০২:৩৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬
শিরোনাম :
কুষ্টিয়ায় বক্তব্যরত অবস্থায় জামায়াতের জেলা আমীরের মৃত্যু বাংলাদেশিদের জন্য ভিসায় বন্ড বাধ্যতামূলক করল যুক্তরাষ্ট্র নির্বাচনী নিরাপত্তায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রায় ৯ লাখ সদস্য, ডগ স্কোয়াড ও ড্রোন নজরদারি ঘুমের ঘোরে কথা বলা; মনের কথা নাকি মস্তিষ্কের বিশেষ আচরণ? খুলনায় আমির হামজার বিরুদ্ধে মামলা গ্রিনল্যান্ড দখলে সামরিক শক্তি ব্যবহারের বিপক্ষে মার্কিন জনগণ স্পেনে দুই হাইস্পিড ট্রেনের মুখোমুখি সংঘর্ষ, নিহত অন্তত ২১ আলিফ হত্যা মামলার শুনানিতে চিন্ময় কৃষ্ণসহ ২৩ আসামি আদালতে জনসম্মুখে প্রথমবার বক্তব্য রাখলেন জাইমা রহমান হৃদয় ম্যাজিকে রংপুরের জয়, এক ম্যাচে জোড়া সেঞ্চুরি

সহযোগিতা না করলে ফের সামরিক অভিযান, ভেনেজুয়েলাকে ট্রাম্পের সতর্কতা

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১১:৩১:৫৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৫ জানুয়ারী ২০২৬
  • / 92

ছবি সংগৃহীত

 

ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো গ্রেপ্তার হওয়ার পর দেশটির বর্তমান প্রশাসন যদি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সহযোগিতা না করে, তাহলে সেখানে পুনরায় সামরিক হামলার সম্ভাবনা রয়েছে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। রোববার এয়ারফোর্স ওয়ানে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।

বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানায়, ট্রাম্পের এই বক্তব্য লাতিন আমেরিকায় যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক হস্তক্ষেপ নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে। একই সঙ্গে তিনি ইঙ্গিত দেন, যুক্তরাষ্ট্রে অবৈধ মাদক প্রবাহ বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে কলম্বিয়া ও মেক্সিকোকেও সামরিক পদক্ষেপের মুখে পড়তে হতে পারে। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘অপারেশন কলম্বিয়া—এটা আমার কাছে খারাপ মনে হচ্ছে না।’

[bsa_pro_ad_space id=2]

কিউবা সম্পর্কেও ট্রাম্প মন্তব্য করেন, দেশটি সামরিক হস্তক্ষেপ ছাড়াই এখন ‘পতনের পথে’ রয়েছে। ভেনেজুয়েলার ঘনিষ্ঠ মিত্র হিসেবে কিউবার ভূমিকা দীর্ঘদিন ধরেই ওয়াশিংটনের নজরে রয়েছে।
এদিকে মাদুরো বর্তমানে নিউইয়র্কের একটি ডিটেনশন সেন্টারে আটক আছেন। আজ সোমবার তাঁকে মাদক সংক্রান্ত মামলায় আদালতে তোলার কথা রয়েছে। তাঁর গ্রেপ্তারকে ঘিরে তেলসমৃদ্ধ দেশ ভেনেজুয়েলার রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে চরম অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

ট্রাম্প জানিয়েছেন, তাঁর প্রশাসন এখনই নির্বাচন দিয়ে নতুন সরকার গঠনের পথে না গিয়ে মাদুরো সরকারের অবশিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে কাজ করে মাদকপাচার বন্ধ এবং তেল খাত সংস্কারে জোর দিতে চায়।

তবে ভেনেজুয়েলার শীর্ষ কর্মকর্তারা এখনো মাদুরোর প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করছেন। তাঁরা মাদুরো ও তাঁর স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেসের আটক হওয়ার ঘটনাকে ‘অপহরণ’ বলে আখ্যা দিয়েছেন। ক্ষমতাসীন পিএসইউভি দলের এক অডিও বার্তায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দিওসদাদো কাবেলো বলেন, ‘ভেনেজুয়েলার একমাত্র প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো। শত্রুর উসকানিতে কেউ বিভ্রান্ত হবেন না।’

চোখ বাঁধা ও হাতকড়া পরা অবস্থায় মাদুরোর ছবি প্রকাশের পর ভেনেজুয়েলায় ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। ১৯৮৯ সালে পানামায় মার্কিন আগ্রাসনের পর এটি লাতিন আমেরিকায় যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বিতর্কিত সামরিক পদক্ষেপ বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা। ভেনেজুয়েলার প্রতিরক্ষামন্ত্রী জেনারেল ভ্লাদিমির পাদ্রিনো রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে দাবি করেন, মার্কিন অভিযানে সেনা ও বেসামরিক নাগরিকসহ মাদুরোর নিরাপত্তা বাহিনীর বহু সদস্য নিহত হয়েছেন। তিনি জানান, দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সশস্ত্র বাহিনীকে সতর্ক অবস্থায় রাখা হয়েছে।
কিউবা সরকার জানিয়েছে, অভিযানে তাদের ৩২ জন নাগরিক নিহত হয়েছেন। একই সময়ে ভেনেজুয়েলার ভাইস প্রেসিডেন্ট ও তেলমন্ত্রী দেলসি রদ্রিগেজ শীর্ষ আদালতের সমর্থনে অন্তর্বর্তী নেতৃত্বের দায়িত্ব নিয়েছেন। তিনি স্পষ্ট করে বলেছেন, মাদুরোই বৈধ প্রেসিডেন্ট।

ট্রাম্প অবশ্য দাবি করেছেন, রদ্রিগেজ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী। তবে রদ্রিগেজ এই দাবি প্রকাশ্যে অস্বীকার করেছেন। দ্য আটলান্টিককে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প সতর্ক করে বলেন, ‘সঠিক সিদ্ধান্ত না নিলে রদ্রিগেজকে মাদুরোর চেয়েও বড় মূল্য দিতে হবে।’ এ বিষয়ে ভেনেজুয়েলার যোগাযোগ মন্ত্রণালয় তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য করেনি।

ট্রাম্প প্রশাসন জানিয়েছে, ২০২০ সালে দায়ের করা নারকো-টেররিজমসহ একাধিক মামলার আইনি প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবেই মাদুরোকে আটক করা হয়েছে। মাদুরো এসব অভিযোগ বরাবরই অস্বীকার করে আসছেন।

তবে ট্রাম্প স্পষ্ট করে বলেছেন, ভেনেজুয়েলার বিশাল তেল খাতে মার্কিন কোম্পানিগুলোর পূর্ণ প্রবেশাধিকার যুক্তরাষ্ট্রের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রে ভেনেজুয়েলা থেকে অভিবাসীদের স্রোতও মাদুরোকে আটক করার সিদ্ধান্তে প্রভাব ফেলেছে বলে তিনি জানান।

ট্রাম্পের ভাষায়, ‘মাদুরো তাঁর দেশের কারাগার ও মানসিক হাসপাতাল থেকে অপরাধী ও মাদক ব্যবসায়ীদের আমাদের দেশে পাঠিয়েছেন—এটাই মূল সমস্যা।’

ভেনেজুয়েলা সরকার আগেই অভিযোগ করে আসছিল, যুক্তরাষ্ট্র দেশটির প্রাকৃতিক সম্পদ, বিশেষ করে তেল দখলের চেষ্টা করছে। দিওসদাদো কাবেলো বলেন, ‘শেষ পর্যন্ত পরিষ্কার হয়ে গেছে—ওদের লক্ষ্য আমাদের তেল।’

একসময় লাতিন আমেরিকার অন্যতম সমৃদ্ধ দেশ ভেনেজুয়েলা সাবেক প্রেসিডেন্ট হুগো শ্যাভেজের সময় থেকেই অর্থনৈতিক সংকটে পড়তে শুরু করে, যা মাদুরোর শাসনামলে চরম আকার ধারণ করে। এর ফলে দেশটির প্রতি পাঁচজনের একজন বিদেশে পাড়ি জমাতে বাধ্য হয়েছেন।

