ঢাকা ০১:২১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬, ৮ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
নেপালে আন্তর্জাতিক জুডো চ্যাম্পিয়নশিপে বিকেএসপি’র অভাবনীয় সাফল্যে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর অভিনন্দন। কুমিল্লায় বাস-ট্রেন সংঘর্ষে শিশু-নারীসহ নিহত ১২ ফেনীতে ত্রিমুখী সংঘর্ষ: বাস-অ্যাম্বুলেন্স-মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত ৩ ঈদের দিনে মর্মান্তিক দুর্ঘটনা: জামালপুরে ভেঙে পড়ল ড্রাম ব্রিজ, নিহত ৫ ইরান যুদ্ধের পরিবেশগত মূল্য: দুই সপ্তাহেই ৫০ লাখ টন কার্বন নিঃসরণ জামালপুরে সেতু ভেঙে ব্রহ্মপুত্র নদে ডুবে ৪ শিশুর মৃত্যু, নিখোঁজ ১ ঈদের খাবার: মোগল দরবার থেকে বাঙালির ঘরে ইরানের আত্মরক্ষার অধিকার আছে: জাতিসংঘ মনে হয় নির্বাচনের পর দেশের মালিকানা অনেকাংশেই মানুষ ফিরে পেয়েছে: অর্থমন্ত্রী ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টায় গড়তে চাই প্রত্যাশিত বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী

শিল্প বিনিয়োগে নতুন দিগন্ত: কোরিয়ান ইপিজেড পরিদর্শনে বিদেশি প্রতিনিধিদল

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০১:১৭:৫১ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ এপ্রিল ২০২৫
  • / 185

ছবি সংগৃহীত

 

চট্টগ্রামের আনোয়ারায় অবস্থিত কোরিয়ান এক্সপোর্ট প্রসেসিং জোন (ইপিজেড) পরিদর্শন করেছেন বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বিনিয়োগকারীদের একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল। বাংলাদেশ বিনিয়োগ সম্মেলন ২০২৫ এর অংশ হিসেবে সোমবার (৭ এপ্রিল) এই পরিদর্শন কর্মসূচির আয়োজন করে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)।

বিডা জানিয়েছে, যারা অদূর ভবিষ্যতে বাংলাদেশে শিল্প-কারখানা স্থাপন করতে আগ্রহী, মূলত তাদেরই সামনে কোরিয়ান ইপিজেডের বাস্তবচিত্র তুলে ধরাই ছিল এ সফরের মূল উদ্দেশ্য। চীন, কোরিয়া, জাপানসহ মোট ৪০টি দেশের ৬০ জন প্রতিনিধির অংশগ্রহণে এ সফরটি অনুষ্ঠিত হয়।

আরও পড়ুন  পোশাক খাতে গত আট মাসে দেশের রপ্তানি আয় হয়েছে ২৬.৭৯ বিলিয়ন ডলার, অর্থনীতিতে নতুন দিগন্ত

প্রতিনিধিদের ইপিজেড পরিদর্শনের সময় প্রকল্পের কাঠামো, পরিবেশবান্ধব পরিকল্পনা, এবং চলমান শিল্প কার্যক্রম ঘুরে দেখানো হয়। বিশেষ করে যে বিষয়টি বিদেশি প্রতিনিধিদের নজর কাড়ে, তা হলো এই ইপিজেডের ৫২ শতাংশ জমি বনায়ন ও পরিবেশ সংরক্ষণে নির্ধারিত, যা একে দেশের অন্যতম পরিবেশবান্ধব শিল্পাঞ্চলে পরিণত করেছে।

চট্টগ্রামের এই কোরিয়ান ইপিজেড যাত্রা শুরু করে ১৯৯৫ সালে। শুরুর দিকে বাংলাদেশ ও দক্ষিণ কোরিয়ার যৌথ উদ্যোগ থাকলেও পরবর্তীতে কোরিয়ান বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ইয়াংওয়ান গ্রুপ নিজস্ব অর্থায়নে এটি পরিচালনার দায়িত্ব নেয়। এখন এটি দেশের অন্যতম সফল এবং প্রযুক্তিনির্ভর ইপিজেড হিসেবে পরিচিত।

বিডা আশাবাদী, এই পরিদর্শনের মাধ্যমে বিদেশি বিনিয়োগকারীরা বাংলাদেশে শিল্প স্থাপনের উপযুক্ত পরিবেশ সম্পর্কে ধারণা পাবেন এবং চলতি বিনিয়োগ সম্মেলনে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি সই হওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে।

এ ধরনের ভিজিট শুধু বিনিয়োগ বাড়াতেই নয়, বরং বাংলাদেশের শিল্প খাতের সক্ষমতা, অবকাঠামোগত অগ্রগতি এবং পরিবেশবান্ধব দৃষ্টিভঙ্গি বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

নিউজটি শেয়ার করুন

শিল্প বিনিয়োগে নতুন দিগন্ত: কোরিয়ান ইপিজেড পরিদর্শনে বিদেশি প্রতিনিধিদল

আপডেট সময় ০১:১৭:৫১ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ এপ্রিল ২০২৫

 

চট্টগ্রামের আনোয়ারায় অবস্থিত কোরিয়ান এক্সপোর্ট প্রসেসিং জোন (ইপিজেড) পরিদর্শন করেছেন বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বিনিয়োগকারীদের একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল। বাংলাদেশ বিনিয়োগ সম্মেলন ২০২৫ এর অংশ হিসেবে সোমবার (৭ এপ্রিল) এই পরিদর্শন কর্মসূচির আয়োজন করে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)।

বিডা জানিয়েছে, যারা অদূর ভবিষ্যতে বাংলাদেশে শিল্প-কারখানা স্থাপন করতে আগ্রহী, মূলত তাদেরই সামনে কোরিয়ান ইপিজেডের বাস্তবচিত্র তুলে ধরাই ছিল এ সফরের মূল উদ্দেশ্য। চীন, কোরিয়া, জাপানসহ মোট ৪০টি দেশের ৬০ জন প্রতিনিধির অংশগ্রহণে এ সফরটি অনুষ্ঠিত হয়।

আরও পড়ুন  বিদেশে নির্মিত সব চলচ্চিত্রে ১০০% শুল্কের ঘোষণা ট্রাম্পের

প্রতিনিধিদের ইপিজেড পরিদর্শনের সময় প্রকল্পের কাঠামো, পরিবেশবান্ধব পরিকল্পনা, এবং চলমান শিল্প কার্যক্রম ঘুরে দেখানো হয়। বিশেষ করে যে বিষয়টি বিদেশি প্রতিনিধিদের নজর কাড়ে, তা হলো এই ইপিজেডের ৫২ শতাংশ জমি বনায়ন ও পরিবেশ সংরক্ষণে নির্ধারিত, যা একে দেশের অন্যতম পরিবেশবান্ধব শিল্পাঞ্চলে পরিণত করেছে।

চট্টগ্রামের এই কোরিয়ান ইপিজেড যাত্রা শুরু করে ১৯৯৫ সালে। শুরুর দিকে বাংলাদেশ ও দক্ষিণ কোরিয়ার যৌথ উদ্যোগ থাকলেও পরবর্তীতে কোরিয়ান বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ইয়াংওয়ান গ্রুপ নিজস্ব অর্থায়নে এটি পরিচালনার দায়িত্ব নেয়। এখন এটি দেশের অন্যতম সফল এবং প্রযুক্তিনির্ভর ইপিজেড হিসেবে পরিচিত।

বিডা আশাবাদী, এই পরিদর্শনের মাধ্যমে বিদেশি বিনিয়োগকারীরা বাংলাদেশে শিল্প স্থাপনের উপযুক্ত পরিবেশ সম্পর্কে ধারণা পাবেন এবং চলতি বিনিয়োগ সম্মেলনে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি সই হওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে।

এ ধরনের ভিজিট শুধু বিনিয়োগ বাড়াতেই নয়, বরং বাংলাদেশের শিল্প খাতের সক্ষমতা, অবকাঠামোগত অগ্রগতি এবং পরিবেশবান্ধব দৃষ্টিভঙ্গি বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।