ঢাকা ১১:৩৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
‎নরেন্দ্র মোদি বিক্ষোভের মুখে সংসদ ছাড়লেন, রণক্ষেত্র দিল্লিতে ‎মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ইরানের পাল্টা হামলার দাবি ‎আজ রাতেও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস, ১৬ অঞ্চলে দমকা হাওয়ার সতর্কতা ‎বিশ্বকাপ ফাইনাল দেখতে গিয়ে নিখোঁজ যুবক, সকালে মিলল মরদেহ ‎আর্জেন্টিনার হার মেনে নিতে না পেরে দুই জনের মৃত্যু সীমান্তে ১০৯ কিমি কাঁটাতারের বেড়ার পরিকল্পনা সরকারের: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কৌশলের ভুলে শিরোপা হারাল আর্জেন্টিনা; বিবিসির বিশ্লেষণ দিল্লিতে বিক্ষোভ ঘিরে সংঘর্ষ, ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ রিজেন্টের সেই সাহেদ ফের গ্রেপ্তার সচিব পদমর্যাদায় প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন

বেলুচিস্তানে সেনা অভিযানে নিহত ১০ সন্ত্রাসী, উত্তপ্ত চোতির এলাকা

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৬:০৬:৩০ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৫
  • / 197

ছবি: সংগৃহীত

 

পাকিস্তানের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় সীমান্তবর্তী প্রদেশ বেলুচিস্তানে দেশটির সেনাবাহিনীর অভিযানে সশস্ত্র গোষ্ঠীর অন্তত ১০ জন সদস্য নিহত হয়েছে। কেচ ও জিয়ারাত জেলায় পরিচালিত এই অভিযানে সেনাবাহিনীর সঙ্গে তুমুল বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটে। বুধবার (৩০ এপ্রিল) পাকিস্তান সেনাবাহিনীর আন্তঃসংযোগ দপ্তর (আইএসপিআর) এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

বিবৃতিতে জানানো হয়, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে সোমবার (২৮ এপ্রিল) ও মঙ্গলবার কেচ এবং জিয়ারাত জেলায় যৌথ অভিযান চালায় সেনা ও নিরাপত্তা বাহিনী। অভিযানে জিয়ারাতের সাত জন এবং কেচের তিন জন সন্ত্রাসী নিহত হয়। নিহতরা ‘খারিজি’ গোষ্ঠীর সদস্য বলে উল্লেখ করেছে আইএসপিআর, যারা পাকিস্তানের সামরিক বাহিনী ও সাধারণ নাগরিকদের ওপর হামলায় জড়িত ছিল।

আরও পড়ুন  অস্ট্রিয়ার স্কুলে রক্তক্ষয়ী হামলা: নিহত বেড়ে ১১, বন্দুকধারী ছিল কে?

আইএসপিআর জানায়, অভিযানে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদ জব্দ করা হয়েছে। সন্ত্রাসবাদ দমন এবং দেশকে সন্ত্রাসমুক্ত করার লড়াই অব্যাহত থাকবে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে বিবৃতিতে। পাকিস্তানের মূল ভূখণ্ড থেকে সন্ত্রাস নির্মূল করতে সেনাবাহিনী অঙ্গীকারবদ্ধ বলে জানানো হয়।

ডনের সঙ্গে আলাপে সেনাবাহিনীর একজন কর্মকর্তা জানান, কেচ জেলার অভিযান তুলনামূলকভাবে নির্বিঘ্নে সম্পন্ন হলেও জিয়ারাত জেলার চোতির এলাকায় চালানো অভিযান ছিল অত্যন্ত কঠিন ও দীর্ঘস্থায়ী। সেখানে সশস্ত্র গোষ্ঠীর সঙ্গে দুই ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে গোলাগুলি হয়। সংঘর্ষের একপর্যায়ে সন্ত্রাসীরা সেনাবাহিনীর দিকে কয়েকটি হ্যান্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে বলেও জানান তিনি।

