ঢাকা ১০:৩৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
প্রবাসী কার্ডে মিলবে বিমান টিকিট, লাউঞ্জ ও ভূমি সেবায় বিশেষ সুবিধা ‎হোয়াটসঅ্যাপে আসছে ‘লিকুইড গ্লাস’ ডিজাইন, বদলাচ্ছে ব্যবহার অভিজ্ঞতা ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত বাংলাদেশের এক বছরে বিচারাধীন মামলা ২০ লাখে নামানো সম্ভব: আইনমন্ত্রী জামিন পেলেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী দিল্লিতে বিক্ষোভে সংঘর্ষ, ১১৮ পুলিশ সদস্য আহত; ৭০ ককরোচ গ্রেপ্তার সাইবার বুলিং দমনে আইনজীবী ও বিশেষজ্ঞ প্যানেল গঠন করবে সরকার ‎সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সবুজ সংকেত ট্রাম্প প্রশাসনের ‎ মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার

ঢাকার সাত কলেজের নতুন ব্যবস্থা, চলবে ইউজিসির অধীন সমন্বিত কাঠামোর আওতায়

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১১:২৫:৫২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ মার্চ ২০২৫
  • / 377

ছবি সংগৃহীত

 

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন থেকে বেরিয়ে গিয়ে রাজধানীর সাতটি সরকারি কলেজের জন্য আলাদা বিশ্ববিদ্যালয় গঠন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। যদিও এটি এখনও বাস্তবায়ন হয়নি, তবে সাত কলেজের কার্যক্রম শিগগিরই একটি সমন্বিত কাঠামোর অধীনে চলবে। সরকারি সাতটি কলেজের মধ্যে রয়েছে ঢাকা কলেজ, ইডেন মহিলা কলেজ, সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ, কবি নজরুল সরকারি কলেজ, বেগম বদরুন্নেসা মহিলা কলেজ, সরকারি বাঙলা কলেজ ও সরকারি তিতুমীর কলেজ।

ইউজিসির তত্ত্বাবধানে, এই সাত কলেজের নতুন কাঠামোর পরিচালক হিসেবে কাজ করবেন ওই কলেজগুলোর যেকোনো একজন অধ্যক্ষ। এই কাঠামোর কার্যক্রমে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন দপ্তরের প্রতিনিধিরাও যুক্ত থাকবেন, যেমন পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক, ভর্তি, রেজিস্ট্রার দপ্তর এবং হিসাব দপ্তর।

আরও পড়ুন  সাত কলেজের জন্য নতুন বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম প্রস্তাব করল ইউজিসি

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের চিঠিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যকে এই প্রস্তাব বাস্তবায়নের জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। যদিও পরিকল্পনা পুরোপুরি চূড়ান্ত হয়নি, তবে ইউজিসি এরই মধ্যে সাত কলেজের জন্য ‘জুলাই ৩৬ বিশ্ববিদ্যালয়’ নামক একটি প্রস্তাবনা প্রস্তুত করেছে। এছাড়া, নতুন নাম প্রস্তাবের জন্য ইউজিসি আরও পরামর্শ গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছে।

এই সাত কলেজে বর্তমানে প্রায় দুই লাখ শিক্ষার্থী এবং এক হাজারের বেশি শিক্ষক রয়েছেন। দীর্ঘদিন ধরে কলেজগুলোর মধ্যে নানা সমস্যা যেমন মানসম্মত শিক্ষা ও পরীক্ষা নিয়ে আন্দোলন চলে আসছে। তাই নতুন কাঠামো প্রবর্তন হলে শিক্ষার্থীদের জন্য শিক্ষার মান উন্নত হওয়ার সম্ভাবনা সৃষ্টি হবে।

২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষ থেকে এই সাত কলেজের সকল শিক্ষাপ্রশাসনিক কার্যক্রম সমন্বিত কাঠামোর অধীনে পরিচালিত হবে। ইউজিসি জানিয়েছে, পরবর্তী সময়ে এই কলেজগুলো একটি পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তর্ভুক্ত হলে, কাঠামোর কার্যক্রম পুনর্বিন্যস্ত করা হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ঢাকার সাত কলেজের নতুন ব্যবস্থা, চলবে ইউজিসির অধীন সমন্বিত কাঠামোর আওতায়

আপডেট সময় ১১:২৫:৫২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ মার্চ ২০২৫

 

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন থেকে বেরিয়ে গিয়ে রাজধানীর সাতটি সরকারি কলেজের জন্য আলাদা বিশ্ববিদ্যালয় গঠন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। যদিও এটি এখনও বাস্তবায়ন হয়নি, তবে সাত কলেজের কার্যক্রম শিগগিরই একটি সমন্বিত কাঠামোর অধীনে চলবে। সরকারি সাতটি কলেজের মধ্যে রয়েছে ঢাকা কলেজ, ইডেন মহিলা কলেজ, সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ, কবি নজরুল সরকারি কলেজ, বেগম বদরুন্নেসা মহিলা কলেজ, সরকারি বাঙলা কলেজ ও সরকারি তিতুমীর কলেজ।

ইউজিসির তত্ত্বাবধানে, এই সাত কলেজের নতুন কাঠামোর পরিচালক হিসেবে কাজ করবেন ওই কলেজগুলোর যেকোনো একজন অধ্যক্ষ। এই কাঠামোর কার্যক্রমে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন দপ্তরের প্রতিনিধিরাও যুক্ত থাকবেন, যেমন পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক, ভর্তি, রেজিস্ট্রার দপ্তর এবং হিসাব দপ্তর।

আরও পড়ুন  সাত কলেজের জন্য নতুন বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম প্রস্তাব করল ইউজিসি

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের চিঠিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যকে এই প্রস্তাব বাস্তবায়নের জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। যদিও পরিকল্পনা পুরোপুরি চূড়ান্ত হয়নি, তবে ইউজিসি এরই মধ্যে সাত কলেজের জন্য ‘জুলাই ৩৬ বিশ্ববিদ্যালয়’ নামক একটি প্রস্তাবনা প্রস্তুত করেছে। এছাড়া, নতুন নাম প্রস্তাবের জন্য ইউজিসি আরও পরামর্শ গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছে।

এই সাত কলেজে বর্তমানে প্রায় দুই লাখ শিক্ষার্থী এবং এক হাজারের বেশি শিক্ষক রয়েছেন। দীর্ঘদিন ধরে কলেজগুলোর মধ্যে নানা সমস্যা যেমন মানসম্মত শিক্ষা ও পরীক্ষা নিয়ে আন্দোলন চলে আসছে। তাই নতুন কাঠামো প্রবর্তন হলে শিক্ষার্থীদের জন্য শিক্ষার মান উন্নত হওয়ার সম্ভাবনা সৃষ্টি হবে।

২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষ থেকে এই সাত কলেজের সকল শিক্ষাপ্রশাসনিক কার্যক্রম সমন্বিত কাঠামোর অধীনে পরিচালিত হবে। ইউজিসি জানিয়েছে, পরবর্তী সময়ে এই কলেজগুলো একটি পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তর্ভুক্ত হলে, কাঠামোর কার্যক্রম পুনর্বিন্যস্ত করা হবে।