ঢাকা ০৬:০১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
অস্ট্রেলিয়া সিরিজে বাংলাদেশ দলে চমক দেশে এখনও অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র চলছে: মির্জা ফখরুল মাজারের দিঘির কুমিরকে সরিয়ে নেওয়া হলো খুলনায় নেত্রকোনায় পাওনা দুই হাজার টাকার দ্বন্দ্বে ভাঙারি ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা সান মারিনো—বিশ্বের প্রাচীনতম প্রজাতন্ত্রের এক অনন্য গল্প মুক্তিযুদ্ধকে অসম্মান করলে আরেকটি গণঅভ্যুত্থান হবে: ইশরাক হোসেন বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি; কার্যকর জুন থেকেই বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের পণ্যে নতুন মার্কিন শুল্ক প্রত্যেকটি নাগরিককে মাথায় রেখে বাজেট দেওয়া হচ্ছে: অর্থমন্ত্রী শিশু রামিসা হত্যা মামলা: আদালতে অপরাধ স্বীকার সোহেল রানার, যুক্তিতর্ক বৃহস্পতিবার

ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে আলোচনা করেই গাজায় ইসরায়েলের হামলা চালানো হয়েছে : হোয়াইট হাউস

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০১:০৬:৫৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ মার্চ ২০২৫
  • / 297

ছবি: সংগৃহীত

 

যুদ্ধবিরতির মেয়াদ শেষ হতেই ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় ভয়াবহ বিমান হামলা শুরু করেছে ইসরায়েল। গত সোমবার থেকে চালানো এই হামলায় এ পর্যন্ত অন্তত ২০০ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক নারী ও শিশু রয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে পরামর্শ করেই ইসরায়েল এই হামলা চালিয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লিভিট। খবর রয়টার্স ও আল জাজিরার।

ফক্স নিউজের জনপ্রিয় অনুষ্ঠান ‘হ্যানিটি’তে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে লিভিট বলেন, ‘সোমবার রাতে গাজায় হামলার বিষয়ে ইসরায়েল সরাসরি ট্রাম্প প্রশাসন এবং হোয়াইট হাউসের সঙ্গে পরামর্শ করেছে। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প স্পষ্ট জানিয়েছেন, হামাস, হুতি ও ইরানের মতো যারা ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তাকে হুমকিতে ফেলতে চায়, তাদের কঠোর মূল্য দিতে হবে।’

আরও পড়ুন  ট্রাম্প-পুতিন ফোনালাপ: ইউক্রেন যুদ্ধবিরতি ও শান্তি প্রতিষ্ঠার নতুন উদ্যোগ

লিভিট আরও বলেন, ‘হামাস, হুতি, হিজবুল্লাহসহ ইরান সমর্থিত সন্ত্রাসী সংগঠনগুলোর উচিত ট্রাম্পের হুঁশিয়ারিকে গুরুত্বের সঙ্গে নেওয়া। তিনি (ট্রাম্প) কখনও যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্র ইসরায়েলের পক্ষে দাঁড়াতে ভয় পান না।’

এদিকে আল জাজিরা জানিয়েছে, চলতি বছরের ১৯ জানুয়ারি হামাসের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর এটি ছিল গাজায় ইসরায়েলের সবচেয়ে বড় সামরিক হামলা। সোমবার থেকে শুরু হওয়া বিমান হামলায় গাজার বহু আবাসিক ভবন ও অবকাঠামো ধ্বংস হয়ে গেছে। ধ্বংসস্তূপের নিচে এখনও বহু মানুষ আটকা পড়ে আছে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। হামলায় আহতদের সংখ্যা হাজার ছাড়িয়ে গেছে।

গাজার স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, ‘হামলায় চিকিৎসা ব্যবস্থা বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে, হাসপাতালে ওষুধ ও জরুরি চিকিৎসাসামগ্রীর ঘাটতি দেখা দিয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে মানবিক বিপর্যয় এড়াতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের হস্তক্ষেপ জরুরি।’

বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রত্যক্ষ সমর্থন পাওয়ার কারণে ইসরায়েল হামলা অব্যাহত রেখেছে। এতে মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠনগুলোও এ হামলার নিন্দা জানিয়ে দ্রুত যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানিয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে আলোচনা করেই গাজায় ইসরায়েলের হামলা চালানো হয়েছে : হোয়াইট হাউস

আপডেট সময় ০১:০৬:৫৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ মার্চ ২০২৫

 

যুদ্ধবিরতির মেয়াদ শেষ হতেই ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় ভয়াবহ বিমান হামলা শুরু করেছে ইসরায়েল। গত সোমবার থেকে চালানো এই হামলায় এ পর্যন্ত অন্তত ২০০ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক নারী ও শিশু রয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে পরামর্শ করেই ইসরায়েল এই হামলা চালিয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লিভিট। খবর রয়টার্স ও আল জাজিরার।

ফক্স নিউজের জনপ্রিয় অনুষ্ঠান ‘হ্যানিটি’তে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে লিভিট বলেন, ‘সোমবার রাতে গাজায় হামলার বিষয়ে ইসরায়েল সরাসরি ট্রাম্প প্রশাসন এবং হোয়াইট হাউসের সঙ্গে পরামর্শ করেছে। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প স্পষ্ট জানিয়েছেন, হামাস, হুতি ও ইরানের মতো যারা ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তাকে হুমকিতে ফেলতে চায়, তাদের কঠোর মূল্য দিতে হবে।’

আরও পড়ুন   যুদ্ধবিরতি: স্বস্তি ও শঙ্কার মধ্য দিয়ে দিন পার করছেন দুবাই প্রবাসী বাংলাদেশিরা

লিভিট আরও বলেন, ‘হামাস, হুতি, হিজবুল্লাহসহ ইরান সমর্থিত সন্ত্রাসী সংগঠনগুলোর উচিত ট্রাম্পের হুঁশিয়ারিকে গুরুত্বের সঙ্গে নেওয়া। তিনি (ট্রাম্প) কখনও যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্র ইসরায়েলের পক্ষে দাঁড়াতে ভয় পান না।’

এদিকে আল জাজিরা জানিয়েছে, চলতি বছরের ১৯ জানুয়ারি হামাসের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর এটি ছিল গাজায় ইসরায়েলের সবচেয়ে বড় সামরিক হামলা। সোমবার থেকে শুরু হওয়া বিমান হামলায় গাজার বহু আবাসিক ভবন ও অবকাঠামো ধ্বংস হয়ে গেছে। ধ্বংসস্তূপের নিচে এখনও বহু মানুষ আটকা পড়ে আছে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। হামলায় আহতদের সংখ্যা হাজার ছাড়িয়ে গেছে।

গাজার স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, ‘হামলায় চিকিৎসা ব্যবস্থা বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে, হাসপাতালে ওষুধ ও জরুরি চিকিৎসাসামগ্রীর ঘাটতি দেখা দিয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে মানবিক বিপর্যয় এড়াতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের হস্তক্ষেপ জরুরি।’

বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রত্যক্ষ সমর্থন পাওয়ার কারণে ইসরায়েল হামলা অব্যাহত রেখেছে। এতে মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠনগুলোও এ হামলার নিন্দা জানিয়ে দ্রুত যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানিয়েছে।