ঢাকা ০৬:১৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
টকশো ও সোশ্যাল মিডিয়ার বিভ্রান্তি থেকে সতর্ক থাকতে হবে: মির্জা ফখরুল রুশ তেল আমদানিতে ৬০ দিনের ‘বিশেষ ছাড়’ পেল বাংলাদেশ ইন্দোনেশিয়ায় হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়ে ৮ আরোহীর সবার মৃত্যু শেখ হাসিনাকে ফেরানোর অনুরোধ খতিয়ে দেখছে ভারত: নয়াদিল্লির আনুষ্ঠানিক বার্তা অস্ট্রিয়া—সংগীত, ইতিহাস ও পাহাড়ের দেশ চাঁদ জয়ের রেকর্ড গড়া নভোচারীদের, রাজকীয় সংবর্ধনা সিনেমার বাইরে বাস্তব নাটক—রোহিত শেঠির বাড়িতে গুলির ঘটনায় গ্রেপ্তার কুষ্টিয়ায় অনির্দিষ্টকালের বাস ধর্মঘট, ভোগান্তিতে যাত্রীরা ‘ক্লান্ত’ মির্জা ফখরুল কি তবে পরবর্তী রাষ্ট্রপতি? গুঞ্জন ও আগামীর সমীকরণ খাবার শেষে পানি পান: উপকার নাকি ক্ষতি—চিকিৎসকরা কী বলছেন

ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে আলোচনা করেই গাজায় ইসরায়েলের হামলা চালানো হয়েছে : হোয়াইট হাউস

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০১:০৬:৫৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ মার্চ ২০২৫
  • / 211

ছবি: সংগৃহীত

 

যুদ্ধবিরতির মেয়াদ শেষ হতেই ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় ভয়াবহ বিমান হামলা শুরু করেছে ইসরায়েল। গত সোমবার থেকে চালানো এই হামলায় এ পর্যন্ত অন্তত ২০০ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক নারী ও শিশু রয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে পরামর্শ করেই ইসরায়েল এই হামলা চালিয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লিভিট। খবর রয়টার্স ও আল জাজিরার।

ফক্স নিউজের জনপ্রিয় অনুষ্ঠান ‘হ্যানিটি’তে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে লিভিট বলেন, ‘সোমবার রাতে গাজায় হামলার বিষয়ে ইসরায়েল সরাসরি ট্রাম্প প্রশাসন এবং হোয়াইট হাউসের সঙ্গে পরামর্শ করেছে। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প স্পষ্ট জানিয়েছেন, হামাস, হুতি ও ইরানের মতো যারা ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তাকে হুমকিতে ফেলতে চায়, তাদের কঠোর মূল্য দিতে হবে।’

আরও পড়ুন  ট্রাম্পের ‘গালফ অব আমেরিকা’ বিতর্কে আদালতের হস্তক্ষেপ: এপি’র হোয়াইট হাউস প্রবেশাধিকার ফিরছে

লিভিট আরও বলেন, ‘হামাস, হুতি, হিজবুল্লাহসহ ইরান সমর্থিত সন্ত্রাসী সংগঠনগুলোর উচিত ট্রাম্পের হুঁশিয়ারিকে গুরুত্বের সঙ্গে নেওয়া। তিনি (ট্রাম্প) কখনও যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্র ইসরায়েলের পক্ষে দাঁড়াতে ভয় পান না।’

এদিকে আল জাজিরা জানিয়েছে, চলতি বছরের ১৯ জানুয়ারি হামাসের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর এটি ছিল গাজায় ইসরায়েলের সবচেয়ে বড় সামরিক হামলা। সোমবার থেকে শুরু হওয়া বিমান হামলায় গাজার বহু আবাসিক ভবন ও অবকাঠামো ধ্বংস হয়ে গেছে। ধ্বংসস্তূপের নিচে এখনও বহু মানুষ আটকা পড়ে আছে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। হামলায় আহতদের সংখ্যা হাজার ছাড়িয়ে গেছে।

গাজার স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, ‘হামলায় চিকিৎসা ব্যবস্থা বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে, হাসপাতালে ওষুধ ও জরুরি চিকিৎসাসামগ্রীর ঘাটতি দেখা দিয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে মানবিক বিপর্যয় এড়াতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের হস্তক্ষেপ জরুরি।’

বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রত্যক্ষ সমর্থন পাওয়ার কারণে ইসরায়েল হামলা অব্যাহত রেখেছে। এতে মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠনগুলোও এ হামলার নিন্দা জানিয়ে দ্রুত যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানিয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে আলোচনা করেই গাজায় ইসরায়েলের হামলা চালানো হয়েছে : হোয়াইট হাউস

আপডেট সময় ০১:০৬:৫৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ মার্চ ২০২৫

 

যুদ্ধবিরতির মেয়াদ শেষ হতেই ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় ভয়াবহ বিমান হামলা শুরু করেছে ইসরায়েল। গত সোমবার থেকে চালানো এই হামলায় এ পর্যন্ত অন্তত ২০০ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক নারী ও শিশু রয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে পরামর্শ করেই ইসরায়েল এই হামলা চালিয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লিভিট। খবর রয়টার্স ও আল জাজিরার।

ফক্স নিউজের জনপ্রিয় অনুষ্ঠান ‘হ্যানিটি’তে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে লিভিট বলেন, ‘সোমবার রাতে গাজায় হামলার বিষয়ে ইসরায়েল সরাসরি ট্রাম্প প্রশাসন এবং হোয়াইট হাউসের সঙ্গে পরামর্শ করেছে। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প স্পষ্ট জানিয়েছেন, হামাস, হুতি ও ইরানের মতো যারা ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তাকে হুমকিতে ফেলতে চায়, তাদের কঠোর মূল্য দিতে হবে।’

আরও পড়ুন  ইউক্রেনের যুদ্ধ শেষ করতে চুক্তি করতে চান জেলেনস্কি : ট্রাম্প

লিভিট আরও বলেন, ‘হামাস, হুতি, হিজবুল্লাহসহ ইরান সমর্থিত সন্ত্রাসী সংগঠনগুলোর উচিত ট্রাম্পের হুঁশিয়ারিকে গুরুত্বের সঙ্গে নেওয়া। তিনি (ট্রাম্প) কখনও যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্র ইসরায়েলের পক্ষে দাঁড়াতে ভয় পান না।’

এদিকে আল জাজিরা জানিয়েছে, চলতি বছরের ১৯ জানুয়ারি হামাসের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর এটি ছিল গাজায় ইসরায়েলের সবচেয়ে বড় সামরিক হামলা। সোমবার থেকে শুরু হওয়া বিমান হামলায় গাজার বহু আবাসিক ভবন ও অবকাঠামো ধ্বংস হয়ে গেছে। ধ্বংসস্তূপের নিচে এখনও বহু মানুষ আটকা পড়ে আছে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। হামলায় আহতদের সংখ্যা হাজার ছাড়িয়ে গেছে।

গাজার স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, ‘হামলায় চিকিৎসা ব্যবস্থা বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে, হাসপাতালে ওষুধ ও জরুরি চিকিৎসাসামগ্রীর ঘাটতি দেখা দিয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে মানবিক বিপর্যয় এড়াতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের হস্তক্ষেপ জরুরি।’

বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রত্যক্ষ সমর্থন পাওয়ার কারণে ইসরায়েল হামলা অব্যাহত রেখেছে। এতে মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠনগুলোও এ হামলার নিন্দা জানিয়ে দ্রুত যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানিয়েছে।