ঢাকা ১২:০৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ডাকসু নির্বাচন দেশের ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব তৈরির সূতিকাগার: ঢাবি উপাচার্য

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৯:৫৩:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬
  • / 88

ছবি: সংগৃহীত

 

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচন কেবল বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ বিষয় নয়, বরং এটি জাতীয় স্বার্থে এবং দেশের ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব তৈরির জন্য অপরিহার্য বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নবনিযুক্ত উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম।

ঈদুল ফিতর উপলক্ষে নিজ কার্যালয়ে গণমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি ডাকসু নির্বাচনের গুরুত্ব এবং এ বিষয়ে তার পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন।

আরও পড়ুন  ডাকসু নির্বাচনে ২৮ পদের ২৩টিতেই জয় শিবিরের

উপাচার্য ওবায়দুল ইসলাম জোর দিয়ে বলেন যে, একটি দেশের দক্ষ নেতৃত্ব রাতারাতি তৈরি হয় না। বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন ঘাত-প্রতিঘাত এবং গণতান্ত্রিক চর্চার মধ্য দিয়েই আগামীর যোগ্য নেতা গড়ে ওঠে। তার মতে:

সামাজিক দায়বদ্ধতা: রাজনীতি মানুষকে আরও সামাজিক ও পরমতসহিষ্ণু হতে শেখায়।

সেবার মানসিকতা: ছাত্ররাজনীতি একজন শিক্ষার্থীর মাঝে নিজের চেয়ে অন্যের সেবা করার এবং মানুষের পাশে দাঁড়ানোর মানসিকতা তৈরি করে।

জাতীয় গুরুত্ব: ডাকসু এমন একটি জায়গা যা ঐতিহাসিকভাবেই দেশের বড় বড় নেতা উপহার দিয়েছে। তাই দেশের নেতৃত্বকে সমৃদ্ধ রাখতে এই নির্বাচন জরুরি।

বিগত সময়ের অবস্থান ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা
অধ্যাপক ওবায়দুল ইসলাম জানান, তিনি গত ১৭ বছর ধরে বিভিন্ন সময়ে এবং সিনেট অধিবেশনেও শিক্ষার্থীদের স্বার্থে ডাকসু নির্বাচনের দাবি জানিয়ে এসেছেন। এটি কেবল উপাচার্য হিসেবে তার দায়িত্ব নয়, বরং একটি আদর্শিক অবস্থান।

তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে,”আমার পরিকল্পনা আছে প্রতি বছরই ডাকসু ও হল সংসদ নির্বাচন আয়োজন করার, যাতে দেশ আগামী দিনে সুযোগ্য নেতৃত্বে পরিপূর্ণ থাকে।”

গত ১৬ মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩১তম উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম। তিনি এর আগে বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাউবি) উপাচার্য হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

ডাকসু নির্বাচন দেশের ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব তৈরির সূতিকাগার: ঢাবি উপাচার্য

আপডেট সময় ০৯:৫৩:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬

 

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচন কেবল বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ বিষয় নয়, বরং এটি জাতীয় স্বার্থে এবং দেশের ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব তৈরির জন্য অপরিহার্য বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নবনিযুক্ত উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম।

ঈদুল ফিতর উপলক্ষে নিজ কার্যালয়ে গণমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি ডাকসু নির্বাচনের গুরুত্ব এবং এ বিষয়ে তার পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন।

আরও পড়ুন  ডাকসু নির্বাচনে ২৮ পদের ২৩টিতেই জয় শিবিরের

উপাচার্য ওবায়দুল ইসলাম জোর দিয়ে বলেন যে, একটি দেশের দক্ষ নেতৃত্ব রাতারাতি তৈরি হয় না। বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন ঘাত-প্রতিঘাত এবং গণতান্ত্রিক চর্চার মধ্য দিয়েই আগামীর যোগ্য নেতা গড়ে ওঠে। তার মতে:

সামাজিক দায়বদ্ধতা: রাজনীতি মানুষকে আরও সামাজিক ও পরমতসহিষ্ণু হতে শেখায়।

সেবার মানসিকতা: ছাত্ররাজনীতি একজন শিক্ষার্থীর মাঝে নিজের চেয়ে অন্যের সেবা করার এবং মানুষের পাশে দাঁড়ানোর মানসিকতা তৈরি করে।

জাতীয় গুরুত্ব: ডাকসু এমন একটি জায়গা যা ঐতিহাসিকভাবেই দেশের বড় বড় নেতা উপহার দিয়েছে। তাই দেশের নেতৃত্বকে সমৃদ্ধ রাখতে এই নির্বাচন জরুরি।

বিগত সময়ের অবস্থান ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা
অধ্যাপক ওবায়দুল ইসলাম জানান, তিনি গত ১৭ বছর ধরে বিভিন্ন সময়ে এবং সিনেট অধিবেশনেও শিক্ষার্থীদের স্বার্থে ডাকসু নির্বাচনের দাবি জানিয়ে এসেছেন। এটি কেবল উপাচার্য হিসেবে তার দায়িত্ব নয়, বরং একটি আদর্শিক অবস্থান।

তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে,”আমার পরিকল্পনা আছে প্রতি বছরই ডাকসু ও হল সংসদ নির্বাচন আয়োজন করার, যাতে দেশ আগামী দিনে সুযোগ্য নেতৃত্বে পরিপূর্ণ থাকে।”

গত ১৬ মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩১তম উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম। তিনি এর আগে বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাউবি) উপাচার্য হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।