ঢাকা ০৩:১৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
অস্ট্রেলিয়া সিরিজে বাংলাদেশ দলে চমক দেশে এখনও অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র চলছে: মির্জা ফখরুল মাজারের দিঘির কুমিরকে সরিয়ে নেওয়া হলো খুলনায় নেত্রকোনায় পাওনা দুই হাজার টাকার দ্বন্দ্বে ভাঙারি ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা সান মারিনো—বিশ্বের প্রাচীনতম প্রজাতন্ত্রের এক অনন্য গল্প মুক্তিযুদ্ধকে অসম্মান করলে আরেকটি গণঅভ্যুত্থান হবে: ইশরাক হোসেন বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি; কার্যকর জুন থেকেই বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের পণ্যে নতুন মার্কিন শুল্ক প্রত্যেকটি নাগরিককে মাথায় রেখে বাজেট দেওয়া হচ্ছে: অর্থমন্ত্রী শিশু রামিসা হত্যা মামলা: আদালতে অপরাধ স্বীকার সোহেল রানার, যুক্তিতর্ক বৃহস্পতিবার

গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গঠনে দ্রুতই পথরেখা আসছে: ড. আলী রীয়াজ

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৩:০৩:০৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ মে ২০২৫
  • / 287

ছবি সংগৃহীত

 

গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে জাতীয় ঐকমত্যের ভিত্তিতে সনদ তৈরির পথরেখা শিগগিরই প্রকাশ করা হবে বলে জানিয়েছেন জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহ-সভাপতি অধ্যাপক ড. আলী রীয়াজ।

মঙ্গলবার (৬ মে) সকালে জাতীয় সংসদ ভবনের এলডি হলে সংস্কার নিয়ে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সঙ্গে কমিশনের দ্বিতীয় দফার বৈঠকে এ কথা বলেন তিনি।

আরও পড়ুন  বাংলাদেশের সামনে দারুণ সুযোগ: বিশ্বকাপ নিশ্চিত করার লড়াই

ড. আলী রীয়াজ জানান, এনসিপি যে মৌলিক সংস্কার প্রস্তাব দিয়েছে, কমিশন তা ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করেছে। প্রস্তাবগুলো বিস্তারিতভাবে পর্যালোচনা করা হবে এবং আলোচনার পরবর্তী ধাপে সেগুলোর প্রতিফলন থাকবে। তিনি বলেন, “গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও স্থায়িত্বের জন্য জাতীয় ঐকমত্য অত্যন্ত জরুরি, আর সেই লক্ষ্যেই আমরা এগিয়ে যাচ্ছি।”

বৈঠকের শুরুতেই জাতীয় নাগরিক পার্টির সদস্য সচিব আখতার হোসেন কমিশনের হাতে মৌলিক সংস্কার সংক্রান্ত প্রস্তাবনাগুলো আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করেন।

এনসিপির পক্ষ থেকে আখতার হোসেন বলেন, “স্বৈরাচারী ও ফ্যাসিবাদী শাসনব্যবস্থার উত্থান রোধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ এখন সময়ের দাবি। এই প্রস্তাবনাগুলো সেই লক্ষ্যেই তৈরি করা হয়েছে।” তিনি আরও বলেন, “দেশকে স্বৈরতান্ত্রিক ও ফ্যাসিবাদী উপাদান থেকে মুক্ত করতে হলে কাঠামোগত ও নীতিগত সংস্কার জরুরি।”

বৈঠকে জাতীয় নাগরিক পার্টির সদস্য সচিব আখতার হোসেন ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন উত্তরাঞ্চলীয় সংগঠনের মুখ্য নেতা সারজিস আলম ও যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার। অন্যদিকে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের পক্ষে সহ-সভাপতি অধ্যাপক ড. আলী রীয়াজসহ অন্যান্য সদস্যরা বৈঠকে অংশগ্রহণ করেন।

সংস্কার ও গণতন্ত্রের পথে এই আলোচনাকে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন। তাঁদের মতে, বহুদলীয় অংশগ্রহণ এবং সম্মিলিত প্রস্তাবনাই হতে পারে একটি স্থিতিশীল ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গঠনের ভিত্তি।

নিউজটি শেয়ার করুন

গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গঠনে দ্রুতই পথরেখা আসছে: ড. আলী রীয়াজ

আপডেট সময় ০৩:০৩:০৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ মে ২০২৫

 

গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে জাতীয় ঐকমত্যের ভিত্তিতে সনদ তৈরির পথরেখা শিগগিরই প্রকাশ করা হবে বলে জানিয়েছেন জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহ-সভাপতি অধ্যাপক ড. আলী রীয়াজ।

মঙ্গলবার (৬ মে) সকালে জাতীয় সংসদ ভবনের এলডি হলে সংস্কার নিয়ে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সঙ্গে কমিশনের দ্বিতীয় দফার বৈঠকে এ কথা বলেন তিনি।

আরও পড়ুন  জেডিপি’র ৯০ সদস্যের কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা: আহ্বায়ক নাঈম, সদস্য সচিব আব্দুল আলিম

ড. আলী রীয়াজ জানান, এনসিপি যে মৌলিক সংস্কার প্রস্তাব দিয়েছে, কমিশন তা ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করেছে। প্রস্তাবগুলো বিস্তারিতভাবে পর্যালোচনা করা হবে এবং আলোচনার পরবর্তী ধাপে সেগুলোর প্রতিফলন থাকবে। তিনি বলেন, “গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও স্থায়িত্বের জন্য জাতীয় ঐকমত্য অত্যন্ত জরুরি, আর সেই লক্ষ্যেই আমরা এগিয়ে যাচ্ছি।”

বৈঠকের শুরুতেই জাতীয় নাগরিক পার্টির সদস্য সচিব আখতার হোসেন কমিশনের হাতে মৌলিক সংস্কার সংক্রান্ত প্রস্তাবনাগুলো আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করেন।

এনসিপির পক্ষ থেকে আখতার হোসেন বলেন, “স্বৈরাচারী ও ফ্যাসিবাদী শাসনব্যবস্থার উত্থান রোধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ এখন সময়ের দাবি। এই প্রস্তাবনাগুলো সেই লক্ষ্যেই তৈরি করা হয়েছে।” তিনি আরও বলেন, “দেশকে স্বৈরতান্ত্রিক ও ফ্যাসিবাদী উপাদান থেকে মুক্ত করতে হলে কাঠামোগত ও নীতিগত সংস্কার জরুরি।”

বৈঠকে জাতীয় নাগরিক পার্টির সদস্য সচিব আখতার হোসেন ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন উত্তরাঞ্চলীয় সংগঠনের মুখ্য নেতা সারজিস আলম ও যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার। অন্যদিকে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের পক্ষে সহ-সভাপতি অধ্যাপক ড. আলী রীয়াজসহ অন্যান্য সদস্যরা বৈঠকে অংশগ্রহণ করেন।

সংস্কার ও গণতন্ত্রের পথে এই আলোচনাকে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন। তাঁদের মতে, বহুদলীয় অংশগ্রহণ এবং সম্মিলিত প্রস্তাবনাই হতে পারে একটি স্থিতিশীল ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গঠনের ভিত্তি।