ঢাকা ০২:৪৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

কেমন হচ্ছে তারেক রহমানের নতুন সরকার?

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০১:৪২:২৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / 506

ছবি: সংগৃহীত

 

১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে বিএনপির নিরঙ্কুশ বিজয়ের পর এখন দেশজুড়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু—কারা ঠাঁই পাচ্ছেন নতুন মন্ত্রিসভায়? দলের নীতিনির্ধারক ও নির্ভরযোগ্য সূত্রগুলো নিশ্চিত করেছে, এবারের মন্ত্রিসভা হবে আগের তুলনায় ছোট, কার্যকর এবং জবাবদিহিমূলক। স্বচ্ছ ভাবমূর্তি, প্রশাসনিক দক্ষতা এবং বিগত বছরগুলোর আন্দোলন-সংগ্রামে ভূমিকার ভিত্তিতেই মন্ত্রিত্ব বণ্টন করা হচ্ছে।
তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন এই নতুন সরকার আগামী ১৭ ফেব্রুয়ারি (মঙ্গলবার) শপথ নিতে যাচ্ছে বলে সর্বশেষ খবরে জানা গেছে।

মন্ত্রিসভার আকার ও মানদণ্ড সূত্রমতে, নতুন মন্ত্রিসভা ২০ থেকে ২২ সদস্যের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকতে পারে। এতে অভিজ্ঞ জ্যেষ্ঠ নেতাদের পাশাপাশি একঝাঁক তরুণ ও দক্ষ মুখ দেখা যাবে। অন্তত ২ থেকে ৩ জন বিশেষজ্ঞকে ‘টেকনোক্র্যাট’ কোটায় অন্তর্ভুক্ত করার সম্ভাবনা রয়েছে।

আরও পড়ুন  বাবার কবর জিয়ারত করলেন তারেক রহমান

সম্ভাব্য মন্ত্রীদের তালিকায় আলোচনায় যারা নতুন মন্ত্রিসভায় স্থান পেতে পারেন এমন জ্যেষ্ঠ নেতাদের মধ্যে রয়েছেন:
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর: তাঁকে গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয় অথবা রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব দেওয়ার বিষয়ে গুঞ্জন রয়েছে।
স্থায়ী কমিটির সদস্যবৃন্দ: মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. আবদুল মঈন খান, সালাহউদ্দিন আহমদ, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী এবং মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদের নাম জোরালোভাবে শোনা যাচ্ছে।
অন্যান্য সম্ভাব্য নাম: রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, আসাদুল হাবিব দুলু, আফরোজা খানম রিতা, ব্যারিস্টার কায়সার কামাল এবং অ্যাডভোকেট মো. আসাদুজ্জামান।

টেকনোক্র্যাট ও জোটসঙ্গীদের সম্ভাবনা: মন্ত্রিসভাকে আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক করতে জোটসঙ্গীদের মধ্য থেকেও কয়েকজনকে রাখা হতে পারে। আলোচনায় রয়েছেন গণঅধিকার পরিষদের নুরুল হক নুর, গণসংহতি আন্দোলনের জোনায়েদ সাকি এবং বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) আন্দালিভ রহমান পার্থ। এছাড়া টেকনোক্র্যাট কোটায় রুহুল কবির রিজভী, মাহদী আমিন এবং হুমায়ন কবিরের নাম আলোচিত হচ্ছে।

শপথের চূড়ান্ত প্রস্তুতি: আগামী মঙ্গলবার সকাল ১০টায় সংসদ ভবনে নবনির্বাচিত এমপিদের শপথ পাঠ করাবেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিন। এরপর বিকেলে দীর্ঘদিনের রীতি ভেঙে বঙ্গভবনের পরিবর্তে সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় নতুন মন্ত্রিসভাকে শপথ বাক্য পাঠ করাবেন রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন। এই অনুষ্ঠানে ভারত, চীন ও পাকিস্তানসহ ১৩টি দেশের সরকারপ্রধানকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে বলে জানা গেছে।
নতুন সরকারের নীতি সম্পর্কে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, “আমাদের লক্ষ্য মেধা ও প্রযুক্তিনির্ভর রাষ্ট্র বিনির্মাণ। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা এবং দুর্নীতি নির্মূল করাই হবে এই সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার।”

নিউজটি শেয়ার করুন

কেমন হচ্ছে তারেক রহমানের নতুন সরকার?

