ঢাকা ০৫:২৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম :
রামেক হাসপাতালে রোগীদের ভোগান্তি কমাতে বসছে একক ‘অ্যাম্বুলেন্স সেন্টার’ বিদ্যুৎ-গ্যাস সংকটের প্রতিবাদে ইসলামী আন্দোলনের বিক্ষোভ আজ নাটোরে ৪৫ টাকা চা বিলকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ১২ মধুখালীতে বাস-ট্রাক সংঘর্ষে সুপারভাইজার নিহত, আহত ১৫ শাহজালাল বিমানবন্দরে আনসার সদস্যদের যাতায়াত সহজে বিশেষ বাস সেবা চালু ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি হবে পরিকল্পনার মাধ্যমে: প্রধানমন্ত্রী আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই ভোজ্যতেলের দাম নির্ধারণ: বাণিজ্যমন্ত্রী কলকাতা ভ্রমণে বাংলাদেশিদের জন্য উপহাইকমিশনের সতর্কবার্তা নেপালের ভয়াবহ দুর্যোগে সহায়তার হাত বাড়াল বাংলাদেশ ছিনতাইয়ের ঘটনায় শিক্ষিকার মৃত্যু: উদ্ধার বাইক নিয়ে প্রশ্ন, ডিবির ছায়া তদন্ত

ফেনী সীমান্তে বিএসএফ-এর পুশইন, ৬ পরিবারের ২৭ জন আটক

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১২:৫১:৩৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ মে ২০২৫
  • / 558

ছবি সংগৃহীত

 

ফেনীর ছাগলনাইয়া উপজেলার পূর্ব ছাগলনাইয়া ও ফুলগাজী কালিকাপুর সীমান্তবর্তী এলাকা দিয়ে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) পুশব্যাকের মাধ্যমে ছয়টি পরিবারের ২৭ জন সদস্যকে বাংলাদেশে ঢুকিয়ে দিয়েছে। বৃহস্পতিবার (২২ মে) দিবাগত রাত ১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ওই সময় জোসপুর ও খাজুরিয়া বিওপির টহলরত বিজিবি সদস্যরা স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে দ্রুত পুলিশের সহায়তায় ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং সবাইকে আটক করে। আটক ব্যক্তিদের মধ্যে সাতজন পুরুষ, ছয়জন নারী এবং ১৪ জন শিশু রয়েছে।

আরও পড়ুন  বান্দরবানে শ্বশুরবাড়ির লোকজনের ছুরিকাঘাতে যুবক খুন, আটক ৫

প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, পুশব্যাককৃত ব্যক্তিরা কুড়িগ্রামের বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দা। তবে কীভাবে তারা ভারতের অভ্যন্তরে প্রবেশ করেছিল, সে বিষয়ে এখনও নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

আটকদের বর্তমানে ছাগলনাইয়া ও ফুলগাজী থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। স্থানীয় প্রশাসন বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে নিয়েছে এবং প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

এ প্রসঙ্গে ফেনী ৪ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ মোশাররাফ হোসেন বলেন, “বৃহস্পতিবার ভোররাতে ভারতীয় বিএসএফ পুশব্যাকের মাধ্যমে যেসব বাংলাদেশিকে সীমান্তে প্রবেশ করিয়েছে, তাদের আমরা আটক করেছি এবং নিয়ম অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করেছি।”

তিনি আরও জানান, বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং আটক ব্যক্তিদের পরিচয় যাচাই শেষে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সীমান্তে বিএসএফের এ ধরনের আচরণ নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। মানবিক বিবেচনায় শিশু ও নারীদের বিষয়টি বিশেষভাবে দেখার দাবি জানিয়েছেন অনেকে। প্রশাসন জানিয়েছে, আটককৃতদের স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সীমান্তবর্তী অঞ্চলে এ ধরনের পুশব্যাক ঘটনা নতুন নয়। তবে বারবার এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি সীমান্ত নিরাপত্তা ও মানবাধিকার ইস্যুতে প্রশ্ন তুলে দিচ্ছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

নিউজটি শেয়ার করুন

ফেনী সীমান্তে বিএসএফ-এর পুশইন, ৬ পরিবারের ২৭ জন আটক

আপডেট সময় ১২:৫১:৩৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ মে ২০২৫

 

ফেনীর ছাগলনাইয়া উপজেলার পূর্ব ছাগলনাইয়া ও ফুলগাজী কালিকাপুর সীমান্তবর্তী এলাকা দিয়ে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) পুশব্যাকের মাধ্যমে ছয়টি পরিবারের ২৭ জন সদস্যকে বাংলাদেশে ঢুকিয়ে দিয়েছে। বৃহস্পতিবার (২২ মে) দিবাগত রাত ১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ওই সময় জোসপুর ও খাজুরিয়া বিওপির টহলরত বিজিবি সদস্যরা স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে দ্রুত পুলিশের সহায়তায় ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং সবাইকে আটক করে। আটক ব্যক্তিদের মধ্যে সাতজন পুরুষ, ছয়জন নারী এবং ১৪ জন শিশু রয়েছে।

আরও পড়ুন  নয়াদিল্লিতে বিজিবি-বিএসএফ সীমান্ত সম্মেলন: বিজিবির দাবি, সীমান্তে হত্যাকাণ্ড শূন্যের কোঠায় নিয়ে আসা হোক

প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, পুশব্যাককৃত ব্যক্তিরা কুড়িগ্রামের বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দা। তবে কীভাবে তারা ভারতের অভ্যন্তরে প্রবেশ করেছিল, সে বিষয়ে এখনও নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

আটকদের বর্তমানে ছাগলনাইয়া ও ফুলগাজী থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। স্থানীয় প্রশাসন বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে নিয়েছে এবং প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

এ প্রসঙ্গে ফেনী ৪ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ মোশাররাফ হোসেন বলেন, “বৃহস্পতিবার ভোররাতে ভারতীয় বিএসএফ পুশব্যাকের মাধ্যমে যেসব বাংলাদেশিকে সীমান্তে প্রবেশ করিয়েছে, তাদের আমরা আটক করেছি এবং নিয়ম অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করেছি।”

তিনি আরও জানান, বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং আটক ব্যক্তিদের পরিচয় যাচাই শেষে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সীমান্তে বিএসএফের এ ধরনের আচরণ নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। মানবিক বিবেচনায় শিশু ও নারীদের বিষয়টি বিশেষভাবে দেখার দাবি জানিয়েছেন অনেকে। প্রশাসন জানিয়েছে, আটককৃতদের স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সীমান্তবর্তী অঞ্চলে এ ধরনের পুশব্যাক ঘটনা নতুন নয়। তবে বারবার এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি সীমান্ত নিরাপত্তা ও মানবাধিকার ইস্যুতে প্রশ্ন তুলে দিচ্ছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।