ঢাকা ০৩:১৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম :
নাটোরে ৪৫ টাকা চা বিলকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ১২ মধুখালীতে বাস-ট্রাক সংঘর্ষে সুপারভাইজার নিহত, আহত ১৫ শাহজালাল বিমানবন্দরে আনসার সদস্যদের যাতায়াত সহজে বিশেষ বাস সেবা চালু ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি হবে পরিকল্পনার মাধ্যমে: প্রধানমন্ত্রী আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই ভোজ্যতেলের দাম নির্ধারণ: বাণিজ্যমন্ত্রী কলকাতা ভ্রমণে বাংলাদেশিদের জন্য উপহাইকমিশনের সতর্কবার্তা নেপালের ভয়াবহ দুর্যোগে সহায়তার হাত বাড়াল বাংলাদেশ ছিনতাইয়ের ঘটনায় শিক্ষিকার মৃত্যু: উদ্ধার বাইক নিয়ে প্রশ্ন, ডিবির ছায়া তদন্ত বিমানবাহিনী ছেড়ে এবার যাত্রীবাহী বিমান চালাবেন অভিনন্দন ‘সুইপার আর হারপিক নিয়ে আসেন, আমি ক্লিন করব’: কৃষিমন্ত্রী

ইসরাইলি সেনা থাকলে অস্ত্র ছাড়বে না হিজবুল্লাহ: নাঈম কাশেমের হুঁশিয়ারি

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১০:০৬:৫৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২০ এপ্রিল ২০২৫
  • / 496

ছবি সংগৃহীত

 

 

লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলে ইসরাইলি বাহিনীর উপস্থিতি অব্যাহত থাকলে হিজবুল্লাহ কখনও অস্ত্র ছাড়বে না এমন কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন সংগঠনটির ডেপুটি সেক্রেটারি জেনারেল শেখ নাঈম কাশেম। শুক্রবার টেলিভিশনে প্রচারিত এক ভিডিও বার্তায় তিনি সমর্থকদের উদ্দেশে এ বার্তা দেন।

আরও পড়ুন  হিজবুল্লাহ নিরস্ত্রীকরণে লেবাননের মন্ত্রিসভার পরিকল্পনার ধাপসমূহ

কাশেম বলেন, “যতদিন আমাদের ভূমিতে ইসরাইলি দখলদারদের উপস্থিতি থাকবে, ততদিন প্রতিরোধ চালিয়ে যাবো। অস্ত্র ত্যাগ মানে হবে আত্মসমর্পণ। আর আমরা কখনো আত্মসমর্পণ করবো না।”

তিনি আরও বলেন, “এই অস্ত্র আমাদের অস্তিত্বের প্রতীক, আমাদের প্রতিরোধ শক্তির মূল ভিত্তি। এই অস্ত্রই আমাদের জনগণকে নিরাপত্তা, স্বাধীনতা ও সম্মান দিয়েছে। আমাদের মাতৃভূমিকে রক্ষা করেছে বারবার।”

হিজবুল্লাহর শীর্ষ এ নেতা স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেন, যদি তাদের নিরস্ত্র করতে কেউ হামলা চালায়, তাহলে তারা উপযুক্ত জবাব দেবে। “আমাদের অস্ত্র কেড়ে নেয়ার চেষ্টা হলে আমরা তার জবাব সেই ভাষাতেই দেবো ইসরাইল, যুক্তরাষ্ট্র কিংবা তাদের যেকোনো মিত্র হোক না কেন।”

তিনি অভিযোগ করেন, নভেম্বরে যেই যুদ্ধবিরতির চুক্তি হয়েছিল, হিজবুল্লাহ তা পুরোপুরি মেনে চললেও ইসরাইল বারবার তা লঙ্ঘন করেছে। বিশেষ করে চুক্তিতে স্পষ্টভাবে বলা ছিল, দক্ষিণ লেবানন থেকে ইসরাইলি সেনা প্রত্যাহার করবে তেলআভিভ। কিন্তু এখনো নেতানিয়াহুর বাহিনী সেখানে সক্রিয়ভাবে ঘোরাফেরা করছে।

এদিকে ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপি শনিবার এক গোপন সূত্রের বরাতে জানিয়েছে, হিজবুল্লাহ এখন পর্যন্ত লিতানি নদীর আশেপাশে থাকা ২৬৫টি সামরিক ঘাঁটির মধ্যে ১৯০টি লেবাননের সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তর করেছে। এ ঘটনাকে কেউ কেউ হিজবুল্লাহর নমনীয়তা হিসেবে দেখলেও সংগঠনটির শীর্ষ নেতৃত্ব বারবার জানিয়ে দিয়েছে এটি কৌশলগত পদক্ষেপ, কোনোভাবেই আত্মসমর্পণ নয়।

দক্ষিণ লেবাননের পরিস্থিতি নিয়ে দিনদিন আন্তর্জাতিক উদ্বেগ বাড়লেও, হিজবুল্লাহর বার্তা স্পষ্ট নিজেদের ভূমিতে দখলদারদের উপস্থিতি থাকলে তারা কখনও মাথা নত করবে না।

নিউজটি শেয়ার করুন

ইসরাইলি সেনা থাকলে অস্ত্র ছাড়বে না হিজবুল্লাহ: নাঈম কাশেমের হুঁশিয়ারি

আপডেট সময় ১০:০৬:৫৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২০ এপ্রিল ২০২৫

 

 

লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলে ইসরাইলি বাহিনীর উপস্থিতি অব্যাহত থাকলে হিজবুল্লাহ কখনও অস্ত্র ছাড়বে না এমন কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন সংগঠনটির ডেপুটি সেক্রেটারি জেনারেল শেখ নাঈম কাশেম। শুক্রবার টেলিভিশনে প্রচারিত এক ভিডিও বার্তায় তিনি সমর্থকদের উদ্দেশে এ বার্তা দেন।

আরও পড়ুন  গাজায় যুদ্ধবিরতি চুক্তি চূড়ান্ত পর্যায়ে, জানালেন ফিলিস্তিনি কর্মকর্তা

কাশেম বলেন, “যতদিন আমাদের ভূমিতে ইসরাইলি দখলদারদের উপস্থিতি থাকবে, ততদিন প্রতিরোধ চালিয়ে যাবো। অস্ত্র ত্যাগ মানে হবে আত্মসমর্পণ। আর আমরা কখনো আত্মসমর্পণ করবো না।”

তিনি আরও বলেন, “এই অস্ত্র আমাদের অস্তিত্বের প্রতীক, আমাদের প্রতিরোধ শক্তির মূল ভিত্তি। এই অস্ত্রই আমাদের জনগণকে নিরাপত্তা, স্বাধীনতা ও সম্মান দিয়েছে। আমাদের মাতৃভূমিকে রক্ষা করেছে বারবার।”

হিজবুল্লাহর শীর্ষ এ নেতা স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেন, যদি তাদের নিরস্ত্র করতে কেউ হামলা চালায়, তাহলে তারা উপযুক্ত জবাব দেবে। “আমাদের অস্ত্র কেড়ে নেয়ার চেষ্টা হলে আমরা তার জবাব সেই ভাষাতেই দেবো ইসরাইল, যুক্তরাষ্ট্র কিংবা তাদের যেকোনো মিত্র হোক না কেন।”

তিনি অভিযোগ করেন, নভেম্বরে যেই যুদ্ধবিরতির চুক্তি হয়েছিল, হিজবুল্লাহ তা পুরোপুরি মেনে চললেও ইসরাইল বারবার তা লঙ্ঘন করেছে। বিশেষ করে চুক্তিতে স্পষ্টভাবে বলা ছিল, দক্ষিণ লেবানন থেকে ইসরাইলি সেনা প্রত্যাহার করবে তেলআভিভ। কিন্তু এখনো নেতানিয়াহুর বাহিনী সেখানে সক্রিয়ভাবে ঘোরাফেরা করছে।

এদিকে ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপি শনিবার এক গোপন সূত্রের বরাতে জানিয়েছে, হিজবুল্লাহ এখন পর্যন্ত লিতানি নদীর আশেপাশে থাকা ২৬৫টি সামরিক ঘাঁটির মধ্যে ১৯০টি লেবাননের সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তর করেছে। এ ঘটনাকে কেউ কেউ হিজবুল্লাহর নমনীয়তা হিসেবে দেখলেও সংগঠনটির শীর্ষ নেতৃত্ব বারবার জানিয়ে দিয়েছে এটি কৌশলগত পদক্ষেপ, কোনোভাবেই আত্মসমর্পণ নয়।

দক্ষিণ লেবাননের পরিস্থিতি নিয়ে দিনদিন আন্তর্জাতিক উদ্বেগ বাড়লেও, হিজবুল্লাহর বার্তা স্পষ্ট নিজেদের ভূমিতে দখলদারদের উপস্থিতি থাকলে তারা কখনও মাথা নত করবে না।