ঢাকা ০৬:৫৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
টকশো ও সোশ্যাল মিডিয়ার বিভ্রান্তি থেকে সতর্ক থাকতে হবে: মির্জা ফখরুল রুশ তেল আমদানিতে ৬০ দিনের ‘বিশেষ ছাড়’ পেল বাংলাদেশ ইন্দোনেশিয়ায় হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়ে ৮ আরোহীর সবার মৃত্যু শেখ হাসিনাকে ফেরানোর অনুরোধ খতিয়ে দেখছে ভারত: নয়াদিল্লির আনুষ্ঠানিক বার্তা অস্ট্রিয়া—সংগীত, ইতিহাস ও পাহাড়ের দেশ চাঁদ জয়ের রেকর্ড গড়া নভোচারীদের, রাজকীয় সংবর্ধনা সিনেমার বাইরে বাস্তব নাটক—রোহিত শেঠির বাড়িতে গুলির ঘটনায় গ্রেপ্তার কুষ্টিয়ায় অনির্দিষ্টকালের বাস ধর্মঘট, ভোগান্তিতে যাত্রীরা ‘ক্লান্ত’ মির্জা ফখরুল কি তবে পরবর্তী রাষ্ট্রপতি? গুঞ্জন ও আগামীর সমীকরণ খাবার শেষে পানি পান: উপকার নাকি ক্ষতি—চিকিৎসকরা কী বলছেন

ইউক্রেনের বিরল খনিজে চোখ ইইউ’র, নতুন কৌশলগত চুক্তির প্রস্তাব

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৫:১১:৫০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • / 211

ছবি: সংগৃহীত

 

ইউক্রেনের বিপুল পরিমাণ বিরল খনিজ সম্পদকে কেন্দ্র করে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) একটি নতুন কৌশলগত চুক্তির প্রস্তাব দিয়েছে। প্রস্তাবিত এই চুক্তিটি যুক্তরাষ্ট্রের তুলনায় আরও লাভজনক বলে মনে করা হচ্ছে, যা ইউক্রেনের অর্থনৈতিক স্বার্থও সুরক্ষিত রাখবে।

বিশ্ববাজারে প্রযুক্তি ও শিল্প খাতের জন্য অপরিহার্য বেশ কয়েকটি বিরল খনিজের সরবরাহ নিশ্চিত করতে ইউরোপ নির্ভর করছে বিভিন্ন উৎসের ওপর। ইইউ চায়, ইউক্রেন তাদের কাঁচামালের জোগানদাতাদের অন্যতম হয়ে উঠুক। নতুন চুক্তির আওতায় ইউক্রেন ইউরোপের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ৩০টি খনিজের মধ্যে ২১টির সরবরাহ নিশ্চিত করতে পারবে। এর ফলে ইউরোপীয় দেশগুলো তাদের শিল্প ও প্রযুক্তি খাতের কাঁচামালের সরবরাহ শৃঙ্খল আরও স্থিতিশীল করতে পারবে।

আরও পড়ুন  ইউক্রেনে ৭২ ড্রোন নিক্ষেপ রাশিয়ার

ইউক্রেন বিশ্বের অন্যতম সমৃদ্ধ খনিজ ভান্ডারগুলোর একটি, যেখানে লিথিয়াম, কোবল্ট, নিকেলসহ উচ্চমূল্যের বিভিন্ন বিরল খনিজ রয়েছে। বিশেষ করে, সবুজ জ্বালানি, আধুনিক ব্যাটারি উৎপাদন ও সামরিক খাতে ব্যবহৃত এই খনিজগুলোর চাহিদা দিন দিন বাড়ছে। ইইউ মনে করছে, রাশিয়া ও চীনের ওপর নির্ভরতা কমাতে ইউক্রেনের সঙ্গে অংশীদারত্ব গড়ে তোলা গুরুত্বপূর্ণ।

এই চুক্তি বাস্তবায়ন হলে ইউক্রেনের অর্থনীতি শক্তিশালী হবে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন। যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশটির পুনর্গঠন ও বৈদেশিক বিনিয়োগ আকর্ষণের জন্য এটি একটি বড় সুযোগ হতে পারে। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে চুক্তির বাস্তবায়নে নানা চ্যালেঞ্জও রয়ে গেছে। রাশিয়ার সঙ্গে চলমান যুদ্ধ এবং অঞ্চলটির নিরাপত্তাজনিত উদ্বেগ চুক্তির কার্যকারিতা প্রভাবিত করতে পারে।

ইউক্রেন সরকার এখনো ইইউ’র প্রস্তাব নিয়ে আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানায়নি। তবে সূত্রের খবর, কিয়েভ সম্ভাব্য চুক্তি নিয়ে গভীর পর্যালোচনা করছে এবং নিজেদের স্বার্থকে অগ্রাধিকার দেবে। আগামী সপ্তাহগুলোতে এই ইস্যুতে বড় কোনো অগ্রগতি হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ইউক্রেনের বিরল খনিজে চোখ ইইউ’র, নতুন কৌশলগত চুক্তির প্রস্তাব

আপডেট সময় ০৫:১১:৫০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

 

ইউক্রেনের বিপুল পরিমাণ বিরল খনিজ সম্পদকে কেন্দ্র করে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) একটি নতুন কৌশলগত চুক্তির প্রস্তাব দিয়েছে। প্রস্তাবিত এই চুক্তিটি যুক্তরাষ্ট্রের তুলনায় আরও লাভজনক বলে মনে করা হচ্ছে, যা ইউক্রেনের অর্থনৈতিক স্বার্থও সুরক্ষিত রাখবে।

বিশ্ববাজারে প্রযুক্তি ও শিল্প খাতের জন্য অপরিহার্য বেশ কয়েকটি বিরল খনিজের সরবরাহ নিশ্চিত করতে ইউরোপ নির্ভর করছে বিভিন্ন উৎসের ওপর। ইইউ চায়, ইউক্রেন তাদের কাঁচামালের জোগানদাতাদের অন্যতম হয়ে উঠুক। নতুন চুক্তির আওতায় ইউক্রেন ইউরোপের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ৩০টি খনিজের মধ্যে ২১টির সরবরাহ নিশ্চিত করতে পারবে। এর ফলে ইউরোপীয় দেশগুলো তাদের শিল্প ও প্রযুক্তি খাতের কাঁচামালের সরবরাহ শৃঙ্খল আরও স্থিতিশীল করতে পারবে।

আরও পড়ুন  বছরের প্রতিরক্ষা চুক্তি, পারস্য উপসাগরে ইউক্রেনীয় প্রযুক্তিতে ঠেকানো হবে ইরানি ড্রোন

ইউক্রেন বিশ্বের অন্যতম সমৃদ্ধ খনিজ ভান্ডারগুলোর একটি, যেখানে লিথিয়াম, কোবল্ট, নিকেলসহ উচ্চমূল্যের বিভিন্ন বিরল খনিজ রয়েছে। বিশেষ করে, সবুজ জ্বালানি, আধুনিক ব্যাটারি উৎপাদন ও সামরিক খাতে ব্যবহৃত এই খনিজগুলোর চাহিদা দিন দিন বাড়ছে। ইইউ মনে করছে, রাশিয়া ও চীনের ওপর নির্ভরতা কমাতে ইউক্রেনের সঙ্গে অংশীদারত্ব গড়ে তোলা গুরুত্বপূর্ণ।

এই চুক্তি বাস্তবায়ন হলে ইউক্রেনের অর্থনীতি শক্তিশালী হবে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন। যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশটির পুনর্গঠন ও বৈদেশিক বিনিয়োগ আকর্ষণের জন্য এটি একটি বড় সুযোগ হতে পারে। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে চুক্তির বাস্তবায়নে নানা চ্যালেঞ্জও রয়ে গেছে। রাশিয়ার সঙ্গে চলমান যুদ্ধ এবং অঞ্চলটির নিরাপত্তাজনিত উদ্বেগ চুক্তির কার্যকারিতা প্রভাবিত করতে পারে।

ইউক্রেন সরকার এখনো ইইউ’র প্রস্তাব নিয়ে আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানায়নি। তবে সূত্রের খবর, কিয়েভ সম্ভাব্য চুক্তি নিয়ে গভীর পর্যালোচনা করছে এবং নিজেদের স্বার্থকে অগ্রাধিকার দেবে। আগামী সপ্তাহগুলোতে এই ইস্যুতে বড় কোনো অগ্রগতি হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।