ঢাকা ০৮:০৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
প্রবাসী কার্ডে মিলবে বিমান টিকিট, লাউঞ্জ ও ভূমি সেবায় বিশেষ সুবিধা ‎হোয়াটসঅ্যাপে আসছে ‘লিকুইড গ্লাস’ ডিজাইন, বদলাচ্ছে ব্যবহার অভিজ্ঞতা ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত বাংলাদেশের এক বছরে বিচারাধীন মামলা ২০ লাখে নামানো সম্ভব: আইনমন্ত্রী জামিন পেলেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী দিল্লিতে বিক্ষোভে সংঘর্ষ, ১১৮ পুলিশ সদস্য আহত; ৭০ ককরোচ গ্রেপ্তার সাইবার বুলিং দমনে আইনজীবী ও বিশেষজ্ঞ প্যানেল গঠন করবে সরকার ‎সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সবুজ সংকেত ট্রাম্প প্রশাসনের ‎ মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার

ঐকমত্য কমিশন ও এনসিপি বৈঠক

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০২:২৬:২৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৫
  • / 406

ছবি সংগৃহীত

 

নতুন বাংলাদেশের পথে ঐকমত্য গঠনের আহ্বান আলী রীয়াজের

জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহসভাপতি অধ্যাপক আলী রীয়াজ বলেছেন, বাংলাদেশের সামনে এখন এক নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মুক্ত হয়েছে। এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে সবাইকে সম্মিলিতভাবে একটি নতুন বাংলাদেশ গড়তে হবে যেখানে ফ্যাসিবাদী শাসনের আর কোনো স্থান থাকবে না।

আরও পড়ুন  গুম প্রতিরোধে ট্রুথ অ্যান্ড রিকনসিলিয়েশন কমিশন গঠন করা হবে: আইন উপদেষ্টা

শনিবার সকাল সাড়ে ১০টায় জাতীয় সংসদের এলডি হলে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ও জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের মধ্যে আয়োজিত বৈঠকের সূচনা বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

আলী রীয়াজ বলেন, “সংস্কার কমিশনের দেওয়া সুপারিশগুলোর মধ্যে অনেক বিষয়ে এনসিপির সঙ্গে আমাদের মতৈক্য হয়েছে, আবার কিছু বিষয়ে মতানৈক্যও রয়েছে। আমরা একমতের জায়গাগুলো চিহ্নিত করেছি, এবং আজকের আলোচনায় ভিন্নমতের জায়গাগুলো নিয়ে খোলামেলা মতবিনিময় করব। প্রয়োজনে ভবিষ্যতেও এ আলোচনা চলবে। আমাদের লক্ষ্য জাতির প্রত্যাশা ও আকাঙ্ক্ষার ভিত্তিতে একটি জাতীয় সনদ প্রণয়ন করা।”

তিনি আরও বলেন, “আপনারা সাহসিকতার সঙ্গে ফ্যাসিবাদী শাসনের বিরুদ্ধে লড়াই করে বিজয় এনেছেন। সেই লড়াই শুধু ক্ষমতার পরিবর্তন নয়, একটি নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্তের দাবি প্রতিষ্ঠা করেছে। আপনাদের বক্তব্য দেশের মানুষের মধ্যে রাষ্ট্র সংস্কারের তীব্র চাহিদা জাগিয়ে তুলেছে।”

আলী রীয়াজ অতীতের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, “বাংলাদেশের ইতিহাসে আমরা বহুবার দেখেছি কীভাবে গণতন্ত্রকে পদদলিত করা হয়েছে, বিজয়কে ভূলুণ্ঠিত করা হয়েছে। রাষ্ট্রকে ব্যক্তিকেন্দ্রিক করে শাসনব্যবস্থাকে একনায়কত্বের পথে চালিত করা হয়েছে। এখন সময় এসেছে সেই অধ্যায়ের অবসান ঘটিয়ে একটি গণতান্ত্রিক, মানবিক এবং জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্র ব্যবস্থা গড়ে তোলার।”

তিনি বলেন, “আমাদের লক্ষ্য এমন একটি বাংলাদেশ গড়া, যেখানে গুম, খুন, বিচারবহির্ভূত হত্যা ও নিপীড়নের জায়গা থাকবে না। যেখানে মানুষের অধিকার নিশ্চিত হবে এবং গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলো হবে টেকসই।”

বৈঠকে কমিশনের সদস্য বদিউল আলম মজুমদার, ইফতেখারুজ্জামান এবং প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মনির হায়দার উপস্থিত ছিলেন।

