ঢাকা ১০:৪৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬
শিরোনাম :
জুলাই হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার ইকবাল সোবহান চৌধুরী খুলনা ও বাগেরহাট সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী ৮ শতাধিক পর্যটক নিয়ে সেন্টমার্টিনে জাহাজ চলাচল শুরু সাংবাদিক গ্রেপ্তারে লাগবে আদালতের অনুমতি খোকা ছিলেন রাজপথের খাঁটি যোদ্ধা: মির্জা আব্বাস শিল্প বাঁচলে মজুরি বাড়বে, অহেতুক প্ররোচনায় না পড়ে শ্রমিকদের কাজে ফেরার আহ্বান শ্রম মন্ত্রীর মেগা প্রকল্প নয়, জনগণের প্রয়োজনই অগ্রাধিকার: প্রতিমন্ত্রী ফুটবলে নজিরবিহীন ঘটনা: এক ম্যাচে ৫১ লাল কার্ড, ছাড়িয়ে গেল আগের রেকর্ড কাল থেকে সেন্টমার্টিনে যাচ্ছে পর্যটকবাহী তিন জাহাজ মান ও শর্ত পূরণ ছাড়া মেডিকেল কলেজের অনুমোদন দেওয়া হবে না: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

শুল্ক না কমলে মার্কিন বাজারে কমবে ক্রিসমাসের রঙিন আমেজ

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৭:১৫:৪৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ মে ২০২৫
  • / 559

ছবি সংগৃহীত

 

যুক্তরাষ্ট্রে বিক্রি হওয়া খেলনার সিংহভাগ প্রায় ৮০ শতাংশই চীনে তৈরি। কিন্তু ট্রাম্প প্রশাসনের কঠোর শুল্কনীতি এবং চলমান ইউএস-চীন বাণিজ্যযুদ্ধের ফলে এই খাত এখন বড় সংকটে। খেলনার উপর আরোপিত ১৪৫ শতাংশ পর্যন্ত ট্যারিফ আমদানি ব্যয় ব্যাপকভাবে বাড়িয়ে দিয়েছে।

নতুন এক জরিপ বলছে, এতে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছে ছোট ও মাঝারি খেলনা প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানগুলো। জরিপে অংশ নেওয়া ৪১০টি কোম্পানির মধ্যে দেখা গেছে, যেসব প্রতিষ্ঠানের বার্ষিক আয় ১০ থেকে ১০০ মিলিয়ন ডলারের মধ্যে, তাদের মধ্যে ৮১ শতাংশই নতুন অর্ডার স্থগিত করেছে এবং ৬৪ শতাংশ পূর্বের অর্ডার বাতিল করতে বাধ্য হয়েছে।

আরও পড়ুন  এনসিপি কার্যালয়ে মার্কিন কূটনীতিকের সৌজন্য সাক্ষাৎ

এছাড়া বড় কোম্পানিগুলো যাদের আয় ১০০ মিলিয়ন ডলারের বেশি তাদের মধ্যেও ৮৭ শতাংশ অর্ডার স্থগিত করেছে এবং ৮০ শতাংশ ইতিমধ্যে অর্ডার বাতিল করেছে বলে প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।

এ অবস্থায় খেলনা শিল্পে দেউলিয়ার আশঙ্কা বাড়ছে। জরিপ অনুযায়ী, ৪৬ শতাংশ ছোট এবং ৪৫ শতাংশ বড় কোম্পানি অর্থনৈতিকভাবে টিকে থাকা নিয়ে শঙ্কায় রয়েছে। Toy Association-এর মতে, এই শুল্কনীতি অব্যাহত থাকলে আসন্ন ক্রিসমাসে যুক্তরাষ্ট্রে খেলনার ঘাটতি স্পষ্ট হবে এবং উপহার সংস্কৃতির অন্যতম অনুষঙ্গ খেলনা অনেকটাই বিলাসবস্তুতে পরিণত হবে।

তবে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বিষয়টিকে হালকাভাবে দেখেছেন। তার মন্তব্য অনুযায়ী, “হয়তো এবার বাচ্চারা ৩০টা নয়, ২টা পুতুল পাবে। আর সেগুলো কয়েক ডলার বেশি দামে কিনতে হবে।”

বিশ্লেষকরা বলছেন, খেলনা শুধু একটি পণ্যের নাম নয়, এটি শিশুকালের স্মৃতি, পারিবারিক উষ্ণতা এবং উৎসবের আনন্দের সঙ্গে জড়িত। আর এই শিল্পে টানাপড়েন মানে শুধু ব্যবসা নয়, একটি প্রজন্মের হাসিও অনিশ্চয়তার মুখে পড়ে যাওয়া।

চীন থেকে আমদানির ওপর শুল্ক হ্রাস না হলে, শুধু ব্যবসা নয় প্রভাব পড়বে মার্কিন নাগরিকদের উৎসব উদযাপনেও।

নিউজটি শেয়ার করুন

শুল্ক না কমলে মার্কিন বাজারে কমবে ক্রিসমাসের রঙিন আমেজ

আপডেট সময় ০৭:১৫:৪৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ মে ২০২৫

 

যুক্তরাষ্ট্রে বিক্রি হওয়া খেলনার সিংহভাগ প্রায় ৮০ শতাংশই চীনে তৈরি। কিন্তু ট্রাম্প প্রশাসনের কঠোর শুল্কনীতি এবং চলমান ইউএস-চীন বাণিজ্যযুদ্ধের ফলে এই খাত এখন বড় সংকটে। খেলনার উপর আরোপিত ১৪৫ শতাংশ পর্যন্ত ট্যারিফ আমদানি ব্যয় ব্যাপকভাবে বাড়িয়ে দিয়েছে।

নতুন এক জরিপ বলছে, এতে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছে ছোট ও মাঝারি খেলনা প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানগুলো। জরিপে অংশ নেওয়া ৪১০টি কোম্পানির মধ্যে দেখা গেছে, যেসব প্রতিষ্ঠানের বার্ষিক আয় ১০ থেকে ১০০ মিলিয়ন ডলারের মধ্যে, তাদের মধ্যে ৮১ শতাংশই নতুন অর্ডার স্থগিত করেছে এবং ৬৪ শতাংশ পূর্বের অর্ডার বাতিল করতে বাধ্য হয়েছে।

আরও পড়ুন  ডেঙ্গু পরীক্ষার স্বাস্থ্য অধিদফতরকে ১৯ হাজার কিট প্রদান করলো চীন

এছাড়া বড় কোম্পানিগুলো যাদের আয় ১০০ মিলিয়ন ডলারের বেশি তাদের মধ্যেও ৮৭ শতাংশ অর্ডার স্থগিত করেছে এবং ৮০ শতাংশ ইতিমধ্যে অর্ডার বাতিল করেছে বলে প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।

এ অবস্থায় খেলনা শিল্পে দেউলিয়ার আশঙ্কা বাড়ছে। জরিপ অনুযায়ী, ৪৬ শতাংশ ছোট এবং ৪৫ শতাংশ বড় কোম্পানি অর্থনৈতিকভাবে টিকে থাকা নিয়ে শঙ্কায় রয়েছে। Toy Association-এর মতে, এই শুল্কনীতি অব্যাহত থাকলে আসন্ন ক্রিসমাসে যুক্তরাষ্ট্রে খেলনার ঘাটতি স্পষ্ট হবে এবং উপহার সংস্কৃতির অন্যতম অনুষঙ্গ খেলনা অনেকটাই বিলাসবস্তুতে পরিণত হবে।

তবে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বিষয়টিকে হালকাভাবে দেখেছেন। তার মন্তব্য অনুযায়ী, “হয়তো এবার বাচ্চারা ৩০টা নয়, ২টা পুতুল পাবে। আর সেগুলো কয়েক ডলার বেশি দামে কিনতে হবে।”

বিশ্লেষকরা বলছেন, খেলনা শুধু একটি পণ্যের নাম নয়, এটি শিশুকালের স্মৃতি, পারিবারিক উষ্ণতা এবং উৎসবের আনন্দের সঙ্গে জড়িত। আর এই শিল্পে টানাপড়েন মানে শুধু ব্যবসা নয়, একটি প্রজন্মের হাসিও অনিশ্চয়তার মুখে পড়ে যাওয়া।

চীন থেকে আমদানির ওপর শুল্ক হ্রাস না হলে, শুধু ব্যবসা নয় প্রভাব পড়বে মার্কিন নাগরিকদের উৎসব উদযাপনেও।