ঢাকা ০২:০৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :

ইরানের ড্রোন হামলায় কুয়েতের বিদ্যুৎ ও পানি অবকাঠামোয় নতুন বিপর্যয়

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৯:০৭:৪৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৬
  • / 154

ছবি: সংগৃহীত

কুয়েতের গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি ও পানিসম্পদ অবকাঠামোয় ফের ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইরান। সর্বশেষ এই হামলায় একটি পানি পরিশোধন কেন্দ্র এবং একটি বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পাশাপাশি বিদ্যুৎকেন্দ্রের দুটি উৎপাদন ইউনিট সম্পূর্ণ অচল হয়ে পড়েছে।

কুয়েতের বিদ্যুৎ মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ফাতিমা আব্বাস জোহার হায়াত এই হামলাকে ‘অপরাধমূলক আগ্রাসন’ হিসেবে আখ্যা দিয়ে জানান, হামলার সরাসরি প্রভাবে দুটি বিদ্যুৎ উৎপাদন ইউনিট কার্যক্রম বন্ধ রাখতে বাধ্য হয়েছে।

এর আগেও কুয়েতের একটি তেল কমপ্লেক্স এবং একটি সরকারি মন্ত্রণালয় কমপ্লেক্সে ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটে। সেই হামলায় তেল কমপ্লেক্সে আগুন ধরে যায় এবং উভয় স্থানে ব্যাপক অবকাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতি হয়। দুই দিন আগেও দেশটির আরেকটি পানি পরিশোধন ও বিদ্যুৎকেন্দ্রে হামলা হয়েছিল, যেখানে উল্লেখযোগ্য ক্ষতি হয়। চলতি মাসের শুরুর দিকে কুয়েত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের জ্বালানি ট্যাংকারেও হামলার ঘটনা ঘটেছে।

আরও পড়ুন  উৎপাদনে ফেরার ১৫ ঘণ্টায় আবারও অচল বড়পুকুরিয়া, বিদ্যুৎ বিভ্রাটের শঙ্কা

বিশ্লেষকদের মতে, সংঘাতের শুরুতে ইরান মূলত কুয়েতে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ও বেসামরিক স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্য করে হামলা পরিচালনা করত। তবে সাম্প্রতিক সময়ে তাদের কৌশলে পরিবর্তন এসেছে — এখন জ্বালানি ও বিদ্যুৎ অবকাঠামো তাদের প্রাথমিক লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে।

উল্লেখ্য, চলতি বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে ইরানে হামলা চালালে দুই পক্ষের মধ্যে সামরিক সংঘাত শুরু হয়। সেই হামলার পাল্টা ব্যবস্থা হিসেবে ইরান উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন সামরিক উপস্থিতির বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করে। কুয়েতের পাশাপাশি বাহরাইন এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতেও ব্যাপক হামলা চালিয়েছে তেহরান।

তথ্যসূত্র: দ্য গার্ডিয়ান, আলজাজিরা

নিউজটি শেয়ার করুন

ইরানের ড্রোন হামলায় কুয়েতের বিদ্যুৎ ও পানি অবকাঠামোয় নতুন বিপর্যয়

আপডেট সময় ০৯:০৭:৪৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৬

কুয়েতের গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি ও পানিসম্পদ অবকাঠামোয় ফের ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইরান। সর্বশেষ এই হামলায় একটি পানি পরিশোধন কেন্দ্র এবং একটি বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পাশাপাশি বিদ্যুৎকেন্দ্রের দুটি উৎপাদন ইউনিট সম্পূর্ণ অচল হয়ে পড়েছে।

কুয়েতের বিদ্যুৎ মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ফাতিমা আব্বাস জোহার হায়াত এই হামলাকে ‘অপরাধমূলক আগ্রাসন’ হিসেবে আখ্যা দিয়ে জানান, হামলার সরাসরি প্রভাবে দুটি বিদ্যুৎ উৎপাদন ইউনিট কার্যক্রম বন্ধ রাখতে বাধ্য হয়েছে।

এর আগেও কুয়েতের একটি তেল কমপ্লেক্স এবং একটি সরকারি মন্ত্রণালয় কমপ্লেক্সে ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটে। সেই হামলায় তেল কমপ্লেক্সে আগুন ধরে যায় এবং উভয় স্থানে ব্যাপক অবকাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতি হয়। দুই দিন আগেও দেশটির আরেকটি পানি পরিশোধন ও বিদ্যুৎকেন্দ্রে হামলা হয়েছিল, যেখানে উল্লেখযোগ্য ক্ষতি হয়। চলতি মাসের শুরুর দিকে কুয়েত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের জ্বালানি ট্যাংকারেও হামলার ঘটনা ঘটেছে।

আরও পড়ুন  ইউক্রেনের খারকিভে রাশিয়ার ড্রোন হামলা, নিহত ৩, আহত অন্তত ৬০

বিশ্লেষকদের মতে, সংঘাতের শুরুতে ইরান মূলত কুয়েতে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ও বেসামরিক স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্য করে হামলা পরিচালনা করত। তবে সাম্প্রতিক সময়ে তাদের কৌশলে পরিবর্তন এসেছে — এখন জ্বালানি ও বিদ্যুৎ অবকাঠামো তাদের প্রাথমিক লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে।

উল্লেখ্য, চলতি বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে ইরানে হামলা চালালে দুই পক্ষের মধ্যে সামরিক সংঘাত শুরু হয়। সেই হামলার পাল্টা ব্যবস্থা হিসেবে ইরান উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন সামরিক উপস্থিতির বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করে। কুয়েতের পাশাপাশি বাহরাইন এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতেও ব্যাপক হামলা চালিয়েছে তেহরান।

তথ্যসূত্র: দ্য গার্ডিয়ান, আলজাজিরা