ঢাকা ০৫:৪৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬
শিরোনাম :
ইশরাকের পদত্যাগের খবর ভিত্তিহীন, দাবি প্রতিমন্ত্রীর দপ্তরের বক্স অফিসে ‘জেলার ২’-এর ঝড় আগারগাঁওয়ে সচিবালয় স্থানান্তরের প্রস্তাব মন্ত্রিসভায় অনুমোদন ফিলিস্তিনিদের জলপাই চুরির পক্ষে ইসরাইলি রাব্বির ফতোয়া ক্যারিবিয়ান ক্রিকেটের সুদিন ফেরাতে আর্থিক সহায়তার জোরালো দাবি স্যামির আইয়ুব বাচ্চুর প্রয়াণ দিবসে তাঁকে উৎসর্গ করে কন্সট্যান্টের ‘শেষ বিকেল’ সাজেক ফেরার পথে চাঁদের গাড়ি উল্টে দুর্ঘটনা, আহত ৭ ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে মুম্বাইয়ে তলব করলেন রুবিও, চরম বিতর্কে মোদি সরকার ইরানের নতুন প্রতিরক্ষামন্ত্রী আখলাকিকে নিয়োগ দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড, সৌদি রাষ্ট্রদূতকে তলব

ভারত মহাসাগর দিয়ে মধ্যপ্রাচ্যের পথে মার্কিন রণতরী

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০১:০৭:২৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬
  • / 139

ছবি: সংগৃহীত

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনা ও ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যে ওই অঞ্চলে নিজেদের সামরিক শক্তি আরও বাড়াতে বিশাল বিমানবাহী রণতরী ‘ইউএসএস জর্জ এইচ ডব্লিউ বুশ’ মোতায়েন করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। বর্তমানে নিমিটজ শ্রেণির এই সুপারক্যারিয়ারটি ভারত মহাসাগরে অবস্থান করছে এবং দ্রুত মধ্যপ্রাচ্যের দিকে অগ্রসর হচ্ছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

সেন্টকমের পক্ষ থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) রণতরীটির একটি ছবি শেয়ার করা হয়েছে। এতে দেখা যায়, বিশাল এই যুদ্ধজাহাজটি ভারত মহাসাগরের বুক চিরে তার নির্ধারিত গন্তব্যের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। এটি ইতিমধ্যে সেন্ট্রাল কমান্ডের দায়িত্বপূর্ণ সামরিক এলাকায় (এওআর) প্রবেশ করেছে।

সেন্ট্রাল কমান্ডের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, মধ্যপ্রাচ্য ও তৎসংলগ্ন অঞ্চলে সামুদ্রিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং কৌশলগত স্থিতিশীলতা বজায় রাখার অংশ হিসেবে এই মোতায়েন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে লোহিত সাগর ও পারস্য উপসাগরে চলমান অস্থিরতা এবং ইরান-ইসরায়েল সংকটের এই সময়ে মার্কিন এই রণতরীর উপস্থিতি ওয়াশিংটনের প্রভাব ও শক্তিমত্তার জানান দিচ্ছে।

আরও পড়ুন  ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ নীতি ভারতের জন্য ইতিবাচক: সিআইআই

বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যের জলসীমায় আগে থেকেই মার্কিন বেশ কিছু যুদ্ধজাহাজ অবস্থান করছে। ‘ইউএসএস জর্জ এইচ ডব্লিউ বুশ’ সেখানে থাকা জাহাজগুলোর বহরে যোগ দেবে, নাকি অন্য কোনো রণতরীর স্থলাভিষিক্ত হয়ে দায়িত্ব পালন করবে—সে বিষয়ে সেন্টকমের পক্ষ থেকে স্পষ্ট কিছু জানানো হয়নি। তবে আন্তর্জাতিক প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাতের প্রেক্ষাপটে এটি মার্কিন প্রতিরক্ষাব্যবস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

মার্কিন এই সুপারক্যারিয়ারটি কয়েক হাজার নৌসেনা এবং কয়েক ডজন যুদ্ধবিমান বহন করতে সক্ষম, যা মধ্যপ্রাচ্যের আকাশ ও সমুদ্রসীমায় মার্কিন আধিপত্য আরও শক্তিশালী করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ভারত মহাসাগর দিয়ে মধ্যপ্রাচ্যের পথে মার্কিন রণতরী

আপডেট সময় ০১:০৭:২৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনা ও ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যে ওই অঞ্চলে নিজেদের সামরিক শক্তি আরও বাড়াতে বিশাল বিমানবাহী রণতরী ‘ইউএসএস জর্জ এইচ ডব্লিউ বুশ’ মোতায়েন করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। বর্তমানে নিমিটজ শ্রেণির এই সুপারক্যারিয়ারটি ভারত মহাসাগরে অবস্থান করছে এবং দ্রুত মধ্যপ্রাচ্যের দিকে অগ্রসর হচ্ছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

সেন্টকমের পক্ষ থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) রণতরীটির একটি ছবি শেয়ার করা হয়েছে। এতে দেখা যায়, বিশাল এই যুদ্ধজাহাজটি ভারত মহাসাগরের বুক চিরে তার নির্ধারিত গন্তব্যের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। এটি ইতিমধ্যে সেন্ট্রাল কমান্ডের দায়িত্বপূর্ণ সামরিক এলাকায় (এওআর) প্রবেশ করেছে।

সেন্ট্রাল কমান্ডের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, মধ্যপ্রাচ্য ও তৎসংলগ্ন অঞ্চলে সামুদ্রিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং কৌশলগত স্থিতিশীলতা বজায় রাখার অংশ হিসেবে এই মোতায়েন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে লোহিত সাগর ও পারস্য উপসাগরে চলমান অস্থিরতা এবং ইরান-ইসরায়েল সংকটের এই সময়ে মার্কিন এই রণতরীর উপস্থিতি ওয়াশিংটনের প্রভাব ও শক্তিমত্তার জানান দিচ্ছে।

আরও পড়ুন  ভারতের অহংকার চূর্ণ করেছে পাকিস্তান সেনাবাহিনী: শেহবাজ শরিফের দাবি

বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যের জলসীমায় আগে থেকেই মার্কিন বেশ কিছু যুদ্ধজাহাজ অবস্থান করছে। ‘ইউএসএস জর্জ এইচ ডব্লিউ বুশ’ সেখানে থাকা জাহাজগুলোর বহরে যোগ দেবে, নাকি অন্য কোনো রণতরীর স্থলাভিষিক্ত হয়ে দায়িত্ব পালন করবে—সে বিষয়ে সেন্টকমের পক্ষ থেকে স্পষ্ট কিছু জানানো হয়নি। তবে আন্তর্জাতিক প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাতের প্রেক্ষাপটে এটি মার্কিন প্রতিরক্ষাব্যবস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

মার্কিন এই সুপারক্যারিয়ারটি কয়েক হাজার নৌসেনা এবং কয়েক ডজন যুদ্ধবিমান বহন করতে সক্ষম, যা মধ্যপ্রাচ্যের আকাশ ও সমুদ্রসীমায় মার্কিন আধিপত্য আরও শক্তিশালী করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।