ঢাকা ০৫:৫৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
অস্ট্রেলিয়া সিরিজে বাংলাদেশ দলে চমক দেশে এখনও অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র চলছে: মির্জা ফখরুল মাজারের দিঘির কুমিরকে সরিয়ে নেওয়া হলো খুলনায় নেত্রকোনায় পাওনা দুই হাজার টাকার দ্বন্দ্বে ভাঙারি ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা সান মারিনো—বিশ্বের প্রাচীনতম প্রজাতন্ত্রের এক অনন্য গল্প মুক্তিযুদ্ধকে অসম্মান করলে আরেকটি গণঅভ্যুত্থান হবে: ইশরাক হোসেন বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি; কার্যকর জুন থেকেই বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের পণ্যে নতুন মার্কিন শুল্ক প্রত্যেকটি নাগরিককে মাথায় রেখে বাজেট দেওয়া হচ্ছে: অর্থমন্ত্রী শিশু রামিসা হত্যা মামলা: আদালতে অপরাধ স্বীকার সোহেল রানার, যুক্তিতর্ক বৃহস্পতিবার

ফরাসি নেতার দাবি: ‘স্ট্যাচু অফ লিবারর্টি ফিরিয়ে দিন’

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৭:১২:৪৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ মার্চ ২০২৫
  • / 313

ছবি: সংগৃহীত

 

আমেরিকার প্রতীকী মূর্তি, স্ট্যাচু অব লিবার্টি, যা স্বাধীনতার প্রতীক হিসেবে পরিচিত, ফ্রান্স থেকে উপহার হিসেবে আমেরিকায় প্রদান করা হয়েছিল। সম্প্রতি, ফরাসি ইউরো-ডেপুটি রাফায়েল গ্লুকসম্যান এই মূর্তি ফিরিয়ে নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। ফরাসি সংবাদমাধ্যম লে মন্ডে-এ প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্লেস পাব্লিক রাজনৈতিক দলের সম্মেলনে তিনি এই দাবি তোলেন।

গ্লুকসম্যান যুক্তরাষ্ট্রকে তীব্র সমালোচনা করে বলেন, “যারা বিজ্ঞান ও গবেষণার স্বাধীনতার পক্ষে কথা বলায় গবেষকদের চাকরি থেকে অপসারণ করছে এবং স্বৈরশাসকদের পক্ষে অবস্থান নিচ্ছে, তাদের আমরা বলছি—স্ট্যাচু অব লিবার্টি আমাদের ফিরিয়ে দাও।” তিনি দীর্ঘদিন ধরে ইউক্রেনের সমর্থক এবং যুক্তরাষ্ট্রের প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের রাশিয়া ও ইউক্রেন নীতির সমালোচক।

আরও পড়ুন  রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে ট্রাম্প-পুতিনের গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক শীঘ্রই

তিনি আরও বলেন, “যদি তোমরা তোমাদের সেরা গবেষকদের বরখাস্ত করতে চাও এবং স্বাধীনতা, উদ্ভাবন ও গবেষণার প্রতি শ্রদ্ধাশীল মানুষদের ত্যাগ করতে চাও, তবে আমরা তাদের স্বাগত জানাব।”

১৮৮৫ সালে ফ্রান্স থেকে আমেরিকায় আসা এই মূর্তির ডিজাইন করেছিলেন ফরাসি শিল্পী ফ্রেডেরিক বার্থোলডি। ১৮৮৬ সালের অক্টোবরে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট গ্লোভার ক্লিভল্যান্ড মূর্তির উদ্বোধন করেন। ১৯২৪ সালে আমেরিকার সরকার এই মূর্তিকে ‘জাতীয় স্মৃতিস্তম্ভ’ হিসেবে ঘোষণা করে। বর্তমানে, লিবার্টি দ্বীপে অবস্থিত এই মূর্তি ফ্রান্সে ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি করেছেন গ্লুকসম্যান।

রাফায়েল গ্লুকসম্যান ১৯৭৯ সালে জন্মগ্রহণ করেন এবং প্যারিসের ইন্সটিটিউট অব পলিটিক্যাল স্টাডিজ থেকে স্নাতক পাস করেন। ২০১৯ সাল থেকে তিনি ইউরোপীয় পার্লামেন্টের ‘প্রগ্রেসিভ অ্যালায়েন্স অব সোশ্যালিস্টস অ্যান্ড ডেমোক্র্যাটস’ দলের সদস্য এবং মানবাধিকারবিষয়ক উপকমিটির সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

সূত্র : সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট

নিউজটি শেয়ার করুন

ফরাসি নেতার দাবি: ‘স্ট্যাচু অফ লিবারর্টি ফিরিয়ে দিন’

আপডেট সময় ০৭:১২:৪৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ মার্চ ২০২৫

 

আমেরিকার প্রতীকী মূর্তি, স্ট্যাচু অব লিবার্টি, যা স্বাধীনতার প্রতীক হিসেবে পরিচিত, ফ্রান্স থেকে উপহার হিসেবে আমেরিকায় প্রদান করা হয়েছিল। সম্প্রতি, ফরাসি ইউরো-ডেপুটি রাফায়েল গ্লুকসম্যান এই মূর্তি ফিরিয়ে নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। ফরাসি সংবাদমাধ্যম লে মন্ডে-এ প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্লেস পাব্লিক রাজনৈতিক দলের সম্মেলনে তিনি এই দাবি তোলেন।

গ্লুকসম্যান যুক্তরাষ্ট্রকে তীব্র সমালোচনা করে বলেন, “যারা বিজ্ঞান ও গবেষণার স্বাধীনতার পক্ষে কথা বলায় গবেষকদের চাকরি থেকে অপসারণ করছে এবং স্বৈরশাসকদের পক্ষে অবস্থান নিচ্ছে, তাদের আমরা বলছি—স্ট্যাচু অব লিবার্টি আমাদের ফিরিয়ে দাও।” তিনি দীর্ঘদিন ধরে ইউক্রেনের সমর্থক এবং যুক্তরাষ্ট্রের প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের রাশিয়া ও ইউক্রেন নীতির সমালোচক।

আরও পড়ুন  ইউক্রেনকে ছাড়াই সৌদি আরবে শান্তি আলোচনায় বসছে যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়া!

তিনি আরও বলেন, “যদি তোমরা তোমাদের সেরা গবেষকদের বরখাস্ত করতে চাও এবং স্বাধীনতা, উদ্ভাবন ও গবেষণার প্রতি শ্রদ্ধাশীল মানুষদের ত্যাগ করতে চাও, তবে আমরা তাদের স্বাগত জানাব।”

১৮৮৫ সালে ফ্রান্স থেকে আমেরিকায় আসা এই মূর্তির ডিজাইন করেছিলেন ফরাসি শিল্পী ফ্রেডেরিক বার্থোলডি। ১৮৮৬ সালের অক্টোবরে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট গ্লোভার ক্লিভল্যান্ড মূর্তির উদ্বোধন করেন। ১৯২৪ সালে আমেরিকার সরকার এই মূর্তিকে ‘জাতীয় স্মৃতিস্তম্ভ’ হিসেবে ঘোষণা করে। বর্তমানে, লিবার্টি দ্বীপে অবস্থিত এই মূর্তি ফ্রান্সে ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি করেছেন গ্লুকসম্যান।

রাফায়েল গ্লুকসম্যান ১৯৭৯ সালে জন্মগ্রহণ করেন এবং প্যারিসের ইন্সটিটিউট অব পলিটিক্যাল স্টাডিজ থেকে স্নাতক পাস করেন। ২০১৯ সাল থেকে তিনি ইউরোপীয় পার্লামেন্টের ‘প্রগ্রেসিভ অ্যালায়েন্স অব সোশ্যালিস্টস অ্যান্ড ডেমোক্র্যাটস’ দলের সদস্য এবং মানবাধিকারবিষয়ক উপকমিটির সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

সূত্র : সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট