ঢাকা ১১:৪৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬, ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
অস্ট্রেলিয়া সিরিজে বাংলাদেশ দলে চমক দেশে এখনও অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র চলছে: মির্জা ফখরুল মাজারের দিঘির কুমিরকে সরিয়ে নেওয়া হলো খুলনায় নেত্রকোনায় পাওনা দুই হাজার টাকার দ্বন্দ্বে ভাঙারি ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা সান মারিনো—বিশ্বের প্রাচীনতম প্রজাতন্ত্রের এক অনন্য গল্প মুক্তিযুদ্ধকে অসম্মান করলে আরেকটি গণঅভ্যুত্থান হবে: ইশরাক হোসেন বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি; কার্যকর জুন থেকেই বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের পণ্যে নতুন মার্কিন শুল্ক প্রত্যেকটি নাগরিককে মাথায় রেখে বাজেট দেওয়া হচ্ছে: অর্থমন্ত্রী শিশু রামিসা হত্যা মামলা: আদালতে অপরাধ স্বীকার সোহেল রানার, যুক্তিতর্ক বৃহস্পতিবার

ট্রাম্পের স্বাক্ষরে আইনে পরিণত বিতর্কিত অর্থনৈতিক বিল

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১০:৪৫:০৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৫ জুলাই ২০২৫
  • / 340

ছবি সংগৃহীত

 

 

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কংগ্রেসে অল্প ব্যবধানে পাস হওয়া তার বহুল আলোচিত অর্থনৈতিক বিলটিতে স্বাক্ষর করেছেন, যা শুক্রবার হোয়াইট হাউসে অনুষ্ঠিত এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে আইনে রূপ নেয়।

আরও পড়ুন  ট্রাম্প চাননি জেলেনস্কির ওয়াশিংটন সফর

এই বিলের মাধ্যমে ট্রাম্পের গুরুত্বপূর্ণ নীতির কিছু অংশ কার্যকর হলো যার মধ্যে রয়েছে কর ছাড়, প্রতিরক্ষা খাতে বাজেট বৃদ্ধি এবং অভিবাসন নিয়ন্ত্রণের কড়াকড়ি নীতি। স্বাধীনতা দিবসকে সামনে রেখে হোয়াইট হাউসে এক উৎসবমুখর পরিবেশে এ স্বাক্ষর অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে সামরিক বাহিনীর পাইলটরাও উপস্থিত ছিলেন, যারা সম্প্রতি ইরানের তিনটি পারমাণবিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছিলেন।

ট্রাম্প সমর্থকদের আশ্বস্ত করে বলেন, এই আইন যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতিকে চাঙ্গা করবে। তবে জনমত জরিপে দেখা গেছে, অনেক আমেরিকান এই বিলের কিছু দিক নিয়ে সন্দিহান এবং এর কিছু শর্ত গ্রহণযোগ্য মনে করছেন না।

এমনকি ট্রাম্পের নিজের রিপাবলিকান পার্টির কিছু সদস্যও বিলের বিরোধিতা করেছেন। তাদের মতে, এর ফলে মার্কিন ঋণের বোঝা আরও বেড়ে যাবে। ডেমোক্র্যাটদের অভিযোগ, এই বিল মূলত ধনীদের সুবিধা দেবে এবং গরিব জনগোষ্ঠী ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

বিলটি পাসের জন্য কংগ্রেসে কড়া লড়াই হয়েছে। বৃহস্পতিবার প্রতিনিধি পরিষদে এটি ২১৮ বনাম ২১৪ ভোটে অনুমোদিত হয়, আর তার আগের দিন মঙ্গলবার সিনেটে এক ভোটের ব্যবধানে এটি পাস হয়।

ট্রাম্প কংগ্রেসকে ৪ জুলাইয়ের মধ্যে বিলটি তার কাছে পৌঁছে দিতে নির্দেশনা দিয়েছিলেন, যাতে স্বাধীনতা দিবসের আগে তিনি এটিকে আইনে পরিণত করতে পারেন।

কংগ্রেশনাল বাজেট অফিসের (সিবিও) পূর্বাভাস অনুযায়ী, এই আইনের ফলে আগামী ১০ বছরে মার্কিন বাজেট ঘাটতি প্রায় ৩.৩ ট্রিলিয়ন ডলার পর্যন্ত বেড়ে যেতে পারে এবং কয়েক কোটি মানুষ স্বাস্থ্যবীমার সুবিধা হারাতে পারেন। যদিও হোয়াইট হাউস এই আশঙ্কার সাথে একমত নয় এবং বলছে, আইনটি দেশের আর্থিক স্থিতি ও জাতীয় নিরাপত্তাকে শক্তিশালী করবে।