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেন, ভেনেজুয়েলার ভবিষ্যৎ নেতৃত্বের উচিত তেল খাতকে যুক্তরাষ্ট্রের শত্রুদের প্রভাব থেকে মুক্ত রাখা এবং মাদকপাচার বন্ধ করা। এবিসির ‘দিস উইক’ অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় স্বার্থ ও ভেনেজুয়েলার জনগণের স্বার্থ একসঙ্গে সুরক্ষিত না হলে দেশটির অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়াবে না।

নিউজটি শেয়ার করুন

[bsa_pro_ad_space id=4]

সহযোগিতা না করলে ফের সামরিক অভিযান, ভেনেজুয়েলাকে ট্রাম্পের সতর্কতা

আপডেট সময় ১১:৩১:৫৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৫ জানুয়ারী ২০২৬

 

ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো গ্রেপ্তার হওয়ার পর দেশটির বর্তমান প্রশাসন যদি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সহযোগিতা না করে, তাহলে সেখানে পুনরায় সামরিক হামলার সম্ভাবনা রয়েছে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। রোববার এয়ারফোর্স ওয়ানে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।

বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানায়, ট্রাম্পের এই বক্তব্য লাতিন আমেরিকায় যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক হস্তক্ষেপ নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে। একই সঙ্গে তিনি ইঙ্গিত দেন, যুক্তরাষ্ট্রে অবৈধ মাদক প্রবাহ বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে কলম্বিয়া ও মেক্সিকোকেও সামরিক পদক্ষেপের মুখে পড়তে হতে পারে। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘অপারেশন কলম্বিয়া—এটা আমার কাছে খারাপ মনে হচ্ছে না।’

[bsa_pro_ad_space id=2]

কিউবা সম্পর্কেও ট্রাম্প মন্তব্য করেন, দেশটি সামরিক হস্তক্ষেপ ছাড়াই এখন ‘পতনের পথে’ রয়েছে। ভেনেজুয়েলার ঘনিষ্ঠ মিত্র হিসেবে কিউবার ভূমিকা দীর্ঘদিন ধরেই ওয়াশিংটনের নজরে রয়েছে।
এদিকে মাদুরো বর্তমানে নিউইয়র্কের একটি ডিটেনশন সেন্টারে আটক আছেন। আজ সোমবার তাঁকে মাদক সংক্রান্ত মামলায় আদালতে তোলার কথা রয়েছে। তাঁর গ্রেপ্তারকে ঘিরে তেলসমৃদ্ধ দেশ ভেনেজুয়েলার রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে চরম অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

ট্রাম্প জানিয়েছেন, তাঁর প্রশাসন এখনই নির্বাচন দিয়ে নতুন সরকার গঠনের পথে না গিয়ে মাদুরো সরকারের অবশিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে কাজ করে মাদকপাচার বন্ধ এবং তেল খাত সংস্কারে জোর দিতে চায়।

তবে ভেনেজুয়েলার শীর্ষ কর্মকর্তারা এখনো মাদুরোর প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করছেন। তাঁরা মাদুরো ও তাঁর স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেসের আটক হওয়ার ঘটনাকে ‘অপহরণ’ বলে আখ্যা দিয়েছেন। ক্ষমতাসীন পিএসইউভি দলের এক অডিও বার্তায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দিওসদাদো কাবেলো বলেন, ‘ভেনেজুয়েলার একমাত্র প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো। শত্রুর উসকানিতে কেউ বিভ্রান্ত হবেন না।’

চোখ বাঁধা ও হাতকড়া পরা অবস্থায় মাদুরোর ছবি প্রকাশের পর ভেনেজুয়েলায় ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। ১৯৮৯ সালে পানামায় মার্কিন আগ্রাসনের পর এটি লাতিন আমেরিকায় যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বিতর্কিত সামরিক পদক্ষেপ বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা। ভেনেজুয়েলার প্রতিরক্ষামন্ত্রী জেনারেল ভ্লাদিমির পাদ্রিনো রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে দাবি করেন, মার্কিন অভিযানে সেনা ও বেসামরিক নাগরিকসহ মাদুরোর নিরাপত্তা বাহিনীর বহু সদস্য নিহত হয়েছেন। তিনি জানান, দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সশস্ত্র বাহিনীকে সতর্ক অবস্থায় রাখা হয়েছে।
কিউবা সরকার জানিয়েছে, অভিযানে তাদের ৩২ জন নাগরিক নিহত হয়েছেন। একই সময়ে ভেনেজুয়েলার ভাইস প্রেসিডেন্ট ও তেলমন্ত্রী দেলসি রদ্রিগেজ শীর্ষ আদালতের সমর্থনে অন্তর্বর্তী নেতৃত্বের দায়িত্ব নিয়েছেন। তিনি স্পষ্ট করে বলেছেন, মাদুরোই বৈধ প্রেসিডেন্ট।

ট্রাম্প অবশ্য দাবি করেছেন, রদ্রিগেজ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী। তবে রদ্রিগেজ এই দাবি প্রকাশ্যে অস্বীকার করেছেন। দ্য আটলান্টিককে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প সতর্ক করে বলেন, ‘সঠিক সিদ্ধান্ত না নিলে রদ্রিগেজকে মাদুরোর চেয়েও বড় মূল্য দিতে হবে।’ এ বিষয়ে ভেনেজুয়েলার যোগাযোগ মন্ত্রণালয় তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য করেনি।

ট্রাম্প প্রশাসন জানিয়েছে, ২০২০ সালে দায়ের করা নারকো-টেররিজমসহ একাধিক মামলার আইনি প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবেই মাদুরোকে আটক করা হয়েছে। মাদুরো এসব অভিযোগ বরাবরই অস্বীকার করে আসছেন।

তবে ট্রাম্প স্পষ্ট করে বলেছেন, ভেনেজুয়েলার বিশাল তেল খাতে মার্কিন কোম্পানিগুলোর পূর্ণ প্রবেশাধিকার যুক্তরাষ্ট্রের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রে ভেনেজুয়েলা থেকে অভিবাসীদের স্রোতও মাদুরোকে আটক করার সিদ্ধান্তে প্রভাব ফেলেছে বলে তিনি জানান।

ট্রাম্পের ভাষায়, ‘মাদুরো তাঁর দেশের কারাগার ও মানসিক হাসপাতাল থেকে অপরাধী ও মাদক ব্যবসায়ীদের আমাদের দেশে পাঠিয়েছেন—এটাই মূল সমস্যা।’

ভেনেজুয়েলা সরকার আগেই অভিযোগ করে আসছিল, যুক্তরাষ্ট্র দেশটির প্রাকৃতিক সম্পদ, বিশেষ করে তেল দখলের চেষ্টা করছে। দিওসদাদো কাবেলো বলেন, ‘শেষ পর্যন্ত পরিষ্কার হয়ে গেছে—ওদের লক্ষ্য আমাদের তেল।’

একসময় লাতিন আমেরিকার অন্যতম সমৃদ্ধ দেশ ভেনেজুয়েলা সাবেক প্রেসিডেন্ট হুগো শ্যাভেজের সময় থেকেই অর্থনৈতিক সংকটে পড়তে শুরু করে, যা মাদুরোর শাসনামলে চরম আকার ধারণ করে। এর ফলে দেশটির প্রতি পাঁচজনের একজন বিদেশে পাড়ি জমাতে বাধ্য হয়েছেন।

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেন, ভেনেজুয়েলার ভবিষ্যৎ নেতৃত্বের উচিত তেল খাতকে যুক্তরাষ্ট্রের শত্রুদের প্রভাব থেকে মুক্ত রাখা এবং মাদকপাচার বন্ধ করা। এবিসির ‘দিস উইক’ অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় স্বার্থ ও ভেনেজুয়েলার জনগণের স্বার্থ একসঙ্গে সুরক্ষিত না হলে দেশটির অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়াবে না।