ঢাকা ০৭:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
জুলাই সনদ বিতর্কের ইতি টানার উচিত: মির্জা ফখরুলের ‎শাপলা চত্বর হত্যাকাণ্ডে ৫৮ নিহতের পরিচয় শনাক্ত: চিফ প্রসিকিউটর জিম্বাবুয়েকে ১৪৩ রানে থামাল বাংলাদেশ, লক্ষ্য ১৪৪ রাজনৈতিক পক্ষপাত ছাড়াই দায়িত্ব পালনের আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ‎গণমাধ্যমের তোষামোদী সংস্কৃতি এখনো রয়ে গেছে— মির্জা ফখরুল ‎সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচে টস হেরে বোলিংয়ে বাংলাদেশ, একাদশে দুই পরিবর্তন জুলাই বিপ্লবে বিএনপির ১৭ বছরের আন্দোলন সফল হয়েছে: রিজভী জর্ডানের মার্কিন ঘাঁটিতে হামলার পর নতুন দাবি তেহরানের সীতাকুণ্ডে যাত্রীবাহী বাস উল্টে নিহত ১, আহত ৬ ‘১৭ বছর মানুষকে কথা বলতে দেওয়া হয়নি’: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর

ভারত মহাসাগর দিয়ে মধ্যপ্রাচ্যের পথে মার্কিন রণতরী

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০১:০৭:২৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬
  • / 103

ছবি: সংগৃহীত

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনা ও ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যে ওই অঞ্চলে নিজেদের সামরিক শক্তি আরও বাড়াতে বিশাল বিমানবাহী রণতরী ‘ইউএসএস জর্জ এইচ ডব্লিউ বুশ’ মোতায়েন করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। বর্তমানে নিমিটজ শ্রেণির এই সুপারক্যারিয়ারটি ভারত মহাসাগরে অবস্থান করছে এবং দ্রুত মধ্যপ্রাচ্যের দিকে অগ্রসর হচ্ছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

সেন্টকমের পক্ষ থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) রণতরীটির একটি ছবি শেয়ার করা হয়েছে। এতে দেখা যায়, বিশাল এই যুদ্ধজাহাজটি ভারত মহাসাগরের বুক চিরে তার নির্ধারিত গন্তব্যের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। এটি ইতিমধ্যে সেন্ট্রাল কমান্ডের দায়িত্বপূর্ণ সামরিক এলাকায় (এওআর) প্রবেশ করেছে।

সেন্ট্রাল কমান্ডের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, মধ্যপ্রাচ্য ও তৎসংলগ্ন অঞ্চলে সামুদ্রিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং কৌশলগত স্থিতিশীলতা বজায় রাখার অংশ হিসেবে এই মোতায়েন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে লোহিত সাগর ও পারস্য উপসাগরে চলমান অস্থিরতা এবং ইরান-ইসরায়েল সংকটের এই সময়ে মার্কিন এই রণতরীর উপস্থিতি ওয়াশিংটনের প্রভাব ও শক্তিমত্তার জানান দিচ্ছে।

আরও পড়ুন  ভবেশ রায় ইস্যুতে ভারতের দাবি অসত্য ও ভিত্তিহীন: প্রেসসচিব

বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যের জলসীমায় আগে থেকেই মার্কিন বেশ কিছু যুদ্ধজাহাজ অবস্থান করছে। ‘ইউএসএস জর্জ এইচ ডব্লিউ বুশ’ সেখানে থাকা জাহাজগুলোর বহরে যোগ দেবে, নাকি অন্য কোনো রণতরীর স্থলাভিষিক্ত হয়ে দায়িত্ব পালন করবে—সে বিষয়ে সেন্টকমের পক্ষ থেকে স্পষ্ট কিছু জানানো হয়নি। তবে আন্তর্জাতিক প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাতের প্রেক্ষাপটে এটি মার্কিন প্রতিরক্ষাব্যবস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

মার্কিন এই সুপারক্যারিয়ারটি কয়েক হাজার নৌসেনা এবং কয়েক ডজন যুদ্ধবিমান বহন করতে সক্ষম, যা মধ্যপ্রাচ্যের আকাশ ও সমুদ্রসীমায় মার্কিন আধিপত্য আরও শক্তিশালী করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ভারত মহাসাগর দিয়ে মধ্যপ্রাচ্যের পথে মার্কিন রণতরী

আপডেট সময় ০১:০৭:২৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনা ও ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যে ওই অঞ্চলে নিজেদের সামরিক শক্তি আরও বাড়াতে বিশাল বিমানবাহী রণতরী ‘ইউএসএস জর্জ এইচ ডব্লিউ বুশ’ মোতায়েন করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। বর্তমানে নিমিটজ শ্রেণির এই সুপারক্যারিয়ারটি ভারত মহাসাগরে অবস্থান করছে এবং দ্রুত মধ্যপ্রাচ্যের দিকে অগ্রসর হচ্ছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

সেন্টকমের পক্ষ থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) রণতরীটির একটি ছবি শেয়ার করা হয়েছে। এতে দেখা যায়, বিশাল এই যুদ্ধজাহাজটি ভারত মহাসাগরের বুক চিরে তার নির্ধারিত গন্তব্যের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। এটি ইতিমধ্যে সেন্ট্রাল কমান্ডের দায়িত্বপূর্ণ সামরিক এলাকায় (এওআর) প্রবেশ করেছে।

সেন্ট্রাল কমান্ডের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, মধ্যপ্রাচ্য ও তৎসংলগ্ন অঞ্চলে সামুদ্রিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং কৌশলগত স্থিতিশীলতা বজায় রাখার অংশ হিসেবে এই মোতায়েন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে লোহিত সাগর ও পারস্য উপসাগরে চলমান অস্থিরতা এবং ইরান-ইসরায়েল সংকটের এই সময়ে মার্কিন এই রণতরীর উপস্থিতি ওয়াশিংটনের প্রভাব ও শক্তিমত্তার জানান দিচ্ছে।

আরও পড়ুন  ভবেশ রায় ইস্যুতে ভারতের দাবি অসত্য ও ভিত্তিহীন: প্রেসসচিব

বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যের জলসীমায় আগে থেকেই মার্কিন বেশ কিছু যুদ্ধজাহাজ অবস্থান করছে। ‘ইউএসএস জর্জ এইচ ডব্লিউ বুশ’ সেখানে থাকা জাহাজগুলোর বহরে যোগ দেবে, নাকি অন্য কোনো রণতরীর স্থলাভিষিক্ত হয়ে দায়িত্ব পালন করবে—সে বিষয়ে সেন্টকমের পক্ষ থেকে স্পষ্ট কিছু জানানো হয়নি। তবে আন্তর্জাতিক প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাতের প্রেক্ষাপটে এটি মার্কিন প্রতিরক্ষাব্যবস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

মার্কিন এই সুপারক্যারিয়ারটি কয়েক হাজার নৌসেনা এবং কয়েক ডজন যুদ্ধবিমান বহন করতে সক্ষম, যা মধ্যপ্রাচ্যের আকাশ ও সমুদ্রসীমায় মার্কিন আধিপত্য আরও শক্তিশালী করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।