ঢাকা ০২:২৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
‎নরেন্দ্র মোদি বিক্ষোভের মুখে সংসদ ছাড়লেন, রণক্ষেত্র দিল্লিতে ‎মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ইরানের পাল্টা হামলার দাবি ‎আজ রাতেও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস, ১৬ অঞ্চলে দমকা হাওয়ার সতর্কতা ‎বিশ্বকাপ ফাইনাল দেখতে গিয়ে নিখোঁজ যুবক, সকালে মিলল মরদেহ ‎আর্জেন্টিনার হার মেনে নিতে না পেরে দুই জনের মৃত্যু সীমান্তে ১০৯ কিমি কাঁটাতারের বেড়ার পরিকল্পনা সরকারের: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কৌশলের ভুলে শিরোপা হারাল আর্জেন্টিনা; বিবিসির বিশ্লেষণ দিল্লিতে বিক্ষোভ ঘিরে সংঘর্ষ, ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ রিজেন্টের সেই সাহেদ ফের গ্রেপ্তার সচিব পদমর্যাদায় প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন

শিল্প বিনিয়োগে নতুন দিগন্ত: কোরিয়ান ইপিজেড পরিদর্শনে বিদেশি প্রতিনিধিদল

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০১:১৭:৫১ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ এপ্রিল ২০২৫
  • / 413

ছবি সংগৃহীত

 

চট্টগ্রামের আনোয়ারায় অবস্থিত কোরিয়ান এক্সপোর্ট প্রসেসিং জোন (ইপিজেড) পরিদর্শন করেছেন বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বিনিয়োগকারীদের একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল। বাংলাদেশ বিনিয়োগ সম্মেলন ২০২৫ এর অংশ হিসেবে সোমবার (৭ এপ্রিল) এই পরিদর্শন কর্মসূচির আয়োজন করে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)।

বিডা জানিয়েছে, যারা অদূর ভবিষ্যতে বাংলাদেশে শিল্প-কারখানা স্থাপন করতে আগ্রহী, মূলত তাদেরই সামনে কোরিয়ান ইপিজেডের বাস্তবচিত্র তুলে ধরাই ছিল এ সফরের মূল উদ্দেশ্য। চীন, কোরিয়া, জাপানসহ মোট ৪০টি দেশের ৬০ জন প্রতিনিধির অংশগ্রহণে এ সফরটি অনুষ্ঠিত হয়।

আরও পড়ুন  ঈদের আগেই শ্রমিকদের পাওনা পরিশোধের নির্দেশ: শ্রমমন্ত্রীর কড়া হুঁশিয়ারি

প্রতিনিধিদের ইপিজেড পরিদর্শনের সময় প্রকল্পের কাঠামো, পরিবেশবান্ধব পরিকল্পনা, এবং চলমান শিল্প কার্যক্রম ঘুরে দেখানো হয়। বিশেষ করে যে বিষয়টি বিদেশি প্রতিনিধিদের নজর কাড়ে, তা হলো এই ইপিজেডের ৫২ শতাংশ জমি বনায়ন ও পরিবেশ সংরক্ষণে নির্ধারিত, যা একে দেশের অন্যতম পরিবেশবান্ধব শিল্পাঞ্চলে পরিণত করেছে।

চট্টগ্রামের এই কোরিয়ান ইপিজেড যাত্রা শুরু করে ১৯৯৫ সালে। শুরুর দিকে বাংলাদেশ ও দক্ষিণ কোরিয়ার যৌথ উদ্যোগ থাকলেও পরবর্তীতে কোরিয়ান বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ইয়াংওয়ান গ্রুপ নিজস্ব অর্থায়নে এটি পরিচালনার দায়িত্ব নেয়। এখন এটি দেশের অন্যতম সফল এবং প্রযুক্তিনির্ভর ইপিজেড হিসেবে পরিচিত।

বিডা আশাবাদী, এই পরিদর্শনের মাধ্যমে বিদেশি বিনিয়োগকারীরা বাংলাদেশে শিল্প স্থাপনের উপযুক্ত পরিবেশ সম্পর্কে ধারণা পাবেন এবং চলতি বিনিয়োগ সম্মেলনে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি সই হওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে।

এ ধরনের ভিজিট শুধু বিনিয়োগ বাড়াতেই নয়, বরং বাংলাদেশের শিল্প খাতের সক্ষমতা, অবকাঠামোগত অগ্রগতি এবং পরিবেশবান্ধব দৃষ্টিভঙ্গি বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

নিউজটি শেয়ার করুন

শিল্প বিনিয়োগে নতুন দিগন্ত: কোরিয়ান ইপিজেড পরিদর্শনে বিদেশি প্রতিনিধিদল

আপডেট সময় ০১:১৭:৫১ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ এপ্রিল ২০২৫

 

চট্টগ্রামের আনোয়ারায় অবস্থিত কোরিয়ান এক্সপোর্ট প্রসেসিং জোন (ইপিজেড) পরিদর্শন করেছেন বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বিনিয়োগকারীদের একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল। বাংলাদেশ বিনিয়োগ সম্মেলন ২০২৫ এর অংশ হিসেবে সোমবার (৭ এপ্রিল) এই পরিদর্শন কর্মসূচির আয়োজন করে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)।

বিডা জানিয়েছে, যারা অদূর ভবিষ্যতে বাংলাদেশে শিল্প-কারখানা স্থাপন করতে আগ্রহী, মূলত তাদেরই সামনে কোরিয়ান ইপিজেডের বাস্তবচিত্র তুলে ধরাই ছিল এ সফরের মূল উদ্দেশ্য। চীন, কোরিয়া, জাপানসহ মোট ৪০টি দেশের ৬০ জন প্রতিনিধির অংশগ্রহণে এ সফরটি অনুষ্ঠিত হয়।

আরও পড়ুন  প্রযুক্তি খাতে দক্ষ জনশক্তি ও উদ্যোক্তা গড়ে তুললেই জ্ঞানভিত্তিক অর্থনীতি সম্ভব : আইসিটি সচিব

প্রতিনিধিদের ইপিজেড পরিদর্শনের সময় প্রকল্পের কাঠামো, পরিবেশবান্ধব পরিকল্পনা, এবং চলমান শিল্প কার্যক্রম ঘুরে দেখানো হয়। বিশেষ করে যে বিষয়টি বিদেশি প্রতিনিধিদের নজর কাড়ে, তা হলো এই ইপিজেডের ৫২ শতাংশ জমি বনায়ন ও পরিবেশ সংরক্ষণে নির্ধারিত, যা একে দেশের অন্যতম পরিবেশবান্ধব শিল্পাঞ্চলে পরিণত করেছে।

চট্টগ্রামের এই কোরিয়ান ইপিজেড যাত্রা শুরু করে ১৯৯৫ সালে। শুরুর দিকে বাংলাদেশ ও দক্ষিণ কোরিয়ার যৌথ উদ্যোগ থাকলেও পরবর্তীতে কোরিয়ান বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ইয়াংওয়ান গ্রুপ নিজস্ব অর্থায়নে এটি পরিচালনার দায়িত্ব নেয়। এখন এটি দেশের অন্যতম সফল এবং প্রযুক্তিনির্ভর ইপিজেড হিসেবে পরিচিত।

বিডা আশাবাদী, এই পরিদর্শনের মাধ্যমে বিদেশি বিনিয়োগকারীরা বাংলাদেশে শিল্প স্থাপনের উপযুক্ত পরিবেশ সম্পর্কে ধারণা পাবেন এবং চলতি বিনিয়োগ সম্মেলনে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি সই হওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে।

এ ধরনের ভিজিট শুধু বিনিয়োগ বাড়াতেই নয়, বরং বাংলাদেশের শিল্প খাতের সক্ষমতা, অবকাঠামোগত অগ্রগতি এবং পরিবেশবান্ধব দৃষ্টিভঙ্গি বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।