ঢাকা ০৭:২৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
জুলাই সনদ বিতর্কের ইতি টানার উচিত: মির্জা ফখরুলের ‎শাপলা চত্বর হত্যাকাণ্ডে ৫৮ নিহতের পরিচয় শনাক্ত: চিফ প্রসিকিউটর জিম্বাবুয়েকে ১৪৩ রানে থামাল বাংলাদেশ, লক্ষ্য ১৪৪ রাজনৈতিক পক্ষপাত ছাড়াই দায়িত্ব পালনের আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ‎গণমাধ্যমের তোষামোদী সংস্কৃতি এখনো রয়ে গেছে— মির্জা ফখরুল ‎সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচে টস হেরে বোলিংয়ে বাংলাদেশ, একাদশে দুই পরিবর্তন জুলাই বিপ্লবে বিএনপির ১৭ বছরের আন্দোলন সফল হয়েছে: রিজভী জর্ডানের মার্কিন ঘাঁটিতে হামলার পর নতুন দাবি তেহরানের সীতাকুণ্ডে যাত্রীবাহী বাস উল্টে নিহত ১, আহত ৬ ‘১৭ বছর মানুষকে কথা বলতে দেওয়া হয়নি’: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর

গিমারেস ,পর্তুগাল: ইতিহাসের জন্মভূমিতে এক ভ্রমণ

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৭:০২:৩৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬
  • / 1630

ছবি সংগৃহীত

 

গিমারেসকে বলা হয় পর্তুগালের জন্মভূমি। এই শহর থেকেই পর্তুগাল একটি স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে যাত্রা শুরু করে। ইতিহাস, সংস্কৃতি আর পর্যটনের দিক থেকে গিমারেস আজও বিশেষ গুরুত্ব বহন করে।

গিমারেসের সবচেয়ে পরিচিত স্থাপনাগুলোর একটি হলো গিমারেস দুর্গ। দশম শতকে নির্মিত এই দুর্গটি পর্তুগালের প্রথম রাজা আফনসো হেনরিকেসের শৈশবের সঙ্গে জড়িত। দুর্গটি ঘুরে দেখলে মধ্যযুগের সামরিক স্থাপত্য ও দেশের শুরুর ইতিহাস সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা পাওয়া যায়। পর্যটকদের জন্য দুর্গটি সারাবছর খোলা থাকে এবং শহরের ইতিহাস জানার জন্য এটি অন্যতম আকর্ষণ।

আরও পড়ুন  পর্তুগালে ১৮ হাজার অবৈধ অভিবাসীদের বিতাড়নের ঘোষণা

এর পাশেই অবস্থিত পালাসিও দোস দুকেস দে ব্রাগাঞ্জা। পনেরো শতকে নির্মিত এই প্রাসাদটি ব্রাগাঞ্জা রাজবংশের আবাসস্থল ছিল। ভেতরে সংরক্ষিত আসবাবপত্র, শিল্পকর্ম ও ট্যাপেস্ট্রি পর্তুগালের রাজকীয় জীবনের গল্প তুলে ধরে। ইতিহাসপ্রেমী পর্যটকদের জন্য এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান।

গিমারেসের ঐতিহাসিক শহর কেন্দ্র ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃত। এখানকার সরু রাস্তা, পুরনো বাড়িঘর ও ছোট স্কয়ারগুলোতে হাঁটলে মনে হয় সময় থেমে গেছে। স্থানীয় ক্যাফে ও দোকানগুলো পর্যটকদের জন্য আলাদা অভিজ্ঞতা তৈরি করে।

আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান হলো লিসিও দা অলিভেইরা স্কয়ার ও সাও মিগেল গির্জা। এই গির্জায় পর্তুগালের প্রথম রাজাকে দীক্ষা দেওয়া হয়েছিল বলে ধারণা করা হয়।

সব মিলিয়ে, গিমারেস এমন একটি শহর যেখানে ভ্রমণ আর ইতিহাস একসঙ্গে অনুভব করা যায়। যারা পর্তুগালের শিকড় জানতে চান, তাদের জন্য গিমারেস একটি অবশ্যই ঘুরে দেখার মতো গন্তব্য।

নিউজটি শেয়ার করুন

গিমারেস ,পর্তুগাল: ইতিহাসের জন্মভূমিতে এক ভ্রমণ

আপডেট সময় ০৭:০২:৩৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬

 

গিমারেসকে বলা হয় পর্তুগালের জন্মভূমি। এই শহর থেকেই পর্তুগাল একটি স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে যাত্রা শুরু করে। ইতিহাস, সংস্কৃতি আর পর্যটনের দিক থেকে গিমারেস আজও বিশেষ গুরুত্ব বহন করে।

গিমারেসের সবচেয়ে পরিচিত স্থাপনাগুলোর একটি হলো গিমারেস দুর্গ। দশম শতকে নির্মিত এই দুর্গটি পর্তুগালের প্রথম রাজা আফনসো হেনরিকেসের শৈশবের সঙ্গে জড়িত। দুর্গটি ঘুরে দেখলে মধ্যযুগের সামরিক স্থাপত্য ও দেশের শুরুর ইতিহাস সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা পাওয়া যায়। পর্যটকদের জন্য দুর্গটি সারাবছর খোলা থাকে এবং শহরের ইতিহাস জানার জন্য এটি অন্যতম আকর্ষণ।

আরও পড়ুন  পর্তুগালে রেস্তোরাঁয় ৩ বাংলাদেশি গুলিবদ্ধ

এর পাশেই অবস্থিত পালাসিও দোস দুকেস দে ব্রাগাঞ্জা। পনেরো শতকে নির্মিত এই প্রাসাদটি ব্রাগাঞ্জা রাজবংশের আবাসস্থল ছিল। ভেতরে সংরক্ষিত আসবাবপত্র, শিল্পকর্ম ও ট্যাপেস্ট্রি পর্তুগালের রাজকীয় জীবনের গল্প তুলে ধরে। ইতিহাসপ্রেমী পর্যটকদের জন্য এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান।

গিমারেসের ঐতিহাসিক শহর কেন্দ্র ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃত। এখানকার সরু রাস্তা, পুরনো বাড়িঘর ও ছোট স্কয়ারগুলোতে হাঁটলে মনে হয় সময় থেমে গেছে। স্থানীয় ক্যাফে ও দোকানগুলো পর্যটকদের জন্য আলাদা অভিজ্ঞতা তৈরি করে।

আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান হলো লিসিও দা অলিভেইরা স্কয়ার ও সাও মিগেল গির্জা। এই গির্জায় পর্তুগালের প্রথম রাজাকে দীক্ষা দেওয়া হয়েছিল বলে ধারণা করা হয়।

সব মিলিয়ে, গিমারেস এমন একটি শহর যেখানে ভ্রমণ আর ইতিহাস একসঙ্গে অনুভব করা যায়। যারা পর্তুগালের শিকড় জানতে চান, তাদের জন্য গিমারেস একটি অবশ্যই ঘুরে দেখার মতো গন্তব্য।