ঢাকা ১০:৫৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
‎নরেন্দ্র মোদি বিক্ষোভের মুখে সংসদ ছাড়লেন, রণক্ষেত্র দিল্লিতে ‎মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ইরানের পাল্টা হামলার দাবি ‎আজ রাতেও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস, ১৬ অঞ্চলে দমকা হাওয়ার সতর্কতা ‎বিশ্বকাপ ফাইনাল দেখতে গিয়ে নিখোঁজ যুবক, সকালে মিলল মরদেহ ‎আর্জেন্টিনার হার মেনে নিতে না পেরে দুই জনের মৃত্যু সীমান্তে ১০৯ কিমি কাঁটাতারের বেড়ার পরিকল্পনা সরকারের: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কৌশলের ভুলে শিরোপা হারাল আর্জেন্টিনা; বিবিসির বিশ্লেষণ দিল্লিতে বিক্ষোভ ঘিরে সংঘর্ষ, ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ রিজেন্টের সেই সাহেদ ফের গ্রেপ্তার সচিব পদমর্যাদায় প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন

শুল্ক না কমলে মার্কিন বাজারে কমবে ক্রিসমাসের রঙিন আমেজ

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৭:১৫:৪৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ মে ২০২৫
  • / 399

ছবি সংগৃহীত

 

যুক্তরাষ্ট্রে বিক্রি হওয়া খেলনার সিংহভাগ প্রায় ৮০ শতাংশই চীনে তৈরি। কিন্তু ট্রাম্প প্রশাসনের কঠোর শুল্কনীতি এবং চলমান ইউএস-চীন বাণিজ্যযুদ্ধের ফলে এই খাত এখন বড় সংকটে। খেলনার উপর আরোপিত ১৪৫ শতাংশ পর্যন্ত ট্যারিফ আমদানি ব্যয় ব্যাপকভাবে বাড়িয়ে দিয়েছে।

নতুন এক জরিপ বলছে, এতে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছে ছোট ও মাঝারি খেলনা প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানগুলো। জরিপে অংশ নেওয়া ৪১০টি কোম্পানির মধ্যে দেখা গেছে, যেসব প্রতিষ্ঠানের বার্ষিক আয় ১০ থেকে ১০০ মিলিয়ন ডলারের মধ্যে, তাদের মধ্যে ৮১ শতাংশই নতুন অর্ডার স্থগিত করেছে এবং ৬৪ শতাংশ পূর্বের অর্ডার বাতিল করতে বাধ্য হয়েছে।

আরও পড়ুন  মার্কিন প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে যুদ্ধ বন্ধে ইরানের পাল্টা ৫ শর্ত প্রদান

এছাড়া বড় কোম্পানিগুলো যাদের আয় ১০০ মিলিয়ন ডলারের বেশি তাদের মধ্যেও ৮৭ শতাংশ অর্ডার স্থগিত করেছে এবং ৮০ শতাংশ ইতিমধ্যে অর্ডার বাতিল করেছে বলে প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।

এ অবস্থায় খেলনা শিল্পে দেউলিয়ার আশঙ্কা বাড়ছে। জরিপ অনুযায়ী, ৪৬ শতাংশ ছোট এবং ৪৫ শতাংশ বড় কোম্পানি অর্থনৈতিকভাবে টিকে থাকা নিয়ে শঙ্কায় রয়েছে। Toy Association-এর মতে, এই শুল্কনীতি অব্যাহত থাকলে আসন্ন ক্রিসমাসে যুক্তরাষ্ট্রে খেলনার ঘাটতি স্পষ্ট হবে এবং উপহার সংস্কৃতির অন্যতম অনুষঙ্গ খেলনা অনেকটাই বিলাসবস্তুতে পরিণত হবে।

তবে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বিষয়টিকে হালকাভাবে দেখেছেন। তার মন্তব্য অনুযায়ী, “হয়তো এবার বাচ্চারা ৩০টা নয়, ২টা পুতুল পাবে। আর সেগুলো কয়েক ডলার বেশি দামে কিনতে হবে।”

বিশ্লেষকরা বলছেন, খেলনা শুধু একটি পণ্যের নাম নয়, এটি শিশুকালের স্মৃতি, পারিবারিক উষ্ণতা এবং উৎসবের আনন্দের সঙ্গে জড়িত। আর এই শিল্পে টানাপড়েন মানে শুধু ব্যবসা নয়, একটি প্রজন্মের হাসিও অনিশ্চয়তার মুখে পড়ে যাওয়া।

চীন থেকে আমদানির ওপর শুল্ক হ্রাস না হলে, শুধু ব্যবসা নয় প্রভাব পড়বে মার্কিন নাগরিকদের উৎসব উদযাপনেও।

নিউজটি শেয়ার করুন

শুল্ক না কমলে মার্কিন বাজারে কমবে ক্রিসমাসের রঙিন আমেজ

আপডেট সময় ০৭:১৫:৪৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ মে ২০২৫

 

যুক্তরাষ্ট্রে বিক্রি হওয়া খেলনার সিংহভাগ প্রায় ৮০ শতাংশই চীনে তৈরি। কিন্তু ট্রাম্প প্রশাসনের কঠোর শুল্কনীতি এবং চলমান ইউএস-চীন বাণিজ্যযুদ্ধের ফলে এই খাত এখন বড় সংকটে। খেলনার উপর আরোপিত ১৪৫ শতাংশ পর্যন্ত ট্যারিফ আমদানি ব্যয় ব্যাপকভাবে বাড়িয়ে দিয়েছে।

নতুন এক জরিপ বলছে, এতে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছে ছোট ও মাঝারি খেলনা প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানগুলো। জরিপে অংশ নেওয়া ৪১০টি কোম্পানির মধ্যে দেখা গেছে, যেসব প্রতিষ্ঠানের বার্ষিক আয় ১০ থেকে ১০০ মিলিয়ন ডলারের মধ্যে, তাদের মধ্যে ৮১ শতাংশই নতুন অর্ডার স্থগিত করেছে এবং ৬৪ শতাংশ পূর্বের অর্ডার বাতিল করতে বাধ্য হয়েছে।

আরও পড়ুন  শুল্কের দাপটে চড়া হতে পারে আইফোনের বাজার, দাম ছাড়াতে পারে সাড়ে ৩ হাজার ডলার

এছাড়া বড় কোম্পানিগুলো যাদের আয় ১০০ মিলিয়ন ডলারের বেশি তাদের মধ্যেও ৮৭ শতাংশ অর্ডার স্থগিত করেছে এবং ৮০ শতাংশ ইতিমধ্যে অর্ডার বাতিল করেছে বলে প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।

এ অবস্থায় খেলনা শিল্পে দেউলিয়ার আশঙ্কা বাড়ছে। জরিপ অনুযায়ী, ৪৬ শতাংশ ছোট এবং ৪৫ শতাংশ বড় কোম্পানি অর্থনৈতিকভাবে টিকে থাকা নিয়ে শঙ্কায় রয়েছে। Toy Association-এর মতে, এই শুল্কনীতি অব্যাহত থাকলে আসন্ন ক্রিসমাসে যুক্তরাষ্ট্রে খেলনার ঘাটতি স্পষ্ট হবে এবং উপহার সংস্কৃতির অন্যতম অনুষঙ্গ খেলনা অনেকটাই বিলাসবস্তুতে পরিণত হবে।

তবে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বিষয়টিকে হালকাভাবে দেখেছেন। তার মন্তব্য অনুযায়ী, “হয়তো এবার বাচ্চারা ৩০টা নয়, ২টা পুতুল পাবে। আর সেগুলো কয়েক ডলার বেশি দামে কিনতে হবে।”

বিশ্লেষকরা বলছেন, খেলনা শুধু একটি পণ্যের নাম নয়, এটি শিশুকালের স্মৃতি, পারিবারিক উষ্ণতা এবং উৎসবের আনন্দের সঙ্গে জড়িত। আর এই শিল্পে টানাপড়েন মানে শুধু ব্যবসা নয়, একটি প্রজন্মের হাসিও অনিশ্চয়তার মুখে পড়ে যাওয়া।

চীন থেকে আমদানির ওপর শুল্ক হ্রাস না হলে, শুধু ব্যবসা নয় প্রভাব পড়বে মার্কিন নাগরিকদের উৎসব উদযাপনেও।