ঢাকা ০১:৫১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

আসামে শক্তিশালী ভূমিকম্প, কেঁপে উঠল বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চল

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৫:৫৬:২১ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ মে ২০২৬
  • / 123

ছবি: সংগৃহীত

ভারতের আসাম রাজ্যে আঘাত হানা পরপর দুটি ভূমিকম্পের প্রভাবে বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন জেলায় তীব্র কম্পন অনুভূত হয়েছে। শনিবার দুপুরে আসামের দক্ষিণ সালমারা-মানকাচার এলাকায় এই ভূকম্পন সংঘটিত হয় বলে জানিয়েছে অগ্ন্যুৎপাত ও ভূমিকম্প পর্যবেক্ষণকারী সংস্থাগুলো। ভারতের ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজি (এনসিএস) এবং ভলকানো ডিসকভারির তথ্যমতে, ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল ছিল আসামের ধুবরি ও বোঙ্গাইগাঁও অঞ্চল, যার প্রভাব বাংলাদেশের রংপুর, লালমনিরহাট, দিনাজপুর ও কুড়িগ্রাম পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ে।

ভলকানো ডিসকভারির প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রথম ভূমিকম্পটি স্থানীয় সময় দুপুর ২টা ৪০ মিনিটে আঘাত হানে। রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৪.৪ (কিছু সংস্থার মতে ৪.৫), যার উৎপত্তিস্থল ছিল আসামের ধুবরি এলাকা থেকে প্রায় ৩৪ কিলোমিটার দূরে। এর ঠিক ৩৭ মিনিট পর, বিকেল ৩টা ১৭ মিনিটে একই অঞ্চলে ৩.৬ মাত্রার আরও একটি ভূমিকম্প অনুভূত হয়। দ্বিতীয় কম্পনটির কেন্দ্রস্থল ছিল বোঙ্গাইগাঁও এলাকা থেকে প্রায় ৪৬ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে।

আবহাওয়া অধিদপ্তর ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, উভয় ভূমিকম্পই ছিল তুলনামূলক অগভীর। সাধারণত অগভীর ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় কম্পনের তীব্রতা বেশি অনুভূত হয়। বাংলাদেশের উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় কম্পনের সময় স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়লেও এখন পর্যন্ত কোনো ভবন ধস বা হতাহতের আনুষ্ঠানিক খবর পাওয়া যায়নি।

আরও পড়ুন  ভোর সকালে ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চল

রংপুর আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, বিকেল ৩টা ১০ মিনিটে অনুভূত হওয়া কম্পনটি কয়েক সেকেন্ড স্থায়ী ছিল। ঢাকার আগারগাঁও ভূকম্পন পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র থেকে এর উৎপত্তিস্থল ছিল উত্তর দিকে প্রায় ২৭১ কিলোমিটার দূরে। ভূমিকম্পের পরপরই উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জেলার বাসিন্দারা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজেদের অভিজ্ঞতার কথা জানান। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে এবং যেকোনো ধরনের পরবর্তী কম্পন বা আফটারশক মোকাবিলায় সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আসামে শক্তিশালী ভূমিকম্প, কেঁপে উঠল বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চল

আপডেট সময় ০৫:৫৬:২১ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ মে ২০২৬

ভারতের আসাম রাজ্যে আঘাত হানা পরপর দুটি ভূমিকম্পের প্রভাবে বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন জেলায় তীব্র কম্পন অনুভূত হয়েছে। শনিবার দুপুরে আসামের দক্ষিণ সালমারা-মানকাচার এলাকায় এই ভূকম্পন সংঘটিত হয় বলে জানিয়েছে অগ্ন্যুৎপাত ও ভূমিকম্প পর্যবেক্ষণকারী সংস্থাগুলো। ভারতের ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজি (এনসিএস) এবং ভলকানো ডিসকভারির তথ্যমতে, ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল ছিল আসামের ধুবরি ও বোঙ্গাইগাঁও অঞ্চল, যার প্রভাব বাংলাদেশের রংপুর, লালমনিরহাট, দিনাজপুর ও কুড়িগ্রাম পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ে।

ভলকানো ডিসকভারির প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রথম ভূমিকম্পটি স্থানীয় সময় দুপুর ২টা ৪০ মিনিটে আঘাত হানে। রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৪.৪ (কিছু সংস্থার মতে ৪.৫), যার উৎপত্তিস্থল ছিল আসামের ধুবরি এলাকা থেকে প্রায় ৩৪ কিলোমিটার দূরে। এর ঠিক ৩৭ মিনিট পর, বিকেল ৩টা ১৭ মিনিটে একই অঞ্চলে ৩.৬ মাত্রার আরও একটি ভূমিকম্প অনুভূত হয়। দ্বিতীয় কম্পনটির কেন্দ্রস্থল ছিল বোঙ্গাইগাঁও এলাকা থেকে প্রায় ৪৬ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে।

আবহাওয়া অধিদপ্তর ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, উভয় ভূমিকম্পই ছিল তুলনামূলক অগভীর। সাধারণত অগভীর ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় কম্পনের তীব্রতা বেশি অনুভূত হয়। বাংলাদেশের উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় কম্পনের সময় স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়লেও এখন পর্যন্ত কোনো ভবন ধস বা হতাহতের আনুষ্ঠানিক খবর পাওয়া যায়নি।

আরও পড়ুন  জাপানের ৭.১ মাত্রার ভূমিকম্প, সুনামি সতর্কতা

রংপুর আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, বিকেল ৩টা ১০ মিনিটে অনুভূত হওয়া কম্পনটি কয়েক সেকেন্ড স্থায়ী ছিল। ঢাকার আগারগাঁও ভূকম্পন পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র থেকে এর উৎপত্তিস্থল ছিল উত্তর দিকে প্রায় ২৭১ কিলোমিটার দূরে। ভূমিকম্পের পরপরই উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জেলার বাসিন্দারা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজেদের অভিজ্ঞতার কথা জানান। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে এবং যেকোনো ধরনের পরবর্তী কম্পন বা আফটারশক মোকাবিলায় সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে।