ঢাকা ১০:৫১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম :

শাপলা দেওয়ার সুযোগ নেই, অন্য প্রতীক দিয়ে গণবিজ্ঞপ্তি: ইসি সচিব

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৩:৪৫:৪২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৫
  • / 1326

ছবি সংগৃহীত

 

বিধিমালায় ‘শাপলা’ প্রতীক না থাকায় এ প্রতীক বরাদ্দ দেওয়ার সুযোগ নেই বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ।

কমিশন স্ববিবেচনায় অন্য প্রতীক দিয়ে গণবিজ্ঞপ্তি জারি করবে।

আরও পড়ুন  ইসি নিরপেক্ষ ছিল, তবে সংস্কারের প্রয়োজন রয়ে: আনফ্রেল

সোমবার (২৭ অক্টোবর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।

আখতার আহমেদ বলেন, ‘শাপলা প্রতীক বিষয়ে কমিশন আগেই তাদের অবস্থান জানিয়েছে। বিধিমালায় যেহেতু এই প্রতীক নেই, তাই শাপলা বরাদ্দ দেওয়া সম্ভব নয়। এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে কোনো বিকল্প প্রস্তাব কমিশনের কাছে আসেনি, কমিশন এখনও আগের অবস্থানেই রয়েছে।’

আরপিও (নির্বাচন আইন) সংশোধনের আগে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘কমিশন আরপিও সংশোধনের আগে দীর্ঘ সময় ধরে দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা করেছে। এখন পর্যন্ত কোনো সাংঘর্ষিক বিষয় পাওয়া যায়নি। তাই অনুমান নির্ভর মন্তব্য করা ঠিক হবে না।’

তিনি আরও বলেন, কমিশন আরপিও প্রস্তাবনাগুলো পাঁচটি দৃষ্টিকোণ থেকে বিবেচনা করেছে যেগুলো স্বচ্ছ ও গ্রহণযোগ্য, ভাষাগত বা সংখ্যাগতভাবে সংশোধনযোগ্য, রাজনৈতিক ঐকমত্য ছাড়া অসম্ভব, বিদ্যমান আইনে নির্ধারিত, এবং কমিশনের নিজস্ব বিবেচনায় সংশোধনযোগ্য।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

শাপলা দেওয়ার সুযোগ নেই, অন্য প্রতীক দিয়ে গণবিজ্ঞপ্তি: ইসি সচিব

আপডেট সময় ০৩:৪৫:৪২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৫

 

বিধিমালায় ‘শাপলা’ প্রতীক না থাকায় এ প্রতীক বরাদ্দ দেওয়ার সুযোগ নেই বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ।

কমিশন স্ববিবেচনায় অন্য প্রতীক দিয়ে গণবিজ্ঞপ্তি জারি করবে।

আরও পড়ুন  ইসি নিরপেক্ষ ছিল, তবে সংস্কারের প্রয়োজন রয়ে: আনফ্রেল

সোমবার (২৭ অক্টোবর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।

আখতার আহমেদ বলেন, ‘শাপলা প্রতীক বিষয়ে কমিশন আগেই তাদের অবস্থান জানিয়েছে। বিধিমালায় যেহেতু এই প্রতীক নেই, তাই শাপলা বরাদ্দ দেওয়া সম্ভব নয়। এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে কোনো বিকল্প প্রস্তাব কমিশনের কাছে আসেনি, কমিশন এখনও আগের অবস্থানেই রয়েছে।’

আরপিও (নির্বাচন আইন) সংশোধনের আগে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘কমিশন আরপিও সংশোধনের আগে দীর্ঘ সময় ধরে দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা করেছে। এখন পর্যন্ত কোনো সাংঘর্ষিক বিষয় পাওয়া যায়নি। তাই অনুমান নির্ভর মন্তব্য করা ঠিক হবে না।’

তিনি আরও বলেন, কমিশন আরপিও প্রস্তাবনাগুলো পাঁচটি দৃষ্টিকোণ থেকে বিবেচনা করেছে যেগুলো স্বচ্ছ ও গ্রহণযোগ্য, ভাষাগত বা সংখ্যাগতভাবে সংশোধনযোগ্য, রাজনৈতিক ঐকমত্য ছাড়া অসম্ভব, বিদ্যমান আইনে নির্ধারিত, এবং কমিশনের নিজস্ব বিবেচনায় সংশোধনযোগ্য।