ঢাকা ১২:১৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানালেন তারেক রহমান মেসিকে ছাড়াই দেশে টিম আর্জেন্টিনা, লাল গালিচায় উষ্ণ অভ্যর্থনা সাতক্ষীরায় শিশুর মরদেহ আলমারি থেকে উদ্ধার, গণপিটুনিতে নিহত অভিযুক্ত নারী ইরানে টানা মার্কিন হামলার দশম দিন, পাল্টা হামলা কুয়েতে দাবি ইরানের ১৯ জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির শঙ্কা, নদীবন্দরে ১ নম্বর সংকেত ‎নরেন্দ্র মোদি বিক্ষোভের মুখে সংসদ ছাড়লেন, রণক্ষেত্র দিল্লিতে ‎মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ইরানের পাল্টা হামলার দাবি ‎আজ রাতেও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস, ১৬ অঞ্চলে দমকা হাওয়ার সতর্কতা ‎বিশ্বকাপ ফাইনাল দেখতে গিয়ে নিখোঁজ যুবক, সকালে মিলল মরদেহ

বিয়ের মুহূর্তে যৌতুক নিয়ে হাঙ্গামা, বরকে নিয়ে গেল পুলিশ

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১২:৫১:২৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ মে ২০২৫
  • / 639

ছবি: সংগৃহীত

 

নোয়াখালীর মাইজদীতে যৌতুক না দেওয়ার অভিযোগে বিয়ের আসরে হট্টগোলের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় বর ও কনে পক্ষের অন্তত ৫ জন আহত হন। খবর পেয়ে পুলিশ বরকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।

শুক্রবার (১৬ মে) বিকেল সাড়ে ৪টায় জেলা শহর মাইজদীর মেহেরান ডাইন রেস্টুরেন্টে এ ঘটনাটি ঘটে।

আরও পড়ুন  চাঞ্চল্যকর ছিনতাইয়ের ঘটনায় মোটরসাইকেল ও দেশীয় অস্ত্রসহ পেশাদার ছিনতাইকারী শাকিলকে গ্রেফতার করেছে মিরপুর মডেল থানা পুলিশ

অভিযুক্ত বর ইকবাল হোসেন (৩৬) পেশায় একজন ড্রাগ সুপার। তিনি নোয়াখালীতে কর্মরত থাকলেও তার গ্রামের বাড়ি ফেনীর দাগনভূঞা উপজেলায়। কনে একজন অনার্সে পড়ুয়া শিক্ষার্থী, যার বাবার কয়েক বছর আগে মৃত্যু হয়। তার বাড়ি নোয়াখালীর কবিরহাট উপজেলায়। কনের মামারা এই বিয়ের আয়োজন করেন।

কনে পক্ষের মামা হিরন ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, বিয়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী শুক্রবার দুপুরে কনে পক্ষের ৩০০ লোকের জন্য মেহরান ডাইনে খাওয়ার অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। যথারীতি বর পক্ষের লোকজনকে খাওয়াদাওয়া দেওয়া হয়। একপর্যায়ে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা শেষ করার জন্য প্রস্তুতি নিলে বরকে আর খোঁজে পাওয়া যায় না। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, পরে বরকে একটি রুমে পাওয়া গেছে। বর এসে কনে পক্ষের মামাদের নিকট ৫০ লাখ টাকা যৌতুকের টাকা দাবি করে। টাকা দিতে অস্বীকার করলে বর উঠে এসে পালিয়ে যাই। বিয়ে করবে না বলে জানিয়ে দেই। এই নিয়ে দুপক্ষের মধ্যেও হাতাহাতি হয়। পরে বর পক্ষের লোকজন এসে কনের লোকজনের ওপর হামলা করে।

এ ঘটনায় কনে পক্ষের লোকজন ও স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেয়। পরে সুধারাম থানা পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে ও বরসহ দুজনকে থানায় নিয়ে যায়।

এ বিষয়ে বরের ভাই সোহরাব হোসেন জানান, মেয়েদের পারিবারিক একটি বিষয় নিয়ে আমার ভাই একটি রুমে গিয়েছিল। সে পালিয়ে যায়নি এবং ৫০ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করেনি। এখন তারা আমাদের বিরুদ্ধে উল্টো অভিযোগ দিচ্ছে। আমার ভাই একজন ড্রাগ সুপার।

এই ঘটনায় জেলা শহর মাইজদীতে টক অব দা টাউনে পরিণত হয়েছে। স্থানীয়রা এ ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক দাবি করছেন।

নোয়াখালী সুধারাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কামরুল ইসলাম জানান, এই ঘটনায় বরসহ দুইজনকে আটক করা হয়েছে। তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

বিয়ের মুহূর্তে যৌতুক নিয়ে হাঙ্গামা, বরকে নিয়ে গেল পুলিশ

আপডেট সময় ১২:৫১:২৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ মে ২০২৫

 

নোয়াখালীর মাইজদীতে যৌতুক না দেওয়ার অভিযোগে বিয়ের আসরে হট্টগোলের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় বর ও কনে পক্ষের অন্তত ৫ জন আহত হন। খবর পেয়ে পুলিশ বরকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।

শুক্রবার (১৬ মে) বিকেল সাড়ে ৪টায় জেলা শহর মাইজদীর মেহেরান ডাইন রেস্টুরেন্টে এ ঘটনাটি ঘটে।

আরও পড়ুন  ​নির্বাচন সুষ্ঠু করতে পুলিশ বাহিনী সম্পূর্ণ প্রস্তুত: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

অভিযুক্ত বর ইকবাল হোসেন (৩৬) পেশায় একজন ড্রাগ সুপার। তিনি নোয়াখালীতে কর্মরত থাকলেও তার গ্রামের বাড়ি ফেনীর দাগনভূঞা উপজেলায়। কনে একজন অনার্সে পড়ুয়া শিক্ষার্থী, যার বাবার কয়েক বছর আগে মৃত্যু হয়। তার বাড়ি নোয়াখালীর কবিরহাট উপজেলায়। কনের মামারা এই বিয়ের আয়োজন করেন।

কনে পক্ষের মামা হিরন ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, বিয়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী শুক্রবার দুপুরে কনে পক্ষের ৩০০ লোকের জন্য মেহরান ডাইনে খাওয়ার অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। যথারীতি বর পক্ষের লোকজনকে খাওয়াদাওয়া দেওয়া হয়। একপর্যায়ে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা শেষ করার জন্য প্রস্তুতি নিলে বরকে আর খোঁজে পাওয়া যায় না। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, পরে বরকে একটি রুমে পাওয়া গেছে। বর এসে কনে পক্ষের মামাদের নিকট ৫০ লাখ টাকা যৌতুকের টাকা দাবি করে। টাকা দিতে অস্বীকার করলে বর উঠে এসে পালিয়ে যাই। বিয়ে করবে না বলে জানিয়ে দেই। এই নিয়ে দুপক্ষের মধ্যেও হাতাহাতি হয়। পরে বর পক্ষের লোকজন এসে কনের লোকজনের ওপর হামলা করে।

এ ঘটনায় কনে পক্ষের লোকজন ও স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেয়। পরে সুধারাম থানা পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে ও বরসহ দুজনকে থানায় নিয়ে যায়।

এ বিষয়ে বরের ভাই সোহরাব হোসেন জানান, মেয়েদের পারিবারিক একটি বিষয় নিয়ে আমার ভাই একটি রুমে গিয়েছিল। সে পালিয়ে যায়নি এবং ৫০ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করেনি। এখন তারা আমাদের বিরুদ্ধে উল্টো অভিযোগ দিচ্ছে। আমার ভাই একজন ড্রাগ সুপার।

এই ঘটনায় জেলা শহর মাইজদীতে টক অব দা টাউনে পরিণত হয়েছে। স্থানীয়রা এ ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক দাবি করছেন।

নোয়াখালী সুধারাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কামরুল ইসলাম জানান, এই ঘটনায় বরসহ দুইজনকে আটক করা হয়েছে। তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।