ঢাকা ০২:২১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
প্রথমার্ধে গোলশূন্য; রক্ষণ সামলাতেই ব্যস্ত আর্জেন্টিনা ‎বিতর্ক এড়াতে ফাইনালে সাত দেশের রেফারি জুলাই সনদ বিতর্কের ইতি টানার উচিত: মির্জা ফখরুলের ‎শাপলা চত্বর হত্যাকাণ্ডে ৫৮ নিহতের পরিচয় শনাক্ত: চিফ প্রসিকিউটর জিম্বাবুয়েকে ১৪৩ রানে থামাল বাংলাদেশ, লক্ষ্য ১৪৪ রাজনৈতিক পক্ষপাত ছাড়াই দায়িত্ব পালনের আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ‎গণমাধ্যমের তোষামোদী সংস্কৃতি এখনো রয়ে গেছে— মির্জা ফখরুল ‎সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচে টস হেরে বোলিংয়ে বাংলাদেশ, একাদশে দুই পরিবর্তন জুলাই বিপ্লবে বিএনপির ১৭ বছরের আন্দোলন সফল হয়েছে: রিজভী জর্ডানের মার্কিন ঘাঁটিতে হামলার পর নতুন দাবি তেহরানের

নতুন সরকারের পর রোজার পণ্য আমদানিতে সক্রিয় ৩১৭ প্রতিষ্ঠান, বেড়েছে আমদানিও

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১০:২৩:৫০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৪ মার্চ ২০২৫
  • / 429

ছবি সংগৃহীত

 

নতুন সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের পর এবার রোজার বাজারে দেখা গেছে ভিন্ন চিত্র। চলতি বছরে রোজার নিত্যপণ্য আমদানিতে নতুন করে সক্রিয় হয়েছে ৩১৭টি প্রতিষ্ঠান, যাদের অনেকে এর আগে আমদানির সঙ্গে যুক্ত ছিল না। এতে একদিকে যেমন বাজারে পণ্যের সরবরাহ বেড়েছে, তেমনি প্রতিযোগিতাও ফিরে এসেছে যা ক্রেতাদের জন্য ইতিবাচক।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) তথ্য বলছে, জানুয়ারি থেকে ১১ মার্চ পর্যন্ত সময়ে ৪৯৯টি প্রতিষ্ঠান ছোলা, ডাল, খেজুর, তেল, গমসহ রোজার প্রধান আটটি পণ্য আমদানি করেছে। এর মধ্যে ৩১৭টি প্রতিষ্ঠান নতুন বা আগে সক্রিয় ছিল না। গতবার সক্রিয় ছিল এমন ১৮১টি প্রতিষ্ঠান এবার আর আমদানিতে নেই।

আরও পড়ুন  ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান নিয়ন্ত্রণে নতুন অধ্যাদেশ: সরকার নিতে পারবে সাময়িক মালিকানা

নতুনদের মধ্যে রয়েছে সামুদা এডিবল অয়েল, সৈনিক ট্রেডার্স, ইনফিনাইট হরাইজন করপোরেশন, এমজি গ্লোবাল ট্রেড, সহোদর এন্টারপ্রাইজসহ আরও অনেকে। চট্টগ্রাম, গাজীপুর, ঢাকা ও বগুড়ার এসব প্রতিষ্ঠান প্রথমবারের মতো বড় অঙ্কের পণ্য আমদানি করেছে। তাদের মধ্যে কেউ কেউ কোটি ডলারের বেশি মূল্যের ডাল, গম ও তেল আমদানি করেছে।

প্রতিযোগিতা বাড়ায় আমদানির পরিমাণ গত বছরের তুলনায় প্রায় ৯ লাখ টন বেড়ে দাঁড়িয়েছে সাড়ে ৩৫ লাখ টনে। ফলে বাজারে পণ্যের সংকট নেই, বরং কিছু পণ্যের দাম স্থিতিশীল বা কমেছে।

অন্যদিকে, আলোচিত এস আলম গ্রুপ, বেক্সিমকো ফুডস, দেশবন্ধু সুগার মিলসসহ একাধিক বড় প্রতিষ্ঠান এবার আমদানিতে নিষ্ক্রিয়। রাজনৈতিক পটপরিবর্তন, আর্থিক অনিয়ম ও ব্যাংকঋণের জটিলতার কারণে এ সিদ্ধান্ত বলে মনে করছেন বাজার সংশ্লিষ্টরা।

