ঢাকা ০৭:৩৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
‎হোয়াটসঅ্যাপে আসছে ‘লিকুইড গ্লাস’ ডিজাইন, বদলাচ্ছে ব্যবহার অভিজ্ঞতা ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত বাংলাদেশের এক বছরে বিচারাধীন মামলা ২০ লাখে নামানো সম্ভব: আইনমন্ত্রী জামিন পেলেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী দিল্লিতে বিক্ষোভে সংঘর্ষ, ১১৮ পুলিশ সদস্য আহত; ৭০ ককরোচ গ্রেপ্তার সাইবার বুলিং দমনে আইনজীবী ও বিশেষজ্ঞ প্যানেল গঠন করবে সরকার ‎সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সবুজ সংকেত ট্রাম্প প্রশাসনের ‎ মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানালেন তারেক রহমান

প্রবাসীদের ভোটাধিকার নিশ্চিতকরণে ইসির তিন পদ্ধতির চিন্তাভাবনা

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০২:২৬:৫০ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ এপ্রিল ২০২৫
  • / 409

ছবি সংগৃহীত

 

প্রবাসী বাংলাদেশিদের জাতীয় নির্বাচনে অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে তিনটি পদ্ধতি নিয়ে এগোচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। পোস্টাল, প্রক্সি ও অনলাইন এই তিন বিকল্প পদ্ধতির সীমাবদ্ধতা ও সম্ভাব্যতা যাচাই করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে চায় কমিশন। 

বুধবার সকালে নির্বাচন ভবনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মোহাম্মদ সানাউল্লাহ এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, “প্রবাসীদের ভোটাধিকার কার্যকর করতে দীর্ঘ গবেষণার পর তিনটি পদ্ধতি নিয়ে আলোচনা চলছে। তবে এগুলোর কিছু সীমাবদ্ধতা রয়েছে, যেগুলো নিরসনে বিশেষজ্ঞদের একটি টিম কাজ করছে। আগামী ১০ থেকে ১২ দিনের মধ্যে তারা প্রতিবেদন জমা দেবে।”

আরও পড়ুন  ‘পাশা’র পর্যবেক্ষক কার্ড বিতরণ স্থগিত করেছে ইসি

তিনি আরও জানান, “বিস্তৃত পরিসরে প্রবাসীদের অন্তর্ভুক্ত করতে হলে প্রক্সি ভোট পদ্ধতি সবচেয়ে বাস্তবসম্মত বলে মনে করা হচ্ছে। তবে প্রয়োজনে পোস্টাল বা অনলাইন পদ্ধতিও বিবেচনায় আসবে। যেটিই বেছে নেওয়া হোক না কেন, নির্বাচন পূর্বে তিন ধাপে পরীক্ষামূলক প্রয়োগ করা হবে।”

প্রকাশিত তথ্যে জানা যায়, ইতোমধ্যেই নির্বাচন কমিশন বিশেষজ্ঞদের নিয়ে একটি কর্মশালার আয়োজন করেছে। সেখানে প্রবাসীদের ভোটাধিকার প্রয়োগে প্রযুক্তিগত, সামাজিক ও আইনগত দিক বিবেচনায় বিস্তারিত আলোচনা হয়।

ইসি কমিশনার জানান, “যে পদ্ধতিই গ্রহণ করা হোক, ভোটারকে অবশ্যই আগে নিবন্ধন করতে হবে। যাতে স্বচ্ছতা নিশ্চিত হয়। যেসব ভোটার নিজেরা উপস্থিত থেকে ভোট দিতে পারেন না, সেখানে কারচুপির আশঙ্কা থেকেই যায়। তাই প্রতিটি পদ্ধতির দুর্বলতা ও ঝুঁকি সতর্কতার সঙ্গে পর্যালোচনা করা হচ্ছে।”

এদিকে মঙ্গলবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচনী প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে আয়োজিত কর্মশালায় প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেন, “প্রবাসী ভোটারদের ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে কমিশন জাতির কাছে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। বিস্তৃতভাবে না হলেও, পাইলট প্রজেক্ট হিসেবে অন্তত উদ্যোগটি শুরু করতে চায় ইসি।”

তিনি আরও বলেন, “কমিশনের লক্ষ্য হলো বাস্তবতা, সামাজিক অবস্থা ও ভোটারদের শিক্ষাগত যোগ্যতা বিবেচনায় একটি টেকসই এবং কার্যকর পদ্ধতি নির্ধারণ করা। নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব শুধু দেশে নয়, বিদেশে অবস্থানরত ভোটারদের দিকেও সমানভাবে মনোযোগ দেওয়া।”

চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের আগে অংশীজনদের সঙ্গে আরও কয়েক দফা আলোচনার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন কর্মকর্তারা। তবে সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে, এবারের জাতীয় নির্বাচনে প্রবাসী বাংলাদেশিরা বড় পরিসরে প্রথমবারের মতো ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ পেতে পারেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

প্রবাসীদের ভোটাধিকার নিশ্চিতকরণে ইসির তিন পদ্ধতির চিন্তাভাবনা

আপডেট সময় ০২:২৬:৫০ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ এপ্রিল ২০২৫

 

প্রবাসী বাংলাদেশিদের জাতীয় নির্বাচনে অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে তিনটি পদ্ধতি নিয়ে এগোচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। পোস্টাল, প্রক্সি ও অনলাইন এই তিন বিকল্প পদ্ধতির সীমাবদ্ধতা ও সম্ভাব্যতা যাচাই করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে চায় কমিশন। 

বুধবার সকালে নির্বাচন ভবনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মোহাম্মদ সানাউল্লাহ এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, “প্রবাসীদের ভোটাধিকার কার্যকর করতে দীর্ঘ গবেষণার পর তিনটি পদ্ধতি নিয়ে আলোচনা চলছে। তবে এগুলোর কিছু সীমাবদ্ধতা রয়েছে, যেগুলো নিরসনে বিশেষজ্ঞদের একটি টিম কাজ করছে। আগামী ১০ থেকে ১২ দিনের মধ্যে তারা প্রতিবেদন জমা দেবে।”

আরও পড়ুন  জাতীয় নির্বাচনের অভিজ্ঞতায় স্থানীয় সরকার নির্বাচন প্রস্তুত করছে ইসি

তিনি আরও জানান, “বিস্তৃত পরিসরে প্রবাসীদের অন্তর্ভুক্ত করতে হলে প্রক্সি ভোট পদ্ধতি সবচেয়ে বাস্তবসম্মত বলে মনে করা হচ্ছে। তবে প্রয়োজনে পোস্টাল বা অনলাইন পদ্ধতিও বিবেচনায় আসবে। যেটিই বেছে নেওয়া হোক না কেন, নির্বাচন পূর্বে তিন ধাপে পরীক্ষামূলক প্রয়োগ করা হবে।”

প্রকাশিত তথ্যে জানা যায়, ইতোমধ্যেই নির্বাচন কমিশন বিশেষজ্ঞদের নিয়ে একটি কর্মশালার আয়োজন করেছে। সেখানে প্রবাসীদের ভোটাধিকার প্রয়োগে প্রযুক্তিগত, সামাজিক ও আইনগত দিক বিবেচনায় বিস্তারিত আলোচনা হয়।

ইসি কমিশনার জানান, “যে পদ্ধতিই গ্রহণ করা হোক, ভোটারকে অবশ্যই আগে নিবন্ধন করতে হবে। যাতে স্বচ্ছতা নিশ্চিত হয়। যেসব ভোটার নিজেরা উপস্থিত থেকে ভোট দিতে পারেন না, সেখানে কারচুপির আশঙ্কা থেকেই যায়। তাই প্রতিটি পদ্ধতির দুর্বলতা ও ঝুঁকি সতর্কতার সঙ্গে পর্যালোচনা করা হচ্ছে।”

এদিকে মঙ্গলবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচনী প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে আয়োজিত কর্মশালায় প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেন, “প্রবাসী ভোটারদের ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে কমিশন জাতির কাছে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। বিস্তৃতভাবে না হলেও, পাইলট প্রজেক্ট হিসেবে অন্তত উদ্যোগটি শুরু করতে চায় ইসি।”

তিনি আরও বলেন, “কমিশনের লক্ষ্য হলো বাস্তবতা, সামাজিক অবস্থা ও ভোটারদের শিক্ষাগত যোগ্যতা বিবেচনায় একটি টেকসই এবং কার্যকর পদ্ধতি নির্ধারণ করা। নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব শুধু দেশে নয়, বিদেশে অবস্থানরত ভোটারদের দিকেও সমানভাবে মনোযোগ দেওয়া।”

চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের আগে অংশীজনদের সঙ্গে আরও কয়েক দফা আলোচনার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন কর্মকর্তারা। তবে সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে, এবারের জাতীয় নির্বাচনে প্রবাসী বাংলাদেশিরা বড় পরিসরে প্রথমবারের মতো ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ পেতে পারেন।