বিলের সমর্থকরা মনে করছেন, এটি ব্যবসার পরিবেশকে উদ্দীপিত করবে এবং কর্মসংস্থান বাড়াবে। কিন্তু সমালোচকরা বলছেন, এর নেতিবাচক প্রভাব দেশকে দীর্ঘমেয়াদে বড় ধরনের অর্থনৈতিক চাপে ফেলতে পারে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্রাম্পের স্বাক্ষরে আইনে পরিণত বিতর্কিত অর্থনৈতিক বিল

আপডেট সময় ১০:৪৫:০৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৫ জুলাই ২০২৫

 

 

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কংগ্রেসে অল্প ব্যবধানে পাস হওয়া তার বহুল আলোচিত অর্থনৈতিক বিলটিতে স্বাক্ষর করেছেন, যা শুক্রবার হোয়াইট হাউসে অনুষ্ঠিত এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে আইনে রূপ নেয়।

আরও পড়ুন  ট্রাম্পের সিদ্ধান্তে বাজেট কাটছাঁট: ৫০% কমছে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের বরাদ্দ

এই বিলের মাধ্যমে ট্রাম্পের গুরুত্বপূর্ণ নীতির কিছু অংশ কার্যকর হলো যার মধ্যে রয়েছে কর ছাড়, প্রতিরক্ষা খাতে বাজেট বৃদ্ধি এবং অভিবাসন নিয়ন্ত্রণের কড়াকড়ি নীতি। স্বাধীনতা দিবসকে সামনে রেখে হোয়াইট হাউসে এক উৎসবমুখর পরিবেশে এ স্বাক্ষর অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে সামরিক বাহিনীর পাইলটরাও উপস্থিত ছিলেন, যারা সম্প্রতি ইরানের তিনটি পারমাণবিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছিলেন।

ট্রাম্প সমর্থকদের আশ্বস্ত করে বলেন, এই আইন যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতিকে চাঙ্গা করবে। তবে জনমত জরিপে দেখা গেছে, অনেক আমেরিকান এই বিলের কিছু দিক নিয়ে সন্দিহান এবং এর কিছু শর্ত গ্রহণযোগ্য মনে করছেন না।

এমনকি ট্রাম্পের নিজের রিপাবলিকান পার্টির কিছু সদস্যও বিলের বিরোধিতা করেছেন। তাদের মতে, এর ফলে মার্কিন ঋণের বোঝা আরও বেড়ে যাবে। ডেমোক্র্যাটদের অভিযোগ, এই বিল মূলত ধনীদের সুবিধা দেবে এবং গরিব জনগোষ্ঠী ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

বিলটি পাসের জন্য কংগ্রেসে কড়া লড়াই হয়েছে। বৃহস্পতিবার প্রতিনিধি পরিষদে এটি ২১৮ বনাম ২১৪ ভোটে অনুমোদিত হয়, আর তার আগের দিন মঙ্গলবার সিনেটে এক ভোটের ব্যবধানে এটি পাস হয়।

ট্রাম্প কংগ্রেসকে ৪ জুলাইয়ের মধ্যে বিলটি তার কাছে পৌঁছে দিতে নির্দেশনা দিয়েছিলেন, যাতে স্বাধীনতা দিবসের আগে তিনি এটিকে আইনে পরিণত করতে পারেন।

কংগ্রেশনাল বাজেট অফিসের (সিবিও) পূর্বাভাস অনুযায়ী, এই আইনের ফলে আগামী ১০ বছরে মার্কিন বাজেট ঘাটতি প্রায় ৩.৩ ট্রিলিয়ন ডলার পর্যন্ত বেড়ে যেতে পারে এবং কয়েক কোটি মানুষ স্বাস্থ্যবীমার সুবিধা হারাতে পারেন। যদিও হোয়াইট হাউস এই আশঙ্কার সাথে একমত নয় এবং বলছে, আইনটি দেশের আর্থিক স্থিতি ও জাতীয় নিরাপত্তাকে শক্তিশালী করবে।

বিলের সমর্থকরা মনে করছেন, এটি ব্যবসার পরিবেশকে উদ্দীপিত করবে এবং কর্মসংস্থান বাড়াবে। কিন্তু সমালোচকরা বলছেন, এর নেতিবাচক প্রভাব দেশকে দীর্ঘমেয়াদে বড় ধরনের অর্থনৈতিক চাপে ফেলতে পারে।