ঢাকা ০১:৫৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
অস্ট্রেলিয়া সিরিজে বাংলাদেশ দলে চমক দেশে এখনও অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র চলছে: মির্জা ফখরুল মাজারের দিঘির কুমিরকে সরিয়ে নেওয়া হলো খুলনায় নেত্রকোনায় পাওনা দুই হাজার টাকার দ্বন্দ্বে ভাঙারি ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা সান মারিনো—বিশ্বের প্রাচীনতম প্রজাতন্ত্রের এক অনন্য গল্প মুক্তিযুদ্ধকে অসম্মান করলে আরেকটি গণঅভ্যুত্থান হবে: ইশরাক হোসেন বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি; কার্যকর জুন থেকেই বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের পণ্যে নতুন মার্কিন শুল্ক প্রত্যেকটি নাগরিককে মাথায় রেখে বাজেট দেওয়া হচ্ছে: অর্থমন্ত্রী শিশু রামিসা হত্যা মামলা: আদালতে অপরাধ স্বীকার সোহেল রানার, যুক্তিতর্ক বৃহস্পতিবার

সিরিয়ার জনগণের পাশে ইইউ, অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১১:০৭:৪৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ মে ২০২৫
  • / 329

ছবি: সংগৃহীত

 

দীর্ঘদিনের গৃহযুদ্ধ ও রাজনৈতিক অস্থিরতার পর অবশেষে সিরিয়ার পুনর্গঠন ও শান্তিপূর্ণ উত্তরণের পথে বড় এক পদক্ষেপ নিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)। বুধবার ব্রাসেলসে দেওয়া এক বিবৃতিতে ইইউ জানায়, দেশটির জনগণের স্বাভাবিক জীবনে ফিরে যাওয়ার পথ সুগম করতে সিরিয়ার ওপর আরোপিত অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।

ইইউ’র পররাষ্ট্র মন্ত্রীরা এর আগেই এ বিষয়ে রাজনৈতিক ঐক্যমত্যে পৌঁছেছিলেন, যার ভিত্তিতে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হয়েছে। ইইউ বলছে, সিরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদের পতনের পর দেশের সাধারণ জনগণ যাতে পুনরায় স্থিতিশীল ও নিরাপদ জীবনযাপন করতে পারে, সে লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন  ইউক্রেনের বিরল খনিজে চোখ ইইউ’র, নতুন কৌশলগত চুক্তির প্রস্তাব

তবে সব নিষেধাজ্ঞা একযোগে তুলে নেওয়া হয়নি। ইইউ পরিষদের বিবৃতিতে জানানো হয়, বাশার আল-আসাদ সরকারের ঘনিষ্ঠ সংস্থা ও ব্যক্তিদের ওপর যেসব নিরাপত্তাভিত্তিক নিষেধাজ্ঞা রয়েছে, সেগুলো বহাল থাকবে। বরং চলতি বছরের মার্চে সংঘটিত সহিংস ঘটনার সঙ্গে জড়িত আরও কিছু ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে নতুন নিষেধাজ্ঞাও আরোপ করা হয়েছে।

বিবৃতিতে আরও জানানো হয়, সিরিয়ার অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতির ওপর কড়া নজরদারি চালিয়ে যাওয়া হবে এবং ভবিষ্যতে মানবাধিকার লঙ্ঘন বা অস্থিরতা সৃষ্টি করা যেকোনো পক্ষের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার প্রস্তুতিও রয়েছে।

আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকদের মতে, ইইউ’র এই পদক্ষেপ শুধু সিরিয়ার অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারেই নয়, বরং দেশটিতে দীর্ঘমেয়াদে শান্তি ও স্থিতিশীলতা ফেরাতে সহায়ক হবে। সিরিয়ার জনগণের জন্য এটি একটি আশাব্যঞ্জক বার্তা বলেও মনে করছেন তারা।

এদিকে সিরিয়ার সাধারণ নাগরিকদের অনেকেই এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন। তাদের মতে, দীর্ঘ যুদ্ধের যন্ত্রণা থেকে বেরিয়ে এখন প্রয়োজন একটি স্থিতিশীল ভবিষ্যৎ, যেখানে অর্থনৈতিক সুযোগ, শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান ও আন্তর্জাতিক সহায়তা থাকবে পাশে। ইইউ’র নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার সে পথেই একটি ইতিবাচক সূচনা।

নিউজটি শেয়ার করুন

সিরিয়ার জনগণের পাশে ইইউ, অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার

আপডেট সময় ১১:০৭:৪৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ মে ২০২৫

 

দীর্ঘদিনের গৃহযুদ্ধ ও রাজনৈতিক অস্থিরতার পর অবশেষে সিরিয়ার পুনর্গঠন ও শান্তিপূর্ণ উত্তরণের পথে বড় এক পদক্ষেপ নিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)। বুধবার ব্রাসেলসে দেওয়া এক বিবৃতিতে ইইউ জানায়, দেশটির জনগণের স্বাভাবিক জীবনে ফিরে যাওয়ার পথ সুগম করতে সিরিয়ার ওপর আরোপিত অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।

ইইউ’র পররাষ্ট্র মন্ত্রীরা এর আগেই এ বিষয়ে রাজনৈতিক ঐক্যমত্যে পৌঁছেছিলেন, যার ভিত্তিতে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হয়েছে। ইইউ বলছে, সিরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদের পতনের পর দেশের সাধারণ জনগণ যাতে পুনরায় স্থিতিশীল ও নিরাপদ জীবনযাপন করতে পারে, সে লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন  নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে সঠিক বোলিং অ্যাকশনে ফিরলেন সাকিব, বল করতে আর বাধা নেই

তবে সব নিষেধাজ্ঞা একযোগে তুলে নেওয়া হয়নি। ইইউ পরিষদের বিবৃতিতে জানানো হয়, বাশার আল-আসাদ সরকারের ঘনিষ্ঠ সংস্থা ও ব্যক্তিদের ওপর যেসব নিরাপত্তাভিত্তিক নিষেধাজ্ঞা রয়েছে, সেগুলো বহাল থাকবে। বরং চলতি বছরের মার্চে সংঘটিত সহিংস ঘটনার সঙ্গে জড়িত আরও কিছু ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে নতুন নিষেধাজ্ঞাও আরোপ করা হয়েছে।

বিবৃতিতে আরও জানানো হয়, সিরিয়ার অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতির ওপর কড়া নজরদারি চালিয়ে যাওয়া হবে এবং ভবিষ্যতে মানবাধিকার লঙ্ঘন বা অস্থিরতা সৃষ্টি করা যেকোনো পক্ষের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার প্রস্তুতিও রয়েছে।

আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকদের মতে, ইইউ’র এই পদক্ষেপ শুধু সিরিয়ার অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারেই নয়, বরং দেশটিতে দীর্ঘমেয়াদে শান্তি ও স্থিতিশীলতা ফেরাতে সহায়ক হবে। সিরিয়ার জনগণের জন্য এটি একটি আশাব্যঞ্জক বার্তা বলেও মনে করছেন তারা।

এদিকে সিরিয়ার সাধারণ নাগরিকদের অনেকেই এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন। তাদের মতে, দীর্ঘ যুদ্ধের যন্ত্রণা থেকে বেরিয়ে এখন প্রয়োজন একটি স্থিতিশীল ভবিষ্যৎ, যেখানে অর্থনৈতিক সুযোগ, শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান ও আন্তর্জাতিক সহায়তা থাকবে পাশে। ইইউ’র নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার সে পথেই একটি ইতিবাচক সূচনা।