ঢাকা ০৯:৩৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬
শিরোনাম :
ইশরাকের পদত্যাগের খবর ভিত্তিহীন, দাবি প্রতিমন্ত্রীর দপ্তরের বক্স অফিসে ‘জেলার ২’-এর ঝড় আগারগাঁওয়ে সচিবালয় স্থানান্তরের প্রস্তাব মন্ত্রিসভায় অনুমোদন ফিলিস্তিনিদের জলপাই চুরির পক্ষে ইসরাইলি রাব্বির ফতোয়া ক্যারিবিয়ান ক্রিকেটের সুদিন ফেরাতে আর্থিক সহায়তার জোরালো দাবি স্যামির আইয়ুব বাচ্চুর প্রয়াণ দিবসে তাঁকে উৎসর্গ করে কন্সট্যান্টের ‘শেষ বিকেল’ সাজেক ফেরার পথে চাঁদের গাড়ি উল্টে দুর্ঘটনা, আহত ৭ ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে মুম্বাইয়ে তলব করলেন রুবিও, চরম বিতর্কে মোদি সরকার ইরানের নতুন প্রতিরক্ষামন্ত্রী আখলাকিকে নিয়োগ দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড, সৌদি রাষ্ট্রদূতকে তলব

মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন নৌবহর জড়ো, বাড়ছে সংঘাতের আশঙ্কা

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১১:৫০:৪৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬
  • / 2566

ছবি সংগৃহীত

 

ইরানকে ঘিরে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি আরও জোরদার হয়েছে। বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন–এর নেতৃত্বে একটি বড় নৌবহর ভারত মহাসাগর পেরিয়ে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের আওতাধীন এলাকায় অবস্থান নিয়েছে। অতীতে এখান থেকেই মধ্যপ্রাচ্যে বিভিন্ন সামরিক অভিযান চালানো হয়েছে। আলজাজিরার খবরে বলা হয়, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য সামরিক বিকল্প বিবেচনা করছেন, যদিও এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। 

নৌবহরে যুদ্ধজাহাজ, ক্ষেপণাস্ত্রবাহী ক্রুজার ও সাবমেরিন প্রতিরোধী জাহাজ রয়েছে। এদিকে ইরানও সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) জানিয়েছে, তারা পরিস্থিতি গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে ‘ভুল হিসাব’ থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছে।

আরও পড়ুন  মার্কিন রেস্তোরাঁয় ভয়াবহ বন্দুক হামলা: শঙ্কা বাড়ছে হতাহতের

উত্তেজনার প্রভাবে আকাশপথেও প্রভাব পড়েছে। ভারতের বিমান সংস্থা ইন্ডিগো নিরাপত্তার কারণে ইরানের আকাশসীমা এড়িয়ে চলতে ফ্লাইট সূচি পরিবর্তন করেছে এবং কয়েকটি রুটে সাময়িকভাবে ফ্লাইট স্থগিত করেছে।

এদিকে ট্রাম্প দাবি করেছেন, সামরিক চাপ বাড়লেও ইরান আলোচনায় আগ্রহী। তিনি বলেন, কূটনীতির পথ এখনো খোলা আছে এবং তেহরান একটি চুক্তিতে পৌঁছাতে চায়। তবে হোয়াইট হাউসের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্রয়োজনে সামরিক পদক্ষেপও একটি বিকল্প হিসেবে বিবেচনায় আছে।

ইরান স্পষ্ট করেছে, কোনো হামলা হলে তারা কঠোর জবাব দেবে। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও পার্লামেন্ট নেতারা জানিয়েছেন, আগ্রাসনের ক্ষেত্রে তাৎক্ষণিক ও অনুপাতিক প্রতিক্রিয়া দেওয়া হবে। একই সঙ্গে সংযুক্ত আরব আমিরাত জানিয়ে দিয়েছে, তারা ইরানের বিরুদ্ধে কোনো হামলায় তাদের ভূখণ্ড বা আকাশসীমা ব্যবহার করতে দেবে না।

বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্রের চাপের মুখে ইরানের আত্মসমর্পণের সম্ভাবনা প্রায় নেই। তাদের ধারণা, অতিরিক্ত চাপ পরিস্থিতি শান্ত করার বদলে আরও উত্তেজনা বাড়াতে পারে।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন নৌবহর জড়ো, বাড়ছে সংঘাতের আশঙ্কা

আপডেট সময় ১১:৫০:৪৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬

 

ইরানকে ঘিরে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি আরও জোরদার হয়েছে। বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন–এর নেতৃত্বে একটি বড় নৌবহর ভারত মহাসাগর পেরিয়ে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের আওতাধীন এলাকায় অবস্থান নিয়েছে। অতীতে এখান থেকেই মধ্যপ্রাচ্যে বিভিন্ন সামরিক অভিযান চালানো হয়েছে। আলজাজিরার খবরে বলা হয়, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য সামরিক বিকল্প বিবেচনা করছেন, যদিও এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। 

নৌবহরে যুদ্ধজাহাজ, ক্ষেপণাস্ত্রবাহী ক্রুজার ও সাবমেরিন প্রতিরোধী জাহাজ রয়েছে। এদিকে ইরানও সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) জানিয়েছে, তারা পরিস্থিতি গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে ‘ভুল হিসাব’ থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছে।

আরও পড়ুন  ট্রাম্পের নীতির বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে বিক্ষোভের ঝড়

উত্তেজনার প্রভাবে আকাশপথেও প্রভাব পড়েছে। ভারতের বিমান সংস্থা ইন্ডিগো নিরাপত্তার কারণে ইরানের আকাশসীমা এড়িয়ে চলতে ফ্লাইট সূচি পরিবর্তন করেছে এবং কয়েকটি রুটে সাময়িকভাবে ফ্লাইট স্থগিত করেছে।

এদিকে ট্রাম্প দাবি করেছেন, সামরিক চাপ বাড়লেও ইরান আলোচনায় আগ্রহী। তিনি বলেন, কূটনীতির পথ এখনো খোলা আছে এবং তেহরান একটি চুক্তিতে পৌঁছাতে চায়। তবে হোয়াইট হাউসের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্রয়োজনে সামরিক পদক্ষেপও একটি বিকল্প হিসেবে বিবেচনায় আছে।

ইরান স্পষ্ট করেছে, কোনো হামলা হলে তারা কঠোর জবাব দেবে। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও পার্লামেন্ট নেতারা জানিয়েছেন, আগ্রাসনের ক্ষেত্রে তাৎক্ষণিক ও অনুপাতিক প্রতিক্রিয়া দেওয়া হবে। একই সঙ্গে সংযুক্ত আরব আমিরাত জানিয়ে দিয়েছে, তারা ইরানের বিরুদ্ধে কোনো হামলায় তাদের ভূখণ্ড বা আকাশসীমা ব্যবহার করতে দেবে না।

বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্রের চাপের মুখে ইরানের আত্মসমর্পণের সম্ভাবনা প্রায় নেই। তাদের ধারণা, অতিরিক্ত চাপ পরিস্থিতি শান্ত করার বদলে আরও উত্তেজনা বাড়াতে পারে।