০৭:৪১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬
শিরোনাম :
‘২ হাজার টাকার কার্ড পেতে ১ হাজার টাকা ঘুষ দিতে হবে না তো?’—নাহিদ ইসলাম ইতোকোতর্মিতো – বরফের রাজ্যে মানুষের বসতি উপদেষ্টা পরিষদে অনুমোদন পেল ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি অধ্যাদেশ নিরাপত্তার কারণেই ভারতে খেলবে না বাংলাদেশ, ক্রিকেটারদের সঙ্গে সরকারও সিদ্ধান্তে অটল কেউ চিরদিন বাঁচে না’—হাসিনা যুগ নিয়ে জয়ের বক্তব্য আপনারা ভালা আছেন নি?’ সিলেটে তারেক রহমান সিলেট থেকে বিএনপির সিলেট থেকে বিএনপির নির্বাচনী প্রচারণা শুরু, আলিয়া মাদরাসা মাঠে জনসমুদ্র প্রচারণা শুরু, আলিয়া মাদরাসা মাঠে জনসমুদ্র ফাইনালের টিকিট রাজশাহীর, হতাশ সিলেট গাজায় একদিনে ইসরায়েলি হামলায় ৩ সাংবাদিকসহ নিহত ১১ ডা. জুবাইদার মতো আমিও আপনাদের সন্তান: তারেক রহমান

 নিকোলাস মাদুরো কে?

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৬:১১:১৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ জানুয়ারী ২০২৬
  • / 176

ছবি সংগৃহীত

 

হুগো শ্যাভেজের ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে নিকোলাস মাদুরোর উত্থান শুরু হলেও সময়ের সঙ্গে তিনি নিজেই দেশের শাসকের আসনে বসেন।
নিকোলাস মাদুরোর জন্ম ১৯৬২ সালের ২৩ নভেম্বর, ভেনেজুয়েলার রাজধানী কারাকাসে। তিনি কোনো সামরিক একাডেমি বা অভিজাত রাজনৈতিক পরিবার থেকে আসেননি।

তরুণ বয়সে তিনি বাসচালক হিসেবে কাজ করেন এবং একই সঙ্গে শ্রমিক ইউনিয়ন রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়েন। এই সময়েই তিনি বামপন্থি আদর্শে প্রভাবিত হন এবং সংগঠক হিসেবে পরিচিতি পান।

[bsa_pro_ad_space id=2]

হুগো শ্যাভেজ ক্ষমতায় আসার পর মাদুরো তার ঘনিষ্ঠ বৃত্তে প্রবেশ করেন। অনেক সময় তাকে শ্যাভেজের নিরাপত্তা বলয় বা বডিগার্ড ইউনিটের সঙ্গে কাজ করতে দেখা গেছে—যদিও তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রশিক্ষিত সামরিক বডিগার্ড ছিলেন না।

শ্যাভেজ মূলত তার প্রতি আস্থা রাখতেন রাজনৈতিক আনুগত্য, ব্যক্তিগত বিশ্বস্ততা ও আদর্শিক সামঞ্জস্যের কারণে।

২০০০-এর দশকে মাদুরোর রাজনৈতিক উত্থান দ্রুত হয়। তিনি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন এবং পরে ভেনেজুয়েলার সংসদের স্পিকার হন।

২০০৬ সালে হুগো শ্যাভেজ তাকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী নিয়োগ দেন। দীর্ঘ সময় এই দায়িত্বে থেকে মাদুরো আন্তর্জাতিক অঙ্গনে শ্যাভেজের কণ্ঠস্বর হয়ে ওঠেন এবং কিউবা, রাশিয়া ও ইরানের মতো মিত্রদের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদার করেন।

২০১২ সালে ক্যান্সারে আক্রান্ত শ্যাভেজ প্রকাশ্যে ঘোষণা দেন—তার মৃত্যুর পর নিকোলাস মাদুরোই তাঁর রাজনৈতিক উত্তরসূরি হবেন।

২০১৩ সালে শ্যাভেজের মৃত্যুর পর অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেন মাদুরো এবং এরপরের নির্বাচনে অল্প ব্যবধানে জয়ী হয়ে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট হন।

ক্ষমতায় আসার পর মাদুরোর শাসনকাল গভীর অর্থনৈতিক সংকট, মুদ্রাস্ফীতি, খাদ্য ও ওষুধের সংকট এবং ব্যাপক রাজনৈতিক দমন-পীড়নের মাধ্যমে চিহ্নিত হয়।

বিরোধীদের কাছে তিনি স্বৈরশাসক, আর সমর্থকদের চোখে তিনি শ্যাভেজের বলিভারীয় বিপ্লবের উত্তরাধিকারী।

হুগো শ্যাভেজের ছায়া থেকে উঠে এসে নিকোলাস মাদুরো আজ ভেনেজুয়েলার ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দু—একজন শ্রমিক নেতা থেকে রাষ্ট্রপতি হয়ে ওঠার এক ব্যতিক্রমী ও বিতর্কিত রাজনৈতিক যাত্রার প্রতীক।

নিউজটি শেয়ার করুন

[bsa_pro_ad_space id=4]

 নিকোলাস মাদুরো কে?

আপডেট সময় ০৬:১১:১৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ জানুয়ারী ২০২৬

 

হুগো শ্যাভেজের ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে নিকোলাস মাদুরোর উত্থান শুরু হলেও সময়ের সঙ্গে তিনি নিজেই দেশের শাসকের আসনে বসেন।
নিকোলাস মাদুরোর জন্ম ১৯৬২ সালের ২৩ নভেম্বর, ভেনেজুয়েলার রাজধানী কারাকাসে। তিনি কোনো সামরিক একাডেমি বা অভিজাত রাজনৈতিক পরিবার থেকে আসেননি।

তরুণ বয়সে তিনি বাসচালক হিসেবে কাজ করেন এবং একই সঙ্গে শ্রমিক ইউনিয়ন রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়েন। এই সময়েই তিনি বামপন্থি আদর্শে প্রভাবিত হন এবং সংগঠক হিসেবে পরিচিতি পান।

[bsa_pro_ad_space id=2]

হুগো শ্যাভেজ ক্ষমতায় আসার পর মাদুরো তার ঘনিষ্ঠ বৃত্তে প্রবেশ করেন। অনেক সময় তাকে শ্যাভেজের নিরাপত্তা বলয় বা বডিগার্ড ইউনিটের সঙ্গে কাজ করতে দেখা গেছে—যদিও তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রশিক্ষিত সামরিক বডিগার্ড ছিলেন না।

শ্যাভেজ মূলত তার প্রতি আস্থা রাখতেন রাজনৈতিক আনুগত্য, ব্যক্তিগত বিশ্বস্ততা ও আদর্শিক সামঞ্জস্যের কারণে।

২০০০-এর দশকে মাদুরোর রাজনৈতিক উত্থান দ্রুত হয়। তিনি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন এবং পরে ভেনেজুয়েলার সংসদের স্পিকার হন।

২০০৬ সালে হুগো শ্যাভেজ তাকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী নিয়োগ দেন। দীর্ঘ সময় এই দায়িত্বে থেকে মাদুরো আন্তর্জাতিক অঙ্গনে শ্যাভেজের কণ্ঠস্বর হয়ে ওঠেন এবং কিউবা, রাশিয়া ও ইরানের মতো মিত্রদের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদার করেন।

২০১২ সালে ক্যান্সারে আক্রান্ত শ্যাভেজ প্রকাশ্যে ঘোষণা দেন—তার মৃত্যুর পর নিকোলাস মাদুরোই তাঁর রাজনৈতিক উত্তরসূরি হবেন।

২০১৩ সালে শ্যাভেজের মৃত্যুর পর অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেন মাদুরো এবং এরপরের নির্বাচনে অল্প ব্যবধানে জয়ী হয়ে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট হন।

ক্ষমতায় আসার পর মাদুরোর শাসনকাল গভীর অর্থনৈতিক সংকট, মুদ্রাস্ফীতি, খাদ্য ও ওষুধের সংকট এবং ব্যাপক রাজনৈতিক দমন-পীড়নের মাধ্যমে চিহ্নিত হয়।

বিরোধীদের কাছে তিনি স্বৈরশাসক, আর সমর্থকদের চোখে তিনি শ্যাভেজের বলিভারীয় বিপ্লবের উত্তরাধিকারী।

হুগো শ্যাভেজের ছায়া থেকে উঠে এসে নিকোলাস মাদুরো আজ ভেনেজুয়েলার ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দু—একজন শ্রমিক নেতা থেকে রাষ্ট্রপতি হয়ে ওঠার এক ব্যতিক্রমী ও বিতর্কিত রাজনৈতিক যাত্রার প্রতীক।