ঢাকা ০৩:৪২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
প্রথমার্ধে গোলশূন্য; রক্ষণ সামলাতেই ব্যস্ত আর্জেন্টিনা ‎বিতর্ক এড়াতে ফাইনালে সাত দেশের রেফারি জুলাই সনদ বিতর্কের ইতি টানার উচিত: মির্জা ফখরুলের ‎শাপলা চত্বর হত্যাকাণ্ডে ৫৮ নিহতের পরিচয় শনাক্ত: চিফ প্রসিকিউটর জিম্বাবুয়েকে ১৪৩ রানে থামাল বাংলাদেশ, লক্ষ্য ১৪৪ রাজনৈতিক পক্ষপাত ছাড়াই দায়িত্ব পালনের আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ‎গণমাধ্যমের তোষামোদী সংস্কৃতি এখনো রয়ে গেছে— মির্জা ফখরুল ‎সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচে টস হেরে বোলিংয়ে বাংলাদেশ, একাদশে দুই পরিবর্তন জুলাই বিপ্লবে বিএনপির ১৭ বছরের আন্দোলন সফল হয়েছে: রিজভী জর্ডানের মার্কিন ঘাঁটিতে হামলার পর নতুন দাবি তেহরানের

ফরাসি নেতার দাবি: ‘স্ট্যাচু অফ লিবারর্টি ফিরিয়ে দিন’

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৭:১২:৪৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ মার্চ ২০২৫
  • / 400

ছবি: সংগৃহীত

 

আমেরিকার প্রতীকী মূর্তি, স্ট্যাচু অব লিবার্টি, যা স্বাধীনতার প্রতীক হিসেবে পরিচিত, ফ্রান্স থেকে উপহার হিসেবে আমেরিকায় প্রদান করা হয়েছিল। সম্প্রতি, ফরাসি ইউরো-ডেপুটি রাফায়েল গ্লুকসম্যান এই মূর্তি ফিরিয়ে নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। ফরাসি সংবাদমাধ্যম লে মন্ডে-এ প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্লেস পাব্লিক রাজনৈতিক দলের সম্মেলনে তিনি এই দাবি তোলেন।

গ্লুকসম্যান যুক্তরাষ্ট্রকে তীব্র সমালোচনা করে বলেন, “যারা বিজ্ঞান ও গবেষণার স্বাধীনতার পক্ষে কথা বলায় গবেষকদের চাকরি থেকে অপসারণ করছে এবং স্বৈরশাসকদের পক্ষে অবস্থান নিচ্ছে, তাদের আমরা বলছি—স্ট্যাচু অব লিবার্টি আমাদের ফিরিয়ে দাও।” তিনি দীর্ঘদিন ধরে ইউক্রেনের সমর্থক এবং যুক্তরাষ্ট্রের প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের রাশিয়া ও ইউক্রেন নীতির সমালোচক।

আরও পড়ুন  যুদ্ধের CO₂ নির্গমন নিয়ে রাশিয়ার বিরুদ্ধে মামলা করতে চায় ইউক্রেন—ক্ষতিপূরণ দাবি ৪৪ বিলিয়ন ডলার

তিনি আরও বলেন, “যদি তোমরা তোমাদের সেরা গবেষকদের বরখাস্ত করতে চাও এবং স্বাধীনতা, উদ্ভাবন ও গবেষণার প্রতি শ্রদ্ধাশীল মানুষদের ত্যাগ করতে চাও, তবে আমরা তাদের স্বাগত জানাব।”

১৮৮৫ সালে ফ্রান্স থেকে আমেরিকায় আসা এই মূর্তির ডিজাইন করেছিলেন ফরাসি শিল্পী ফ্রেডেরিক বার্থোলডি। ১৮৮৬ সালের অক্টোবরে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট গ্লোভার ক্লিভল্যান্ড মূর্তির উদ্বোধন করেন। ১৯২৪ সালে আমেরিকার সরকার এই মূর্তিকে ‘জাতীয় স্মৃতিস্তম্ভ’ হিসেবে ঘোষণা করে। বর্তমানে, লিবার্টি দ্বীপে অবস্থিত এই মূর্তি ফ্রান্সে ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি করেছেন গ্লুকসম্যান।

