ঢাকা ০৮:৩৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
প্রবাসী কার্ডে মিলবে বিমান টিকিট, লাউঞ্জ ও ভূমি সেবায় বিশেষ সুবিধা ‎হোয়াটসঅ্যাপে আসছে ‘লিকুইড গ্লাস’ ডিজাইন, বদলাচ্ছে ব্যবহার অভিজ্ঞতা ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত বাংলাদেশের এক বছরে বিচারাধীন মামলা ২০ লাখে নামানো সম্ভব: আইনমন্ত্রী জামিন পেলেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী দিল্লিতে বিক্ষোভে সংঘর্ষ, ১১৮ পুলিশ সদস্য আহত; ৭০ ককরোচ গ্রেপ্তার সাইবার বুলিং দমনে আইনজীবী ও বিশেষজ্ঞ প্যানেল গঠন করবে সরকার ‎সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সবুজ সংকেত ট্রাম্প প্রশাসনের ‎ মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার

এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের উৎসব ভাতা দ্বিগুণ করল সরকার

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১১:২০:৩২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ মে ২০২৫
  • / 419

ছবি সংগৃহীত

 

সরকার দেশের বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের জন্য উৎসব ভাতা বাড়িয়েছে। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এখন থেকে এসব শিক্ষকরা মূল বেতনের ৫০ শতাংশ উৎসব ভাতা পাবেন, যা এতদিন ছিল ২৫ শতাংশ। সোমবার (২৬ মে) অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।

উপসচিব (প্রবিধি অনুবিভাগ) মোসা. শরীফুন্নেসা স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ এবং কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের আওতাধীন বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের উৎসব ভাতা সরকারি অংশের এক মাসের মূল বেতনের ২৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৫০ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন  এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের মূল বেতনের ২০ শতাংশের প্রস্তাব

এছাড়া, উৎসব ভাতা প্রদানের ক্ষেত্রে আর্থিক বিধিবিধান যথাযথভাবে অনুসরণ করতে হবে। ভবিষ্যতে ভাতার অর্থ ব্যয়ে কোনো অনিয়ম পরিলক্ষিত হলে সংশ্লিষ্ট বিল পরিশোধকারী কর্তৃপক্ষকে এর দায়ভার নিতে হবে। নতুন এই ভাতা আদেশ জারির তারিখ থেকেই কার্যকর হবে বলে নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়েছে।

এদিকে, এমপিওভুক্ত বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কর্মরত কর্মচারীদের জন্য উৎসব ভাতার হার পূর্বের মতোই ৫০ শতাংশ বহাল থাকবে বলে জানানো হয়েছে।

বর্তমানে দেশে মোট এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ২৯ হাজার ১৬৪টি। এর মধ্যে ২০ হাজার ৪৩৭টি প্রতিষ্ঠান স্কুল ও কলেজ, বাকিগুলো মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। এসব প্রতিষ্ঠানে বর্তমানে প্রায় সাড়ে পাঁচ লাখ শিক্ষক ও কর্মচারী নিয়োজিত রয়েছেন, যারা এই সিদ্ধান্তের আওতায় উপকৃত হবেন।

শিক্ষা সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন মহল সরকারের এ সিদ্ধান্তকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন। তারা মনে করছেন, এই ভাতা বৃদ্ধি শিক্ষকদের জন্য এক ধরনের প্রণোদনা হিসেবে কাজ করবে এবং তাদের আর্থিক স্বস্তি কিছুটা হলেও বাড়াবে। পাশাপাশি এটি শিক্ষক সমাজের প্রতি সরকারের সদিচ্ছার প্রতিফলন হিসেবেও বিবেচিত হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের উৎসব ভাতা দ্বিগুণ করল সরকার

আপডেট সময় ১১:২০:৩২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ মে ২০২৫

 

সরকার দেশের বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের জন্য উৎসব ভাতা বাড়িয়েছে। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এখন থেকে এসব শিক্ষকরা মূল বেতনের ৫০ শতাংশ উৎসব ভাতা পাবেন, যা এতদিন ছিল ২৫ শতাংশ। সোমবার (২৬ মে) অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।

উপসচিব (প্রবিধি অনুবিভাগ) মোসা. শরীফুন্নেসা স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ এবং কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের আওতাধীন বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের উৎসব ভাতা সরকারি অংশের এক মাসের মূল বেতনের ২৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৫০ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন  এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের মূল বেতনের ২০ শতাংশের প্রস্তাব

এছাড়া, উৎসব ভাতা প্রদানের ক্ষেত্রে আর্থিক বিধিবিধান যথাযথভাবে অনুসরণ করতে হবে। ভবিষ্যতে ভাতার অর্থ ব্যয়ে কোনো অনিয়ম পরিলক্ষিত হলে সংশ্লিষ্ট বিল পরিশোধকারী কর্তৃপক্ষকে এর দায়ভার নিতে হবে। নতুন এই ভাতা আদেশ জারির তারিখ থেকেই কার্যকর হবে বলে নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়েছে।

এদিকে, এমপিওভুক্ত বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কর্মরত কর্মচারীদের জন্য উৎসব ভাতার হার পূর্বের মতোই ৫০ শতাংশ বহাল থাকবে বলে জানানো হয়েছে।

বর্তমানে দেশে মোট এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ২৯ হাজার ১৬৪টি। এর মধ্যে ২০ হাজার ৪৩৭টি প্রতিষ্ঠান স্কুল ও কলেজ, বাকিগুলো মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। এসব প্রতিষ্ঠানে বর্তমানে প্রায় সাড়ে পাঁচ লাখ শিক্ষক ও কর্মচারী নিয়োজিত রয়েছেন, যারা এই সিদ্ধান্তের আওতায় উপকৃত হবেন।

শিক্ষা সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন মহল সরকারের এ সিদ্ধান্তকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন। তারা মনে করছেন, এই ভাতা বৃদ্ধি শিক্ষকদের জন্য এক ধরনের প্রণোদনা হিসেবে কাজ করবে এবং তাদের আর্থিক স্বস্তি কিছুটা হলেও বাড়াবে। পাশাপাশি এটি শিক্ষক সমাজের প্রতি সরকারের সদিচ্ছার প্রতিফলন হিসেবেও বিবেচিত হচ্ছে।