ঢাকা ০৯:২৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬, ১৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ঢাকাসহ ৪ বিভাগে হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা: বাড়তে পারে দিনের তাপমাত্রা দীর্ঘমেয়াদী যুদ্ধে আর জড়াবে না যুক্তরাষ্ট্র: ফক্স নিউজকে জেডি ভ্যান্স ইরানকে চিরতরে দমানোর ছক করছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ঃ হাকান ফিদান শেয়ারবাজার কারসাজি: সাকিবসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন পেছাল ইরান সমঝোতার জন্য প্রস্তুত থাকা সত্ত্বেও তাদের ওপর যুদ্ধ চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। নওগাঁ আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে বিএনপির একচেটিয়া জয়, শূন্য হাতে জামায়াত শাহজালাল বিমানবন্দরে চারদিনে ১৪৭ ফ্লাইট বাতিল দুদকে পরিবর্তন, চেয়ারম্যান-কমিশনারদের পদত্যাগ পলিটেকনিকে সংঘর্ষ: রক্তের ‘বদলা’ নেওয়ার হুঁশিয়ারি ছাত্রদল সভাপতির বিলবোর্ড ও ব্যানার থেকে নিজের ছবি সরানোর নির্দেশ: প্রধানমন্ত্রী

ঐকমত্যের ভিত্তিতে সনদ তৈরিতে সবাইকে ছাড় দিতে হবে: ড. আলী রীয়াজ

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১২:৪১:১৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ মে ২০২৫
  • / 129

ছবি সংগৃহীত

 

জাতীয় ঐকমত্য গঠনে সবাইকে কিছুটা ছাড় দিয়ে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহসভাপতি ড. আলী রীয়াজ। রবিবার (৪ মে) সকালে জাতীয় সংসদ ভবনের এলডি কনফারেন্স হলে ১২ দলীয় জোটের সঙ্গে সংলাপ শুরুর আগে তিনি এই মন্তব্য করেন।

ড. আলী রীয়াজ বলেন, “জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের লক্ষ্য অত্যন্ত পরিষ্কার একটি সর্বজনগ্রাহ্য সনদ তৈরির জন্য সবার সঙ্গে আলোচনা করা। আমরা চাই এমন একটি সনদ গঠিত হোক, যার পেছনে থাকবে সকলের সম্মিলিত মতামত ও সহযোগিতা।”

আরও পড়ুন  শহীদের আত্মত্যাগ কাজে লাগিয়ে রাষ্ট্র বিনির্মাণে ঐক্যের ডাক ড. আলী রীয়াজের

তিনি আরও বলেন, “যেসব বিষয়ে ঐকমত্য তৈরি হবে, সেগুলোর ভিত্তিতেই সনদের খসড়া তৈরি করা হবে। তবে ঐকমত্য গঠনে প্রতিটি পক্ষকেই সামান্য হলেও ছাড় দিতে হবে। কারণ কোনো পক্ষই যদি একচেটিয়া অবস্থানে থাকে, তাহলে জাতীয় ঐক্যের কাঙ্ক্ষিত ফল আসবে না।”

সাংবাদিকদের উদ্দেশে বক্তব্য রাখতে গিয়ে ড. রীয়াজ বলেন, “ঐকমত্য প্রতিষ্ঠার দায়িত্ব শুধু কমিশনের নয়। আপনারা যারা সংবাদমাধ্যমে কাজ করেন, তারাও মত প্রকাশের সময় এমন ভাষা ও ভঙ্গি ব্যবহার করুন, যাতে রাজনৈতিক শক্তিগুলোর মধ্যে সমঝোতা বাড়ে।”

তিনি কমিশনের ভূমিকা ব্যাখ্যা করে বলেন, “আমরা কেবল অনুঘটকের ভূমিকা পালন করছি। মূল দায়িত্ব রাজনৈতিক দলগুলোর। আমরা চাই তারা একত্রে বসে দেশের স্বার্থে যৌথ সিদ্ধান্তে পৌঁছাক।”

ড. রীয়াজ জানান, ১২ দলীয় জোটের সঙ্গে আজকের সংলাপ ছিল প্রাথমিক আলোচনা। এ ধরনের আরও সংলাপ হবে, যেখানে পর্যায়ক্রমে অন্যান্য রাজনৈতিক দল ও সংগঠনকেও আমন্ত্রণ জানানো হবে।

জাতীয় ঐকমত্য সৃষ্টির এই উদ্যোগে সংলাপে অংশ নেওয়া নেতারাও আশাবাদ ব্যক্ত করেন। তারা জানান, রাজনৈতিক মতভেদ থাকা সত্ত্বেও জাতীয় স্বার্থে সবাইকে এক টেবিলে বসতে হবে।

সংলাপ শেষে ড. রীয়াজ বলেন, “আমাদের লক্ষ্য কেবল একটি সনদ নয়, বরং একটি ঐকমত্যভিত্তিক গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া। এ যাত্রা সফল করতে হলে সকলের সদিচ্ছা ও গঠনমূলক অংশগ্রহণ প্রয়োজন।”

নিউজটি শেয়ার করুন

ঐকমত্যের ভিত্তিতে সনদ তৈরিতে সবাইকে ছাড় দিতে হবে: ড. আলী রীয়াজ

আপডেট সময় ১২:৪১:১৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ মে ২০২৫

 

জাতীয় ঐকমত্য গঠনে সবাইকে কিছুটা ছাড় দিয়ে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহসভাপতি ড. আলী রীয়াজ। রবিবার (৪ মে) সকালে জাতীয় সংসদ ভবনের এলডি কনফারেন্স হলে ১২ দলীয় জোটের সঙ্গে সংলাপ শুরুর আগে তিনি এই মন্তব্য করেন।

ড. আলী রীয়াজ বলেন, “জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের লক্ষ্য অত্যন্ত পরিষ্কার একটি সর্বজনগ্রাহ্য সনদ তৈরির জন্য সবার সঙ্গে আলোচনা করা। আমরা চাই এমন একটি সনদ গঠিত হোক, যার পেছনে থাকবে সকলের সম্মিলিত মতামত ও সহযোগিতা।”

আরও পড়ুন  জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সংলাপে এসেছে নতুন প্রস্তাব: আলী রীয়াজ

তিনি আরও বলেন, “যেসব বিষয়ে ঐকমত্য তৈরি হবে, সেগুলোর ভিত্তিতেই সনদের খসড়া তৈরি করা হবে। তবে ঐকমত্য গঠনে প্রতিটি পক্ষকেই সামান্য হলেও ছাড় দিতে হবে। কারণ কোনো পক্ষই যদি একচেটিয়া অবস্থানে থাকে, তাহলে জাতীয় ঐক্যের কাঙ্ক্ষিত ফল আসবে না।”

সাংবাদিকদের উদ্দেশে বক্তব্য রাখতে গিয়ে ড. রীয়াজ বলেন, “ঐকমত্য প্রতিষ্ঠার দায়িত্ব শুধু কমিশনের নয়। আপনারা যারা সংবাদমাধ্যমে কাজ করেন, তারাও মত প্রকাশের সময় এমন ভাষা ও ভঙ্গি ব্যবহার করুন, যাতে রাজনৈতিক শক্তিগুলোর মধ্যে সমঝোতা বাড়ে।”

তিনি কমিশনের ভূমিকা ব্যাখ্যা করে বলেন, “আমরা কেবল অনুঘটকের ভূমিকা পালন করছি। মূল দায়িত্ব রাজনৈতিক দলগুলোর। আমরা চাই তারা একত্রে বসে দেশের স্বার্থে যৌথ সিদ্ধান্তে পৌঁছাক।”

ড. রীয়াজ জানান, ১২ দলীয় জোটের সঙ্গে আজকের সংলাপ ছিল প্রাথমিক আলোচনা। এ ধরনের আরও সংলাপ হবে, যেখানে পর্যায়ক্রমে অন্যান্য রাজনৈতিক দল ও সংগঠনকেও আমন্ত্রণ জানানো হবে।

জাতীয় ঐকমত্য সৃষ্টির এই উদ্যোগে সংলাপে অংশ নেওয়া নেতারাও আশাবাদ ব্যক্ত করেন। তারা জানান, রাজনৈতিক মতভেদ থাকা সত্ত্বেও জাতীয় স্বার্থে সবাইকে এক টেবিলে বসতে হবে।

সংলাপ শেষে ড. রীয়াজ বলেন, “আমাদের লক্ষ্য কেবল একটি সনদ নয়, বরং একটি ঐকমত্যভিত্তিক গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া। এ যাত্রা সফল করতে হলে সকলের সদিচ্ছা ও গঠনমূলক অংশগ্রহণ প্রয়োজন।”