ঢাকা ১০:৪০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম :
ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি হবে পরিকল্পনার মাধ্যমে: প্রধানমন্ত্রী আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই ভোজ্যতেলের দাম নির্ধারণ: বাণিজ্যমন্ত্রী কলকাতা ভ্রমণে বাংলাদেশিদের জন্য উপহাইকমিশনের সতর্কবার্তা নেপালের ভয়াবহ দুর্যোগে সহায়তার হাত বাড়াল বাংলাদেশ ছিনতাইয়ের ঘটনায় শিক্ষিকার মৃত্যু: উদ্ধার বাইক নিয়ে প্রশ্ন, ডিবির ছায়া তদন্ত বিমানবাহিনী ছেড়ে এবার যাত্রীবাহী বিমান চালাবেন অভিনন্দন ‘সুইপার আর হারপিক নিয়ে আসেন, আমি ক্লিন করব’: কৃষিমন্ত্রী বিপিএল অনিশ্চিত, ক্রিকেটারদের সুখবর বিসিবি বসের দেশে ফিরে সংসদ অধিবেশনে যোগ দিলেন মির্জা আব্বাস সকল ধরনের বিক্ষোভ নিষিদ্ধ আফগানিস্তানে

চীনের সামরিক নেতৃত্বে নতুন করে বড় ধরনের শুদ্ধি অভিযান শুরু

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১০:৪৪:১২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬
  • / 1992

ছবি সংগৃহীত

চীনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম CCTV জানিয়েছে, দেশটির সরকার আবারও সেনাবাহিনীর শীর্ষ নেতৃত্বের বিরুদ্ধে একটি বড় ধরনের শুদ্ধি অভিযান শুরু করেছে। এই অভিযানে এবার লক্ষ্য করা হয়েছে অত্যন্ত ক্ষমতাধর জেনারেল ঝাং ইউশিয়াসহ কয়েকজন শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তাকে।

চীনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিবৃতি অনুযায়ী, চীনা কমিউনিস্ট পার্টি (CCP) গুরুতর শৃঙ্খলা ভঙ্গ, আইন লঙ্ঘন এবং পার্টির নিয়ম ভাঙার অভিযোগে তদন্ত শুরু করেছে। তদন্তের আওতায় রয়েছেন—

১. ঝাং ইউশিয়া: সেন্ট্রাল মিলিটারি কমিশনের (CMC) ভাইস-চেয়ারম্যান এবং পলিটব্যুরোর সদস্য।

আরও পড়ুন  শুল্ক না কমলে মার্কিন বাজারে কমবে ক্রিসমাসের রঙিন আমেজ

২. লিউ ঝেন: CMC জয়েন্ট স্টাফ ডিপার্টমেন্টের চিফ অব স্টাফ ও CMC সদস্য।

৭৫ বছর বয়সী ঝাং ইউশিয়া চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের ঘনিষ্ঠতম সামরিক মিত্রদের একজন হিসেবে পরিচিত। তিনি CMC-এর দুইজন ভাইস-চেয়ারম্যানের একজন এবং হাতে গোনা কয়েকজন শীর্ষ কর্মকর্তার মধ্যে একজন যাদের সরাসরি যুদ্ধের অভিজ্ঞতা রয়েছে।

CMC হলো চীনের সর্বোচ্চ সামরিক সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী সংস্থা এবং দেশটির সশস্ত্র বাহিনীর সর্বোচ্চ কমান্ড কাঠামো।

উল্লেখ্য, শি জিনপিং ২০১২ সালে ক্ষমতায় আসার পর থেকেই সেনাবাহিনীতে দুর্নীতিবিরোধী অভিযান চালিয়ে আসছেন। ২০২৩ সালে সেই অভিযান আরও জোরালো হয়, যখন চীনের রকেট ফোর্স-এর শীর্ষ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে বড় ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

আর এটি ২০২৫ সালের অক্টোবরের পর CMC-এর দ্বিতীয় বড় শুদ্ধি অভিযান। এর আগে জেনারেল হে উইডংসহ আরও ৮ জন উচ্চপদস্থ জেনারেলকে CMC থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিল এবং একই ধরনের অভিযোগে পার্টি ও সেনাবাহিনী থেকেও বাদ দেওয়া হয়।

এই নতুন অভিযানের ফলে চীনের সামরিক কাঠামোর ভেতরে ক্ষমতার ভারসাম্য এবং শীর্ষ নেতৃত্বে বড় ধরনের পরিবর্তন আসবে।

সোর্স: CCTV

নিউজটি শেয়ার করুন

চীনের সামরিক নেতৃত্বে নতুন করে বড় ধরনের শুদ্ধি অভিযান শুরু

আপডেট সময় ১০:৪৪:১২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬

চীনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম CCTV জানিয়েছে, দেশটির সরকার আবারও সেনাবাহিনীর শীর্ষ নেতৃত্বের বিরুদ্ধে একটি বড় ধরনের শুদ্ধি অভিযান শুরু করেছে। এই অভিযানে এবার লক্ষ্য করা হয়েছে অত্যন্ত ক্ষমতাধর জেনারেল ঝাং ইউশিয়াসহ কয়েকজন শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তাকে।

চীনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিবৃতি অনুযায়ী, চীনা কমিউনিস্ট পার্টি (CCP) গুরুতর শৃঙ্খলা ভঙ্গ, আইন লঙ্ঘন এবং পার্টির নিয়ম ভাঙার অভিযোগে তদন্ত শুরু করেছে। তদন্তের আওতায় রয়েছেন—

১. ঝাং ইউশিয়া: সেন্ট্রাল মিলিটারি কমিশনের (CMC) ভাইস-চেয়ারম্যান এবং পলিটব্যুরোর সদস্য।

আরও পড়ুন  চীনের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে পররাষ্ট্র সচিবের বৈঠক: দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক ও সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা

২. লিউ ঝেন: CMC জয়েন্ট স্টাফ ডিপার্টমেন্টের চিফ অব স্টাফ ও CMC সদস্য।

৭৫ বছর বয়সী ঝাং ইউশিয়া চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের ঘনিষ্ঠতম সামরিক মিত্রদের একজন হিসেবে পরিচিত। তিনি CMC-এর দুইজন ভাইস-চেয়ারম্যানের একজন এবং হাতে গোনা কয়েকজন শীর্ষ কর্মকর্তার মধ্যে একজন যাদের সরাসরি যুদ্ধের অভিজ্ঞতা রয়েছে।

CMC হলো চীনের সর্বোচ্চ সামরিক সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী সংস্থা এবং দেশটির সশস্ত্র বাহিনীর সর্বোচ্চ কমান্ড কাঠামো।

উল্লেখ্য, শি জিনপিং ২০১২ সালে ক্ষমতায় আসার পর থেকেই সেনাবাহিনীতে দুর্নীতিবিরোধী অভিযান চালিয়ে আসছেন। ২০২৩ সালে সেই অভিযান আরও জোরালো হয়, যখন চীনের রকেট ফোর্স-এর শীর্ষ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে বড় ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

আর এটি ২০২৫ সালের অক্টোবরের পর CMC-এর দ্বিতীয় বড় শুদ্ধি অভিযান। এর আগে জেনারেল হে উইডংসহ আরও ৮ জন উচ্চপদস্থ জেনারেলকে CMC থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিল এবং একই ধরনের অভিযোগে পার্টি ও সেনাবাহিনী থেকেও বাদ দেওয়া হয়।

এই নতুন অভিযানের ফলে চীনের সামরিক কাঠামোর ভেতরে ক্ষমতার ভারসাম্য এবং শীর্ষ নেতৃত্বে বড় ধরনের পরিবর্তন আসবে।

সোর্স: CCTV