মেঘনা গ্রুপের চেয়ারম্যান মোস্তফা কামাল বলেন, “নতুন আমদানিকারকদের অংশগ্রহণ বাজারে সুস্থ প্রতিযোগিতা ফিরিয়ে এনেছে, যা দেশের খাদ্য নিরাপত্তার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।”

সব মিলিয়ে রোজার বাজারে এবার আমদানিতে নতুন উদ্যম, নতুন মুখ বাজার ব্যবস্থায় এক স্বস্তির পরশ।

নিউজটি শেয়ার করুন

নতুন সরকারের পর রোজার পণ্য আমদানিতে সক্রিয় ৩১৭ প্রতিষ্ঠান, বেড়েছে আমদানিও

আপডেট সময় ১০:২৩:৫০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৪ মার্চ ২০২৫

 

নতুন সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের পর এবার রোজার বাজারে দেখা গেছে ভিন্ন চিত্র। চলতি বছরে রোজার নিত্যপণ্য আমদানিতে নতুন করে সক্রিয় হয়েছে ৩১৭টি প্রতিষ্ঠান, যাদের অনেকে এর আগে আমদানির সঙ্গে যুক্ত ছিল না। এতে একদিকে যেমন বাজারে পণ্যের সরবরাহ বেড়েছে, তেমনি প্রতিযোগিতাও ফিরে এসেছে যা ক্রেতাদের জন্য ইতিবাচক।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) তথ্য বলছে, জানুয়ারি থেকে ১১ মার্চ পর্যন্ত সময়ে ৪৯৯টি প্রতিষ্ঠান ছোলা, ডাল, খেজুর, তেল, গমসহ রোজার প্রধান আটটি পণ্য আমদানি করেছে। এর মধ্যে ৩১৭টি প্রতিষ্ঠান নতুন বা আগে সক্রিয় ছিল না। গতবার সক্রিয় ছিল এমন ১৮১টি প্রতিষ্ঠান এবার আর আমদানিতে নেই।

আরও পড়ুন  চট্টগ্রাম বন্দরে সচল আমদানি-রফতানি কার্যক্রম, স্বস্তি ফিরেছে ব্যবসায়ীদের

নতুনদের মধ্যে রয়েছে সামুদা এডিবল অয়েল, সৈনিক ট্রেডার্স, ইনফিনাইট হরাইজন করপোরেশন, এমজি গ্লোবাল ট্রেড, সহোদর এন্টারপ্রাইজসহ আরও অনেকে। চট্টগ্রাম, গাজীপুর, ঢাকা ও বগুড়ার এসব প্রতিষ্ঠান প্রথমবারের মতো বড় অঙ্কের পণ্য আমদানি করেছে। তাদের মধ্যে কেউ কেউ কোটি ডলারের বেশি মূল্যের ডাল, গম ও তেল আমদানি করেছে।

প্রতিযোগিতা বাড়ায় আমদানির পরিমাণ গত বছরের তুলনায় প্রায় ৯ লাখ টন বেড়ে দাঁড়িয়েছে সাড়ে ৩৫ লাখ টনে। ফলে বাজারে পণ্যের সংকট নেই, বরং কিছু পণ্যের দাম স্থিতিশীল বা কমেছে।

অন্যদিকে, আলোচিত এস আলম গ্রুপ, বেক্সিমকো ফুডস, দেশবন্ধু সুগার মিলসসহ একাধিক বড় প্রতিষ্ঠান এবার আমদানিতে নিষ্ক্রিয়। রাজনৈতিক পটপরিবর্তন, আর্থিক অনিয়ম ও ব্যাংকঋণের জটিলতার কারণে এ সিদ্ধান্ত বলে মনে করছেন বাজার সংশ্লিষ্টরা।

মেঘনা গ্রুপের চেয়ারম্যান মোস্তফা কামাল বলেন, “নতুন আমদানিকারকদের অংশগ্রহণ বাজারে সুস্থ প্রতিযোগিতা ফিরিয়ে এনেছে, যা দেশের খাদ্য নিরাপত্তার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।”

সব মিলিয়ে রোজার বাজারে এবার আমদানিতে নতুন উদ্যম, নতুন মুখ বাজার ব্যবস্থায় এক স্বস্তির পরশ।