অন্যদিকে, এনসিপির প্রতিনিধিদলে ছিলেন আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, সদস্যসচিব আখতার হোসেন, জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক সামান্তা শারমিন, যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার, জাবেদ রাসিন, মুখ্য সমন্বয়ক নাসিরুদ্দিন পাটোয়ারী, দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ এবং সিনিয়র যুগ্ম সদস্যসচিব নাহিদা সারোয়ার নিভা।

নিউজটি শেয়ার করুন

ঐকমত্য কমিশন ও এনসিপি বৈঠক

আপডেট সময় ০২:২৬:২৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৫

 

নতুন বাংলাদেশের পথে ঐকমত্য গঠনের আহ্বান আলী রীয়াজের

জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহসভাপতি অধ্যাপক আলী রীয়াজ বলেছেন, বাংলাদেশের সামনে এখন এক নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মুক্ত হয়েছে। এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে সবাইকে সম্মিলিতভাবে একটি নতুন বাংলাদেশ গড়তে হবে যেখানে ফ্যাসিবাদী শাসনের আর কোনো স্থান থাকবে না।

আরও পড়ুন  নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠনের দাবিতে এনসিপির বিক্ষোভ, পুনর্গঠনের দাবি

শনিবার সকাল সাড়ে ১০টায় জাতীয় সংসদের এলডি হলে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ও জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের মধ্যে আয়োজিত বৈঠকের সূচনা বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

আলী রীয়াজ বলেন, “সংস্কার কমিশনের দেওয়া সুপারিশগুলোর মধ্যে অনেক বিষয়ে এনসিপির সঙ্গে আমাদের মতৈক্য হয়েছে, আবার কিছু বিষয়ে মতানৈক্যও রয়েছে। আমরা একমতের জায়গাগুলো চিহ্নিত করেছি, এবং আজকের আলোচনায় ভিন্নমতের জায়গাগুলো নিয়ে খোলামেলা মতবিনিময় করব। প্রয়োজনে ভবিষ্যতেও এ আলোচনা চলবে। আমাদের লক্ষ্য জাতির প্রত্যাশা ও আকাঙ্ক্ষার ভিত্তিতে একটি জাতীয় সনদ প্রণয়ন করা।”

তিনি আরও বলেন, “আপনারা সাহসিকতার সঙ্গে ফ্যাসিবাদী শাসনের বিরুদ্ধে লড়াই করে বিজয় এনেছেন। সেই লড়াই শুধু ক্ষমতার পরিবর্তন নয়, একটি নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্তের দাবি প্রতিষ্ঠা করেছে। আপনাদের বক্তব্য দেশের মানুষের মধ্যে রাষ্ট্র সংস্কারের তীব্র চাহিদা জাগিয়ে তুলেছে।”

আলী রীয়াজ অতীতের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, “বাংলাদেশের ইতিহাসে আমরা বহুবার দেখেছি কীভাবে গণতন্ত্রকে পদদলিত করা হয়েছে, বিজয়কে ভূলুণ্ঠিত করা হয়েছে। রাষ্ট্রকে ব্যক্তিকেন্দ্রিক করে শাসনব্যবস্থাকে একনায়কত্বের পথে চালিত করা হয়েছে। এখন সময় এসেছে সেই অধ্যায়ের অবসান ঘটিয়ে একটি গণতান্ত্রিক, মানবিক এবং জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্র ব্যবস্থা গড়ে তোলার।”

তিনি বলেন, “আমাদের লক্ষ্য এমন একটি বাংলাদেশ গড়া, যেখানে গুম, খুন, বিচারবহির্ভূত হত্যা ও নিপীড়নের জায়গা থাকবে না। যেখানে মানুষের অধিকার নিশ্চিত হবে এবং গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলো হবে টেকসই।”

বৈঠকে কমিশনের সদস্য বদিউল আলম মজুমদার, ইফতেখারুজ্জামান এবং প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মনির হায়দার উপস্থিত ছিলেন।

অন্যদিকে, এনসিপির প্রতিনিধিদলে ছিলেন আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, সদস্যসচিব আখতার হোসেন, জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক সামান্তা শারমিন, যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার, জাবেদ রাসিন, মুখ্য সমন্বয়ক নাসিরুদ্দিন পাটোয়ারী, দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ এবং সিনিয়র যুগ্ম সদস্যসচিব নাহিদা সারোয়ার নিভা।