ঢাকা ১১:৩৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬
শিরোনাম :
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে সৌদি আরব সফরের আমন্ত্রণ জানালেন যুবরাজ বিন সালমান ত্রুটি-বিচ্যুতি খুঁজে বের করুন, শুধু ভিউর জন্য সমালোচনা নয়: সেতুমন্ত্রী বদলে গেল এয়ারটেলের নাম, নতুন পরিচয় ‘সার্কেল’ এ বছরের মধ্যেই নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়ন হবে: অর্থমন্ত্রী ৬ মাসে যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা ভারতীয় ৪৫৯৬ নাগরিককে ফেরত পাঠিয়েছে আইনশৃঙ্খলার উন্নতি হয়েছে, তবে জনপ্রত্যাশা পূরণ হয়নি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী “ট্রেন কেড়ে নিয়েছিল দুই পা, হার মানাতে পারেনি মানিক মিয়াকে” সন্ধ্যার মধ্যে ১০ জেলায় বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস পে-স্কেলসহ ছয় মাসের কর্মকাণ্ড জানালেন মাহদী আমিন মানবতাবিরোধী অপরাধের মা*ম*লায় তিন সাংবাদিককে আসামি করা হচ্ছে

ঝিনাইদহে এসআই মিরাজুল হত্যা মামলায় ৪ জনের মৃত্যুদণ্ড, ৪ জনের যাবজ্জীবন

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৭:৩৪:০০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ জুলাই ২০২৫
  • / 646

ছবি সংগৃহীত

 

ঝিনাইদহের ডাকবাংলো পুলিশ ক্যাম্পের সাবেক ইনচার্জ উপপরিদর্শক (এসআই) মিরাজুল ইসলাম হত্যা মামলায় চারজনের মৃত্যুদণ্ড এবং চারজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। আজ সোমবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ঝিনাইদহের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মাহাবুব আলম এ রায় ঘোষণা করেন।

ঝিনাইদহ আদালত পুলিশের পরিদর্শক মোক্তার হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি আমজাদ হোসেনকে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে। বাকি সাত আসামি পলাতক রয়েছেন।

আরও পড়ুন  শৈলকুপায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, আহত ১০

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন রাজবাড়ীর নিমতলা এলাকার আমজাদ হোসেন, লিয়াকত হোসেন, দক্ষিণ দৌলতদিয়ার আক্কাস আলী এবং ফরিদপুরের ভাটি লক্ষ্মীপুর গ্রামের আলম শেখ। এছাড়া যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্তরা হলেন ফরিদপুরের শোভারামপুর গ্রামের শাহীন, গোয়ালচামট গ্রামের মোহাম্মদ সাগর, টাপাখোলা গ্রামের নুরু খাঁ এবং যশোরের শেখহাটি খাঁপাড়ার মনির হোসেন।

মামলার নথি থেকে জানা যায়, ২০১১ সালের ২৩ আগস্ট রাতে ঝিনাইদহ শহরের বাস মালিক সমিতি অফিসের সামনে এক মোটরসাইকেল দুর্ঘটনা ঘটে। পুলিশ সেখানে পৌঁছালে মোটরসাইকেলের আরোহীরা পালিয়ে যায়। পরে পুলিশ দেখতে পায়, মোটরসাইকেলটি ছিল ডাকবাংলো পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ মিরাজুল ইসলামের। কিন্তু তার ফোন বন্ধ থাকায় সন্দেহ তৈরি হয়।

পরবর্তীতে পুলিশ জানতে পারে, সেদিন সন্ধ্যায় ইফতার শেষে নিজের নামে ইস্যুকৃত পিস্তল, গুলি, ম্যাগাজিনসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়ে মোটরসাইকেলে করে কর্মস্থলে ফিরছিলেন মিরাজুল ইসলাম। পরদিন সকালে ভেটেরিনারি কলেজের পূর্ব পাশের একটি পানিভর্তি ডোবা থেকে তার হাত–পা বাঁধা মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়।

এ ঘটনায় সদর থানায় অজ্ঞাতনামা কয়েকজনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করে পুলিশ। মামলার এজাহারে বলা হয়, মিরাজুল ইসলামের কাছে থাকা অস্ত্র ও অন্যান্য সরকারি মালামাল ছিনিয়ে নিতে তাকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে।

দীর্ঘ তদন্ত শেষে ২০১২ সালের ২৮ জানুয়ারি পুলিশ ১৫ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে। দীর্ঘ শুনানি শেষে আদালত আজ এই রায় ঘোষণা করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

ঝিনাইদহে এসআই মিরাজুল হত্যা মামলায় ৪ জনের মৃত্যুদণ্ড, ৪ জনের যাবজ্জীবন

আপডেট সময় ০৭:৩৪:০০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ জুলাই ২০২৫

 

ঝিনাইদহের ডাকবাংলো পুলিশ ক্যাম্পের সাবেক ইনচার্জ উপপরিদর্শক (এসআই) মিরাজুল ইসলাম হত্যা মামলায় চারজনের মৃত্যুদণ্ড এবং চারজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। আজ সোমবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ঝিনাইদহের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মাহাবুব আলম এ রায় ঘোষণা করেন।

ঝিনাইদহ আদালত পুলিশের পরিদর্শক মোক্তার হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি আমজাদ হোসেনকে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে। বাকি সাত আসামি পলাতক রয়েছেন।

আরও পড়ুন  ঝিনাইদহে পাওনা টাকা নিয়ে সংঘর্ষে ৫০ জন আহত, পুলিশ মোতায়েন

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন রাজবাড়ীর নিমতলা এলাকার আমজাদ হোসেন, লিয়াকত হোসেন, দক্ষিণ দৌলতদিয়ার আক্কাস আলী এবং ফরিদপুরের ভাটি লক্ষ্মীপুর গ্রামের আলম শেখ। এছাড়া যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্তরা হলেন ফরিদপুরের শোভারামপুর গ্রামের শাহীন, গোয়ালচামট গ্রামের মোহাম্মদ সাগর, টাপাখোলা গ্রামের নুরু খাঁ এবং যশোরের শেখহাটি খাঁপাড়ার মনির হোসেন।

মামলার নথি থেকে জানা যায়, ২০১১ সালের ২৩ আগস্ট রাতে ঝিনাইদহ শহরের বাস মালিক সমিতি অফিসের সামনে এক মোটরসাইকেল দুর্ঘটনা ঘটে। পুলিশ সেখানে পৌঁছালে মোটরসাইকেলের আরোহীরা পালিয়ে যায়। পরে পুলিশ দেখতে পায়, মোটরসাইকেলটি ছিল ডাকবাংলো পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ মিরাজুল ইসলামের। কিন্তু তার ফোন বন্ধ থাকায় সন্দেহ তৈরি হয়।

পরবর্তীতে পুলিশ জানতে পারে, সেদিন সন্ধ্যায় ইফতার শেষে নিজের নামে ইস্যুকৃত পিস্তল, গুলি, ম্যাগাজিনসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়ে মোটরসাইকেলে করে কর্মস্থলে ফিরছিলেন মিরাজুল ইসলাম। পরদিন সকালে ভেটেরিনারি কলেজের পূর্ব পাশের একটি পানিভর্তি ডোবা থেকে তার হাত–পা বাঁধা মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়।

এ ঘটনায় সদর থানায় অজ্ঞাতনামা কয়েকজনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করে পুলিশ। মামলার এজাহারে বলা হয়, মিরাজুল ইসলামের কাছে থাকা অস্ত্র ও অন্যান্য সরকারি মালামাল ছিনিয়ে নিতে তাকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে।

দীর্ঘ তদন্ত শেষে ২০১২ সালের ২৮ জানুয়ারি পুলিশ ১৫ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে। দীর্ঘ শুনানি শেষে আদালত আজ এই রায় ঘোষণা করেন।