ঢাকা ০৪:৪৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬
শিরোনাম :
ইশরাকের পদত্যাগের খবর ভিত্তিহীন, দাবি প্রতিমন্ত্রীর দপ্তরের বক্স অফিসে ‘জেলার ২’-এর ঝড় আগারগাঁওয়ে সচিবালয় স্থানান্তরের প্রস্তাব মন্ত্রিসভায় অনুমোদন ফিলিস্তিনিদের জলপাই চুরির পক্ষে ইসরাইলি রাব্বির ফতোয়া ক্যারিবিয়ান ক্রিকেটের সুদিন ফেরাতে আর্থিক সহায়তার জোরালো দাবি স্যামির আইয়ুব বাচ্চুর প্রয়াণ দিবসে তাঁকে উৎসর্গ করে কন্সট্যান্টের ‘শেষ বিকেল’ সাজেক ফেরার পথে চাঁদের গাড়ি উল্টে দুর্ঘটনা, আহত ৭ ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে মুম্বাইয়ে তলব করলেন রুবিও, চরম বিতর্কে মোদি সরকার ইরানের নতুন প্রতিরক্ষামন্ত্রী আখলাকিকে নিয়োগ দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড, সৌদি রাষ্ট্রদূতকে তলব

১০৫১ জন ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ: নিরপেক্ষ নির্বাচন করতে সরকারের বড় পদক্ষেপ

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৭:০৭:০৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / 2948

ছবি: সংগৃহীত

আসন্ন ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং একই সঙ্গে জাতীয় গণভোটের নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা রক্ষায় সারা দেশে রেকর্ড সংখ্যক ১০৫১ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ দিয়েছে সরকার। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত একটি বিশেষ প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

কেন এই নিয়োগ? (আসল কারণ)
এই বিশাল সংখ্যক ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগের পেছনে মূলত ৪টি মূল উদ্দেশ্য কাজ করছে:
নির্বাচনী আচরণবিধি রক্ষা: ভোটগ্রহণের আগে ও পরে প্রার্থীরা যাতে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন না করেন, তা নিশ্চিত করা।
আইন-শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ: স্ব স্ব নির্বাচনী এলাকার সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং কোনো প্রকার অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড প্রতিরোধ করা।
মোবাইল কোর্ট পরিচালনা: অপরাধীদের তাৎক্ষণিক বিচার ও শাস্তি নিশ্চিত করতে মোবাইল কোর্ট বা ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা।
স্ট্রাইকিং ফোর্সের নির্দেশনা: বিজিবি, কোস্টগার্ড এবং সশস্ত্র বাহিনীর (সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনী) যেসব টিম স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে কাজ করবে, তাদের আইনি দিক-নির্দেশনা দেওয়া।

দায়িত্ব পালনের সময়সীমা
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, নিয়োগপ্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেটরা আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মাঠে থাকবেন। অর্থাৎ ভোটগ্রহণের আগের চার দিন থেকে শুরু করে ভোটের পরবর্তী দুই দিন পর্যন্ত তারা বিশেষ ক্ষমতায় নিয়োজিত থাকবেন।

আরও পড়ুন  ভোটের দিন কোথায় থাকবেন এনসিপির শীর্ষ নেতারা

গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা
১. যোগদান: ম্যাজিস্ট্রেটদের আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) কাছে যোগদান করতে হবে। যোগদানের আগে তাদের প্রয়োজনীয় ব্রিফিং ও প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। ২. ক্ষমতা: মোবাইল কোর্ট আইন, ২০০৯-এর ৫ ধারা অনুযায়ী তারা নির্ধারিত এলাকায় বিচারিক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারবেন। ৩. তদারকি: জেলা ম্যাজিস্ট্রেটরা তাদের অধিক্ষেত্রে এই ম্যাজিস্ট্রেটদের দায়িত্ব বণ্টন করে দেবেন। প্রতিদিনের মোবাইল কোর্ট পরিচালনার তথ্য রিটার্নিং অফিসার ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে অবহিত করা বাধ্যতামূলক।
উল্লেখ্য, এবারের নির্বাচনে ৩০০টি সংসদীয় আসনের পাশাপাশি দেশের সংবিধান ও প্রতিষ্ঠান সংস্কারের ওপর একটি জাতীয় গণভোটও (রেফারেন্ডাম) অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে, যা এই নির্বাচনের গুরুত্ব বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

১০৫১ জন ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ: নিরপেক্ষ নির্বাচন করতে সরকারের বড় পদক্ষেপ

আপডেট সময় ০৭:০৭:০৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

আসন্ন ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং একই সঙ্গে জাতীয় গণভোটের নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা রক্ষায় সারা দেশে রেকর্ড সংখ্যক ১০৫১ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ দিয়েছে সরকার। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত একটি বিশেষ প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

কেন এই নিয়োগ? (আসল কারণ)
এই বিশাল সংখ্যক ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগের পেছনে মূলত ৪টি মূল উদ্দেশ্য কাজ করছে:
নির্বাচনী আচরণবিধি রক্ষা: ভোটগ্রহণের আগে ও পরে প্রার্থীরা যাতে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন না করেন, তা নিশ্চিত করা।
আইন-শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ: স্ব স্ব নির্বাচনী এলাকার সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং কোনো প্রকার অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড প্রতিরোধ করা।
মোবাইল কোর্ট পরিচালনা: অপরাধীদের তাৎক্ষণিক বিচার ও শাস্তি নিশ্চিত করতে মোবাইল কোর্ট বা ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা।
স্ট্রাইকিং ফোর্সের নির্দেশনা: বিজিবি, কোস্টগার্ড এবং সশস্ত্র বাহিনীর (সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনী) যেসব টিম স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে কাজ করবে, তাদের আইনি দিক-নির্দেশনা দেওয়া।

দায়িত্ব পালনের সময়সীমা
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, নিয়োগপ্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেটরা আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মাঠে থাকবেন। অর্থাৎ ভোটগ্রহণের আগের চার দিন থেকে শুরু করে ভোটের পরবর্তী দুই দিন পর্যন্ত তারা বিশেষ ক্ষমতায় নিয়োজিত থাকবেন।

আরও পড়ুন  নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তার কোনো অবকাশ নেই: প্রেস সচিব

গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা
১. যোগদান: ম্যাজিস্ট্রেটদের আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) কাছে যোগদান করতে হবে। যোগদানের আগে তাদের প্রয়োজনীয় ব্রিফিং ও প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। ২. ক্ষমতা: মোবাইল কোর্ট আইন, ২০০৯-এর ৫ ধারা অনুযায়ী তারা নির্ধারিত এলাকায় বিচারিক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারবেন। ৩. তদারকি: জেলা ম্যাজিস্ট্রেটরা তাদের অধিক্ষেত্রে এই ম্যাজিস্ট্রেটদের দায়িত্ব বণ্টন করে দেবেন। প্রতিদিনের মোবাইল কোর্ট পরিচালনার তথ্য রিটার্নিং অফিসার ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে অবহিত করা বাধ্যতামূলক।
উল্লেখ্য, এবারের নির্বাচনে ৩০০টি সংসদীয় আসনের পাশাপাশি দেশের সংবিধান ও প্রতিষ্ঠান সংস্কারের ওপর একটি জাতীয় গণভোটও (রেফারেন্ডাম) অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে, যা এই নির্বাচনের গুরুত্ব বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে।