ঢাকা ০৯:৩০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬, ১৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ঢাকাসহ ৪ বিভাগে হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা: বাড়তে পারে দিনের তাপমাত্রা দীর্ঘমেয়াদী যুদ্ধে আর জড়াবে না যুক্তরাষ্ট্র: ফক্স নিউজকে জেডি ভ্যান্স ইরানকে চিরতরে দমানোর ছক করছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ঃ হাকান ফিদান শেয়ারবাজার কারসাজি: সাকিবসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন পেছাল ইরান সমঝোতার জন্য প্রস্তুত থাকা সত্ত্বেও তাদের ওপর যুদ্ধ চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। নওগাঁ আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে বিএনপির একচেটিয়া জয়, শূন্য হাতে জামায়াত শাহজালাল বিমানবন্দরে চারদিনে ১৪৭ ফ্লাইট বাতিল দুদকে পরিবর্তন, চেয়ারম্যান-কমিশনারদের পদত্যাগ পলিটেকনিকে সংঘর্ষ: রক্তের ‘বদলা’ নেওয়ার হুঁশিয়ারি ছাত্রদল সভাপতির বিলবোর্ড ও ব্যানার থেকে নিজের ছবি সরানোর নির্দেশ: প্রধানমন্ত্রী

আড়াই ঘণ্টা পর রাজশাহীর সঙ্গে সারা দেশের রেল যোগাযোগ স্বাভাবিক

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১০:৫৮:৫১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১১ জুন ২০২৫
  • / 124

ছবি: সংগৃহীত

রাজশাহীর সঙ্গে সারা দেশের রেল যোগাযোগ আড়াই ঘণ্টা বন্ধ থাকার পর আবারও স্বাভাবিক হয়েছে। বুধবার (১১ জুন) সকাল ৯টায় আন্দোলনকারীরা নন্দনগাছী রেলস্টেশনের অবরোধ কর্মসূচি প্রত্যাহার করলে ট্রেন চলাচল শুরু হয়। তবে আন্দোলন প্রত্যাহারকে কেন্দ্র করে আন্দোলনকারী দুই গ্রুপের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে।

এর আগে সকাল সাড়ে ৬টার দিকে রাজশাহীর চারঘাট উপজেলার নন্দনগাছী স্টেশনে আন্তঃনগর ট্রেনের যাত্রাবিরতি ও স্টেশন সংস্কারের দাবিতে রেলপথ অবরোধ করেন স্থানীয়রা। এতে রাজশাহী থেকে খুলনাগামী সাগরদাঁড়ি এক্সপ্রেস ও ঢাকাগামী মধুমতী, বনলতা ও সিল্কসিটি এক্সপ্রেস ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে পড়ে। ফলে রাজশাহীর সঙ্গে সারাদেশের ট্রেন যোগাযোগে মারাত্মক বিঘ্ন ঘটে।

বিক্ষোভকারীরা স্টেশনের দুই পাশে লাল নিশান টানিয়ে ট্রেন চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ করে দেন। পরে স্টেশনের সামনে বিভিন্ন দাবিদাওয়া লেখা ব্যানার-ফেস্টুন নিয়ে অবস্থান কর্মসূচি শুরু হয়। এতে ঈদ শেষে কর্মস্থলমুখী যাত্রীরা চরম ভোগান্তিতে পড়েন।

আরও পড়ুন  কচুরিপানার নিচে শিশুর মরদেহ

আন্দোলনকারীদের দাবি, নন্দনগাছী স্টেশনে সিল্কসিটি এক্সপ্রেস, সাগরদাঁড়ি এক্সপ্রেস, বরেন্দ্র এক্সপ্রেস ও ঢালার চর এক্সপ্রেস ট্রেনের নিয়মিত যাত্রাবিরতি নিশ্চিত করতে হবে এবং অবিলম্বে স্টেশনটির জরুরি সংস্কার করতে হবে।

স্থানীয় বাসিন্দা মোজাম্মেল হক বলেন, “চারঘাট, বাঘা ও পুঠিয়ার হাজারো মানুষ এই স্টেশন ব্যবহার করলে উপকৃত হবেন। রাস্তায় যানজট বাড়ছে, রেলই এখন ভরসা। অথচ যাত্রাবিরতি না থাকায় মানুষকে দুর্ভোগ পোহাতে হয়।”

উল্লেখ্য, ১৯২৯ সালে প্রতিষ্ঠিত নন্দনগাছী স্টেশনটি ২০১৫ সালের শেষ দিকে কার্যত বন্ধ হয়ে যায়। একসময় এখানে ১২ জন জনবল থাকলেও বর্তমানে মাত্র একজন পোর্টারম্যান কর্মরত রয়েছেন। এখন শুধু দুটি লোকাল ট্রেন এখানে থামে। প্ল্যাটফর্মে ছাউনি থাকলেও রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে স্টেশনটি একেবারেই জরাজীর্ণ।