আপডেট সময় ০১:৪২:২৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

 

১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে বিএনপির নিরঙ্কুশ বিজয়ের পর এখন দেশজুড়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু—কারা ঠাঁই পাচ্ছেন নতুন মন্ত্রিসভায়? দলের নীতিনির্ধারক ও নির্ভরযোগ্য সূত্রগুলো নিশ্চিত করেছে, এবারের মন্ত্রিসভা হবে আগের তুলনায় ছোট, কার্যকর এবং জবাবদিহিমূলক। স্বচ্ছ ভাবমূর্তি, প্রশাসনিক দক্ষতা এবং বিগত বছরগুলোর আন্দোলন-সংগ্রামে ভূমিকার ভিত্তিতেই মন্ত্রিত্ব বণ্টন করা হচ্ছে।
তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন এই নতুন সরকার আগামী ১৭ ফেব্রুয়ারি (মঙ্গলবার) শপথ নিতে যাচ্ছে বলে সর্বশেষ খবরে জানা গেছে।

মন্ত্রিসভার আকার ও মানদণ্ড সূত্রমতে, নতুন মন্ত্রিসভা ২০ থেকে ২২ সদস্যের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকতে পারে। এতে অভিজ্ঞ জ্যেষ্ঠ নেতাদের পাশাপাশি একঝাঁক তরুণ ও দক্ষ মুখ দেখা যাবে। অন্তত ২ থেকে ৩ জন বিশেষজ্ঞকে ‘টেকনোক্র্যাট’ কোটায় অন্তর্ভুক্ত করার সম্ভাবনা রয়েছে।

আরও পড়ুন  জাপানের সাধারণ নির্বাচনে বড় জয় পেয়েছে প্রধানমন্ত্রী তাকাইচির দল

সম্ভাব্য মন্ত্রীদের তালিকায় আলোচনায় যারা নতুন মন্ত্রিসভায় স্থান পেতে পারেন এমন জ্যেষ্ঠ নেতাদের মধ্যে রয়েছেন:
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর: তাঁকে গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয় অথবা রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব দেওয়ার বিষয়ে গুঞ্জন রয়েছে।
স্থায়ী কমিটির সদস্যবৃন্দ: মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. আবদুল মঈন খান, সালাহউদ্দিন আহমদ, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী এবং মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদের নাম জোরালোভাবে শোনা যাচ্ছে।
অন্যান্য সম্ভাব্য নাম: রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, আসাদুল হাবিব দুলু, আফরোজা খানম রিতা, ব্যারিস্টার কায়সার কামাল এবং অ্যাডভোকেট মো. আসাদুজ্জামান।

টেকনোক্র্যাট ও জোটসঙ্গীদের সম্ভাবনা: মন্ত্রিসভাকে আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক করতে জোটসঙ্গীদের মধ্য থেকেও কয়েকজনকে রাখা হতে পারে। আলোচনায় রয়েছেন গণঅধিকার পরিষদের নুরুল হক নুর, গণসংহতি আন্দোলনের জোনায়েদ সাকি এবং বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) আন্দালিভ রহমান পার্থ। এছাড়া টেকনোক্র্যাট কোটায় রুহুল কবির রিজভী, মাহদী আমিন এবং হুমায়ন কবিরের নাম আলোচিত হচ্ছে।

শপথের চূড়ান্ত প্রস্তুতি: আগামী মঙ্গলবার সকাল ১০টায় সংসদ ভবনে নবনির্বাচিত এমপিদের শপথ পাঠ করাবেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিন। এরপর বিকেলে দীর্ঘদিনের রীতি ভেঙে বঙ্গভবনের পরিবর্তে সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় নতুন মন্ত্রিসভাকে শপথ বাক্য পাঠ করাবেন রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন। এই অনুষ্ঠানে ভারত, চীন ও পাকিস্তানসহ ১৩টি দেশের সরকারপ্রধানকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে বলে জানা গেছে।
নতুন সরকারের নীতি সম্পর্কে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, “আমাদের লক্ষ্য মেধা ও প্রযুক্তিনির্ভর রাষ্ট্র বিনির্মাণ। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা এবং দুর্নীতি নির্মূল করাই হবে এই সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার।”