যা পাটওয়ারী, বন্যপ্রাণী বিশেষজ্ঞ ড. মোহাম্মদ আলী রেজা খান, সামাজিক বন বিভাগ ঢাকা অঞ্চলের বন সংরক্ষক হোসাইন মুহম্মদ নিশাদ, এবং বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের ঢাকা বিভাগীয় কর্মকর্তা শারমিন আক্তারসহ বন বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।