ঢাকা ০১:২৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
প্রবাসী কার্ডে মিলবে বিমান টিকিট, লাউঞ্জ ও ভূমি সেবায় বিশেষ সুবিধা ‎হোয়াটসঅ্যাপে আসছে ‘লিকুইড গ্লাস’ ডিজাইন, বদলাচ্ছে ব্যবহার অভিজ্ঞতা ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত বাংলাদেশের এক বছরে বিচারাধীন মামলা ২০ লাখে নামানো সম্ভব: আইনমন্ত্রী জামিন পেলেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী দিল্লিতে বিক্ষোভে সংঘর্ষ, ১১৮ পুলিশ সদস্য আহত; ৭০ ককরোচ গ্রেপ্তার সাইবার বুলিং দমনে আইনজীবী ও বিশেষজ্ঞ প্যানেল গঠন করবে সরকার ‎সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সবুজ সংকেত ট্রাম্প প্রশাসনের ‎ মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার

গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গঠনে দ্রুতই পথরেখা আসছে: ড. আলী রীয়াজ

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৩:০৩:০৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ মে ২০২৫
  • / 387

ছবি সংগৃহীত

 

গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে জাতীয় ঐকমত্যের ভিত্তিতে সনদ তৈরির পথরেখা শিগগিরই প্রকাশ করা হবে বলে জানিয়েছেন জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহ-সভাপতি অধ্যাপক ড. আলী রীয়াজ।

মঙ্গলবার (৬ মে) সকালে জাতীয় সংসদ ভবনের এলডি হলে সংস্কার নিয়ে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সঙ্গে কমিশনের দ্বিতীয় দফার বৈঠকে এ কথা বলেন তিনি।

আরও পড়ুন  আজ জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সিলেটে শুরু প্রথম টেস্ট, টস জিতে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ

ড. আলী রীয়াজ জানান, এনসিপি যে মৌলিক সংস্কার প্রস্তাব দিয়েছে, কমিশন তা ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করেছে। প্রস্তাবগুলো বিস্তারিতভাবে পর্যালোচনা করা হবে এবং আলোচনার পরবর্তী ধাপে সেগুলোর প্রতিফলন থাকবে। তিনি বলেন, “গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও স্থায়িত্বের জন্য জাতীয় ঐকমত্য অত্যন্ত জরুরি, আর সেই লক্ষ্যেই আমরা এগিয়ে যাচ্ছি।”

বৈঠকের শুরুতেই জাতীয় নাগরিক পার্টির সদস্য সচিব আখতার হোসেন কমিশনের হাতে মৌলিক সংস্কার সংক্রান্ত প্রস্তাবনাগুলো আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করেন।

এনসিপির পক্ষ থেকে আখতার হোসেন বলেন, “স্বৈরাচারী ও ফ্যাসিবাদী শাসনব্যবস্থার উত্থান রোধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ এখন সময়ের দাবি। এই প্রস্তাবনাগুলো সেই লক্ষ্যেই তৈরি করা হয়েছে।” তিনি আরও বলেন, “দেশকে স্বৈরতান্ত্রিক ও ফ্যাসিবাদী উপাদান থেকে মুক্ত করতে হলে কাঠামোগত ও নীতিগত সংস্কার জরুরি।”

বৈঠকে জাতীয় নাগরিক পার্টির সদস্য সচিব আখতার হোসেন ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন উত্তরাঞ্চলীয় সংগঠনের মুখ্য নেতা সারজিস আলম ও যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার। অন্যদিকে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের পক্ষে সহ-সভাপতি অধ্যাপক ড. আলী রীয়াজসহ অন্যান্য সদস্যরা বৈঠকে অংশগ্রহণ করেন।

সংস্কার ও গণতন্ত্রের পথে এই আলোচনাকে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন। তাঁদের মতে, বহুদলীয় অংশগ্রহণ এবং সম্মিলিত প্রস্তাবনাই হতে পারে একটি স্থিতিশীল ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গঠনের ভিত্তি।

নিউজটি শেয়ার করুন

গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গঠনে দ্রুতই পথরেখা আসছে: ড. আলী রীয়াজ

আপডেট সময় ০৩:০৩:০৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ মে ২০২৫

 

গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে জাতীয় ঐকমত্যের ভিত্তিতে সনদ তৈরির পথরেখা শিগগিরই প্রকাশ করা হবে বলে জানিয়েছেন জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহ-সভাপতি অধ্যাপক ড. আলী রীয়াজ।

মঙ্গলবার (৬ মে) সকালে জাতীয় সংসদ ভবনের এলডি হলে সংস্কার নিয়ে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সঙ্গে কমিশনের দ্বিতীয় দফার বৈঠকে এ কথা বলেন তিনি।

আরও পড়ুন  শি জিনপিংয়ের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক, বাংলাদেশ-চীন সম্পর্কে নতুন গতি

ড. আলী রীয়াজ জানান, এনসিপি যে মৌলিক সংস্কার প্রস্তাব দিয়েছে, কমিশন তা ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করেছে। প্রস্তাবগুলো বিস্তারিতভাবে পর্যালোচনা করা হবে এবং আলোচনার পরবর্তী ধাপে সেগুলোর প্রতিফলন থাকবে। তিনি বলেন, “গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও স্থায়িত্বের জন্য জাতীয় ঐকমত্য অত্যন্ত জরুরি, আর সেই লক্ষ্যেই আমরা এগিয়ে যাচ্ছি।”

বৈঠকের শুরুতেই জাতীয় নাগরিক পার্টির সদস্য সচিব আখতার হোসেন কমিশনের হাতে মৌলিক সংস্কার সংক্রান্ত প্রস্তাবনাগুলো আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করেন।

এনসিপির পক্ষ থেকে আখতার হোসেন বলেন, “স্বৈরাচারী ও ফ্যাসিবাদী শাসনব্যবস্থার উত্থান রোধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ এখন সময়ের দাবি। এই প্রস্তাবনাগুলো সেই লক্ষ্যেই তৈরি করা হয়েছে।” তিনি আরও বলেন, “দেশকে স্বৈরতান্ত্রিক ও ফ্যাসিবাদী উপাদান থেকে মুক্ত করতে হলে কাঠামোগত ও নীতিগত সংস্কার জরুরি।”

বৈঠকে জাতীয় নাগরিক পার্টির সদস্য সচিব আখতার হোসেন ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন উত্তরাঞ্চলীয় সংগঠনের মুখ্য নেতা সারজিস আলম ও যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার। অন্যদিকে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের পক্ষে সহ-সভাপতি অধ্যাপক ড. আলী রীয়াজসহ অন্যান্য সদস্যরা বৈঠকে অংশগ্রহণ করেন।

সংস্কার ও গণতন্ত্রের পথে এই আলোচনাকে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন। তাঁদের মতে, বহুদলীয় অংশগ্রহণ এবং সম্মিলিত প্রস্তাবনাই হতে পারে একটি স্থিতিশীল ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গঠনের ভিত্তি।