০২:৪৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬
শিরোনাম :
কুষ্টিয়ায় বক্তব্যরত অবস্থায় জামায়াতের জেলা আমীরের মৃত্যু বাংলাদেশিদের জন্য ভিসায় বন্ড বাধ্যতামূলক করল যুক্তরাষ্ট্র নির্বাচনী নিরাপত্তায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রায় ৯ লাখ সদস্য, ডগ স্কোয়াড ও ড্রোন নজরদারি ঘুমের ঘোরে কথা বলা; মনের কথা নাকি মস্তিষ্কের বিশেষ আচরণ? খুলনায় আমির হামজার বিরুদ্ধে মামলা গ্রিনল্যান্ড দখলে সামরিক শক্তি ব্যবহারের বিপক্ষে মার্কিন জনগণ স্পেনে দুই হাইস্পিড ট্রেনের মুখোমুখি সংঘর্ষ, নিহত অন্তত ২১ আলিফ হত্যা মামলার শুনানিতে চিন্ময় কৃষ্ণসহ ২৩ আসামি আদালতে জনসম্মুখে প্রথমবার বক্তব্য রাখলেন জাইমা রহমান হৃদয় ম্যাজিকে রংপুরের জয়, এক ম্যাচে জোড়া সেঞ্চুরি

কাশ্মীর ইস্যুতে মধ্যস্থতার প্রস্তাব ট্রাম্পের, ভারতের প্রতিক্রিয়া কী?

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১০:৩৯:২১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ মে ২০২৫
  • / 97

ছবি: সংগৃহীত

 

যুক্তরাষ্ট্রের সক্রিয় কূটনৈতিক তৎপরতায় ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধবিরতির একদিন পরই, কাশ্মীর ইস্যুতে এক ঐতিহাসিক মন্তব্য করে বসেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র এই দীর্ঘকালীন বিরোধের সমাধানে মধ্যস্থতার জন্য প্রস্তুত এবং এই পুরোনো সমস্যার স্থায়ী সমাধান খুঁজে বের করতে কাজ করবে।

কাশ্মীর নিয়ে ট্রাম্পের এমন প্রস্তাবকে পাকিস্তান স্বাগত জানালেও নিশ্চুপ ছিল ভারত। তবে মঙ্গলবার এ বিষয়ে মুখ খুললেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব রণধীর জয়সওয়াল। কাশ্মীর ইস্যুতে ভারত সরকারের অবস্থান আবারও স্পষ্ট করলেন তিনি।

[bsa_pro_ad_space id=2]

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি জানিয়েছে, মঙ্গলবার বিকেলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে ডাকা এক সংবাদ সম্মেলনে জয়সওয়ালকে প্রশ্ন করা হয়- ‘কাশ্মীর ইস্যুতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মধ্যস্থতা করার প্রস্তাব দিয়েছেন। এ বিষয়ে সরকারের অবস্থান কী?’ জাবাবে পররাষ্ট্র সচিব বলেন, কাশ্মীর একটি দ্বিপাক্ষিক ইস্যু ছিল, দ্বিপাক্ষিক ইস্যু আছে এবং থাকবে।

মার্কিন প্রেসিডেন্টের চাপে পড়ে যুদ্ধবিরতিতে বাধ্য হয়েছে ভারত?—এমন প্রশ্নের জবাবে জয়সওয়াল বলেন, ৭ মে, অপারেশন সিঁদুরের শুরু থেকে ১০ মে, সংঘর্ষবিরতি ঘোষণা পর্যন্ত আমেরিকা এবং ভারতের নেতৃত্বের মধ্যে নিয়মিতভাবে কথা হয়েছে। তৎকালীন উদ্ভুত সামরিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়েছে বারবার। কিন্তু কোনো আলোচনায় ব্যবসায়িক চাপের কথা উঠে আসেনি।

উল্লেখ্য, রোববার (১১ মে) সকালে নিজের সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ট্রুথ সোশ্যালে এক পোস্টে ট্রাম্প লেখেন, ‘আমি গর্বিত যে যুক্তরাষ্ট্র এই ঐতিহাসিক ও বীরত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে সহায়তা করতে পেরেছে। ভারত ও পাকিস্তানের শক্তিশালী নেতৃত্ব যুদ্ধবিরতি ঘোষণার মাধ্যমে লাখো নিরীহ মানুষের প্রাণ রক্ষা পেয়েছে।’

ট্রাম্প আরও লেখেন, যদিও এটা নিয়ে সরাসরি আলোচনা হয়নি, আমি ভারত ও পাকিস্তানের সঙ্গে বাণিজ্য বাড়াতে যাচ্ছি এবং আমি চেষ্টা করব কাশ্মীর নিয়ে ‘হাজার বছরের পুরোনো সমস্যার’ একটি সমাধানে পৌঁছাতে।

কাশ্মীর সমস্যার সমাধানে ট্রাম্পের এমন আগ্রহ প্রকাশের পর উৎসাহ দেখায় পাকিস্তান। তবে ভারত সরকার এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেনি। অনেকে মনে করছেন, ট্রাম্পের এমন অবস্থানে হয়ত চাপে পড়বে ভারত। সত্যিই যদি ট্রাম্প এমনটা চিন্তা করে থাকেন তবে তা হয়ত কাশ্মীরের স্বাধীনতার পথও খুলতে পারে।

নিউজটি শেয়ার করুন

[bsa_pro_ad_space id=4]

কাশ্মীর ইস্যুতে মধ্যস্থতার প্রস্তাব ট্রাম্পের, ভারতের প্রতিক্রিয়া কী?

আপডেট সময় ১০:৩৯:২১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ মে ২০২৫

 

যুক্তরাষ্ট্রের সক্রিয় কূটনৈতিক তৎপরতায় ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধবিরতির একদিন পরই, কাশ্মীর ইস্যুতে এক ঐতিহাসিক মন্তব্য করে বসেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র এই দীর্ঘকালীন বিরোধের সমাধানে মধ্যস্থতার জন্য প্রস্তুত এবং এই পুরোনো সমস্যার স্থায়ী সমাধান খুঁজে বের করতে কাজ করবে।

কাশ্মীর নিয়ে ট্রাম্পের এমন প্রস্তাবকে পাকিস্তান স্বাগত জানালেও নিশ্চুপ ছিল ভারত। তবে মঙ্গলবার এ বিষয়ে মুখ খুললেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব রণধীর জয়সওয়াল। কাশ্মীর ইস্যুতে ভারত সরকারের অবস্থান আবারও স্পষ্ট করলেন তিনি।

[bsa_pro_ad_space id=2]

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি জানিয়েছে, মঙ্গলবার বিকেলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে ডাকা এক সংবাদ সম্মেলনে জয়সওয়ালকে প্রশ্ন করা হয়- ‘কাশ্মীর ইস্যুতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মধ্যস্থতা করার প্রস্তাব দিয়েছেন। এ বিষয়ে সরকারের অবস্থান কী?’ জাবাবে পররাষ্ট্র সচিব বলেন, কাশ্মীর একটি দ্বিপাক্ষিক ইস্যু ছিল, দ্বিপাক্ষিক ইস্যু আছে এবং থাকবে।

মার্কিন প্রেসিডেন্টের চাপে পড়ে যুদ্ধবিরতিতে বাধ্য হয়েছে ভারত?—এমন প্রশ্নের জবাবে জয়সওয়াল বলেন, ৭ মে, অপারেশন সিঁদুরের শুরু থেকে ১০ মে, সংঘর্ষবিরতি ঘোষণা পর্যন্ত আমেরিকা এবং ভারতের নেতৃত্বের মধ্যে নিয়মিতভাবে কথা হয়েছে। তৎকালীন উদ্ভুত সামরিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়েছে বারবার। কিন্তু কোনো আলোচনায় ব্যবসায়িক চাপের কথা উঠে আসেনি।

উল্লেখ্য, রোববার (১১ মে) সকালে নিজের সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ট্রুথ সোশ্যালে এক পোস্টে ট্রাম্প লেখেন, ‘আমি গর্বিত যে যুক্তরাষ্ট্র এই ঐতিহাসিক ও বীরত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে সহায়তা করতে পেরেছে। ভারত ও পাকিস্তানের শক্তিশালী নেতৃত্ব যুদ্ধবিরতি ঘোষণার মাধ্যমে লাখো নিরীহ মানুষের প্রাণ রক্ষা পেয়েছে।’

ট্রাম্প আরও লেখেন, যদিও এটা নিয়ে সরাসরি আলোচনা হয়নি, আমি ভারত ও পাকিস্তানের সঙ্গে বাণিজ্য বাড়াতে যাচ্ছি এবং আমি চেষ্টা করব কাশ্মীর নিয়ে ‘হাজার বছরের পুরোনো সমস্যার’ একটি সমাধানে পৌঁছাতে।

কাশ্মীর সমস্যার সমাধানে ট্রাম্পের এমন আগ্রহ প্রকাশের পর উৎসাহ দেখায় পাকিস্তান। তবে ভারত সরকার এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেনি। অনেকে মনে করছেন, ট্রাম্পের এমন অবস্থানে হয়ত চাপে পড়বে ভারত। সত্যিই যদি ট্রাম্প এমনটা চিন্তা করে থাকেন তবে তা হয়ত কাশ্মীরের স্বাধীনতার পথও খুলতে পারে।