‘অবৈধ বাংলাদেশিদের’ ফেরত পাঠাতে ঢাকার সহযোগিতা চায় ভারত
- আপডেট সময় ০৭:৪০:৫৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ মে ২০২৬
- / 99
ভারতে ‘অবৈধভাবে’ অবস্থানরত বাংলাদেশি নাগরিকদের চিহ্নিত করে তাদের নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়ায় বাংলাদেশের পক্ষ থেকে সক্রিয় সহযোগিতা চেয়েছে ভারত। আজ বৃহস্পতিবার (৭ মে) ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নিয়মিত সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে এই তথ্য জানিয়েছেন মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল। ব্রিফিংয়ে তিনি দাবি করেন, যথাযথ প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া সফল করতে দুই দেশের মধ্যকার সমন্বয় ও সহযোগিতা অপরিহার্য।
ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্রের দেওয়া তথ্যমতে, বর্তমানে বাংলাদেশে নাগরিকত্ব যাচাই সংক্রান্ত ২ হাজার ৮৬২টিরও বেশি মামলা অনিষ্পন্ন অবস্থায় রয়েছে। তিনি অভিযোগ করেন, এই আবেদনগুলোর মধ্যে বেশ কিছু মামলা গত পাঁচ বছরেরও বেশি সময় ধরে ঝুলে আছে। এসব ব্যক্তির নাগরিকত্ব নিশ্চিত না হওয়ায় তাদের প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া থমকে আছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
সম্প্রতি পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) জয়ের পর বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান একটি বিবৃতি প্রদান করেন। সেই বিবৃতির প্রেক্ষাপটে সাংবাদিকরা ভারতের অবস্থান জানতে চাইলে রণধীর জয়সওয়াল নাগরিকত্ব ও প্রত্যাবাসন সংক্রান্ত এই গুরুত্বপূর্ণ তথ্যসমূহ তুলে ধরেন।
এ সময় সীমান্ত এলাকায় ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) কর্তৃক জোরপূর্বক পুশ-ব্যাক বা লোক ঠেলে দেওয়ার অভিযোগ সংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে মুখপাত্র বলেন, সীমান্ত সুরক্ষা এবং অবৈধ অনুপ্রবেশ রোধে আইনানুগভাবে যা যা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া দরকার, ভারত সরকার তার সবটুকুই গ্রহণ করবে। তিনি আরও জানান, অবৈধ অভিবাসন সংক্রান্ত সমস্যার স্থায়ী সমাধানের জন্য ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বাংলাদেশের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষা করে চলেছে।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বিদ্যমান দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে এই ‘অবৈধ অভিবাসী’ ও ‘পুশ-ব্যাক’ ইস্যুটি দীর্ঘদিন ধরেই একটি স্পর্শকাতর বিষয় হিসেবে বিবেচিত। ভারতের বর্তমান সরকার দ্রুততম সময়ের মধ্যে নাগরিকত্ব যাচাই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে প্রত্যাবাসন কার্যক্রম ত্বরান্বিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করছে।

























