ঢাকা ০৪:২২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
অস্ট্রেলিয়া সিরিজে বাংলাদেশ দলে চমক দেশে এখনও অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র চলছে: মির্জা ফখরুল মাজারের দিঘির কুমিরকে সরিয়ে নেওয়া হলো খুলনায় নেত্রকোনায় পাওনা দুই হাজার টাকার দ্বন্দ্বে ভাঙারি ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা সান মারিনো—বিশ্বের প্রাচীনতম প্রজাতন্ত্রের এক অনন্য গল্প মুক্তিযুদ্ধকে অসম্মান করলে আরেকটি গণঅভ্যুত্থান হবে: ইশরাক হোসেন বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি; কার্যকর জুন থেকেই বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের পণ্যে নতুন মার্কিন শুল্ক প্রত্যেকটি নাগরিককে মাথায় রেখে বাজেট দেওয়া হচ্ছে: অর্থমন্ত্রী শিশু রামিসা হত্যা মামলা: আদালতে অপরাধ স্বীকার সোহেল রানার, যুক্তিতর্ক বৃহস্পতিবার

ইউনান প্রদেশের গভর্নরের সঙ্গে বাণিজ্য উপদেষ্টার উচ্চপর্যায়ের বৈঠক

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৭:১৪:০২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ এপ্রিল ২০২৫
  • / 287

ছবি সংগৃহীত

 

 

চীনের ইউনান প্রদেশের গভর্নর ওয়াং ইউবো এবং বাংলাদেশের বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীনের মধ্যে এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার (২০ এপ্রিল) বিকেলে রাজধানীর সচিবালয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে এই বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়ানোর নানা বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।

আরও পড়ুন  আফ্রিকার দেশগুলোর জন্য শুল্কমুক্ত বাণিজ্য ঘোষণা করলো চীন

বৈঠকে বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন বলেন, বাংলাদেশ ও ইউনানের মধ্যে ব্যবসা-বাণিজ্য সম্প্রসারণের বিশাল সুযোগ রয়েছে। তিনি বলেন, “এই সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশ ইউনানের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে নতুন মাত্রায় নিয়ে যেতে চায়।”

তিনি আরও বলেন, দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতার মাধ্যমে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি এবং পর্যটন খাতে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হতে পারে। বাংলাদেশে অ্যাগ্রিকালচার ড্রোন প্রযুক্তি চালু, প্রশিক্ষকদের দক্ষতা বৃদ্ধি, পেস্টিসাইড ব্যবস্থাপনা ও খাদ্য উৎপাদনে গবেষণাধর্মী প্রকল্প গ্রহণে ইউনানের সহায়তা কামনা করেন তিনি।

পর্যটনের সম্ভাবনার কথাও তুলে ধরেন বাণিজ্য উপদেষ্টা। ইউনানের সফল পর্যটন অভিজ্ঞতা বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ পর্যটন শিল্প বিকাশে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে বলেও তিনি মত দেন। পাশাপাশি, ট্যুরিজম অবকাঠামো উন্নয়ন ও নতুন বিনিয়োগে এগিয়ে আসতে ইউনান গভর্নরের প্রতি আহ্বান জানান।

গভর্নর ওয়াং ইউবো বলেন, বাংলাদেশ ও চীনের সম্পর্ক বর্তমানে চমৎকার অবস্থানে রয়েছে। সম্প্রতি প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের চীন সফর এ সম্পর্ককে আরও মজবুত করেছে বলে মন্তব্য করেন তিনি। ইউনান প্রদেশ বাংলাদেশের সঙ্গে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়াতে আগ্রহী বলেও জানান গভর্নর।

চট্টগ্রাম-কুনমিং ফ্লাইট চালুর মাধ্যমে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও গতিশীল হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি। এ ছাড়া, ইউনানে বাংলাদেশের মৌসুমি ফল বিশেষ করে আম এবং ইলিশ মাছের চাহিদার কথা জানিয়ে এগুলো আমদানির আগ্রহ প্রকাশ করেন।

তিনি আরও বলেন, ইউনান বিশ্বজুড়ে পর্যটকদের কাছে জনপ্রিয় একটি গন্তব্য। প্রতি বছর প্রায় ৭০০ মিলিয়ন পর্যটক সেখানে ভ্রমণ করেন। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরপুর ইউনান বাংলাদেশের পর্যটন খাতের উন্নয়নে অভিজ্ঞতা ভাগ করে নিতে প্রস্তুত বলেও জানান তিনি।

বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন, কৃষি সচিব ড. এমদাদ উল্লাহ মিয়ান, বাণিজ্য সচিব মাহবুবুর রহমান এবং বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আবু তাহের মুহাম্মদ জাবের।

নিউজটি শেয়ার করুন

ইউনান প্রদেশের গভর্নরের সঙ্গে বাণিজ্য উপদেষ্টার উচ্চপর্যায়ের বৈঠক

আপডেট সময় ০৭:১৪:০২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ এপ্রিল ২০২৫

 

 

চীনের ইউনান প্রদেশের গভর্নর ওয়াং ইউবো এবং বাংলাদেশের বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীনের মধ্যে এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার (২০ এপ্রিল) বিকেলে রাজধানীর সচিবালয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে এই বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়ানোর নানা বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।

আরও পড়ুন  গ্রেটার ইউরেশিয়ান পার্টনারশিপ: ইউরোপ ও এশিয়ার বাণিজ্য সম্ভাবনা

বৈঠকে বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন বলেন, বাংলাদেশ ও ইউনানের মধ্যে ব্যবসা-বাণিজ্য সম্প্রসারণের বিশাল সুযোগ রয়েছে। তিনি বলেন, “এই সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশ ইউনানের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে নতুন মাত্রায় নিয়ে যেতে চায়।”

তিনি আরও বলেন, দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতার মাধ্যমে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি এবং পর্যটন খাতে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হতে পারে। বাংলাদেশে অ্যাগ্রিকালচার ড্রোন প্রযুক্তি চালু, প্রশিক্ষকদের দক্ষতা বৃদ্ধি, পেস্টিসাইড ব্যবস্থাপনা ও খাদ্য উৎপাদনে গবেষণাধর্মী প্রকল্প গ্রহণে ইউনানের সহায়তা কামনা করেন তিনি।

পর্যটনের সম্ভাবনার কথাও তুলে ধরেন বাণিজ্য উপদেষ্টা। ইউনানের সফল পর্যটন অভিজ্ঞতা বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ পর্যটন শিল্প বিকাশে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে বলেও তিনি মত দেন। পাশাপাশি, ট্যুরিজম অবকাঠামো উন্নয়ন ও নতুন বিনিয়োগে এগিয়ে আসতে ইউনান গভর্নরের প্রতি আহ্বান জানান।

গভর্নর ওয়াং ইউবো বলেন, বাংলাদেশ ও চীনের সম্পর্ক বর্তমানে চমৎকার অবস্থানে রয়েছে। সম্প্রতি প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের চীন সফর এ সম্পর্ককে আরও মজবুত করেছে বলে মন্তব্য করেন তিনি। ইউনান প্রদেশ বাংলাদেশের সঙ্গে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়াতে আগ্রহী বলেও জানান গভর্নর।

চট্টগ্রাম-কুনমিং ফ্লাইট চালুর মাধ্যমে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও গতিশীল হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি। এ ছাড়া, ইউনানে বাংলাদেশের মৌসুমি ফল বিশেষ করে আম এবং ইলিশ মাছের চাহিদার কথা জানিয়ে এগুলো আমদানির আগ্রহ প্রকাশ করেন।

তিনি আরও বলেন, ইউনান বিশ্বজুড়ে পর্যটকদের কাছে জনপ্রিয় একটি গন্তব্য। প্রতি বছর প্রায় ৭০০ মিলিয়ন পর্যটক সেখানে ভ্রমণ করেন। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরপুর ইউনান বাংলাদেশের পর্যটন খাতের উন্নয়নে অভিজ্ঞতা ভাগ করে নিতে প্রস্তুত বলেও জানান তিনি।

বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন, কৃষি সচিব ড. এমদাদ উল্লাহ মিয়ান, বাণিজ্য সচিব মাহবুবুর রহমান এবং বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আবু তাহের মুহাম্মদ জাবের।