বেলুচিস্তান দীর্ঘদিন ধরেই বিচ্ছিন্নতাবাদ ও সন্ত্রাসবাদের জন্য স্পর্শকাতর এলাকা হিসেবে পরিচিত। প্রদেশটিতে সেনাবাহিনীর সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান নিয়মিত হলেও সাম্প্রতিক সময়ে হামলার তীব্রতা বেড়েছে। নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, এই ধরনের অভিযান সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোর ওপর চাপ সৃষ্টি করলেও, পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনতে প্রয়োজন দীর্ঘমেয়াদী কৌশল ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা।

নিউজটি শেয়ার করুন

বেলুচিস্তানে সেনা অভিযানে নিহত ১০ সন্ত্রাসী, উত্তপ্ত চোতির এলাকা

আপডেট সময় ০৬:০৬:৩০ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৫

 

পাকিস্তানের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় সীমান্তবর্তী প্রদেশ বেলুচিস্তানে দেশটির সেনাবাহিনীর অভিযানে সশস্ত্র গোষ্ঠীর অন্তত ১০ জন সদস্য নিহত হয়েছে। কেচ ও জিয়ারাত জেলায় পরিচালিত এই অভিযানে সেনাবাহিনীর সঙ্গে তুমুল বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটে। বুধবার (৩০ এপ্রিল) পাকিস্তান সেনাবাহিনীর আন্তঃসংযোগ দপ্তর (আইএসপিআর) এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

বিবৃতিতে জানানো হয়, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে সোমবার (২৮ এপ্রিল) ও মঙ্গলবার কেচ এবং জিয়ারাত জেলায় যৌথ অভিযান চালায় সেনা ও নিরাপত্তা বাহিনী। অভিযানে জিয়ারাতের সাত জন এবং কেচের তিন জন সন্ত্রাসী নিহত হয়। নিহতরা ‘খারিজি’ গোষ্ঠীর সদস্য বলে উল্লেখ করেছে আইএসপিআর, যারা পাকিস্তানের সামরিক বাহিনী ও সাধারণ নাগরিকদের ওপর হামলায় জড়িত ছিল।

আরও পড়ুন  গাজায় ইসরায়েলের বিমান হামলায় একদিনে নিহত ৮৪

আইএসপিআর জানায়, অভিযানে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদ জব্দ করা হয়েছে। সন্ত্রাসবাদ দমন এবং দেশকে সন্ত্রাসমুক্ত করার লড়াই অব্যাহত থাকবে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে বিবৃতিতে। পাকিস্তানের মূল ভূখণ্ড থেকে সন্ত্রাস নির্মূল করতে সেনাবাহিনী অঙ্গীকারবদ্ধ বলে জানানো হয়।

ডনের সঙ্গে আলাপে সেনাবাহিনীর একজন কর্মকর্তা জানান, কেচ জেলার অভিযান তুলনামূলকভাবে নির্বিঘ্নে সম্পন্ন হলেও জিয়ারাত জেলার চোতির এলাকায় চালানো অভিযান ছিল অত্যন্ত কঠিন ও দীর্ঘস্থায়ী। সেখানে সশস্ত্র গোষ্ঠীর সঙ্গে দুই ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে গোলাগুলি হয়। সংঘর্ষের একপর্যায়ে সন্ত্রাসীরা সেনাবাহিনীর দিকে কয়েকটি হ্যান্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে বলেও জানান তিনি।

বেলুচিস্তান দীর্ঘদিন ধরেই বিচ্ছিন্নতাবাদ ও সন্ত্রাসবাদের জন্য স্পর্শকাতর এলাকা হিসেবে পরিচিত। প্রদেশটিতে সেনাবাহিনীর সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান নিয়মিত হলেও সাম্প্রতিক সময়ে হামলার তীব্রতা বেড়েছে। নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, এই ধরনের অভিযান সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোর ওপর চাপ সৃষ্টি করলেও, পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনতে প্রয়োজন দীর্ঘমেয়াদী কৌশল ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা।