ঢাকা ০৩:২৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম :
সাংবাদিকের লেখায় যেন কারও জীবন, ক্যারিয়ার ও মানসম্মান ক্ষতিগ্রস্ত না হয়: তথ্যমন্ত্রী বিদ্যুৎ ও জ্বালানি পরিস্থিতির উন্নতি হবে দুই সপ্তাহের মধ্যে: প্রতিমন্ত্রী অমিত জন্মের ১০০ বছরে উত্তম কুমার, দুই বাংলার দর্শকের ভালোবাসায় অমর মহানায়ক বিশ্ব ইজতেমা দুই পর্বে হবে, তারিখ ঘোষণা ধর্মীয় সম্প্রীতি বজায় রেখে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর সন্ধ্যার মধ্যে ৬০ কিমি বেগে ঝড়ো হাওয়া, নদীবন্দরে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত শেখ হাসিনাসহ ৩০ জনকে আত্মসমর্পণে বিজ্ঞপ্তির নির্দেশ তাবলিগ জামাতের মাওলানা এহসানুল হক আর নেই বৃষ্টির ফোঁটা থেকেই বিদ্যুৎ! নতুন সম্ভাবনা দেখছেন গবেষকরা কক্সবাজারে ট্রলারডুবি, নিহত ২

গাজায় ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়েছে মানবতা, একের পর এক বেরিয়ে আসছে মরদেহ

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০২:৫৩:১৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ মার্চ ২০২৫
  • / 456

ছবি: সংগৃহীত

 

গাজা শহরে ধ্বংসস্তূপের ভেতর থেকে একের পর এক বেরিয়ে আসছে মরদেহ। আতঙ্ক আর কান্নার মধ্যেই পরিবারের সদস্যদের খুঁজছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। উদ্ধার হওয়া দেহগুলো নিয়ে যাওয়া হচ্ছে আল-আহলি আরব হাসপাতালে।

মঙ্গলবার (১৮ মার্চ) কাতারভিত্তিক গণমাধ্যম আল-জাজিরার প্রতিবেদনে উঠে এসেছে গাজার ভয়াবহ পরিস্থিতির এই চিত্র।

আরও পড়ুন  জাজিরা থানা থেকে ওসির মরদেহ উদ্ধার

গত কয়েকদিনে গাজাজুড়ে চলা ইসরায়েলি বিমান হামলায় এখন পর্যন্ত ৩৪২ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। এর মধ্যে শুধুমাত্র উত্তর গাজাতেই নিহত হয়েছেন অন্তত ১৫৪ জন। নিহতের সংখ্যা আরও অনেক বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। হামলায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে সাধারণ নাগরিক, বিশেষ করে নারী ও শিশুরা। হামলায় প্রাণ হারিয়েছেন হামাসের একজন জ্যেষ্ঠ নিরাপত্তা কর্মকর্তাও।

বেঁচে ফেরা বাসিন্দারা বলেন, ‘সেহরির আগে আমরা ঘুমিয়ে ছিলাম। হঠাৎ বোমার বিকট শব্দে মনে হলো পুরো বাড়িটাই আমাদের ওপর ভেঙে পড়েছে। চারপাশে শুধু ধ্বংস আর মানুষের ছিন্নভিন্ন দেহ।’

পশ্চিম গাজা শহরের পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ। সেখানে বোমার আঘাতে নিহতদের দেহ টুকরো টুকরো হয়ে রাস্তায় ও বাড়ির উঠানে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রয়েছে। নিখোঁজ বহু মানুষের পরিচয় এখনো শনাক্ত করা যায়নি। ফলে আতঙ্ক ও উদ্বেগের মধ্যে নিখোঁজ স্বজনদের খুঁজছেন বাসিন্দারা।

গাজায় মার্কিন মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানোর চেষ্টা চললেও বন্দি বিনিময়সহ গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে মতপার্থক্যের কারণে আলোচনা ব্যর্থ হয়েছে। এরই মধ্যে নতুন করে স্থল অভিযানের হুমকি দিয়েছে ইসরায়েল। তেল আবিব জানিয়েছে, আগের চেয়ে আরও ভয়াবহ সামরিক অভিযান চালানো হবে।

আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা সতর্ক করে বলছেন, এই সংঘাতের নতুন ধাপে গাজার মানবিক সংকট আরও তীব্র আকার ধারণ করবে। অবিলম্বে যুদ্ধবিরতি কার্যকর না হলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে বলে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন তারা।

নিউজটি শেয়ার করুন

গাজায় ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়েছে মানবতা, একের পর এক বেরিয়ে আসছে মরদেহ

আপডেট সময় ০২:৫৩:১৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ মার্চ ২০২৫

 

গাজা শহরে ধ্বংসস্তূপের ভেতর থেকে একের পর এক বেরিয়ে আসছে মরদেহ। আতঙ্ক আর কান্নার মধ্যেই পরিবারের সদস্যদের খুঁজছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। উদ্ধার হওয়া দেহগুলো নিয়ে যাওয়া হচ্ছে আল-আহলি আরব হাসপাতালে।

মঙ্গলবার (১৮ মার্চ) কাতারভিত্তিক গণমাধ্যম আল-জাজিরার প্রতিবেদনে উঠে এসেছে গাজার ভয়াবহ পরিস্থিতির এই চিত্র।

আরও পড়ুন  গাজায় ইউরোপীয় হাসপাতালে ইসরায়েলি বিমান হামলা, নিহত অন্তত ২৮ জন

গত কয়েকদিনে গাজাজুড়ে চলা ইসরায়েলি বিমান হামলায় এখন পর্যন্ত ৩৪২ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। এর মধ্যে শুধুমাত্র উত্তর গাজাতেই নিহত হয়েছেন অন্তত ১৫৪ জন। নিহতের সংখ্যা আরও অনেক বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। হামলায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে সাধারণ নাগরিক, বিশেষ করে নারী ও শিশুরা। হামলায় প্রাণ হারিয়েছেন হামাসের একজন জ্যেষ্ঠ নিরাপত্তা কর্মকর্তাও।

বেঁচে ফেরা বাসিন্দারা বলেন, ‘সেহরির আগে আমরা ঘুমিয়ে ছিলাম। হঠাৎ বোমার বিকট শব্দে মনে হলো পুরো বাড়িটাই আমাদের ওপর ভেঙে পড়েছে। চারপাশে শুধু ধ্বংস আর মানুষের ছিন্নভিন্ন দেহ।’

পশ্চিম গাজা শহরের পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ। সেখানে বোমার আঘাতে নিহতদের দেহ টুকরো টুকরো হয়ে রাস্তায় ও বাড়ির উঠানে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রয়েছে। নিখোঁজ বহু মানুষের পরিচয় এখনো শনাক্ত করা যায়নি। ফলে আতঙ্ক ও উদ্বেগের মধ্যে নিখোঁজ স্বজনদের খুঁজছেন বাসিন্দারা।

গাজায় মার্কিন মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানোর চেষ্টা চললেও বন্দি বিনিময়সহ গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে মতপার্থক্যের কারণে আলোচনা ব্যর্থ হয়েছে। এরই মধ্যে নতুন করে স্থল অভিযানের হুমকি দিয়েছে ইসরায়েল। তেল আবিব জানিয়েছে, আগের চেয়ে আরও ভয়াবহ সামরিক অভিযান চালানো হবে।

আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা সতর্ক করে বলছেন, এই সংঘাতের নতুন ধাপে গাজার মানবিক সংকট আরও তীব্র আকার ধারণ করবে। অবিলম্বে যুদ্ধবিরতি কার্যকর না হলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে বলে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন তারা।