এর আগেও গত ১ মে একই দাবিতে স্থানীয়রা বিক্ষোভ করেছিলেন। সেদিন বরেন্দ্র এক্সপ্রেস ও লোকাল মেল ট্রেন বন্ধ হয়ে পড়ে।

স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, আন্তঃনগর ট্রেনের যাত্রাবিরতি ও অবকাঠামোগত উন্নয়নের দাবিতে এই আন্দোলন বহুদিনের ক্ষোভেরই বহিঃপ্রকাশ। দ্রুত সমাধান না হলে এমন পরিস্থিতি ভবিষ্যতে আরও জটিল আকার নিতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আড়াই ঘণ্টা পর রাজশাহীর সঙ্গে সারা দেশের রেল যোগাযোগ স্বাভাবিক

আপডেট সময় ১০:৫৮:৫১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১১ জুন ২০২৫

রাজশাহীর সঙ্গে সারা দেশের রেল যোগাযোগ আড়াই ঘণ্টা বন্ধ থাকার পর আবারও স্বাভাবিক হয়েছে। বুধবার (১১ জুন) সকাল ৯টায় আন্দোলনকারীরা নন্দনগাছী রেলস্টেশনের অবরোধ কর্মসূচি প্রত্যাহার করলে ট্রেন চলাচল শুরু হয়। তবে আন্দোলন প্রত্যাহারকে কেন্দ্র করে আন্দোলনকারী দুই গ্রুপের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে।

এর আগে সকাল সাড়ে ৬টার দিকে রাজশাহীর চারঘাট উপজেলার নন্দনগাছী স্টেশনে আন্তঃনগর ট্রেনের যাত্রাবিরতি ও স্টেশন সংস্কারের দাবিতে রেলপথ অবরোধ করেন স্থানীয়রা। এতে রাজশাহী থেকে খুলনাগামী সাগরদাঁড়ি এক্সপ্রেস ও ঢাকাগামী মধুমতী, বনলতা ও সিল্কসিটি এক্সপ্রেস ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে পড়ে। ফলে রাজশাহীর সঙ্গে সারাদেশের ট্রেন যোগাযোগে মারাত্মক বিঘ্ন ঘটে।

বিক্ষোভকারীরা স্টেশনের দুই পাশে লাল নিশান টানিয়ে ট্রেন চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ করে দেন। পরে স্টেশনের সামনে বিভিন্ন দাবিদাওয়া লেখা ব্যানার-ফেস্টুন নিয়ে অবস্থান কর্মসূচি শুরু হয়। এতে ঈদ শেষে কর্মস্থলমুখী যাত্রীরা চরম ভোগান্তিতে পড়েন।

আরও পড়ুন  রাজশাহী থেকে ঢাকাগামী কোচ চলাচল বন্ধ

আন্দোলনকারীদের দাবি, নন্দনগাছী স্টেশনে সিল্কসিটি এক্সপ্রেস, সাগরদাঁড়ি এক্সপ্রেস, বরেন্দ্র এক্সপ্রেস ও ঢালার চর এক্সপ্রেস ট্রেনের নিয়মিত যাত্রাবিরতি নিশ্চিত করতে হবে এবং অবিলম্বে স্টেশনটির জরুরি সংস্কার করতে হবে।

স্থানীয় বাসিন্দা মোজাম্মেল হক বলেন, “চারঘাট, বাঘা ও পুঠিয়ার হাজারো মানুষ এই স্টেশন ব্যবহার করলে উপকৃত হবেন। রাস্তায় যানজট বাড়ছে, রেলই এখন ভরসা। অথচ যাত্রাবিরতি না থাকায় মানুষকে দুর্ভোগ পোহাতে হয়।”

উল্লেখ্য, ১৯২৯ সালে প্রতিষ্ঠিত নন্দনগাছী স্টেশনটি ২০১৫ সালের শেষ দিকে কার্যত বন্ধ হয়ে যায়। একসময় এখানে ১২ জন জনবল থাকলেও বর্তমানে মাত্র একজন পোর্টারম্যান কর্মরত রয়েছেন। এখন শুধু দুটি লোকাল ট্রেন এখানে থামে। প্ল্যাটফর্মে ছাউনি থাকলেও রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে স্টেশনটি একেবারেই জরাজীর্ণ।

এর আগেও গত ১ মে একই দাবিতে স্থানীয়রা বিক্ষোভ করেছিলেন। সেদিন বরেন্দ্র এক্সপ্রেস ও লোকাল মেল ট্রেন বন্ধ হয়ে পড়ে।

স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, আন্তঃনগর ট্রেনের যাত্রাবিরতি ও অবকাঠামোগত উন্নয়নের দাবিতে এই আন্দোলন বহুদিনের ক্ষোভেরই বহিঃপ্রকাশ। দ্রুত সমাধান না হলে এমন পরিস্থিতি ভবিষ্যতে আরও জটিল আকার নিতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।