ঢাকা ০২:১৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
প্রথমার্ধে গোলশূন্য; রক্ষণ সামলাতেই ব্যস্ত আর্জেন্টিনা ‎বিতর্ক এড়াতে ফাইনালে সাত দেশের রেফারি জুলাই সনদ বিতর্কের ইতি টানার উচিত: মির্জা ফখরুলের ‎শাপলা চত্বর হত্যাকাণ্ডে ৫৮ নিহতের পরিচয় শনাক্ত: চিফ প্রসিকিউটর জিম্বাবুয়েকে ১৪৩ রানে থামাল বাংলাদেশ, লক্ষ্য ১৪৪ রাজনৈতিক পক্ষপাত ছাড়াই দায়িত্ব পালনের আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ‎গণমাধ্যমের তোষামোদী সংস্কৃতি এখনো রয়ে গেছে— মির্জা ফখরুল ‎সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচে টস হেরে বোলিংয়ে বাংলাদেশ, একাদশে দুই পরিবর্তন জুলাই বিপ্লবে বিএনপির ১৭ বছরের আন্দোলন সফল হয়েছে: রিজভী জর্ডানের মার্কিন ঘাঁটিতে হামলার পর নতুন দাবি তেহরানের

ইরানের তেল বিক্রি রুখতে বৈশ্বিক জোটের দাবি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১১:২৫:৩৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬
  • / 119

ইরানের ওপর মার্কিন নৌ-অবরোধ কার্যকর হওয়ার ঠিক আগমুহূর্তে এক চাঞ্চল্যকর দাবি করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। রোববার রাতে মেরিল্যান্ডের জয়েন্ট বেস অ্যান্ড্রুজে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি জানান, ইরান যাতে আন্তর্জাতিক বাজারে কোনোভাবেই তেল বিক্রি করতে না পারে, সেজন্য যুক্তরাষ্ট্রের পাশাপাশি বিশ্বের আরও বেশ কিছু দেশ এখন সক্রিয়ভাবে একজোট হয়ে কাজ করছে।
সোমবার সকাল থেকে এই অবরোধ কার্যকর হওয়ার কথা রয়েছে এবং ট্রাম্পের মতে, হরমুজ প্রণালিকে কেন্দ্র করে বর্তমানে এমন কিছু ইতিবাচক পরিবর্তন ঘটছে যা ইরানকে অর্থনৈতিকভাবে সম্পূর্ণ কোণঠাসা করে দেবে। ট্রাম্পের এই বক্তব্য স্পষ্ট ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, তেহরানের ওপর সর্বোচ্চ চাপ সৃষ্টি করতে ওয়াশিংটন এখন একটি শক্তিশালী আন্তর্জাতিক জোট গঠনের পথে হাঁটছে।

ইরানের সাথে চলমান যুদ্ধবিরতি প্রসঙ্গে ট্রাম্প দাবি করেন যে এটি এখনো কার্যকর রয়েছে, তবে একই সাথে তিনি দেশটির সামরিক সক্ষমতা নিয়ে কঠোর উপহাস করেন। তিনি মন্তব্য করেন যে ইরানের সামরিক বাহিনী বর্তমানে প্রায় বিধ্বস্ত এবং তাদের পুরো নৌবাহিনী এখন পানির নিচে তলিয়ে আছে।
ট্রাম্পের আত্মবিশ্বাসী দাবি অনুযায়ী, সোমবার সকাল থেকে শুরু হতে যাওয়া এই নৌ-অবরোধ অত্যন্ত কার্যকর হবে কারণ অন্যান্য দেশগুলোও এখন ইরানকে তেল বিক্রি থেকে বিরত রাখতে যুক্তরাষ্ট্রকে সহযোগিতা করছে। এর ফলে বিশ্ববাজারে ইরানের তেলের যোগান পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যাবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প আরও উল্লেখ করেন যে, হরমুজ প্রণালিতে বাড়তে থাকা উত্তেজনা এবং আসন্ন অবরোধের কারণে অনেক বাণিজ্যিক জাহাজ বা তেলের ট্যাঙ্কার ইতিমধ্যে তাদের রুট পরিবর্তন করতে শুরু করেছে। তিনি জানান, অনেক জাহাজ এখন হরমুজ প্রণালির ঝুঁকি এড়িয়ে তেল সংগ্রহের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের দিকে আসছে।
এর মাধ্যমে এটি স্পষ্ট যে, যুক্তরাষ্ট্র তার নিজস্ব তেলের মজুদ ব্যবহার করে বিশ্ববাজারের চাহিদা মেটানোর এবং বাণিজ্যিক জাহাজগুলোকে বিকল্প পথে চলাচলে উৎসাহিত করার চেষ্টা করছে। আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ট্রাম্পের এই আগ্রাসী অবস্থান এবং ইরানের সামরিক শক্তি নিয়ে এমন মন্তব্য মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে, যা দীর্ঘমেয়াদী সংঘাতের পথ প্রশস্ত করতে পারে।

আরও পড়ুন  ইরানের স্পিকার গালিবাফের সঙ্গে বৈঠক স্পিকার হাফিজ উদ্দিনের

নিউজটি শেয়ার করুন

ইরানের তেল বিক্রি রুখতে বৈশ্বিক জোটের দাবি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের

আপডেট সময় ১১:২৫:৩৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬

ইরানের ওপর মার্কিন নৌ-অবরোধ কার্যকর হওয়ার ঠিক আগমুহূর্তে এক চাঞ্চল্যকর দাবি করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। রোববার রাতে মেরিল্যান্ডের জয়েন্ট বেস অ্যান্ড্রুজে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি জানান, ইরান যাতে আন্তর্জাতিক বাজারে কোনোভাবেই তেল বিক্রি করতে না পারে, সেজন্য যুক্তরাষ্ট্রের পাশাপাশি বিশ্বের আরও বেশ কিছু দেশ এখন সক্রিয়ভাবে একজোট হয়ে কাজ করছে।
সোমবার সকাল থেকে এই অবরোধ কার্যকর হওয়ার কথা রয়েছে এবং ট্রাম্পের মতে, হরমুজ প্রণালিকে কেন্দ্র করে বর্তমানে এমন কিছু ইতিবাচক পরিবর্তন ঘটছে যা ইরানকে অর্থনৈতিকভাবে সম্পূর্ণ কোণঠাসা করে দেবে। ট্রাম্পের এই বক্তব্য স্পষ্ট ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, তেহরানের ওপর সর্বোচ্চ চাপ সৃষ্টি করতে ওয়াশিংটন এখন একটি শক্তিশালী আন্তর্জাতিক জোট গঠনের পথে হাঁটছে।

ইরানের সাথে চলমান যুদ্ধবিরতি প্রসঙ্গে ট্রাম্প দাবি করেন যে এটি এখনো কার্যকর রয়েছে, তবে একই সাথে তিনি দেশটির সামরিক সক্ষমতা নিয়ে কঠোর উপহাস করেন। তিনি মন্তব্য করেন যে ইরানের সামরিক বাহিনী বর্তমানে প্রায় বিধ্বস্ত এবং তাদের পুরো নৌবাহিনী এখন পানির নিচে তলিয়ে আছে।
ট্রাম্পের আত্মবিশ্বাসী দাবি অনুযায়ী, সোমবার সকাল থেকে শুরু হতে যাওয়া এই নৌ-অবরোধ অত্যন্ত কার্যকর হবে কারণ অন্যান্য দেশগুলোও এখন ইরানকে তেল বিক্রি থেকে বিরত রাখতে যুক্তরাষ্ট্রকে সহযোগিতা করছে। এর ফলে বিশ্ববাজারে ইরানের তেলের যোগান পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যাবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প আরও উল্লেখ করেন যে, হরমুজ প্রণালিতে বাড়তে থাকা উত্তেজনা এবং আসন্ন অবরোধের কারণে অনেক বাণিজ্যিক জাহাজ বা তেলের ট্যাঙ্কার ইতিমধ্যে তাদের রুট পরিবর্তন করতে শুরু করেছে। তিনি জানান, অনেক জাহাজ এখন হরমুজ প্রণালির ঝুঁকি এড়িয়ে তেল সংগ্রহের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের দিকে আসছে।
এর মাধ্যমে এটি স্পষ্ট যে, যুক্তরাষ্ট্র তার নিজস্ব তেলের মজুদ ব্যবহার করে বিশ্ববাজারের চাহিদা মেটানোর এবং বাণিজ্যিক জাহাজগুলোকে বিকল্প পথে চলাচলে উৎসাহিত করার চেষ্টা করছে। আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ট্রাম্পের এই আগ্রাসী অবস্থান এবং ইরানের সামরিক শক্তি নিয়ে এমন মন্তব্য মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে, যা দীর্ঘমেয়াদী সংঘাতের পথ প্রশস্ত করতে পারে।

আরও পড়ুন  ইরানকে ধন্যবাদ জানালেন ট্রাম্প