ঢাকা ০২:৫১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম :
‘আপনি দয়া করে সাবধান থাকবেন’, তারেক রহমানকে মির্জা আব্বাস স্বামীকে বেঁধে স্ত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টা, গ্রেপ্তার ৬ ইরান যুদ্ধের তথ্য ফাঁস, পেন্টাগনে ৫০ জনের পলিগ্রাফ পরীক্ষা ‘মায়ের মূর্ত প্রতীক’ খালেদা জিয়া: ভূমিমন্ত্রী কবর থেকে মরদেহ তুলে অন্যত্র দাফন, শামীমের মরদেহ দাফন হলো তিনবার কিছু রাজনৈতিক দল অরাজকতা পাঁয়তারা চেষ্টা করছে: প্রধানমন্ত্রী সিডনিতে শাবনূর-তাসকিনের জমজমাট বারবিকিউ আড্ডা এক্সপ্রেসওয়েতে মরদেহ; মেয়ের বিয়ের টাকা নিয়ে ঢাকায় ফিরছিলেন ইসমাইল রংপুর মেডিকেলে এক মাসে কাটবে আইসিইউ সংকট: ত্রাণমন্ত্রী নৌকা থেকে পড়া ছেলেকে উদ্ধার করতে গিয়ে বাবার মৃত্যু

ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে ঘরে ঘরে সুফল পৌঁছাবে: বগুড়ায় প্রধানমন্ত্রী

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৫:১০:৩৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬
  • / 119

ছবি সংগৃহীত

 

বিগত সরকারের আমলে দেশ থেকে অবৈধভাবে পাচার হওয়া অর্থ ফিরিয়ে এনে সরাসরি কৃষক ও সাধারণ মানুষের সেবায় ব্যয় করার ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
আজ সোমবার (২০ এপ্রিল) বগুড়ার গাবতলী উপজেলার বাগবাড়ীর শহীদ জিয়া ডিগ্রি কলেজ মাঠে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এই প্রতিশ্রুতি দেন। এদিন প্রধানমন্ত্রী সরকারি ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বিতরণ কার্যক্রমের দ্বিতীয় পর্যায়ের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী ৯১১ জন সুবিধাভোগীর হাতে বহুল প্রতীক্ষিত ফ্যামিলি কার্ড তুলে দেন। তিনি জানান, চলতি মাসের মধ্যেই দেশের ২৩টি উপজেলায় এই কার্ড পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে অভিযোগ করেন, বিগত শাসনামলে দেশ থেকে কোটি কোটি টাকা পাচার করা হয়েছে। বর্তমান সরকার সেই অর্থ পুনরুদ্ধার করে ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক সহায়তার মাধ্যমে জনগণের হাতে ফিরিয়ে দিতে বদ্ধপরিকর।

আরও পড়ুন  এসি-গাড়ির মালিকসহ যে ৬ শ্রেণির মানুষ ফ্যামিলি কার্ড পাবেন না

ফ্যামিলি কার্ডের গুরুত্ব তুলে ধরে তারেক রহমান বলেন, দেশকে সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নিতে নারী ও পুরুষ—উভয়কেই সমানভাবে সহযোগিতা করা সরকারের মূল লক্ষ্য। এই কার্ডের মাধ্যমে প্রান্তিক ও দুস্থ পরিবারগুলো সরাসরি সরকারি সহায়তা ও সুযোগ-সুবিধা ভোগ করতে পারবে, যা দেশের অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
বিশেষ করে গ্রামীণ অর্থনীতির চাকা সচল করতে এই প্রকল্প বিশেষ ভূমিকা রাখবে বলে তিনি দাবি করেন।

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী আরও জানান, কেবল কার্ড বিতরণই নয়, এই প্রকল্পের আওতায় সুবিধাভোগীরা যেন নিয়মিত ও স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় সুফল পান, সেদিকেও কঠোর নজরদারি রাখা হবে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, পাচার হওয়া টাকা ফিরিয়ে আনার এই রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়িত হলে তা দেশের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে নতুন গতির সঞ্চার করবে। অনুষ্ঠানে স্থানীয় ও কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ ছাড়াও কয়েক হাজার সাধারণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে ঘরে ঘরে সুফল পৌঁছাবে: বগুড়ায় প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৫:১০:৩৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬

 

বিগত সরকারের আমলে দেশ থেকে অবৈধভাবে পাচার হওয়া অর্থ ফিরিয়ে এনে সরাসরি কৃষক ও সাধারণ মানুষের সেবায় ব্যয় করার ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
আজ সোমবার (২০ এপ্রিল) বগুড়ার গাবতলী উপজেলার বাগবাড়ীর শহীদ জিয়া ডিগ্রি কলেজ মাঠে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এই প্রতিশ্রুতি দেন। এদিন প্রধানমন্ত্রী সরকারি ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বিতরণ কার্যক্রমের দ্বিতীয় পর্যায়ের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী ৯১১ জন সুবিধাভোগীর হাতে বহুল প্রতীক্ষিত ফ্যামিলি কার্ড তুলে দেন। তিনি জানান, চলতি মাসের মধ্যেই দেশের ২৩টি উপজেলায় এই কার্ড পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে অভিযোগ করেন, বিগত শাসনামলে দেশ থেকে কোটি কোটি টাকা পাচার করা হয়েছে। বর্তমান সরকার সেই অর্থ পুনরুদ্ধার করে ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক সহায়তার মাধ্যমে জনগণের হাতে ফিরিয়ে দিতে বদ্ধপরিকর।

আরও পড়ুন  ফ্যামিলি কার্ড বিতরণে রাজনৈতিক পক্ষপাতিত্ব হয়নি: অর্থমন্ত্রী

ফ্যামিলি কার্ডের গুরুত্ব তুলে ধরে তারেক রহমান বলেন, দেশকে সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নিতে নারী ও পুরুষ—উভয়কেই সমানভাবে সহযোগিতা করা সরকারের মূল লক্ষ্য। এই কার্ডের মাধ্যমে প্রান্তিক ও দুস্থ পরিবারগুলো সরাসরি সরকারি সহায়তা ও সুযোগ-সুবিধা ভোগ করতে পারবে, যা দেশের অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
বিশেষ করে গ্রামীণ অর্থনীতির চাকা সচল করতে এই প্রকল্প বিশেষ ভূমিকা রাখবে বলে তিনি দাবি করেন।

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী আরও জানান, কেবল কার্ড বিতরণই নয়, এই প্রকল্পের আওতায় সুবিধাভোগীরা যেন নিয়মিত ও স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় সুফল পান, সেদিকেও কঠোর নজরদারি রাখা হবে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, পাচার হওয়া টাকা ফিরিয়ে আনার এই রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়িত হলে তা দেশের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে নতুন গতির সঞ্চার করবে। অনুষ্ঠানে স্থানীয় ও কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ ছাড়াও কয়েক হাজার সাধারণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন।