ঢাকা ০৮:৫৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম :
ইরান যুদ্ধের শেষ জানেন না ভ্যান্স রামেক হাসপাতালে রোগীদের ভোগান্তি কমাতে বসছে একক ‘অ্যাম্বুলেন্স সেন্টার’ বিদ্যুৎ-গ্যাস সংকটের প্রতিবাদে ইসলামী আন্দোলনের বিক্ষোভ আজ নাটোরে ৪৫ টাকা চা বিলকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ১২ মধুখালীতে বাস-ট্রাক সংঘর্ষে সুপারভাইজার নিহত, আহত ১৫ শাহজালাল বিমানবন্দরে আনসার সদস্যদের যাতায়াত সহজে বিশেষ বাস সেবা চালু ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি হবে পরিকল্পনার মাধ্যমে: প্রধানমন্ত্রী আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই ভোজ্যতেলের দাম নির্ধারণ: বাণিজ্যমন্ত্রী কলকাতা ভ্রমণে বাংলাদেশিদের জন্য উপহাইকমিশনের সতর্কবার্তা নেপালের ভয়াবহ দুর্যোগে সহায়তার হাত বাড়াল বাংলাদেশ

পাকিস্তান সীমান্তে ধরা পড়লো তুরস্কের শীর্ষ আইএস নেতা, ভেস্তে গেল বড় হামলার ছক

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৯:০৩:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ জুন ২০২৫
  • / 521

ছবি সংগৃহীত

 

পাকিস্তান সীমান্তবর্তী এলাকায় এক গোপন অভিযানে ধরা পড়েছে আইএস খোরাসান (ISKP)-এর শীর্ষ তুর্কি নেতা আবু ইয়াসির আল-তুর্কি। তুরস্কের জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা এমআইটি (MİT) এই অভিযান চালায় পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই (ISI)-এর সহযোগিতায়। অভিযানে গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তির প্রকৃত নাম ওজগুর আলতুন।

গোয়েন্দা সূত্র জানায়, ইউরোপ থেকে আফগানিস্তান ও পাকিস্তানে জঙ্গি স্থানান্তরের নেপথ্যে সক্রিয় ছিল এই আল-তুর্কি। শুধু তাই নয়, আইএসের মিডিয়া ও লজিস্টিক শাখা পরিচালনা, তরুণদের জঙ্গিবাদে উদ্বুদ্ধ করা, কনসার্টে হামলার পরিকল্পনা ও নির্দেশ দেওয়া এবং ইংরেজি ও তুর্কি ভাষায় প্রপাগান্ডা ছড়ানোয় তার ছিল সরাসরি সংশ্লিষ্টতা।

আরও পড়ুন  কাতার ও তুরস্কের মধ্যস্থতায় পাকিস্তান–আফগানিস্তান যুদ্ধবিরতি চুক্তি স্বাক্ষর

তুরস্কের নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, আবু ইয়াসির আল-তুর্কির গ্রেপ্তারের মাধ্যমে দেশজুড়ে সম্ভাব্য বড় ধরনের হামলার পরিকল্পনা ভেস্তে দেওয়া সম্ভব হয়েছে। একই সঙ্গে ধ্বংস হয়েছে আইএসের একটি গুরুত্বপূর্ণ সেল। অভিযানের সময় তার কাছ থেকে বেশ কিছু গোপন নথি ও প্রযুক্তিগত ডিভাইস উদ্ধার করা হয়েছে, যা আইএসের আন্তর্জাতিক যোগাযোগ ও কার্যক্রম সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

তুরস্কের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়েছে, এই অভিযানের মাধ্যমে শুধু তুরস্ক নয়, গোটা অঞ্চলে আইএসের জঙ্গি তৎপরতায় বড় ধরনের ধাক্কা দেওয়া সম্ভব হয়েছে। ভবিষ্যতে এমন আরও অভিযান চালিয়ে আইএসের আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্ক ভেঙে দেওয়া হবে বলেও উল্লেখ করা হয়।

বিশ্লেষকরা বলছেন, আফগানিস্তান ও পাকিস্তান সীমান্তবর্তী অঞ্চল জঙ্গিদের জন্য নিরাপদ আশ্রয়স্থল হয়ে উঠেছিল। এই গ্রেপ্তার তার প্রমাণ। তবে এই ধরনের সফল অভিযানে বোঝা যায়, আন্তর্জাতিক সহযোগিতার মাধ্যমেই সন্ত্রাসবাদ নির্মূলের পথ তৈরি সম্ভব।

এই ঘটনার পর তুরস্কের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। সীমান্ত, বিমানবন্দরসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থানে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে জনগণকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে, একই সঙ্গে সন্ত্রাসবাদ বিরোধী পদক্ষেপে নাগরিক সহায়তার প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরা হয়েছে।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

পাকিস্তান সীমান্তে ধরা পড়লো তুরস্কের শীর্ষ আইএস নেতা, ভেস্তে গেল বড় হামলার ছক

আপডেট সময় ০৯:০৩:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ জুন ২০২৫

 

পাকিস্তান সীমান্তবর্তী এলাকায় এক গোপন অভিযানে ধরা পড়েছে আইএস খোরাসান (ISKP)-এর শীর্ষ তুর্কি নেতা আবু ইয়াসির আল-তুর্কি। তুরস্কের জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা এমআইটি (MİT) এই অভিযান চালায় পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই (ISI)-এর সহযোগিতায়। অভিযানে গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তির প্রকৃত নাম ওজগুর আলতুন।

গোয়েন্দা সূত্র জানায়, ইউরোপ থেকে আফগানিস্তান ও পাকিস্তানে জঙ্গি স্থানান্তরের নেপথ্যে সক্রিয় ছিল এই আল-তুর্কি। শুধু তাই নয়, আইএসের মিডিয়া ও লজিস্টিক শাখা পরিচালনা, তরুণদের জঙ্গিবাদে উদ্বুদ্ধ করা, কনসার্টে হামলার পরিকল্পনা ও নির্দেশ দেওয়া এবং ইংরেজি ও তুর্কি ভাষায় প্রপাগান্ডা ছড়ানোয় তার ছিল সরাসরি সংশ্লিষ্টতা।

আরও পড়ুন  পাঞ্জাবে সোনার খনি আবিষ্কার, আশার আলো পাকিস্তানের অর্থনীতিতে

তুরস্কের নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, আবু ইয়াসির আল-তুর্কির গ্রেপ্তারের মাধ্যমে দেশজুড়ে সম্ভাব্য বড় ধরনের হামলার পরিকল্পনা ভেস্তে দেওয়া সম্ভব হয়েছে। একই সঙ্গে ধ্বংস হয়েছে আইএসের একটি গুরুত্বপূর্ণ সেল। অভিযানের সময় তার কাছ থেকে বেশ কিছু গোপন নথি ও প্রযুক্তিগত ডিভাইস উদ্ধার করা হয়েছে, যা আইএসের আন্তর্জাতিক যোগাযোগ ও কার্যক্রম সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

তুরস্কের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়েছে, এই অভিযানের মাধ্যমে শুধু তুরস্ক নয়, গোটা অঞ্চলে আইএসের জঙ্গি তৎপরতায় বড় ধরনের ধাক্কা দেওয়া সম্ভব হয়েছে। ভবিষ্যতে এমন আরও অভিযান চালিয়ে আইএসের আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্ক ভেঙে দেওয়া হবে বলেও উল্লেখ করা হয়।

বিশ্লেষকরা বলছেন, আফগানিস্তান ও পাকিস্তান সীমান্তবর্তী অঞ্চল জঙ্গিদের জন্য নিরাপদ আশ্রয়স্থল হয়ে উঠেছিল। এই গ্রেপ্তার তার প্রমাণ। তবে এই ধরনের সফল অভিযানে বোঝা যায়, আন্তর্জাতিক সহযোগিতার মাধ্যমেই সন্ত্রাসবাদ নির্মূলের পথ তৈরি সম্ভব।

এই ঘটনার পর তুরস্কের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। সীমান্ত, বিমানবন্দরসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থানে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে জনগণকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে, একই সঙ্গে সন্ত্রাসবাদ বিরোধী পদক্ষেপে নাগরিক সহায়তার প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরা হয়েছে।