ঢাকা ০৪:৫৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
প্রথমার্ধে গোলশূন্য; রক্ষণ সামলাতেই ব্যস্ত আর্জেন্টিনা ‎বিতর্ক এড়াতে ফাইনালে সাত দেশের রেফারি জুলাই সনদ বিতর্কের ইতি টানার উচিত: মির্জা ফখরুলের ‎শাপলা চত্বর হত্যাকাণ্ডে ৫৮ নিহতের পরিচয় শনাক্ত: চিফ প্রসিকিউটর জিম্বাবুয়েকে ১৪৩ রানে থামাল বাংলাদেশ, লক্ষ্য ১৪৪ রাজনৈতিক পক্ষপাত ছাড়াই দায়িত্ব পালনের আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ‎গণমাধ্যমের তোষামোদী সংস্কৃতি এখনো রয়ে গেছে— মির্জা ফখরুল ‎সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচে টস হেরে বোলিংয়ে বাংলাদেশ, একাদশে দুই পরিবর্তন জুলাই বিপ্লবে বিএনপির ১৭ বছরের আন্দোলন সফল হয়েছে: রিজভী জর্ডানের মার্কিন ঘাঁটিতে হামলার পর নতুন দাবি তেহরানের

ক্যালিফোর্নিয়ার মসজিদে দুই তরুণ বন্দুকধারীর গুলি, নিরাপত্তাপ্রহরীসহ নিহত ৩

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০১:৪৯:৪১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬
  • / 68

ছবি: সংগৃহীত

 

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার সান ডিয়েগোর একটি ইসলামিক সেন্টারে (মসজিদ) দুই তরুণ বন্দুকধারীর গুলিবর্ষণের ঘটনায় এক নিরাপত্তাপ্রহরীসহ তিনজন নিহত হয়েছেন। ক্লেইরমন্ট এলাকায় অবস্থিত সান ডিয়েগো কাউন্টির সবচেয়ে বড় এই মসজিদটিতে স্থানীয় সময় সোমবার (১৮ মে) জোহরের নামাজের আগে এ হামলার ঘটনা ঘটে।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এ ঘটনায় সন্দেহভাজন দুই হামলাকারীও গুলি চালিয়ে নিজেদের জীবনাবসান ঘটিয়েছে। পুরো ঘটনাটিকে ‘বিদ্বেষমূলক অপরাধ’ বিবেচনায় নিয়ে মার্কিন কেন্দ্রীয় তদন্ত ব্যুরো (এফবিআই) ও স্থানীয় পুলিশ যৌথ তদন্ত শুরু করেছে।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সন্দেহভাজন দুই বন্দুকধারীর একজনের বয়স ১৭ এবং অন্যজনের ১৯ বছর। তাদের বিস্তারিত পরিচয় কিংবা হামলায় হতাহতদের নাম-পরিচয় তদন্তের স্বার্থে এখনই প্রকাশ করেনি প্রশাসন।
সান ডিয়েগোর পুলিশপ্রধান স্কট ওয়াহল সংবাদ সম্মেলনে জানান, ১৭ বছর বয়সী ওই কিশোর নিজের বাড়ি থেকে অন্তত তিনটি আগ্নেয়াস্ত্র এবং পারিবারিক গাড়িটি নিয়ে ঘটনাস্থলে এসেছিল। ঘটনার আগেই তার মা পুলিশকে ছেলে নিখোঁজ হওয়া এবং বাড়ি থেকে অস্ত্র খোয়া যাওয়ার বিষয়টি অবহিত করেছিলেন।

আরও পড়ুন  হরমুজ আমাদের নিয়ন্ত্রণে: ট্রাম্পের দাবি

পুলিশপ্রধান আরও উল্লেখ করেন, বাসা থেকে একাধিক অস্ত্র নেওয়ার ধরন দেখেই তদন্তকারীরা আশঙ্কা করেছিলেন যে ওই কিশোর জনসাধারণের জন্য বড় হুমকি হয়ে উঠতে পারে। পরবর্তীতে ওই কিশোরের মা তার রেখে যাওয়া একটি চিরকুট (সুইসাইড নোট) খুঁজে পান এবং পুলিশকে জানান। তবে ওই চিরকুটে কী লেখা রয়েছে, তা এই মুহূর্তে জনসমক্ষে প্রকাশ করা হচ্ছে না বলে পুলিশ প্রশাসন স্পষ্ট করেছে।

হামলার শিকার ওই ইসলামিক সেন্টারটিতে মসজিদ ছাড়াও শিশুদের একটি ইসলামি বিদ্যালয় রয়েছে। তবে ঘটনার সময় বিদ্যালয়ে থাকা শিশুদের সবাই সম্পূর্ণ অক্ষত ও নিরাপদ আছে বলে কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে নিশ্চিত করা হয়েছে।
এই ঘটনার পর লস অ্যাঞ্জেলেস ও নিউইয়র্কসহ যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন শহরের মসজিদ ও উপাসনালয়গুলোতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা ব্যাপক জোরদার করা হয়েছে। এফবিআই এই হামলার বিষয়ে জনসাধারণের কাছ থেকে তথ্য সংগ্রহের জন্য একটি বিশেষ নম্বর চালু করেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ক্যালিফোর্নিয়ার মসজিদে দুই তরুণ বন্দুকধারীর গুলি, নিরাপত্তাপ্রহরীসহ নিহত ৩

আপডেট সময় ০১:৪৯:৪১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬

 

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার সান ডিয়েগোর একটি ইসলামিক সেন্টারে (মসজিদ) দুই তরুণ বন্দুকধারীর গুলিবর্ষণের ঘটনায় এক নিরাপত্তাপ্রহরীসহ তিনজন নিহত হয়েছেন। ক্লেইরমন্ট এলাকায় অবস্থিত সান ডিয়েগো কাউন্টির সবচেয়ে বড় এই মসজিদটিতে স্থানীয় সময় সোমবার (১৮ মে) জোহরের নামাজের আগে এ হামলার ঘটনা ঘটে।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এ ঘটনায় সন্দেহভাজন দুই হামলাকারীও গুলি চালিয়ে নিজেদের জীবনাবসান ঘটিয়েছে। পুরো ঘটনাটিকে ‘বিদ্বেষমূলক অপরাধ’ বিবেচনায় নিয়ে মার্কিন কেন্দ্রীয় তদন্ত ব্যুরো (এফবিআই) ও স্থানীয় পুলিশ যৌথ তদন্ত শুরু করেছে।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সন্দেহভাজন দুই বন্দুকধারীর একজনের বয়স ১৭ এবং অন্যজনের ১৯ বছর। তাদের বিস্তারিত পরিচয় কিংবা হামলায় হতাহতদের নাম-পরিচয় তদন্তের স্বার্থে এখনই প্রকাশ করেনি প্রশাসন।
সান ডিয়েগোর পুলিশপ্রধান স্কট ওয়াহল সংবাদ সম্মেলনে জানান, ১৭ বছর বয়সী ওই কিশোর নিজের বাড়ি থেকে অন্তত তিনটি আগ্নেয়াস্ত্র এবং পারিবারিক গাড়িটি নিয়ে ঘটনাস্থলে এসেছিল। ঘটনার আগেই তার মা পুলিশকে ছেলে নিখোঁজ হওয়া এবং বাড়ি থেকে অস্ত্র খোয়া যাওয়ার বিষয়টি অবহিত করেছিলেন।

আরও পড়ুন  সৌদি আরবের ২০০ মসজিদ নির্মাণের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলো বুর্কিনা ফাসো

পুলিশপ্রধান আরও উল্লেখ করেন, বাসা থেকে একাধিক অস্ত্র নেওয়ার ধরন দেখেই তদন্তকারীরা আশঙ্কা করেছিলেন যে ওই কিশোর জনসাধারণের জন্য বড় হুমকি হয়ে উঠতে পারে। পরবর্তীতে ওই কিশোরের মা তার রেখে যাওয়া একটি চিরকুট (সুইসাইড নোট) খুঁজে পান এবং পুলিশকে জানান। তবে ওই চিরকুটে কী লেখা রয়েছে, তা এই মুহূর্তে জনসমক্ষে প্রকাশ করা হচ্ছে না বলে পুলিশ প্রশাসন স্পষ্ট করেছে।

হামলার শিকার ওই ইসলামিক সেন্টারটিতে মসজিদ ছাড়াও শিশুদের একটি ইসলামি বিদ্যালয় রয়েছে। তবে ঘটনার সময় বিদ্যালয়ে থাকা শিশুদের সবাই সম্পূর্ণ অক্ষত ও নিরাপদ আছে বলে কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে নিশ্চিত করা হয়েছে।
এই ঘটনার পর লস অ্যাঞ্জেলেস ও নিউইয়র্কসহ যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন শহরের মসজিদ ও উপাসনালয়গুলোতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা ব্যাপক জোরদার করা হয়েছে। এফবিআই এই হামলার বিষয়ে জনসাধারণের কাছ থেকে তথ্য সংগ্রহের জন্য একটি বিশেষ নম্বর চালু করেছে।