ঢাকা ১২:৪৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬
শিরোনাম :
পদত্যাগের পর হাসিমুখে পূজামণ্ডপে ইশরাক সৌদি আরবে নিহত নুরুল হকের পরিবার পেলেন ক্ষতিপূরণ বিচ্ছেদের পর নতুন রূপে শেহতাজ রোহিঙ্গাদের ফেরাতে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা চাইলেন ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী নৌপরিবহণ মন্ত্রণালয়ের নতুন সচিব আতাউর রহমান যুক্তরাষ্ট্রের ওপর আস্থা কমছে নেতানিয়াহুর, খুঁজছেন নতুন মিত্র সৌদিতে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া দুজনের মরদেহ দেশে আনার প্রক্রিয়া চলছে: প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী প্রাথমিক শিক্ষা সংস্কারে পাঁচ বিষয়ে অগ্রাধিকার ববি হাজ্জাজের নিজ সন্তানের জন্য হলেও ঢাকা পরিচ্ছন্ন রাখুন: প্রধানমন্ত্রী সৌদিতে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড, তথ্যের ঘাটতি ছিল

ক্যালিফোর্নিয়ার মসজিদে দুই তরুণ বন্দুকধারীর গুলি, নিরাপত্তাপ্রহরীসহ নিহত ৩

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০১:৪৯:৪১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬
  • / 105

ছবি: সংগৃহীত

 

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার সান ডিয়েগোর একটি ইসলামিক সেন্টারে (মসজিদ) দুই তরুণ বন্দুকধারীর গুলিবর্ষণের ঘটনায় এক নিরাপত্তাপ্রহরীসহ তিনজন নিহত হয়েছেন। ক্লেইরমন্ট এলাকায় অবস্থিত সান ডিয়েগো কাউন্টির সবচেয়ে বড় এই মসজিদটিতে স্থানীয় সময় সোমবার (১৮ মে) জোহরের নামাজের আগে এ হামলার ঘটনা ঘটে।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এ ঘটনায় সন্দেহভাজন দুই হামলাকারীও গুলি চালিয়ে নিজেদের জীবনাবসান ঘটিয়েছে। পুরো ঘটনাটিকে ‘বিদ্বেষমূলক অপরাধ’ বিবেচনায় নিয়ে মার্কিন কেন্দ্রীয় তদন্ত ব্যুরো (এফবিআই) ও স্থানীয় পুলিশ যৌথ তদন্ত শুরু করেছে।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সন্দেহভাজন দুই বন্দুকধারীর একজনের বয়স ১৭ এবং অন্যজনের ১৯ বছর। তাদের বিস্তারিত পরিচয় কিংবা হামলায় হতাহতদের নাম-পরিচয় তদন্তের স্বার্থে এখনই প্রকাশ করেনি প্রশাসন।
সান ডিয়েগোর পুলিশপ্রধান স্কট ওয়াহল সংবাদ সম্মেলনে জানান, ১৭ বছর বয়সী ওই কিশোর নিজের বাড়ি থেকে অন্তত তিনটি আগ্নেয়াস্ত্র এবং পারিবারিক গাড়িটি নিয়ে ঘটনাস্থলে এসেছিল। ঘটনার আগেই তার মা পুলিশকে ছেলে নিখোঁজ হওয়া এবং বাড়ি থেকে অস্ত্র খোয়া যাওয়ার বিষয়টি অবহিত করেছিলেন।

আরও পড়ুন  ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিতীয় দফা আলোচনা স্থায়ী শান্তির পথ খুলতে পারে: পাক প্রধানমন্ত্রী

পুলিশপ্রধান আরও উল্লেখ করেন, বাসা থেকে একাধিক অস্ত্র নেওয়ার ধরন দেখেই তদন্তকারীরা আশঙ্কা করেছিলেন যে ওই কিশোর জনসাধারণের জন্য বড় হুমকি হয়ে উঠতে পারে। পরবর্তীতে ওই কিশোরের মা তার রেখে যাওয়া একটি চিরকুট (সুইসাইড নোট) খুঁজে পান এবং পুলিশকে জানান। তবে ওই চিরকুটে কী লেখা রয়েছে, তা এই মুহূর্তে জনসমক্ষে প্রকাশ করা হচ্ছে না বলে পুলিশ প্রশাসন স্পষ্ট করেছে।

হামলার শিকার ওই ইসলামিক সেন্টারটিতে মসজিদ ছাড়াও শিশুদের একটি ইসলামি বিদ্যালয় রয়েছে। তবে ঘটনার সময় বিদ্যালয়ে থাকা শিশুদের সবাই সম্পূর্ণ অক্ষত ও নিরাপদ আছে বলে কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে নিশ্চিত করা হয়েছে।
এই ঘটনার পর লস অ্যাঞ্জেলেস ও নিউইয়র্কসহ যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন শহরের মসজিদ ও উপাসনালয়গুলোতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা ব্যাপক জোরদার করা হয়েছে। এফবিআই এই হামলার বিষয়ে জনসাধারণের কাছ থেকে তথ্য সংগ্রহের জন্য একটি বিশেষ নম্বর চালু করেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ক্যালিফোর্নিয়ার মসজিদে দুই তরুণ বন্দুকধারীর গুলি, নিরাপত্তাপ্রহরীসহ নিহত ৩

আপডেট সময় ০১:৪৯:৪১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬

 

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার সান ডিয়েগোর একটি ইসলামিক সেন্টারে (মসজিদ) দুই তরুণ বন্দুকধারীর গুলিবর্ষণের ঘটনায় এক নিরাপত্তাপ্রহরীসহ তিনজন নিহত হয়েছেন। ক্লেইরমন্ট এলাকায় অবস্থিত সান ডিয়েগো কাউন্টির সবচেয়ে বড় এই মসজিদটিতে স্থানীয় সময় সোমবার (১৮ মে) জোহরের নামাজের আগে এ হামলার ঘটনা ঘটে।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এ ঘটনায় সন্দেহভাজন দুই হামলাকারীও গুলি চালিয়ে নিজেদের জীবনাবসান ঘটিয়েছে। পুরো ঘটনাটিকে ‘বিদ্বেষমূলক অপরাধ’ বিবেচনায় নিয়ে মার্কিন কেন্দ্রীয় তদন্ত ব্যুরো (এফবিআই) ও স্থানীয় পুলিশ যৌথ তদন্ত শুরু করেছে।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সন্দেহভাজন দুই বন্দুকধারীর একজনের বয়স ১৭ এবং অন্যজনের ১৯ বছর। তাদের বিস্তারিত পরিচয় কিংবা হামলায় হতাহতদের নাম-পরিচয় তদন্তের স্বার্থে এখনই প্রকাশ করেনি প্রশাসন।
সান ডিয়েগোর পুলিশপ্রধান স্কট ওয়াহল সংবাদ সম্মেলনে জানান, ১৭ বছর বয়সী ওই কিশোর নিজের বাড়ি থেকে অন্তত তিনটি আগ্নেয়াস্ত্র এবং পারিবারিক গাড়িটি নিয়ে ঘটনাস্থলে এসেছিল। ঘটনার আগেই তার মা পুলিশকে ছেলে নিখোঁজ হওয়া এবং বাড়ি থেকে অস্ত্র খোয়া যাওয়ার বিষয়টি অবহিত করেছিলেন।

আরও পড়ুন  যুক্তরাষ্ট্রে ট্রাম্পের বিরুদ্ধে গণবিস্ফোরণ: ‘নো কিংস’ বিক্ষোভে রাজপথে ৮০ লাখ মানুষ

পুলিশপ্রধান আরও উল্লেখ করেন, বাসা থেকে একাধিক অস্ত্র নেওয়ার ধরন দেখেই তদন্তকারীরা আশঙ্কা করেছিলেন যে ওই কিশোর জনসাধারণের জন্য বড় হুমকি হয়ে উঠতে পারে। পরবর্তীতে ওই কিশোরের মা তার রেখে যাওয়া একটি চিরকুট (সুইসাইড নোট) খুঁজে পান এবং পুলিশকে জানান। তবে ওই চিরকুটে কী লেখা রয়েছে, তা এই মুহূর্তে জনসমক্ষে প্রকাশ করা হচ্ছে না বলে পুলিশ প্রশাসন স্পষ্ট করেছে।

হামলার শিকার ওই ইসলামিক সেন্টারটিতে মসজিদ ছাড়াও শিশুদের একটি ইসলামি বিদ্যালয় রয়েছে। তবে ঘটনার সময় বিদ্যালয়ে থাকা শিশুদের সবাই সম্পূর্ণ অক্ষত ও নিরাপদ আছে বলে কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে নিশ্চিত করা হয়েছে।
এই ঘটনার পর লস অ্যাঞ্জেলেস ও নিউইয়র্কসহ যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন শহরের মসজিদ ও উপাসনালয়গুলোতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা ব্যাপক জোরদার করা হয়েছে। এফবিআই এই হামলার বিষয়ে জনসাধারণের কাছ থেকে তথ্য সংগ্রহের জন্য একটি বিশেষ নম্বর চালু করেছে।