ঢাকা ০৪:২১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম :
ছাত্রদলের পুস্তিকা ও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম উদ্বোধন করলেন রিজভী সাংবাদিকের লেখায় যেন কারও জীবন, ক্যারিয়ার ও মানসম্মান ক্ষতিগ্রস্ত না হয়: তথ্যমন্ত্রী বিদ্যুৎ ও জ্বালানি পরিস্থিতির উন্নতি হবে দুই সপ্তাহের মধ্যে: প্রতিমন্ত্রী অমিত জন্মের ১০০ বছরে উত্তম কুমার, দুই বাংলার দর্শকের ভালোবাসায় অমর মহানায়ক বিশ্ব ইজতেমা দুই পর্বে হবে, তারিখ ঘোষণা ধর্মীয় সম্প্রীতি বজায় রেখে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর সন্ধ্যার মধ্যে ৬০ কিমি বেগে ঝড়ো হাওয়া, নদীবন্দরে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত শেখ হাসিনাসহ ৩০ জনকে আত্মসমর্পণে বিজ্ঞপ্তির নির্দেশ তাবলিগ জামাতের মাওলানা এহসানুল হক আর নেই বৃষ্টির ফোঁটা থেকেই বিদ্যুৎ! নতুন সম্ভাবনা দেখছেন গবেষকরা

ইরান ইস্যুতে ট্রাম্পকে বার্তা, যুদ্ধ বন্ধের প্রস্তাবে সিনেটের সমর্থন

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১১:০৭:২৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬
  • / 67

ছবি: সংগৃহীত

 

ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের চলমান সামরিক অভিযান বন্ধের আহ্বান জানিয়ে একটি প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দিয়েছে মার্কিন সিনেট। রিপাবলিকান-নিয়ন্ত্রিত সিনেটে গৃহীত এ প্রস্তাবকে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক বার্তা হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা। তবে এর তাৎক্ষণিক কোনো আইনি বা সামরিক প্রভাব পড়বে কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সিনেটে উত্থাপিত সমান্তরাল (কনকারেন্ট) প্রস্তাবটি ৫০-৪৮ ভোটে পাস হয়। এর আগে চলতি মাসের শুরুতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি পরিষদও প্রস্তাবটির অনুমোদন দিয়েছিল।

আরও পড়ুন  ইরানের জ্বালানি স্থাপনায় হামলার প্রস্তুতি ইসরায়েলের, এখন শুধু ট্রাম্পের গ্রিন সিগন্যালের অপেক্ষা

ভোটাভুটিতে অধিকাংশ সদস্য দলীয় অবস্থান অনুসরণ করলেও কয়েকজন রিপাবলিকান সিনেটর দলের অবস্থানের বাইরে গিয়ে প্রস্তাবটির পক্ষে ভোট দেন। সব ডেমোক্র্যাট সদস্যের সঙ্গে চারজন রিপাবলিকান সিনেটরও প্রস্তাব সমর্থন করেন। অন্যদিকে একজন ডেমোক্র্যাট সদস্য এর বিরোধিতা করেন এবং দুইজন রিপাবলিকান ভোটদানে বিরত থাকেন।

প্রস্তাবে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে ইরানের বিরুদ্ধে চলমান শত্রুতামূলক কর্মকাণ্ড থেকে মার্কিন সশস্ত্র বাহিনী প্রত্যাহারের আহ্বান জানানো হয়েছে। তবে এটি মূলত একটি রাজনৈতিক অবস্থান প্রকাশের উদ্যোগ বলে মনে করা হচ্ছে, কারণ এ ধরনের প্রস্তাব বাস্তবায়নের জন্য প্রেসিডেন্টের স্বাক্ষর প্রয়োজন হয় না।

১৯৭৩ সালের ওয়ার পাওয়ারস অ্যাক্ট অনুযায়ী, এ ধরনের সমান্তরাল প্রস্তাব হোয়াইট হাউসে প্রেসিডেন্টের অনুমোদনের জন্য পাঠানো হয় না। এ বিষয়ে হোয়াইট হাউসের অবস্থান হলো, প্রস্তাবটি সাংবিধানিকভাবে বাধ্যতামূলক নয় এবং প্রশাসনের জন্য এর কোনো আইনগত বাধ্যবাধকতাও সৃষ্টি করে না।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে শান্তি চুক্তি নিয়ে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে বলে জানা গেছে। ফলে সিনেটের এ ভোট বর্তমান পরিস্থিতিতে কী ধরনের রাজনৈতিক বা কূটনৈতিক প্রভাব ফেলবে, তা নিয়ে পর্যবেক্ষকদের মধ্যে আলোচনা চলছে।

অন্যদিকে লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলে ২০২৩ সাল থেকে সংঘটিত ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ও ধ্বংসযজ্ঞের ঘটনা নথিভুক্ত করতে একটি বিশেষ দল গঠনের তথ্য প্রকাশ পেয়েছে। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার বরাতে জানা যায়, জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনারের অনুরোধে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

তিনজন সংসদ সদস্যের সমন্বয়ে গঠিত ‘বেসামরিক সম্পদ সুরক্ষা ও পদ্ধতিগত ধ্বংসযজ্ঞ প্রতিরোধবিষয়ক পার্লামেন্টারি কমিশন’ চার মাসব্যাপী কার্যক্রম পরিচালনা করবে। এ সময়ে দলটি বৈঠক, মাঠপর্যায়ের পরিদর্শন এবং তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহের মাধ্যমে দক্ষিণ লেবাননের ক্ষয়ক্ষতির চিত্র নথিভুক্ত করবে।

লেবাননের গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, এ কার্যক্রমের মাধ্যমে সংঘাতপ্রবণ এলাকাগুলোর বাস্তব পরিস্থিতি আন্তর্জাতিক মহলের সামনে তুলে ধরার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ইরান ইস্যুতে ট্রাম্পকে বার্তা, যুদ্ধ বন্ধের প্রস্তাবে সিনেটের সমর্থন

আপডেট সময় ১১:০৭:২৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬

 

ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের চলমান সামরিক অভিযান বন্ধের আহ্বান জানিয়ে একটি প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দিয়েছে মার্কিন সিনেট। রিপাবলিকান-নিয়ন্ত্রিত সিনেটে গৃহীত এ প্রস্তাবকে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক বার্তা হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা। তবে এর তাৎক্ষণিক কোনো আইনি বা সামরিক প্রভাব পড়বে কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সিনেটে উত্থাপিত সমান্তরাল (কনকারেন্ট) প্রস্তাবটি ৫০-৪৮ ভোটে পাস হয়। এর আগে চলতি মাসের শুরুতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি পরিষদও প্রস্তাবটির অনুমোদন দিয়েছিল।

আরও পড়ুন  নিরাপত্তা ঝুঁকি কাটেনি: আইএইএ’র সঙ্গে সব সহযোগিতা স্থগিত করল ইরান

ভোটাভুটিতে অধিকাংশ সদস্য দলীয় অবস্থান অনুসরণ করলেও কয়েকজন রিপাবলিকান সিনেটর দলের অবস্থানের বাইরে গিয়ে প্রস্তাবটির পক্ষে ভোট দেন। সব ডেমোক্র্যাট সদস্যের সঙ্গে চারজন রিপাবলিকান সিনেটরও প্রস্তাব সমর্থন করেন। অন্যদিকে একজন ডেমোক্র্যাট সদস্য এর বিরোধিতা করেন এবং দুইজন রিপাবলিকান ভোটদানে বিরত থাকেন।

প্রস্তাবে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে ইরানের বিরুদ্ধে চলমান শত্রুতামূলক কর্মকাণ্ড থেকে মার্কিন সশস্ত্র বাহিনী প্রত্যাহারের আহ্বান জানানো হয়েছে। তবে এটি মূলত একটি রাজনৈতিক অবস্থান প্রকাশের উদ্যোগ বলে মনে করা হচ্ছে, কারণ এ ধরনের প্রস্তাব বাস্তবায়নের জন্য প্রেসিডেন্টের স্বাক্ষর প্রয়োজন হয় না।

১৯৭৩ সালের ওয়ার পাওয়ারস অ্যাক্ট অনুযায়ী, এ ধরনের সমান্তরাল প্রস্তাব হোয়াইট হাউসে প্রেসিডেন্টের অনুমোদনের জন্য পাঠানো হয় না। এ বিষয়ে হোয়াইট হাউসের অবস্থান হলো, প্রস্তাবটি সাংবিধানিকভাবে বাধ্যতামূলক নয় এবং প্রশাসনের জন্য এর কোনো আইনগত বাধ্যবাধকতাও সৃষ্টি করে না।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে শান্তি চুক্তি নিয়ে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে বলে জানা গেছে। ফলে সিনেটের এ ভোট বর্তমান পরিস্থিতিতে কী ধরনের রাজনৈতিক বা কূটনৈতিক প্রভাব ফেলবে, তা নিয়ে পর্যবেক্ষকদের মধ্যে আলোচনা চলছে।

অন্যদিকে লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলে ২০২৩ সাল থেকে সংঘটিত ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ও ধ্বংসযজ্ঞের ঘটনা নথিভুক্ত করতে একটি বিশেষ দল গঠনের তথ্য প্রকাশ পেয়েছে। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার বরাতে জানা যায়, জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনারের অনুরোধে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

তিনজন সংসদ সদস্যের সমন্বয়ে গঠিত ‘বেসামরিক সম্পদ সুরক্ষা ও পদ্ধতিগত ধ্বংসযজ্ঞ প্রতিরোধবিষয়ক পার্লামেন্টারি কমিশন’ চার মাসব্যাপী কার্যক্রম পরিচালনা করবে। এ সময়ে দলটি বৈঠক, মাঠপর্যায়ের পরিদর্শন এবং তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহের মাধ্যমে দক্ষিণ লেবাননের ক্ষয়ক্ষতির চিত্র নথিভুক্ত করবে।

লেবাননের গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, এ কার্যক্রমের মাধ্যমে সংঘাতপ্রবণ এলাকাগুলোর বাস্তব পরিস্থিতি আন্তর্জাতিক মহলের সামনে তুলে ধরার উদ্যোগ নেওয়া হবে।