ঢাকা ০২:৩৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম :
নাটোরে ৪৫ টাকা চা বিলকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ১২ মধুখালীতে বাস-ট্রাক সংঘর্ষে সুপারভাইজার নিহত, আহত ১৫ শাহজালাল বিমানবন্দরে আনসার সদস্যদের যাতায়াত সহজে বিশেষ বাস সেবা চালু ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি হবে পরিকল্পনার মাধ্যমে: প্রধানমন্ত্রী আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই ভোজ্যতেলের দাম নির্ধারণ: বাণিজ্যমন্ত্রী কলকাতা ভ্রমণে বাংলাদেশিদের জন্য উপহাইকমিশনের সতর্কবার্তা নেপালের ভয়াবহ দুর্যোগে সহায়তার হাত বাড়াল বাংলাদেশ ছিনতাইয়ের ঘটনায় শিক্ষিকার মৃত্যু: উদ্ধার বাইক নিয়ে প্রশ্ন, ডিবির ছায়া তদন্ত বিমানবাহিনী ছেড়ে এবার যাত্রীবাহী বিমান চালাবেন অভিনন্দন ‘সুইপার আর হারপিক নিয়ে আসেন, আমি ক্লিন করব’: কৃষিমন্ত্রী

ই*স*রা*য়ে*লের ভয়াবহ হামলা গা/জা/য় আরো ২৫ ফিলিস্তিনি নিহত

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৮:৩৫:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৫
  • / 472

ছবি সংগৃহীত

 

গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি বাহিনীর সর্বশেষ হামলায় আরও ২৫ ফিলিস্তিনি প্রাণ হারিয়েছেন। বুধবার সকাল থেকে বিভিন্ন এলাকায় চালানো এই হামলায় হতাহতের সংখ্যা বাড়তে থাকে। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা জানায়, নতুন এ মৃত্যুর ঘটনায় গাজায় মোট নিহতের সংখ্যা গিয়ে দাঁড়িয়েছে ৫১ হাজার ২৫ জনে।

২০২৫ সালের ১৮ মার্চ হামাস ও ইসরায়েলের মধ্যকার যুদ্ধবিরতি ভঙ্গ হওয়ার পর থেকেই সহিংসতা বেড়েছে। এই সময়ের মধ্যে ইসরায়েলি হামলায় কমপক্ষে ১ হাজার ৬৫২ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন এবং আহত হয়েছেন আরও ৪ হাজার ৩৯১ জন।

আরও পড়ুন  ফিলিস্তিনের দূত ইউসুফ রামাদানের সাথে সেনাপ্রধানের সৌজন্য সাক্ষাৎ, গাজা সংকটে গভীর শোক প্রকাশ

তবে যুদ্ধের সূত্রপাত ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে। ওই দিন থেকে শুরু হওয়া লাগাতার হামলায় এ পর্যন্ত গাজা উপত্যকায় প্রাণ হারিয়েছেন ৫১ হাজার ২৫ জন ফিলিস্তিনি। এছাড়া আহত হয়েছেন অন্তত ১ লাখ ১৬ হাজার ৪৩২ জন। ধারণা করা হচ্ছে, এখনো হাজার হাজার মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন, যাদের অধিকাংশই ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে আছেন।

এদিকে, মানবিক সহায়তা বন্ধ থাকায় গাজায় ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ, অপুষ্টি ও রোগবালাই ছড়িয়ে পড়েছে। ২ মার্চ থেকে ইসরায়েলি অবরোধের কারণে কোনো ত্রাণসামগ্রী প্রবেশ করতে পারেনি বলে জানিয়েছে জাতিসংঘ ও অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংস্থা। ফলে সাধারণ মানুষের জীবন বিপন্ন হয়ে উঠেছে।

গাজা থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত তিন সপ্তাহে ইসরায়েলি হামলা ও অবরোধের কারণে প্রায় ৪ লাখ মানুষ তাদের ঘরবাড়ি ছেড়ে নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছেন। এই বাস্তুচ্যুতির ফলে সংকট আরও ঘনীভূত হয়েছে।

মানবাধিকার সংগঠনগুলো বলছে, এ ধরনের অবরোধ ও হামলা আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন লঙ্ঘনের শামিল। বিশ্বজুড়ে চলমান চাপ ও প্রতিবাদের পরও সহিংসতা থামার কোনো ইঙ্গিত নেই।

গাজার মানবিক পরিস্থিতি দিন দিন আরও ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে, যেখানে খাদ্য, ওষুধ ও পানীয় জলের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কার্যকর হস্তক্ষেপ ছাড়া পরিস্থিতির উন্নতির কোনো সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে না।

নিউজটি শেয়ার করুন

ই*স*রা*য়ে*লের ভয়াবহ হামলা গা/জা/য় আরো ২৫ ফিলিস্তিনি নিহত

আপডেট সময় ০৮:৩৫:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৫

 

গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি বাহিনীর সর্বশেষ হামলায় আরও ২৫ ফিলিস্তিনি প্রাণ হারিয়েছেন। বুধবার সকাল থেকে বিভিন্ন এলাকায় চালানো এই হামলায় হতাহতের সংখ্যা বাড়তে থাকে। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা জানায়, নতুন এ মৃত্যুর ঘটনায় গাজায় মোট নিহতের সংখ্যা গিয়ে দাঁড়িয়েছে ৫১ হাজার ২৫ জনে।

২০২৫ সালের ১৮ মার্চ হামাস ও ইসরায়েলের মধ্যকার যুদ্ধবিরতি ভঙ্গ হওয়ার পর থেকেই সহিংসতা বেড়েছে। এই সময়ের মধ্যে ইসরায়েলি হামলায় কমপক্ষে ১ হাজার ৬৫২ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন এবং আহত হয়েছেন আরও ৪ হাজার ৩৯১ জন।

আরও পড়ুন  ইসরাইল, হামাস, কাতার এবং আমেরিকার প্রতিনিধিরা আজ দোহায় গাজা যুদ্ধ বিরতি

তবে যুদ্ধের সূত্রপাত ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে। ওই দিন থেকে শুরু হওয়া লাগাতার হামলায় এ পর্যন্ত গাজা উপত্যকায় প্রাণ হারিয়েছেন ৫১ হাজার ২৫ জন ফিলিস্তিনি। এছাড়া আহত হয়েছেন অন্তত ১ লাখ ১৬ হাজার ৪৩২ জন। ধারণা করা হচ্ছে, এখনো হাজার হাজার মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন, যাদের অধিকাংশই ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে আছেন।

এদিকে, মানবিক সহায়তা বন্ধ থাকায় গাজায় ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ, অপুষ্টি ও রোগবালাই ছড়িয়ে পড়েছে। ২ মার্চ থেকে ইসরায়েলি অবরোধের কারণে কোনো ত্রাণসামগ্রী প্রবেশ করতে পারেনি বলে জানিয়েছে জাতিসংঘ ও অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংস্থা। ফলে সাধারণ মানুষের জীবন বিপন্ন হয়ে উঠেছে।

গাজা থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত তিন সপ্তাহে ইসরায়েলি হামলা ও অবরোধের কারণে প্রায় ৪ লাখ মানুষ তাদের ঘরবাড়ি ছেড়ে নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছেন। এই বাস্তুচ্যুতির ফলে সংকট আরও ঘনীভূত হয়েছে।

মানবাধিকার সংগঠনগুলো বলছে, এ ধরনের অবরোধ ও হামলা আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন লঙ্ঘনের শামিল। বিশ্বজুড়ে চলমান চাপ ও প্রতিবাদের পরও সহিংসতা থামার কোনো ইঙ্গিত নেই।

গাজার মানবিক পরিস্থিতি দিন দিন আরও ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে, যেখানে খাদ্য, ওষুধ ও পানীয় জলের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কার্যকর হস্তক্ষেপ ছাড়া পরিস্থিতির উন্নতির কোনো সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে না।