ঢাকা ০৯:৫৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
‎নরেন্দ্র মোদি বিক্ষোভের মুখে সংসদ ছাড়লেন, রণক্ষেত্র দিল্লিতে ‎মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ইরানের পাল্টা হামলার দাবি ‎আজ রাতেও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস, ১৬ অঞ্চলে দমকা হাওয়ার সতর্কতা ‎বিশ্বকাপ ফাইনাল দেখতে গিয়ে নিখোঁজ যুবক, সকালে মিলল মরদেহ ‎আর্জেন্টিনার হার মেনে নিতে না পেরে দুই জনের মৃত্যু সীমান্তে ১০৯ কিমি কাঁটাতারের বেড়ার পরিকল্পনা সরকারের: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কৌশলের ভুলে শিরোপা হারাল আর্জেন্টিনা; বিবিসির বিশ্লেষণ দিল্লিতে বিক্ষোভ ঘিরে সংঘর্ষ, ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ রিজেন্টের সেই সাহেদ ফের গ্রেপ্তার সচিব পদমর্যাদায় প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন

ট্রাম্পের শুল্ক যুদ্ধের প্রভাবে বিশ্ববাজারে সোনার দাম ছুঁতে পারে ৩৭০০ ডলার

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০২:৩৫:৩৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৫
  • / 439

ছবি সংগৃহীত

 

 

বিশ্ববাজারে আবারও বাড়ছে সোনার ঝলক। যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পাল্টা শুল্ক আরোপের ঘোষণার পরই এর প্রভাব পড়তে শুরু করেছে বাজারে। ফলে নতুন করে উচ্চতার দিকে যাচ্ছে সোনার দাম।

আরও পড়ুন  পানামা খাল নিয়ন্ত্রণে যুক্তরাষ্ট্রের বড় জয়ের ইঙ্গিত, ট্রাম্পের কৌশলগত বিজয়

বিনিয়োগ খাতের বিশাল প্রতিষ্ঠান গোল্ডম্যান স্যাক্স আশঙ্কা করছে, ২০২৫ সালের শেষ নাগাদ প্রতি আউন্স সোনার দাম ৩ হাজার ৭০০ ডলারে পৌঁছাতে পারে। প্রতিষ্ঠানটি আগের পূর্বাভাসে বলেছিল, দাম উঠবে ৩ হাজার ৩০০ ডলার পর্যন্ত। তবে সাম্প্রতিক মূল্যায়নে তারা জানায়, বাজার পরিস্থিতি অনুযায়ী সোনার দাম ৩ হাজার ৬৫০ থেকে ৩ হাজার ৯৫০ ডলারের মধ্যে ওঠানামা করতে পারে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ কারণে বাড়ছে সোনার এই ঊর্ধ্বগতি। প্রথমত, বিশ্বের বিভিন্ন কেন্দ্রীয় ব্যাংক ব্যাপক হারে সোনা কিনছে, যা সোনার চাহিদা বাড়িয়ে দিচ্ছে। দ্বিতীয়ত, সোনাভিত্তিক এক্সচেঞ্জ ট্রেডেড ফান্ডে (ইটিএফ) বিনিয়োগ বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে, যা মূল্যবৃদ্ধিতে আরও সহায়ক হতে পারে।

বিশ্ব অর্থনীতিতে যদি মন্দার আভাস দেখা দেয়, তাহলে বিনিয়োগকারীরা নিরাপদ সম্পদ হিসেবে সোনার প্রতি আরও ঝুঁকবেন। রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এমন পরিস্থিতিতে সোনার দাম এক লাফে বেড়ে ৩ হাজার ৮৮০ ডলারে পৌঁছাতে পারে। তবে যদি রাজনৈতিক ও নীতিগত স্থিতিশীলতা ফিরে আসে, তাহলে দাম কিছুটা কমলেও ৩ হাজার ৫৫০ ডলারে ওঠার সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানায় গোল্ডম্যান স্যাক্স।

ওয়ার্ল্ড গোল্ড কাউন্সিলের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরে বিশ্বজুড়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলো প্রতি মাসে প্রায় ৮০ মেট্রিক টন সোনা কিনছে, যেখানে গত বছর এই হার ছিল ৭০ মেট্রিক টন। ২০২৩ সালে সারা বিশ্বে সোনা বেচাকেনা হয়েছে ৪ হাজার ৯৭৪ টন। আর টানা তৃতীয় বছরের মতো কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলো ১ হাজার টনের বেশি সোনা কিনছে। গত বছর সবচেয়ে বেশি সোনা কিনেছে পোল্যান্ড—প্রায় ৯০ টন।

এদিকে, গোল্ডপ্রাইস ডট অর্গ-এর তথ্যমতে, বর্তমানে বিশ্ববাজারে প্রতি আউন্স সোনার দাম ৩ হাজার ৩১৫ ডলার। যদিও আজ কিছুটা দরপতন হয়েছে, তবুও গত এক মাসে সোনার দাম বেড়েছে ২৭৯ ডলার এবং বছরে বেড়েছে ৯২৬ ডলার।

দেশীয় বাজারেও এর প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। বিনিয়োগকারীরা অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার মাঝে সোনাকেই দেখছেন সবচেয়ে নিরাপদ আশ্রয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্রাম্পের শুল্ক যুদ্ধের প্রভাবে বিশ্ববাজারে সোনার দাম ছুঁতে পারে ৩৭০০ ডলার

আপডেট সময় ০২:৩৫:৩৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৫

 

 

বিশ্ববাজারে আবারও বাড়ছে সোনার ঝলক। যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পাল্টা শুল্ক আরোপের ঘোষণার পরই এর প্রভাব পড়তে শুরু করেছে বাজারে। ফলে নতুন করে উচ্চতার দিকে যাচ্ছে সোনার দাম।

আরও পড়ুন  সৌদি সফরে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী, পুতিনের সঙ্গে শিগগিরই সাক্ষাৎয়ের ঘোষণা ট্রাম্পের

বিনিয়োগ খাতের বিশাল প্রতিষ্ঠান গোল্ডম্যান স্যাক্স আশঙ্কা করছে, ২০২৫ সালের শেষ নাগাদ প্রতি আউন্স সোনার দাম ৩ হাজার ৭০০ ডলারে পৌঁছাতে পারে। প্রতিষ্ঠানটি আগের পূর্বাভাসে বলেছিল, দাম উঠবে ৩ হাজার ৩০০ ডলার পর্যন্ত। তবে সাম্প্রতিক মূল্যায়নে তারা জানায়, বাজার পরিস্থিতি অনুযায়ী সোনার দাম ৩ হাজার ৬৫০ থেকে ৩ হাজার ৯৫০ ডলারের মধ্যে ওঠানামা করতে পারে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ কারণে বাড়ছে সোনার এই ঊর্ধ্বগতি। প্রথমত, বিশ্বের বিভিন্ন কেন্দ্রীয় ব্যাংক ব্যাপক হারে সোনা কিনছে, যা সোনার চাহিদা বাড়িয়ে দিচ্ছে। দ্বিতীয়ত, সোনাভিত্তিক এক্সচেঞ্জ ট্রেডেড ফান্ডে (ইটিএফ) বিনিয়োগ বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে, যা মূল্যবৃদ্ধিতে আরও সহায়ক হতে পারে।

বিশ্ব অর্থনীতিতে যদি মন্দার আভাস দেখা দেয়, তাহলে বিনিয়োগকারীরা নিরাপদ সম্পদ হিসেবে সোনার প্রতি আরও ঝুঁকবেন। রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এমন পরিস্থিতিতে সোনার দাম এক লাফে বেড়ে ৩ হাজার ৮৮০ ডলারে পৌঁছাতে পারে। তবে যদি রাজনৈতিক ও নীতিগত স্থিতিশীলতা ফিরে আসে, তাহলে দাম কিছুটা কমলেও ৩ হাজার ৫৫০ ডলারে ওঠার সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানায় গোল্ডম্যান স্যাক্স।

ওয়ার্ল্ড গোল্ড কাউন্সিলের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরে বিশ্বজুড়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলো প্রতি মাসে প্রায় ৮০ মেট্রিক টন সোনা কিনছে, যেখানে গত বছর এই হার ছিল ৭০ মেট্রিক টন। ২০২৩ সালে সারা বিশ্বে সোনা বেচাকেনা হয়েছে ৪ হাজার ৯৭৪ টন। আর টানা তৃতীয় বছরের মতো কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলো ১ হাজার টনের বেশি সোনা কিনছে। গত বছর সবচেয়ে বেশি সোনা কিনেছে পোল্যান্ড—প্রায় ৯০ টন।

এদিকে, গোল্ডপ্রাইস ডট অর্গ-এর তথ্যমতে, বর্তমানে বিশ্ববাজারে প্রতি আউন্স সোনার দাম ৩ হাজার ৩১৫ ডলার। যদিও আজ কিছুটা দরপতন হয়েছে, তবুও গত এক মাসে সোনার দাম বেড়েছে ২৭৯ ডলার এবং বছরে বেড়েছে ৯২৬ ডলার।

দেশীয় বাজারেও এর প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। বিনিয়োগকারীরা অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার মাঝে সোনাকেই দেখছেন সবচেয়ে নিরাপদ আশ্রয়।