ঢাকা ১০:৫৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :

বালিকা বিদ্যালয়ে মার্কিন-ইসরায়েলি হামলায় প্রাণহানি বেড়ে ১৪৮

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৮:৪৮:২১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ মার্চ ২০২৬
  • / 181

ছবি: সংগৃহীত

ইরানের দক্ষিণাঞ্চলীয় মিনাব শহরে একটি প্রাথমিক বালিকা বিদ্যালয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি বাহিনীর ভয়াবহ বিমান হামলায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১৪৮ জনে দাঁড়িয়েছে।

শনিবারের এই নৃশংস হামলায় আরও অন্তত ৯৫ জন শিক্ষার্থী গুরুতর আহত হয়েছেন বলে নিশ্চিত করেছে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরা। ‘শাজাবা তাইয়্যেবা’ নামক ওই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে হামলার সময় মোট ১৭০ জন শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিল, যাদের প্রায় সবাই এই ধ্বংসযজ্ঞের শিকার হয়েছে।

সিএনএন-এর একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, আক্রান্ত স্কুলটি একটি ইরানি সামরিক ঘাঁটি থেকে মাত্র ২০০ ফুট দূরত্বে অবস্থিত। স্যাটেলাইট চিত্র বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, স্থাপনাটি একসময় সামরিক অবকাঠামোর অংশ থাকলেও ২০১৬ সাল থেকে এটি সম্পূর্ণ স্বতন্ত্র একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচালিত হয়ে আসছিল। প্রত্যক্ষদর্শীদের ধারণ করা ভিডিও ফুটেজে দেখা গেছে, ক্লাসরুমে পাঠদান চলাকালীন ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে পুরো বিদ্যালয়টি ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে এবং যত্রতত্র শিশুদের নিথর দেহ পড়ে আছে।

আরও পড়ুন  কঙ্গোর ইতুরিতে নারকীয় হামলা: ৪৯ জনের প্রাণহানি

এই ভয়াবহ বেসামরিক ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের (CENTCOM) মুখপাত্র ক্যাপ্টেন টিম হকিন্স জানিয়েছেন, তারা শিশুদের প্রাণহানির অভিযোগ সম্পর্কে অবগত এবং বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। অন্যদিকে, ইরান এই হামলাকে আন্তর্জাতিক আইনের চরম লঙ্ঘন এবং জঘন্যতম যুদ্ধাপরাধ হিসেবে অভিহিত করে তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। সরাসরি শিশুদের লক্ষ্য করে চালানো এই হামলাকে কেন্দ্র করে বিশ্বজুড়ে নিন্দার ঝড় উঠেছে এবং মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতি আরও জটিল রূপ ধারণ করেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

বালিকা বিদ্যালয়ে মার্কিন-ইসরায়েলি হামলায় প্রাণহানি বেড়ে ১৪৮

আপডেট সময় ০৮:৪৮:২১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ মার্চ ২০২৬

ইরানের দক্ষিণাঞ্চলীয় মিনাব শহরে একটি প্রাথমিক বালিকা বিদ্যালয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি বাহিনীর ভয়াবহ বিমান হামলায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১৪৮ জনে দাঁড়িয়েছে।

শনিবারের এই নৃশংস হামলায় আরও অন্তত ৯৫ জন শিক্ষার্থী গুরুতর আহত হয়েছেন বলে নিশ্চিত করেছে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরা। ‘শাজাবা তাইয়্যেবা’ নামক ওই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে হামলার সময় মোট ১৭০ জন শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিল, যাদের প্রায় সবাই এই ধ্বংসযজ্ঞের শিকার হয়েছে।

সিএনএন-এর একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, আক্রান্ত স্কুলটি একটি ইরানি সামরিক ঘাঁটি থেকে মাত্র ২০০ ফুট দূরত্বে অবস্থিত। স্যাটেলাইট চিত্র বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, স্থাপনাটি একসময় সামরিক অবকাঠামোর অংশ থাকলেও ২০১৬ সাল থেকে এটি সম্পূর্ণ স্বতন্ত্র একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচালিত হয়ে আসছিল। প্রত্যক্ষদর্শীদের ধারণ করা ভিডিও ফুটেজে দেখা গেছে, ক্লাসরুমে পাঠদান চলাকালীন ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে পুরো বিদ্যালয়টি ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে এবং যত্রতত্র শিশুদের নিথর দেহ পড়ে আছে।

আরও পড়ুন  বন্য হাতির আক্রমণে প্রাণ গেল কৃষকের

এই ভয়াবহ বেসামরিক ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের (CENTCOM) মুখপাত্র ক্যাপ্টেন টিম হকিন্স জানিয়েছেন, তারা শিশুদের প্রাণহানির অভিযোগ সম্পর্কে অবগত এবং বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। অন্যদিকে, ইরান এই হামলাকে আন্তর্জাতিক আইনের চরম লঙ্ঘন এবং জঘন্যতম যুদ্ধাপরাধ হিসেবে অভিহিত করে তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। সরাসরি শিশুদের লক্ষ্য করে চালানো এই হামলাকে কেন্দ্র করে বিশ্বজুড়ে নিন্দার ঝড় উঠেছে এবং মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতি আরও জটিল রূপ ধারণ করেছে।