ঢাকা ১২:৪৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

শৈলকুপায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, আহত ১০

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০১:৪১:৩৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ মার্চ ২০২৫
  • / 454

ছবি: সংগৃহীত

 

ঝিনাইদহের শৈলকুপায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুই গ্রুপের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। রবিবার রাত ৮টার দিকে উপজেলার বড়িয়া গ্রামে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে দুই পক্ষ। এতে অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন।

স্থানীয়রা জানান, বড়িয়া গ্রামের বিএনপি নেতা ও সাবেক ইউপি সদস্য সিয়াম মোল্লার সঙ্গে একই গ্রামের আরেক বিএনপি নেতা সুরাবের কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক বিরোধ চলছিল। সম্প্রতি এই দ্বন্দ্ব আরও তীব্র হয়। এর জের ধরেই রবিবার রাতে উভয় পক্ষের কর্মী-সমর্থকরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে একে অপরের ওপর হামলা চালায়।

আরও পড়ুন  ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সুদের টাকা নিয়ে সংঘর্ষ, নিহত ১, আহত ৩০

সংঘর্ষের ঘটনায় উভয় পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হন। আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর বলে জানা গেছে। তাদের শৈলকুপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

খবর পেয়ে শৈলকুপা থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। শৈলকুপা থানার ওসি মাসুম খান জানান, “সংঘর্ষের খবর পাওয়ার পরই পুলিশ সেখানে গিয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করে। বর্তমানে এলাকার পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।”

এই সংঘর্ষের পর বড়িয়া গ্রামে রাজনৈতিক উত্তেজনা বিরাজ করছে। স্থানীয়রা আশঙ্কা করছেন, ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা আবারও ঘটতে পারে। তবে পুলিশ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে এবং পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

শৈলকুপায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, আহত ১০

আপডেট সময় ০১:৪১:৩৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ মার্চ ২০২৫

 

ঝিনাইদহের শৈলকুপায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুই গ্রুপের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। রবিবার রাত ৮টার দিকে উপজেলার বড়িয়া গ্রামে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে দুই পক্ষ। এতে অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন।

স্থানীয়রা জানান, বড়িয়া গ্রামের বিএনপি নেতা ও সাবেক ইউপি সদস্য সিয়াম মোল্লার সঙ্গে একই গ্রামের আরেক বিএনপি নেতা সুরাবের কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক বিরোধ চলছিল। সম্প্রতি এই দ্বন্দ্ব আরও তীব্র হয়। এর জের ধরেই রবিবার রাতে উভয় পক্ষের কর্মী-সমর্থকরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে একে অপরের ওপর হামলা চালায়।

আরও পড়ুন  তিস্তার পানির ন্যায্য হিস্যার দাবিতে উত্তাল উত্তরাঞ্চল

সংঘর্ষের ঘটনায় উভয় পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হন। আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর বলে জানা গেছে। তাদের শৈলকুপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

খবর পেয়ে শৈলকুপা থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। শৈলকুপা থানার ওসি মাসুম খান জানান, “সংঘর্ষের খবর পাওয়ার পরই পুলিশ সেখানে গিয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করে। বর্তমানে এলাকার পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।”

এই সংঘর্ষের পর বড়িয়া গ্রামে রাজনৈতিক উত্তেজনা বিরাজ করছে। স্থানীয়রা আশঙ্কা করছেন, ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা আবারও ঘটতে পারে। তবে পুলিশ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে এবং পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে।