ঢাকা ০৭:২৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
জুলাই সনদ বিতর্কের ইতি টানার উচিত: মির্জা ফখরুলের ‎শাপলা চত্বর হত্যাকাণ্ডে ৫৮ নিহতের পরিচয় শনাক্ত: চিফ প্রসিকিউটর জিম্বাবুয়েকে ১৪৩ রানে থামাল বাংলাদেশ, লক্ষ্য ১৪৪ রাজনৈতিক পক্ষপাত ছাড়াই দায়িত্ব পালনের আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ‎গণমাধ্যমের তোষামোদী সংস্কৃতি এখনো রয়ে গেছে— মির্জা ফখরুল ‎সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচে টস হেরে বোলিংয়ে বাংলাদেশ, একাদশে দুই পরিবর্তন জুলাই বিপ্লবে বিএনপির ১৭ বছরের আন্দোলন সফল হয়েছে: রিজভী জর্ডানের মার্কিন ঘাঁটিতে হামলার পর নতুন দাবি তেহরানের সীতাকুণ্ডে যাত্রীবাহী বাস উল্টে নিহত ১, আহত ৬ ‘১৭ বছর মানুষকে কথা বলতে দেওয়া হয়নি’: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর

মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন নৌবহর জড়ো, বাড়ছে সংঘাতের আশঙ্কা

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১১:৫০:৪৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬
  • / 1565

ছবি সংগৃহীত

 

ইরানকে ঘিরে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি আরও জোরদার হয়েছে। বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন–এর নেতৃত্বে একটি বড় নৌবহর ভারত মহাসাগর পেরিয়ে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের আওতাধীন এলাকায় অবস্থান নিয়েছে। অতীতে এখান থেকেই মধ্যপ্রাচ্যে বিভিন্ন সামরিক অভিযান চালানো হয়েছে। আলজাজিরার খবরে বলা হয়, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য সামরিক বিকল্প বিবেচনা করছেন, যদিও এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। 

নৌবহরে যুদ্ধজাহাজ, ক্ষেপণাস্ত্রবাহী ক্রুজার ও সাবমেরিন প্রতিরোধী জাহাজ রয়েছে। এদিকে ইরানও সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) জানিয়েছে, তারা পরিস্থিতি গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে ‘ভুল হিসাব’ থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছে।

আরও পড়ুন  ইসরায়েলকে মধ্যপ্রাচ্যের ক্যান্সার, ইরানকে সমর্থন জানিয়ে বার্তা উ.কোরিয়ার

উত্তেজনার প্রভাবে আকাশপথেও প্রভাব পড়েছে। ভারতের বিমান সংস্থা ইন্ডিগো নিরাপত্তার কারণে ইরানের আকাশসীমা এড়িয়ে চলতে ফ্লাইট সূচি পরিবর্তন করেছে এবং কয়েকটি রুটে সাময়িকভাবে ফ্লাইট স্থগিত করেছে।

এদিকে ট্রাম্প দাবি করেছেন, সামরিক চাপ বাড়লেও ইরান আলোচনায় আগ্রহী। তিনি বলেন, কূটনীতির পথ এখনো খোলা আছে এবং তেহরান একটি চুক্তিতে পৌঁছাতে চায়। তবে হোয়াইট হাউসের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্রয়োজনে সামরিক পদক্ষেপও একটি বিকল্প হিসেবে বিবেচনায় আছে।

ইরান স্পষ্ট করেছে, কোনো হামলা হলে তারা কঠোর জবাব দেবে। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও পার্লামেন্ট নেতারা জানিয়েছেন, আগ্রাসনের ক্ষেত্রে তাৎক্ষণিক ও অনুপাতিক প্রতিক্রিয়া দেওয়া হবে। একই সঙ্গে সংযুক্ত আরব আমিরাত জানিয়ে দিয়েছে, তারা ইরানের বিরুদ্ধে কোনো হামলায় তাদের ভূখণ্ড বা আকাশসীমা ব্যবহার করতে দেবে না।

বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্রের চাপের মুখে ইরানের আত্মসমর্পণের সম্ভাবনা প্রায় নেই। তাদের ধারণা, অতিরিক্ত চাপ পরিস্থিতি শান্ত করার বদলে আরও উত্তেজনা বাড়াতে পারে।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন নৌবহর জড়ো, বাড়ছে সংঘাতের আশঙ্কা

আপডেট সময় ১১:৫০:৪৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬

 

ইরানকে ঘিরে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি আরও জোরদার হয়েছে। বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন–এর নেতৃত্বে একটি বড় নৌবহর ভারত মহাসাগর পেরিয়ে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের আওতাধীন এলাকায় অবস্থান নিয়েছে। অতীতে এখান থেকেই মধ্যপ্রাচ্যে বিভিন্ন সামরিক অভিযান চালানো হয়েছে। আলজাজিরার খবরে বলা হয়, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য সামরিক বিকল্প বিবেচনা করছেন, যদিও এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। 

নৌবহরে যুদ্ধজাহাজ, ক্ষেপণাস্ত্রবাহী ক্রুজার ও সাবমেরিন প্রতিরোধী জাহাজ রয়েছে। এদিকে ইরানও সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) জানিয়েছে, তারা পরিস্থিতি গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে ‘ভুল হিসাব’ থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছে।

আরও পড়ুন  বাংলাদেশসহ ৭৫ দেশের নাগরিকদের জন্য ভিসা প্রক্রিয়া বন্ধ করছে যুক্তরাষ্ট্র

উত্তেজনার প্রভাবে আকাশপথেও প্রভাব পড়েছে। ভারতের বিমান সংস্থা ইন্ডিগো নিরাপত্তার কারণে ইরানের আকাশসীমা এড়িয়ে চলতে ফ্লাইট সূচি পরিবর্তন করেছে এবং কয়েকটি রুটে সাময়িকভাবে ফ্লাইট স্থগিত করেছে।

এদিকে ট্রাম্প দাবি করেছেন, সামরিক চাপ বাড়লেও ইরান আলোচনায় আগ্রহী। তিনি বলেন, কূটনীতির পথ এখনো খোলা আছে এবং তেহরান একটি চুক্তিতে পৌঁছাতে চায়। তবে হোয়াইট হাউসের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্রয়োজনে সামরিক পদক্ষেপও একটি বিকল্প হিসেবে বিবেচনায় আছে।

ইরান স্পষ্ট করেছে, কোনো হামলা হলে তারা কঠোর জবাব দেবে। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও পার্লামেন্ট নেতারা জানিয়েছেন, আগ্রাসনের ক্ষেত্রে তাৎক্ষণিক ও অনুপাতিক প্রতিক্রিয়া দেওয়া হবে। একই সঙ্গে সংযুক্ত আরব আমিরাত জানিয়ে দিয়েছে, তারা ইরানের বিরুদ্ধে কোনো হামলায় তাদের ভূখণ্ড বা আকাশসীমা ব্যবহার করতে দেবে না।

বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্রের চাপের মুখে ইরানের আত্মসমর্পণের সম্ভাবনা প্রায় নেই। তাদের ধারণা, অতিরিক্ত চাপ পরিস্থিতি শান্ত করার বদলে আরও উত্তেজনা বাড়াতে পারে।