ঢাকা ০৮:৪৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬

ই-ট্রাফিক ব্যবস্থা: জরিমানা না দিলে পরোয়ানা

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৬:২১:০২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ মে ২০২৬
  • / 141

ছবি সংগৃহীত

 

ঢাকা মহানগরীর ট্রাফিক ব্যবস্থাকে আধুনিকায়ন এবং শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে নতুন ‘ই-ট্রাফিক প্রসিকিউশন’ ব্যবস্থা চালু করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। এখন থেকে সড়কে ট্রাফিক আইন অমান্য করলে সিসি ক্যামেরার মাধ্যমে ভিডিও বা স্থিরচিত্র ধারণ করে সরাসরি মালিকের ঠিকানায় স্বয়ংক্রিয় নোটিশ পাঠানো হবে। আজ রবিবার (৩ মে) ডিএমপির ভারপ্রাপ্ত কমিশনার মো. সরওয়ার স্বাক্ষরিত এক গণবিজ্ঞপ্তিতে এই কঠোর ব্যবস্থার কথা জানানো হয়েছে।

স্বয়ংক্রিয় নোটিশ ও পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া
ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগ জানিয়েছে, ঢাকা মহানগরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে এআই (AI) প্রযুক্তিসম্পন্ন সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। এসব ক্যামেরার ফুটেজ বিশ্লেষণ করে ট্রাফিক আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে ডিজিটাল প্রসিকিউশন বা মামলা দায়ের করা হচ্ছে। নোটিশটি রেজিস্ট্রি ডাকযোগে সংশ্লিষ্ট যানবাহনের মালিক বা চালকের ঠিকানায় পৌঁছে যাবে।
নোটিশ পাওয়ার পর করণীয়:
মালিক বা চালককে ডিএমপি সদর দপ্তর অথবা সংশ্লিষ্ট ট্রাফিক বিভাগে হাজির হতে হবে।
সড়ক পরিবহন আইন ২০১৮ অনুযায়ী নির্ধারিত জরিমানা ব্যাংক বা মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে পরিশোধ করে মামলা নিষ্পত্তি করতে হবে।

আরও পড়ুন  ফ্রান্সের সঙ্গে সহযোগিতা বাড়াতে চায় বাংলাদেশ: ড. মঈন খান

হাজিরা না দিলে গ্রেফতারি পরোয়ানা
গণবিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্টভাবে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে যে, নোটিশ পাওয়ার পরও যদি কোনো মালিক বা চালক নির্ধারিত সময়ে ট্রাফিক বিভাগে হাজির না হন, তবে তাদের বিরুদ্ধে আদালতের মাধ্যমে সমন বা সরাসরি গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির কার্যক্রম শুরু করা হবে। এই প্রক্রিয়াটি ডিএমপির স্পেশাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের মাধ্যমে বাস্তবায়ন করা হবে।

যেসব অপরাধে হচ্ছে ডিজিটাল মামলা
উন্নত প্রযুক্তির সিসি ক্যামেরার মাধ্যমে মূলত নিচের অপরাধগুলো শনাক্ত করা হচ্ছে:
লাল বাতির সিগন্যাল অমান্য করা।
স্টপ লাইন (Stop Line) অতিক্রম করা।
উল্টো পথে যানবাহন চালানো।
রাস্তার বাম দিকের লেন (Left Lane) ব্লক করে রাখা।
অবৈধ পার্কিং ও যত্রতত্র যাত্রী উঠানামা করিয়ে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি।
রেজিস্ট্রেশন ও ফিটনেসবিহীন যানবাহন চালানো।

প্রতারণা এড়াতে ডিএমপির পরামর্শ
ডিজিটাল প্রসিকিউশনের নামে কোনো অসাধু চক্র যেন নাগরিকদের কাছ থেকে অর্থ হাতিয়ে নিতে না পারে, সে লক্ষ্যে বিশেষ সতর্কতা জারি করেছে ডিএমপি। ভিডিও বা সিসি ক্যামেরা মামলার নাম ব্যবহার করে ব্যক্তিগত কোনো তথ্য চাওয়া হলে বা কোনো ব্যক্তিগত নম্বরে অর্থ পরিশোধের বার্তা দিলে তাতে সাড়া না দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এ ধরনের কোনো সন্দেহজনক পরিস্থিতি তৈরি হলে তাৎক্ষণিক নিকটস্থ থানা অথবা ট্রাফিক বিভাগে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ই-ট্রাফিক ব্যবস্থা: জরিমানা না দিলে পরোয়ানা

আপডেট সময় ০৬:২১:০২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ মে ২০২৬

 

ঢাকা মহানগরীর ট্রাফিক ব্যবস্থাকে আধুনিকায়ন এবং শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে নতুন ‘ই-ট্রাফিক প্রসিকিউশন’ ব্যবস্থা চালু করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। এখন থেকে সড়কে ট্রাফিক আইন অমান্য করলে সিসি ক্যামেরার মাধ্যমে ভিডিও বা স্থিরচিত্র ধারণ করে সরাসরি মালিকের ঠিকানায় স্বয়ংক্রিয় নোটিশ পাঠানো হবে। আজ রবিবার (৩ মে) ডিএমপির ভারপ্রাপ্ত কমিশনার মো. সরওয়ার স্বাক্ষরিত এক গণবিজ্ঞপ্তিতে এই কঠোর ব্যবস্থার কথা জানানো হয়েছে।

স্বয়ংক্রিয় নোটিশ ও পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া
ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগ জানিয়েছে, ঢাকা মহানগরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে এআই (AI) প্রযুক্তিসম্পন্ন সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। এসব ক্যামেরার ফুটেজ বিশ্লেষণ করে ট্রাফিক আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে ডিজিটাল প্রসিকিউশন বা মামলা দায়ের করা হচ্ছে। নোটিশটি রেজিস্ট্রি ডাকযোগে সংশ্লিষ্ট যানবাহনের মালিক বা চালকের ঠিকানায় পৌঁছে যাবে।
নোটিশ পাওয়ার পর করণীয়:
মালিক বা চালককে ডিএমপি সদর দপ্তর অথবা সংশ্লিষ্ট ট্রাফিক বিভাগে হাজির হতে হবে।
সড়ক পরিবহন আইন ২০১৮ অনুযায়ী নির্ধারিত জরিমানা ব্যাংক বা মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে পরিশোধ করে মামলা নিষ্পত্তি করতে হবে।

আরও পড়ুন  পাকিস্তান সিরিজে হোয়াইটওয়াশ বাংলাদেশ, জয়খরা কাটছেই না টাইগারদের

হাজিরা না দিলে গ্রেফতারি পরোয়ানা
গণবিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্টভাবে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে যে, নোটিশ পাওয়ার পরও যদি কোনো মালিক বা চালক নির্ধারিত সময়ে ট্রাফিক বিভাগে হাজির না হন, তবে তাদের বিরুদ্ধে আদালতের মাধ্যমে সমন বা সরাসরি গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির কার্যক্রম শুরু করা হবে। এই প্রক্রিয়াটি ডিএমপির স্পেশাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের মাধ্যমে বাস্তবায়ন করা হবে।

যেসব অপরাধে হচ্ছে ডিজিটাল মামলা
উন্নত প্রযুক্তির সিসি ক্যামেরার মাধ্যমে মূলত নিচের অপরাধগুলো শনাক্ত করা হচ্ছে:
লাল বাতির সিগন্যাল অমান্য করা।
স্টপ লাইন (Stop Line) অতিক্রম করা।
উল্টো পথে যানবাহন চালানো।
রাস্তার বাম দিকের লেন (Left Lane) ব্লক করে রাখা।
অবৈধ পার্কিং ও যত্রতত্র যাত্রী উঠানামা করিয়ে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি।
রেজিস্ট্রেশন ও ফিটনেসবিহীন যানবাহন চালানো।

প্রতারণা এড়াতে ডিএমপির পরামর্শ
ডিজিটাল প্রসিকিউশনের নামে কোনো অসাধু চক্র যেন নাগরিকদের কাছ থেকে অর্থ হাতিয়ে নিতে না পারে, সে লক্ষ্যে বিশেষ সতর্কতা জারি করেছে ডিএমপি। ভিডিও বা সিসি ক্যামেরা মামলার নাম ব্যবহার করে ব্যক্তিগত কোনো তথ্য চাওয়া হলে বা কোনো ব্যক্তিগত নম্বরে অর্থ পরিশোধের বার্তা দিলে তাতে সাড়া না দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এ ধরনের কোনো সন্দেহজনক পরিস্থিতি তৈরি হলে তাৎক্ষণিক নিকটস্থ থানা অথবা ট্রাফিক বিভাগে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে।