০৩:১৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬
শিরোনাম :
কুষ্টিয়ায় বক্তব্যরত অবস্থায় জামায়াতের জেলা আমীরের মৃত্যু বাংলাদেশিদের জন্য ভিসায় বন্ড বাধ্যতামূলক করল যুক্তরাষ্ট্র নির্বাচনী নিরাপত্তায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রায় ৯ লাখ সদস্য, ডগ স্কোয়াড ও ড্রোন নজরদারি ঘুমের ঘোরে কথা বলা; মনের কথা নাকি মস্তিষ্কের বিশেষ আচরণ? খুলনায় আমির হামজার বিরুদ্ধে মামলা গ্রিনল্যান্ড দখলে সামরিক শক্তি ব্যবহারের বিপক্ষে মার্কিন জনগণ স্পেনে দুই হাইস্পিড ট্রেনের মুখোমুখি সংঘর্ষ, নিহত অন্তত ২১ আলিফ হত্যা মামলার শুনানিতে চিন্ময় কৃষ্ণসহ ২৩ আসামি আদালতে জনসম্মুখে প্রথমবার বক্তব্য রাখলেন জাইমা রহমান হৃদয় ম্যাজিকে রংপুরের জয়, এক ম্যাচে জোড়া সেঞ্চুরি

২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা: তারেক রহমানসহ আসামিদের খালাসের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল শুনানি শুরু

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১১:০৮:২৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ জুলাই ২০২৫
  • / 89

ছবি: সংগৃহীত

 

২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ সব আসামির খালাসের রায়ের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের করা আপিলের শুনানি শুরু হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৭ জুলাই) সকালে প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বে ছয় বিচারপতির একটি বেঞ্চে শুনানির কার্যক্রম শুরু হয়।

[bsa_pro_ad_space id=2]

এদিন আদালত পলাতক আসামিদের পক্ষে স্টেট ডিফেন্স হিসেবে সিনিয়র আইনজীবী এস এম শাহজাহানকে নিয়োগ দেন। এর আগে গত ১ জুন হাইকোর্টের দেওয়া খালাসের রায়ের বিরুদ্ধে আপিলের অনুমতি পায় রাষ্ট্রপক্ষ।

গত বছরের ১ ডিসেম্বর হাইকোর্টের এক রায়ে সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ সব আসামিকে খালাস দেওয়া হয়। উচ্চ আদালত বিচারিক আদালতের রায়কে অবৈধ ঘোষণা করে।

এর আগে ২০১৮ সালে ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১-এর রায়ে ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলায় সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর, সাবেক শিক্ষা উপমন্ত্রী আবদুস সালাম পিন্টুসহ ১৯ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। এছাড়া তারেক রহমানসহ আরও ১৯ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং ১১ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়।

২০০৪ সালের ২১ আগস্ট বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে (বর্তমানে শহীদ আবরার ফাহাদ অ্যাভিনিউ) তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেত্রী ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এক নির্বাচনী সমাবেশে ভয়াবহ গ্রেনেড হামলার ঘটনা ঘটে। হামলার লক্ষ্য ছিলেন শেখ হাসিনা। ঘটনায় প্রাণ হারান আওয়ামী লীগের ২৪ জন নেতাকর্মী এবং আহত হন শতাধিক মানুষ, যাদের অনেকেই আজীবনের জন্য শারীরিক ক্ষত ও মানসিক ট্রমা বয়ে বেড়াচ্ছেন।

এ ঘটনায় দেশে ও আন্তর্জাতিক মহলে তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভের ঝড় ওঠে। মামলার তদন্ত ও বিচারকাজ দীর্ঘ সময় ধরে চললেও উচ্চ আদালতের দেওয়া খালাসের রায় নিয়ে নতুন করে বিতর্ক ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়।

রাষ্ট্রপক্ষ বলছে, এ রায় ন্যায়বিচারের সঙ্গে সাংঘর্ষিক এবং নৃশংস এক রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ডকে আড়াল করার শামিল। তাই সর্বোচ্চ আদালতে পূর্ণাঙ্গ শুনানি ও যুক্তিতর্কের ভিত্তিতে রায় প্রত্যাশা করছে রাষ্ট্রপক্ষ।

শুনানি চলমান রয়েছে। মামলার পরবর্তী কার্যক্রম নিয়ে জনমনে রয়েছে গভীর আগ্রহ ও উৎকণ্ঠা।

নিউজটি শেয়ার করুন

[bsa_pro_ad_space id=4]

২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা: তারেক রহমানসহ আসামিদের খালাসের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল শুনানি শুরু

আপডেট সময় ১১:০৮:২৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ জুলাই ২০২৫

 

২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ সব আসামির খালাসের রায়ের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের করা আপিলের শুনানি শুরু হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৭ জুলাই) সকালে প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বে ছয় বিচারপতির একটি বেঞ্চে শুনানির কার্যক্রম শুরু হয়।

[bsa_pro_ad_space id=2]

এদিন আদালত পলাতক আসামিদের পক্ষে স্টেট ডিফেন্স হিসেবে সিনিয়র আইনজীবী এস এম শাহজাহানকে নিয়োগ দেন। এর আগে গত ১ জুন হাইকোর্টের দেওয়া খালাসের রায়ের বিরুদ্ধে আপিলের অনুমতি পায় রাষ্ট্রপক্ষ।

গত বছরের ১ ডিসেম্বর হাইকোর্টের এক রায়ে সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ সব আসামিকে খালাস দেওয়া হয়। উচ্চ আদালত বিচারিক আদালতের রায়কে অবৈধ ঘোষণা করে।

এর আগে ২০১৮ সালে ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১-এর রায়ে ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলায় সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর, সাবেক শিক্ষা উপমন্ত্রী আবদুস সালাম পিন্টুসহ ১৯ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। এছাড়া তারেক রহমানসহ আরও ১৯ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং ১১ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়।

২০০৪ সালের ২১ আগস্ট বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে (বর্তমানে শহীদ আবরার ফাহাদ অ্যাভিনিউ) তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেত্রী ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এক নির্বাচনী সমাবেশে ভয়াবহ গ্রেনেড হামলার ঘটনা ঘটে। হামলার লক্ষ্য ছিলেন শেখ হাসিনা। ঘটনায় প্রাণ হারান আওয়ামী লীগের ২৪ জন নেতাকর্মী এবং আহত হন শতাধিক মানুষ, যাদের অনেকেই আজীবনের জন্য শারীরিক ক্ষত ও মানসিক ট্রমা বয়ে বেড়াচ্ছেন।

এ ঘটনায় দেশে ও আন্তর্জাতিক মহলে তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভের ঝড় ওঠে। মামলার তদন্ত ও বিচারকাজ দীর্ঘ সময় ধরে চললেও উচ্চ আদালতের দেওয়া খালাসের রায় নিয়ে নতুন করে বিতর্ক ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়।

রাষ্ট্রপক্ষ বলছে, এ রায় ন্যায়বিচারের সঙ্গে সাংঘর্ষিক এবং নৃশংস এক রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ডকে আড়াল করার শামিল। তাই সর্বোচ্চ আদালতে পূর্ণাঙ্গ শুনানি ও যুক্তিতর্কের ভিত্তিতে রায় প্রত্যাশা করছে রাষ্ট্রপক্ষ।

শুনানি চলমান রয়েছে। মামলার পরবর্তী কার্যক্রম নিয়ে জনমনে রয়েছে গভীর আগ্রহ ও উৎকণ্ঠা।