রাফায়েল গ্লুকসম্যান ১৯৭৯ সালে জন্মগ্রহণ করেন এবং প্যারিসের ইন্সটিটিউট অব পলিটিক্যাল স্টাডিজ থেকে স্নাতক পাস করেন। ২০১৯ সাল থেকে তিনি ইউরোপীয় পার্লামেন্টের ‘প্রগ্রেসিভ অ্যালায়েন্স অব সোশ্যালিস্টস অ্যান্ড ডেমোক্র্যাটস’ দলের সদস্য এবং মানবাধিকারবিষয়ক উপকমিটির সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

সূত্র : সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট

নিউজটি শেয়ার করুন

ফরাসি নেতার দাবি: ‘স্ট্যাচু অফ লিবারর্টি ফিরিয়ে দিন’

আপডেট সময় ০৭:১২:৪৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ মার্চ ২০২৫

 

আমেরিকার প্রতীকী মূর্তি, স্ট্যাচু অব লিবার্টি, যা স্বাধীনতার প্রতীক হিসেবে পরিচিত, ফ্রান্স থেকে উপহার হিসেবে আমেরিকায় প্রদান করা হয়েছিল। সম্প্রতি, ফরাসি ইউরো-ডেপুটি রাফায়েল গ্লুকসম্যান এই মূর্তি ফিরিয়ে নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। ফরাসি সংবাদমাধ্যম লে মন্ডে-এ প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্লেস পাব্লিক রাজনৈতিক দলের সম্মেলনে তিনি এই দাবি তোলেন।

গ্লুকসম্যান যুক্তরাষ্ট্রকে তীব্র সমালোচনা করে বলেন, “যারা বিজ্ঞান ও গবেষণার স্বাধীনতার পক্ষে কথা বলায় গবেষকদের চাকরি থেকে অপসারণ করছে এবং স্বৈরশাসকদের পক্ষে অবস্থান নিচ্ছে, তাদের আমরা বলছি—স্ট্যাচু অব লিবার্টি আমাদের ফিরিয়ে দাও।” তিনি দীর্ঘদিন ধরে ইউক্রেনের সমর্থক এবং যুক্তরাষ্ট্রের প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের রাশিয়া ও ইউক্রেন নীতির সমালোচক।

আরও পড়ুন  বন্দি বিনিময় সংক্রান্ত বড় সমঝোতায় পৌঁছাল রাশিয়া ও ইউক্রেন

তিনি আরও বলেন, “যদি তোমরা তোমাদের সেরা গবেষকদের বরখাস্ত করতে চাও এবং স্বাধীনতা, উদ্ভাবন ও গবেষণার প্রতি শ্রদ্ধাশীল মানুষদের ত্যাগ করতে চাও, তবে আমরা তাদের স্বাগত জানাব।”

১৮৮৫ সালে ফ্রান্স থেকে আমেরিকায় আসা এই মূর্তির ডিজাইন করেছিলেন ফরাসি শিল্পী ফ্রেডেরিক বার্থোলডি। ১৮৮৬ সালের অক্টোবরে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট গ্লোভার ক্লিভল্যান্ড মূর্তির উদ্বোধন করেন। ১৯২৪ সালে আমেরিকার সরকার এই মূর্তিকে ‘জাতীয় স্মৃতিস্তম্ভ’ হিসেবে ঘোষণা করে। বর্তমানে, লিবার্টি দ্বীপে অবস্থিত এই মূর্তি ফ্রান্সে ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি করেছেন গ্লুকসম্যান।

রাফায়েল গ্লুকসম্যান ১৯৭৯ সালে জন্মগ্রহণ করেন এবং প্যারিসের ইন্সটিটিউট অব পলিটিক্যাল স্টাডিজ থেকে স্নাতক পাস করেন। ২০১৯ সাল থেকে তিনি ইউরোপীয় পার্লামেন্টের ‘প্রগ্রেসিভ অ্যালায়েন্স অব সোশ্যালিস্টস অ্যান্ড ডেমোক্র্যাটস’ দলের সদস্য এবং মানবাধিকারবিষয়ক উপকমিটির সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

সূত্র : সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট