ঢাকা ০৪:৫৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
প্রথমার্ধে গোলশূন্য; রক্ষণ সামলাতেই ব্যস্ত আর্জেন্টিনা ‎বিতর্ক এড়াতে ফাইনালে সাত দেশের রেফারি জুলাই সনদ বিতর্কের ইতি টানার উচিত: মির্জা ফখরুলের ‎শাপলা চত্বর হত্যাকাণ্ডে ৫৮ নিহতের পরিচয় শনাক্ত: চিফ প্রসিকিউটর জিম্বাবুয়েকে ১৪৩ রানে থামাল বাংলাদেশ, লক্ষ্য ১৪৪ রাজনৈতিক পক্ষপাত ছাড়াই দায়িত্ব পালনের আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ‎গণমাধ্যমের তোষামোদী সংস্কৃতি এখনো রয়ে গেছে— মির্জা ফখরুল ‎সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচে টস হেরে বোলিংয়ে বাংলাদেশ, একাদশে দুই পরিবর্তন জুলাই বিপ্লবে বিএনপির ১৭ বছরের আন্দোলন সফল হয়েছে: রিজভী জর্ডানের মার্কিন ঘাঁটিতে হামলার পর নতুন দাবি তেহরানের
শিল্প ও বাণিজ্য

ডিসেম্বরে আমদানির রেকর্ড: ব্যবসায় চাঙাভাবের ইঙ্গিত

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১০:০৯:৩৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৫
  • / 359

ছবি সংগৃহীত

 

গত আগস্টে দেশের রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর ব্যবসা-বাণিজ্যে মন্দাভাব ছিল স্পষ্ট। ঋণপত্র খোলা, ডলারের মূল্যবৃদ্ধি এবং ব্যাংকিং খাতের সংকটের কারণে আমদানি কার্যক্রমে স্থবিরতা দেখা দেয়। তবে ব্যবসায়ীদের শঙ্কা দূর করে, গত ডিসেম্বরে পণ্যের আমদানিতে রেকর্ড হয়েছে।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) তথ্য অনুযায়ী, ডিসেম্বরে মোট ১ কোটি ৩৪ লাখ টন পণ্য আমদানি হয়েছে, যা গত ৩৩ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ। শুল্কায়ন মূল্যের দিক থেকেও ডিসেম্বরে ৭৩৮ কোটি মার্কিন ডলারের পণ্য আমদানি হয়, যা ১৯ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ।

আরও পড়ুন  শার্শার কুলের বাজারে ব্যস্ততার ভিড়, লাভবান হচ্ছেন চাষীরা 

নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য ও শিল্পের কাঁচামালের আমদানিতে উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি দেখা গেছে। ডিসেম্বরে চাল আমদানি হয় ১ লাখ ৩৬ হাজার টন, যেখানে আগের বছরের একই সময়ে আমদানি ছিল শূন্য। গম আমদানি বেড়ে দাঁড়ায় ৭ লাখ ৪১ হাজার টনে, যা ৭৩ শতাংশ বেশি।

পেঁয়াজ ও ডালের আমদানিতে সবচেয়ে বেশি প্রবৃদ্ধি দেখা যায়। পেঁয়াজ আমদানি ২১৩ শতাংশ বেড়ে হয় ৮২ হাজার টন, আর ডাল আমদানি ১৬৭ শতাংশ বেড়ে দাঁড়ায় ১ লাখ ৯৫ হাজার টনে। শিল্প খাতে তুলা, ক্লিংকার ও এলপি গ্যাসের আমদানিও যথাক্রমে ৬, ১৯ ও ৫৪ শতাংশ বেড়েছে।

ডিসেম্বরে আমদানির এই ঊর্ধ্বগতি ব্যবসা-বাণিজ্যে স্থিতিশীলতার ইঙ্গিত দেয়। চলমান চ্যালেঞ্জ থাকা সত্ত্বেও, আমদানি বৃদ্ধির এই ধারা অর্থনীতির জন্য একটি ইতিবাচক সিগন্যাল।

নিউজটি শেয়ার করুন

শিল্প ও বাণিজ্য

ডিসেম্বরে আমদানির রেকর্ড: ব্যবসায় চাঙাভাবের ইঙ্গিত

আপডেট সময় ১০:০৯:৩৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৫

 

গত আগস্টে দেশের রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর ব্যবসা-বাণিজ্যে মন্দাভাব ছিল স্পষ্ট। ঋণপত্র খোলা, ডলারের মূল্যবৃদ্ধি এবং ব্যাংকিং খাতের সংকটের কারণে আমদানি কার্যক্রমে স্থবিরতা দেখা দেয়। তবে ব্যবসায়ীদের শঙ্কা দূর করে, গত ডিসেম্বরে পণ্যের আমদানিতে রেকর্ড হয়েছে।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) তথ্য অনুযায়ী, ডিসেম্বরে মোট ১ কোটি ৩৪ লাখ টন পণ্য আমদানি হয়েছে, যা গত ৩৩ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ। শুল্কায়ন মূল্যের দিক থেকেও ডিসেম্বরে ৭৩৮ কোটি মার্কিন ডলারের পণ্য আমদানি হয়, যা ১৯ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ।

আরও পড়ুন  লোকসানে কৃষকের হতাশা: কমছে সবজি চাষের প্রবণতা

নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য ও শিল্পের কাঁচামালের আমদানিতে উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি দেখা গেছে। ডিসেম্বরে চাল আমদানি হয় ১ লাখ ৩৬ হাজার টন, যেখানে আগের বছরের একই সময়ে আমদানি ছিল শূন্য। গম আমদানি বেড়ে দাঁড়ায় ৭ লাখ ৪১ হাজার টনে, যা ৭৩ শতাংশ বেশি।

পেঁয়াজ ও ডালের আমদানিতে সবচেয়ে বেশি প্রবৃদ্ধি দেখা যায়। পেঁয়াজ আমদানি ২১৩ শতাংশ বেড়ে হয় ৮২ হাজার টন, আর ডাল আমদানি ১৬৭ শতাংশ বেড়ে দাঁড়ায় ১ লাখ ৯৫ হাজার টনে। শিল্প খাতে তুলা, ক্লিংকার ও এলপি গ্যাসের আমদানিও যথাক্রমে ৬, ১৯ ও ৫৪ শতাংশ বেড়েছে।

ডিসেম্বরে আমদানির এই ঊর্ধ্বগতি ব্যবসা-বাণিজ্যে স্থিতিশীলতার ইঙ্গিত দেয়। চলমান চ্যালেঞ্জ থাকা সত্ত্বেও, আমদানি বৃদ্ধির এই ধারা অর্থনীতির জন্য একটি ইতিবাচক সিগন্যাল।